সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য ¤ আমি কোনো মুসলিমকে আইসিসের বিরোধ করতে দেখিনি, কিন্তু হিন্দুকে দেখেছি আরএসএস এর বিরোধিতা করতে । ¤ আমি কোন মুসলিমকে দেখিনি দুর্গাপুজো কিংবা কালীপূজাতে পার্টি দিতে,কিন্তু হিন্দুকে দেখেছি ইফতার পার্টি দিতে । ¤ আমি কাশ্মীরে ভারতের পতাকা জ্বলতে দেখেছি,কিন্তু কোন মুসলিমকে দেখিনি পাকিস্তানের পতাকা জ্বালাতে । ¤আমি হিন্দুকে দেখেছি টুপি মাথায় মসজিদে ঢুকতে,কিন্তু কোন মুসলিমকে দেখিনি তিলক লাগিয়ে মন্দিরে ঢুকতে । ¤আমি মিডিয়াকে দেখেছি বিদেশের গুনগান করতে, কিন্তু দেখিনি মিডিয়াকে ভারতে সংস্কার প্রচার করতে । ¤ আমি কোটিপতি লোকের পিতামাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে দেখেছি,কিন্তু কোটিপতি ঘরে অনাথ আশ্রম দেখিনি । ¤ আমি হিন্দুকে ইংলিশ মিডিয়ামে গিয়ে ইংরেজ হতে দেখেছি,কিন্ত কোন ইংরেজকে দেখিনি গুরুকুলে যেতে । ¤ আমি ফালতু পোষ্টে হাজার কমেন্ট দেখেছি, কিন্তু হিন্দুবাদী,রাষ্ট্রবাদী পোষ্টে একটাও কমেন্ট দেখিনি । * উওর দিন আমার প্রশ্ন গুলোর।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 23 July 2015
অরাজনৈতিক ভাবে হিন্দুবাদ
সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য
বর্ধমান থেকে লোকাল ট্রেনে রানীগঞ্জ আসার জন্য প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছি দেখছি খুব ভিড় তাই আগে ভাগে সিট নিতে ট্রেন লাইনে নেমে দাঁড়ালাম উল্টো দিকে চড়ব বলে । হঠাৎ চারটি সুন্দরী নারী আমাকে বলল সিট রাখতে । আমিও আনন্দবাজার পেপার পেতে ওদের জন্য সিট রাখলাম । ট্রেনে উঠে বেশ আরাম করে বসে ওই চার সুন্দরীর সাথে গল্প করতে লাগলাম । গল্পটা খুব শীঘ্রই প্রেম ভালোবাসা থেকে কেটে গিয়ে সাম্প্রদায়িক কথাতে চলে গেল । বোরখা থেকে টুকটুকি সব কথা বলে ফেললাম,চার সুন্দরীও শুরু করল তাদের অভিজ্ঞতার কথা ওরাও নাকি এসবকে খুব ঘৃনা করে । চার সুন্দরী সহ্য করতে পারেনা মাইকের আওয়াজ,দাড়ি টুপির গল্প । প্রশ্ন একটাই জাগছে মনে- রাজনীতির কথা বললে যুবক যুবতীরা ঘৃনা করে কিন্তু অরাজনৈতিক ভাবে হিন্দুবাদের কথা বললে সবাই সমর্থন করে কেন? যদি আমি ওই চার সুন্দরীকে বলতাম আমি অমুক দলের নেতা তাহলে কিন্তু ওরা আর কথা বলত কিনা সন্দেহ আছে ।
ধর্মনিরপেক্ষতা
ধর্মনিরপেক্ষতায়যদি দেশের উন্নতির কারন হয় এবং মানবতাবাদ যদি শ্রেষ্ঠ ধর্ম হয় তাহলে দুর্গাপূজো উপলক্ষ্য "শারদ উৎসব পার্টি" দেওয়া হবে সাথে বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী সিঁদুরখেলা,ধূনুচি নাচ সমস্ত মুসলিম ভাইদের আমন্ত্রন জানানো হবে । সেদিনই প্রমান হবে কোন সম্প্রদায় ধর্মনিরপেক্ষ এবং কোন সম্প্রদায় সাম্প্রদায়িক?
ধর্ম কি?
ধর্ম কি? ধর্মের মাহাত্ম্য কি? আদি ধর্ম কি? দেব-দেবী আজও বর্তমান তার প্রমান কি? অনেক নাস্তিক ও মানবতাবাদীরা এই প্রশ্ন করে থাকেন । আপনাদের একটা ছোট উদাহরন দেখায় হিন্দু ধর্মের শক্তির । রথযাত্রা আসছে তাই শ্রী জগন্নাথদেবের কিছু শক্তির তথ্য দিলাম... ১. জগন্নাথ মন্দিরের কোন ছাওড়া পড়েনা । ২.জগন্নাথ মন্দিরের গৈরিক পতাকা বায়ুর বিপরীতে উড়ে । ৩. জগন্নাথ মন্দিরের মাথায় আজ অবধি কোন পাখিকে বসতে দেখা যায় না,এমনকি কোন পাখি ও বিমান এই মন্দিরের উপর দিয়ে উড়ে যেতে পারেনা । ৪.মন্দিরের সিংহদ্বারে ঢেউয়ের শব্দ শোনা যায় না । ৫. জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ পরপর সাতটি হাঁড়ি চাপিয়ে রান্না করা হয়,সবথেকে উপরের হাঁড়িতে আগে রান্না হয় এবং কেউ অভুক্ত থাকেনা । ৬.মন্দিরের রান্নাঘরের ভেতর দিয়ে গঙ্গানদী প্রবাহিত যা বাইরে দেখে অদৃশ্যমান । অলৌকিক ঘটনা থেকে অনেকেই বলবেন এর পেছনে বিজ্ঞান আছে, আমার একটাই প্রশ্ন এর পিছনে যদি বিজ্ঞান থাকে তাহলে চার্চে বা কোন মসজিদে এই রকম অলৌকিক ঘটনা দেখাতে পারবেন কি আপনারা?
কিষেনজী
আজকে যদি রবীন্দনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন তাহলে 'কিষেনজী' বলে একটা কবিতা লিখতেন । সেই কবিতাটা একবার দেখুন... স্বার্থ তাহার জড়াইয়া আছে,চালিয়ে গুলি গোলা । জঙ্গলের বুকে লাগিয়া গেল রক্তের হোলী খেলা ।। আসিল মাওবাদী বেড়া টপকে,বঙ্গ করিতে অশান্ত । ছুটিয়া গেছিল ভারতীয় সেনা, হইয়া গেছিল ক্লান্ত ।। অভাবের চোটে বন্দুক ধরিল,গরীবের কত সন্তান । রক্ত দিয়া বাড়াইয়া দিল বাঘিনীর সন্মান ।। রাজনীতির ফলে চলিল লড়াই,সুদিন আসিবে বলে । ফিরিয়া আসিল দুর্দিন আবার,ভুল সিদ্ধান্তের ফলে ।। লড়াই করিল বীরের মত,সরকার গেল পড়ে । মরিয়া গেল কিষেনজী কেমন সেনার গুলির ঝড়ে ।। বাঘিনীর স্বার্থ মিটিয়া গেছে,পাইয়াছে নরম গদি । তুমি মহারানী সাধু হলে আজ,আমি আজ মাওবাদী ।। written by-sabyasachi
জুতা আবিস্কার
আমরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জুতা আবিস্কার' কবিতা পড়েছি আজকের দিনে যদি রবীন্দনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন তাহলে 'চটি আবিস্কার' কি লিখতেন দেখুন.... বাঘিনী চলিল, হাতে ঘড়ি তাহার,স্যান্ট্রো গাড়ি চড়ে । বাতানূকুলীন যন্ত্র দেখিয়াছি টালীর ঘরে ।। হাঁটিছেন তিনি উড়িছে ধূলা,নাক ঝাড়ে কেরানী । লিখিয়াছেন তিনি কথাঞ্জলী,কখনো সাজিয়াছেন বিজ্ঞানী ।। একদিন হঠাৎ ভাবিল বাঘিনী,পায়ে লাগিছে কেন ধূলা । আসিল মন্ত্রী কারন দেখিতে,কানে যে ছিল তুলা ।। ডাকিল মন্ত্রী ফায়ার বিগ্রেডকে ভিজাতে বলিল ধরা । গঙ্গার জল শুকাইয়া গেল,হইল বঙ্গে ক্ষরা ।। মন্ত্রী করিল সচ্ছ ভারত,আসিল ঝাটা পাটি । ধূলায় ঢাকা পড়িল কেজরী,নষ্ট হইল মাটি ।। ভাবিল মন্ত্রী ঢাকিবে বাংলা চর্মের চাদর পাতিয়া । কোথা হইতে আসিল মুচি,সুবুদ্ধি ফাঁদিয়া ।। কহিল মুচি,ওহে বাঘিনী সারদা দিয়াছে কোটি কোটি । লাগিবেনা ধূলা যদি পাদুকায় পরেন হাওয়াই চটি ।। written by-sabyasachi
আন্না হাজারে
আবার শুনছি নাকি আন্না হাজারে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে আন্দোলন করবেন । এইবার আন্না হাজারে কে জোর করে "গর্ভনিরোধক বড়ি" খাওয়াতে হবে কারন আর একটা কেজরীওয়ালকে সহ্য করা মুসকিল ।
Subscribe to:
Posts (Atom)