Saturday, 25 July 2015

পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার উপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার উপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, হিন্দু-মুসলিম-শিখ ও খৃস্টান সবাই আমাদের ভাইবোন। আজ (মঙ্গলবার) কোলকাতার ধর্মতলায় বিশাল জনসমাবেশে দলীয় লক্ষ লক্ষ সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন,‘আমরা শান্তি ভালবাসি এবং মাটির মানুষই আমাদের পৃথিবী। অন্ধ কুৎসার সাম্প্রদায়িক বিষ যারা ছড়াচ্ছেন, তাদেরকে তৃণমূল কংগ্রেস কখনই সমর্থন করেনি এবং করবেও না। কয়েকদিন আগে ঈদ হয়ে গেল। আমি সবাইকে ঈদ মুবারক জানাই। রথযাত্রা হয়ে গেল সবাইকে অভিনন্দন জানাই।’ মমতা আজ বিজেপির নাম না করে তাদের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘পবিত্র ঈদকে কেন্দ্র করে দিল্লির শাসকদল যেভাবে বাংলাকে কলঙ্কিত করেছে, তার জবাব ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বাংলার মানুষ দেবে। দাঙ্গাকে বাংলার মানুষ সমর্থন করে না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাঙ্গাকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন,‘যারা দাঙ্গা করে তাদের আদর্শ,নৈতিকতা, দর্শন, সভ্যতা-সংস্কৃতিনেই, তারা রাজনীতি জানে না। আর এরাই কুৎসার সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ায়। তাই আমরা প্রার্থনা করি, ঈশ্বর, আল্লা তোমাদের ক্ষমা করুক। হত্যা এবং দাঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘খুনের বদলে খুন করা, দাঙ্গার বদলে দাঙ্গা করা আমাদের রাজনীতি নয়। মানুষকে ভালবাসাই আমাদের রাজনীতি।’ সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘সংখ্যালঘু ভাইবোনেরা জেনে রাখুন, ৩৫ হাজার ইমাম-মুয়াজ্জিন বাংলায় ভাতা পায়। যত কবরস্থান আছে আমরা (প্রাচীর)করে দিয়েছি। গত ৪ বছরে ৮২ লাখ ছাত্র-ছাত্রীকে আমরা স্কলারশিপ দিয়েছি। আমরা নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়,নজরুল ইসলাম বিমানবন্দর করেছি, ইকবালের নামে চেয়ার করেছি, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের নামে টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি করেছি, আলিয়া ইউনিভার্সিটি করেছি। নতুন হজ হাউস করা হচ্ছে, সংখ্যালঘু ভবন হচ্ছে।’ সংখ্যালঘুদের কর্মসংস্থানের কথা বলতে গিয়ে মমতা বলেন, ‘১৭ শতাংশ ওবিসি সংরক্ষণে ৯৭ শতাংশ সংখ্যালঘু ভাইবোনেদের সংরক্ষণ দেয়া হয়েছে। যা ভারতবর্ষের কোথাও হয়নি, এমনকি পৃথিবীর কোনো প্রান্তেও হয়নি।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদলের উদ্দেশ্যে বলেন,‘কংগ্রেস-বিজেপি- সিপিএম, তোমরাই তোমাদের লজ্জা। তোমাদের দেখে লজ্জাও লজ্জা পায়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তোমরা কেবল মিথ্যা কথা বলে বেড়াও এবং কুৎসা রটনা কর। আমি স্পষ্ট বলি, 'হ য ব র ল' দলের বাংলার মাটিতে কোনো স্থান নেই। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, রাজ্যের প্রতি ইঞ্চিতে আমাদের আন্দোলন চলে। আগে আন্দোলন ছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে, এখন আন্দোলন চলছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে।’ এতদিন বিজেপি’র সঙ্গে মমতার গোপন বোঝাপড়া হয়ে গেছে বলে নানা মহল থেকে প্রচার করা হলেও মমতা আজ বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএমসহ বিরোধীদের কাউকেই ছেড়ে কথা বলেননি।

পাক সার জমিন সাদ বাদ [হুমায়ুন আজাদ] পর্ব ১০

এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথাশিল্পী 'হুমায়ূন আজাদ' ও তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ পাক সার জমিন সাদ বাদ [হুমায়ুন আজাদ] পর্ব ১০ জিহাদিদের(মুসলিম সন্ত্রাসবাদীদের) একটি মহৎ গুন হচ্ছে তারা মালাউন(হিন্দু) মেয়ে পছন্দ করে। আমিও করি, ওদের একটু খেলাতে পারলে ওরা উর্বশীদের মতো নাচে; আমরা জিহাদিরা অবশ্য নাচটাচ পছন্দ করে না, ওরা ঢুকতে বেরোতে পারলেই শুকরিয়া আদায় করে। এতে প্রধান প্রতিভা তালেবান মোঃ হাফিজুদ্দিন, ও হয়তো ফেরেশতাদের কাছ থেকে বিশেষ কনো হালুয়া লাভ করে; তবে মোঃ কেরামত আলি, মোঃ মোস্তফা, মোঃ আকবর আলিও কম যায় না, এটা আমি পছন্দই করি, জিহাদে কোনো কম যাওয়া-যাওয়ি নেই, তাতে জোশ কমে যায়। ওরা যখন একটি মালাউন মেয়ের উপর চড়ে, তখন ওরা মনে করে ওরা একেকটি নাছাড়া নগর ধ্বংস করছে, যার নির্দেশ রয়েছে। আমি আশ্চর্য হই, ওরা রুহুল্লা খোমেনির কিছুই পড়ে নি, কিন্তু চিন্তা কর্মে তাকেও ছাড়িয়ে গেছে। মালাউন মেয়েগুলোর গন্ধ আমার ভালো লাগে, ব্রাহ্মন হোক আর চাঁড়াল হোক আর কৈবর্ত, যাই হোক, ওগুলোর গন্ধ আমার ভালো, একট তীব্র প্রচন্ড দমবন্ধকরা মহাপার্থিব গন্ধ ছুটে আসে ওদের স্তন থেকে, বগলের পশম থেকে, উরু থেকে, ওদের কুঁচকির ঘামেও অদ্ভুত সুগন্ধ; হয়তো গাঁদা তুলসি রক্তজবা পদ্ম বকুল শেফালি গন্ধরাজ ফুলের সঙ্গে ওদের একটা সম্পর্ক আছে বলে, আর ওরা ক্রীড়া করেও ভালো, মনে হয় ওদের প্রত্যেকেরই কামসূত্র মুখস্থ; এমনকি কৈবর্ত মেয়েগুলোর গন্ধও আমাকে পাগোল করে, আমি কৈ মাছের গন্ধ পাই, মনে হয় পুকুরে ডুব দিয়ে কাদার ভিতর থেকে মাছ ধরছি। ওই সময়টায় আমাদের অসামান্য কর্মকান্ড সবাই দেখেছে, কিন্তু কেউ একটু টু শব্দ করার সাহস পায়নি; তখন অবশ্য আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমাকে ছুটে চলতে হয়েছে আমার মদিনাতুন্নবি থেকে, রিয়াদ, কান্দাহার, বাগদাদ, তিরকিত, প্রভৃতি অঞ্চলে—এই অঞ্চল গুলো আমাদের সাংকেতিক নাম, সব মহান কাজেই প্রথম সাংকেতিক নাম লাগে, সিম্বল লাগে। তখন একটা অসামান্য মজার সময় এসেছিল, তখনই আমরা মাদের শক্তিটাকে পাথরের মত শক্ত করে তুলি, যে পাথর আমাদের দিল ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যাবে না। নির্বাচনটির্বাচনে, ইলেকশনটিলেকশনে আমরা বিশ্বাস করি না, ওটা আমাদের পাক ধর্মে নেই, তবু আমরা অংশ নিয়েছি মেইন পার্টির সঙ্গে; মেইন পার্টির কর্মী আর আমাদের ওপর দুটি নির্দেশ ছিল, ভোটের দিন মালাউনদের বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া যাবে না; আর আমরা জানতামই আমরা জিতবো—আমাদের নেতারা ওপরের দিকে সব কাজ চমতকারভাবে করে রেখেছিলেন, তত্ত্বাবধায়কদেরতাঁরা তত্ত্বাবধায়ক করছিলেন; আমরা জানতাম জিতবোই; জেতার পর আমাদের কাজ ছিল একদিন চুপ করে থাকা, তারপরের দিন মালাউন আর তার দালালদের উপর ঝাঁপিয়ে পরা। ঝাঁপিয়ে পরা শব্দটি ঠিক হলনা, আমাদের কাজ ছিল ঠান্ডা আগুম জ্বালানো, য জ্বলে না, দহন করে। আমার ভাগে পড়েছিল মালাউনরা; আমিই বেছে নিয়েছিলাম। আমি আমার জিহাদিদের আর মেইন পার্টির জোয়ান খিলজিদের নিয়ে প্রথম ১৮টি মালাউনপল্লী চিহ্নিত করি- সীতারামপুর, হরিরামপুর, মদনগঞ্জ, মদনপুর, ব্রাহ্মণভিটা, কালীগঞ্জ আর কি কি যেন নাম—ওই নামগুলোকেও বদলে নিতে হবে; এবং বেশ আগে থেকেই কাজ শুরু করি। আমরা ভালো করেই জানি ওরা কাফের, ওরা কাফেরদের বাক্সেই ভোট দেবে; ওদের ভোট দেওয়া চিরকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে। ওরা ভোট দেবে কেনো; ওরা জিজিয়া কর দেবে, ওরা মাদের জিম্মি, আমরা ওদের রক্ষা করব, তার জন্য ওরা কর দেবে। আমি এই ব্যাপারে সম্রাট আওরংজেবকে আদর্শ মনে করি। আমরা তাদের পাড়ায় যাই, আমাদের দেখেই তাঁরা কেঁপে উঠে। সালাম দিয়ে আমরা তাদের বাড়িতে উঠি, তাঁরা ‘নমস্কার’ ‘আদাব’ বলে বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলে, সবচেয়ে উতকৃষ্টভাবে বলে ‘আচ্ছালামুয়ালাইকুম’। আমিও এখনও তাদের মত শব্দটি বলতে পারি না। আমাদের কোথায় বসাবে তা ঠিক করতে পারে না, চেয়ার টুল বেঞ্জ নিয়ে টনাটানি করতে থাকে, যদিও আমাদের বসার দরকার ছিল না। তবে একদিন আমরা বসবো, চড়বো , চেয়ার বেঞ্জের উপর নয়, আরো কোমল সুখকর জিনিশের উপর। — w

Afganistan Hindu History

আফগানিস্তান,নামটা শুনলেই মনে আসে বোমা,রক্ত,কান্না,জিহাদ,লাশ,তালেবান, আলকায়েদা ইত্যাদি।কিন্তু আফগানিস্তান কি এমনটা ছিলো????? না,হিন্দু শাহী রাজবংশের শাসন চলাকালে আফগানিস্তান ছিলো শান্ত,সুন্দর এক সাম্রাজ্য। আফগানিস্তানের কান্দাহার ছিলো গান্ধার,হিরাত এর নাম আসে হরি নদীর নাম থেকে।তখনকার আফগানিস্তানে হিন্দু শাহী রাজবংশের রাজধানী ছিলো কাবুল।ভাষা ছিলো সংস্কৃত।আফগানিস্তানে উচ্চারিত হত বেদ বাণী,প্রদীপ জ্বলত তুলসিতলায়,দীপাবলিতে­ আলোকিত হত কাবুল, গান্ধারসহ সমগ্র আফগানিস্তান।প্রাণে উৎসবে সাজত আফগানিস্তানের গ্রাম থেকে শহর।সবাই শান্তিপূর্ণভাবেধর্ম পালন করত। আফগানিস্তানের হিন্দু শাহী রাজবংশের হিন্দু সম্রাটগণ ১। কিংগালা কাপিসা ( শাসনকাল,৭ ম শতাব্দী) ২।পাতলদেবা আলিআস নবসুরেন্দ্রাদিত্য নানদীন গিলগিট (শাসনকাল,৬ষ্ঠ- ৭ ম শতাব্দী) ৩।শ্রীদেবা আলিআস সুরেন্দ্র বিক্রমাদিত্য নানদিন গিলগিট(শাসনকাল,৬ষ্ঠ-­৭ম শতাব্দী) ৪। পাতলদেবা আলিআস বাজরাদিত্য নানদিন গিলগিট ( শাসনকাল,৬ষ্ঠ-৭মশতাব্দী) ৫।কাল্লার আলিআস লাল্লিয়া(শাসনকাল,৮৯­০-৮৯৫) ৬।কালালুকা দেবা (৮৯৫-৮২১) ৭।ভীম দেবা (৯২১-৯৬৪) ৮।ইসত্তাপালা দেবা ৯।জয়পালা দেবা(৯২১-১০০১) ১০।আনন্দপালা দেবা (১০০১-১০১০) ১১।ত্রিলোচনপালাদেবা (১০১০- ১০২১-২২) ১২।ভীমপালা দেবা (মৃত্যু ১০২২-২৬ এর মধ্যে) এমন শান্তিপূর্ণ আফগানিস্তানে মুসলিল শাসন শুরুর সাথে সাথেই শুরু হলো রক্তের হোলিখেলা।ভীমপালা দেবার মৃত্যুর পরই হিনন্দুদের উপর চরম আক্রমণ শুরু করল মুসলিম শাসকগণ!!!! আফগানিস্তানের এক পর্বতমালার নাম ছিলো পারিইয়াত্রা পর্বত।লাখ লাখ হিন্দুকে ওখানে নিয়ে হত্যা করা হয়!!!!! হিন্দুর রক্তে লাল হয় পারিইয়াত্রা পর্বত,সেই থেকে পর্বতটির নাম হয়য় হিন্দু কুশ,অর্থাৎ হিন্দুদের হত্যা!!!!! রক্ত এখনো ঝরছে আফগানিস্তানের এলাকায় এলাকায়।ইসলামেরনামে বুকে কুরআন বেধে হাতে বন্দুক,বোমা নিয়ে মুখে আল্লাহু আকবর বলে মানুষ হত্যায় নেমেছে মুসলিমজঙ্গিগোষ্ঠীরা।­একে অপরকে হত্যা করছে।আজ আফগানবাসী চরম দূর্ভোগে আছে,আজ ঘর বাইরে কোথাও প্রাণের নিরাপত্তা নেই।একে অপরকে হত্যা করছে। মানুষ মেরে জান্নাত যেতে চাওয়া নামধারী মুসলিম জঙ্গিরা নরকে পরিণত করেছে আফগানকে। তবুও আফগানে শত কষ্টের মাঝ ঠিকে আছে হাজার খানেক হিন্দু,আফগানিস্তানে কানাডাস্থ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূতও হিন্দু(নাম শ্যাম লাল বাতিজা,জন্ম কান্দাহার,আফগানিস্তা­ন, জাতীয়তা,আফগানীস্তান­ী)।আফগানে ঠিকে আছে হাজার বছরের পুরানো আশা মাই মন্দির,কথিত আছে ওখানে ৪হাজার বছরের পুরানো অখন্ড প্রদীপ আছে। আফগানিস্তান হিন্দু সম্পর্কে বাঙ্গালী হিন্দুরা খুব কম জানে,শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ দিন। আফগানিস্তানে আবার ছড়াক সত্য,শান্তি,সুন্দর সনাতন,আফগানবাসীফিরে আসুক সনাতনের ছায়াতলে। ‪#RSS

বজরঙ্গী ভাইজান

সলমন খান অভিনীত "বজরঙ্গী ভাইজান" ছবিটা আজ দেখে ছবিটা সম্পর্কে অনেক অভিজ্ঞতা হল।যদিও ধর্মনিরপেক্ষ দর্শকরা সিনেমা হলে হইচই করতে যায় আর সাথে প্রেমিকার চুম্বন খেতে।চিত্র পরিচালক কবির খান যেভাবে মুসলিমদের মুখে ঝামা ঘষেছে সেটা দেখে উৎসাহী হলাম।কবির খান একটা শিশুর চরিত্র যেভাবে বর্ননা দিয়েছে সেটা খুবই বাস্তব।একটা বোবা শিশু কখনো চুড়ি চুরি,কখনও হাতকড়ি আবার কখনও অন্যের বাড়িতে ঢুকে বিরিয়ানী খাওয়ার ছবি দেখা গেল যেটা বাস্তবে এদের জীবনে ঘটে থাকে। আবার অন্য দিকে দেখানো হয়েছে রামভক্তরা নিজের জীবনকে বিপন্ন করে মানুষের উপকার করে।রামভক্তরা মিথ্যার আশ্রয় নেয় না এবং সৎ হয় সেটাও বাস্তব জীবন থেকে তুলে ছবিতে দেখানো হয়েছে।আরএসএস এর শাখার আদর্শও দেখানো হয়েছে এই ছবিতে।একজন রামভক্তকে নিয়ে তৈরী করা এই ছবিটা হিন্দু ধর্মের মানুষরা যে পরোপকারী হয় সেই বার্তাটাই স্পষ্ট করে দিল।ধর্মনিরপেক্ষ মানুষরা এই বজরঙ্গী ভাইজানের ঘটনাকে ছবি হিসাবে মেনে নিলেও আমি এটাকে বাস্তব হিসাবে মেনে নিলাম কারন রামভক্তরা নিজের জীবন বিপন্ন করেও অন্যের উপকার করে এটাই বাস্তব।হৃদয়ে রাম থাকলে সব বাধাই অতিক্রম করা যায়। ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ জয় জয় বজরঙ্গবলি তোড় দে দূশমন কি নলী হে... ধা তূনা তূন বাজে ঢঙ্কা লন্ডন হো ইয়া লঙ্কা গঞ্জে রে চরণ ওরে.... জয় শ্রী রাম জয় বজরঙ্গবলি। ‪#‎ RSS

Tuktuki Mondal টুকটুকি মণ্ডল

টুকটুকি মণ্ডল। প্রায় আড়াই মাস আগে পশ্চিমবঙ্গের মগরাহাট এলাকা থেকে পাড়ার বখাটে যুবক বাবুসোনা গাজী ও তার দলবলের হাতে অপহৃত হয়। মগরাহাট মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা; যেখানে প্রায় ৬০ শতাংশই মুসলমানের বাস। আর আমরা খুব ভালভাবেই জানি, মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় হিন্দু মেয়েরা কতটা নিরাপদ থাকতে পারে। বিশেষকরে নাবালিকা মেয়েরা এসব জেহাদিদের দ্বারা আক্রান্ত হয় বেশি। টুকটুকি এমনি একটি দরিদ্র পরিবারের নাবালিকা মেয়ে যে সেলিমদের মত তৃণমূলী গুণ্ডার হাতে লালিতপালিত গাজীদের সহজ টার্গেট। কিন্তু সিংহের পাহারায় হিংস্র হায়েনার দল দুর্বল শিকার কে গ্রাস করতে সক্ষম হয়নি। দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস পর উদ্ধার করা হয়েছে জেহাদী সন্ত্রাসী কর্তৃক অপহৃত টুকটুকি মণ্ডলকে। এই কয়টি মাস নিরলস পরিশ্রম করেছে হিন্দু সংহতি তথা জন অধিকার মঞ্চ। পাঁচদিন আগে বিজেপিও যোগ দেয় এই টুকটুকি উদ্ধার আন্দোলনে। রাহুল সিনহার মত নেতারাও থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। এখানে অনেকেই অভিযোগ করে বলেছে, বিজেপি তার রাজনীতিগত স্বার্থে এই আন্দোলনে যোগ দিতে অনেকটা বাধ্য হয়েছে। কিন্তু আমি এখানে কোনো বিতর্ক করতে চাইছি না; বরং আশা করব বিজেপি মাদ্রাসা চালুর মত দুর্বুদ্ধিগ্রস্ত চিন্তা ত্যাগ করে এভাবেই যেন দরিদ্র নিপীড়িত হিন্দুর পাশে দাড়ায়। . যায় হোক, দীর্ঘ আড়াই মাস পর টুকটুকি উদ্ধার হল ঠিক কিন্তু জন্ম দিল নতুন বিতর্কের। বাংলার বিভিন্ন মিডিয়া মারফত জানা যাচ্ছে, টুকটুকি নাকি অপহরণের অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। সে বলেছে, মা-বাবার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সে নাকি আড়াই মাস নিখোঁজ ছিল। কিন্তু কোথায় ছিল সে এই আড়াই মাস? পারিবারিক অত্যাচারে কোনো যুবতী মেয়ে বখাটে সন্ত্রাসীদের কাছে গিয়ে আশ্রয় নেবে এমন বোকাবোকা গল্প আমাদের বিশ্বাস করতে হবে? হ্যাঁ ঠিক এমনই এক হাস্যকর গল্প শুনিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের আইপিএস অফিসার অনুজ শর্মা। আর সেই সংবাদ ফালাও করে প্রচার করে যাচ্ছে কিছু মিডিয়া; যাদের নামকরণ করা হয়েছে প্রেশ্যা! বাহবা দিতে হয় ঐ নির্বোধ নপুংসক পুলিশ নামের যতসব ফুলিশদের। যারা অন্ধের মত এক নষ্টা মহিলার দালালি করতে গিয়ে নিজেদের বিবেক কে বিসর্জন দিচ্ছেন। যে কাজ পুলিশের করার কথা ছিল সেই কাজ যারা করে দিল; তাদেরকে ভিলেন বানানোর এই অপচেষ্টা হিন্দু যোদ্ধাদের কেই রুখতে হবে। . টুকটুকির শরীর হয়তো উদ্ধার হয়েছে কিন্তু তার আত্মা কি শরীরে আছে? একজন হিন্দু নারীর কাছে তার সতীত্বই তার আত্মা। অপহরণের এই ৭৫ দিনে টুকটুকি মণ্ডলকে কতবার ধর্ষণ করা হয়েছে ভাবুন তো। এই গাজীরা বেহেশতের হুরের লোভে আর কত আমাদের বোনেদের উপর অত্যাচার চালাবে? হিন্দুর কি পুরুষত্ব লোপ পেয়ে গেছে? বোনের উপর নির্যাতনের প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহা কি জাগেনা হিন্দুর মনে? টুকটুকির উপর অত্যাচারের প্রমাণ বের করা কঠিন কিছু নয়। মেডিকেল টেস্টের দ্বারা প্রমাণ হতে পারে সব কিছুর সত্যতা। আমার বোনের ইজ্জত লুণ্ঠনকারীরা যতই শক্তিশালী হোক; বিজ্ঞান তো আর মিথ্যা বলতে জানেনা? সেক্যুলার নামধারী যত আত্মঘাতী হিন্দু; যারা টুকটুকির মিথ্যা স্বীকারোক্তিতে আহাম্মকের মত বিজয়োৎসব করছে। যারা অস্বীকার করছে, সেলিম গাজী কর্তৃক টুকটুকির পরিবারের উপর হুমকির ঘটনাপ্রবাহ। তাদের অন্ধ বিশ্বাস যেন ভেঙে খানখান হয়ে যায়। . টুকটুকি ইস্যু নিয়ে হইচই কিন্তু কম হয়নি এই দুমাস যাবৎ। অথচ বাংলার মিডিয়ার কাছে এই ইস্যুটি কোনো গুরুত্বই পায়নি। বিদেশে কুকুর মরলে এরা শোক জানিয়ে খবর বানায় কিন্তু নিজের দেশে এমনকি নিজের রাজ্যে কোনো মেয়ে নিগৃহীতের শিকার হলেও এদের খোঁজ থাকে না। কারণ মেয়েটি হিন্দু; তার উপরে আবার গরিব। অথচ এরায় রাজ্যে কোনো মুসলমান যুবক চাকরি হারালে কেঁদেকেটে একাকার করে। দেশের বুদ্ধিজীবী বাম ভাম শ্যামেরা যাদের কেবল শিবরাত্রির দিনে মনে পড়ে রাস্তার শিশুরা দুধ খেতে পায় না! যারা নাকি দুস্থ অসহায়দের জন্য রাজনীতি করে বেড়ায়; সুদূর গাজার ফর্সা বাচ্চাদের জন্য এরা মোমবাতি গুঁজে রাস্তায় নাইট শো করতে পারে। কিন্তু পাশের বাড়ির কালো মেয়েটির ইজ্জত রক্ষায় ওদের লন্ঠন ধরিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না। আজ কিন্তু টুকটুকিকে নিয়ে ওরায় বেশি বগল বাজাচ্ছে। কারণ ওদের ধারণা, টুকটুকি ফিরে এসে চাড্ডিগুলোর নাক কেটে দিয়েছে! সত্যিই এদের রাজনৈতিক দূরদর্শীতা অসামান্য। যার সুফল বাবদ সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও বাংলায় হিন্দুরা আজ সংখ্যালঘু!

লজ্জা, ২০০০

লজ্জা, ২০০০ ========================== পূর্ণিমাকে ধর্ষন করছে এগারোটি মুসলমান পুরুষ, ভর দুপুরে। ধর্ষন করছে কারন পূর্ণিমা মেয়েটি হিন্দু। পূর্ণিমাকে পূর্ণিমার বাড়ির উঠোনে ফেলে ধর্ষন করছে তারা। পূর্ণিমার মাকে তারা ঘরের খুঁটিতে বেঁধে রেখেছে, চোখদুটো খোলা মার, তিনি দেখতে পাচ্ছেন তার কিশোরী কন্যার বিস্ফোরিত চোখ, যন্ত্রনায় কাতর শরীর। পূর্ণিমার বোনটি উপুড় হয়ে পড়ে আছে মাকে শক্ত করে ধরে। উঠোনে হুড়োহুড়ি, পূর্ণিমার মা পাথর-কন্ঠে মিনতি করছেন, 'বাবারা, একসাথে না, একজন একজন কইরা যাও ওর কাছে'। এগারোটি উত্তেজিত পুরুষাঙ্গে তখন ধর্মের নিশান উড়ছে। পূর্ণিমার কান্না ছাপিয়ে পূর্ণিমার মার, গ্রামের কুলবধূটির তুমুল চিৎকারে তখন দুপুর দ্বিখন্ডিত, তিনি ভিক্ষে চাইছেন বাবাদের কাছে, --'যা করার আমারে করো, ওরে ছাইড়া দেও'। মুসলমানেরা পূর্ণিমাকে ছেড়ে দেয়নি, পূর্ণিমার মাকেও দেয়নি, ছ বছর বয়সী ছোট বোনটিকেও দেয়নি। ============================ --তসলিমা নাসরিন কাব্যগ্রন্থঃ কিছুক্ষণ থাকো i

চাঁদের মাটিতে পা রাখলেন নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস

চাঁদের মাটিতে পা রাখলেন নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস। প্রথমেই অবাক হয়ে দেখলেন সেখানে একটা ওয়াজ মাহফিলের স্টেজ! কারণ কি? --অনুসন্ধান করে জানতে পারলেন ভবিষ্যতে ২০১৩ সালে সাঈদির একবার চাঁদে এসে ঘুরে যাবেন। তাই পরম করুণাময় এই স্টেজ করে রেখেছেন যেন তিনি একটু ওয়াজ করে যেতে পারেন। এবার নিচের দিকে তাকিয়ে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখলেন এই পৃথিবীর একটি মাত্র বস্তুই চাঁদে দেখা যায় আর সেটা হচ্ছে পবিত্র(!) কাবাঘর। --সাথে সাথে সুনিতা উইলিয়ামস আর দেরি না করে ওজু করে কলমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করে ফেললেন।(বলুন সুবাহান-আল্লাহ) তিনি পানি নিয়ে গিয়েছিলেন এক বোতল। তাই কোনরকম কুলচি করতে পারলেন শুধু। ওজু ভালোমতো হয়নি। বেশি করে পানি নিয়ে না যাওয়ার জন্য তিনি আল্লাহতালার কাছে ক্ষমা চাইলেন। এরপর তিনি দুই রাকাত নফল নামাজ পড়লেন। চাঁদে নামাজ পড়া প্রথম মুসলমান মোসাম্মাৎ সখিনা(পূর্বের নাম সুনিতা উইলিয়ামস)। বলুন সুবাহান-আল্লাহ..... একদিন ফেসবুকে ঘুরতে ঘুরতে রেডিও মুন্না পেইজে ঢুকে পড়েন সানি লিওন। এক বোরকা পড়া হিজাবী মেয়ের ছবির দেখে সানি খুব অবাক হলেন। এই গরমের দেশে এটা আবার কেমন পোশাক! আমার এই পোশাকেই তো গরমে মরে যাচ্ছি। কৌতুহলবশত ঐ ছবির নিচের পোস্টটা তিনি গুগল ট্রান্সলেটরে ইংরেজি করে পড়লেন;- --"হে নারী দুনিয়ার এই সামান্য গরম সহ্য করতে না পেরে তোমরা এমন কম পোশাক পড়ছ, জাহান্নামের ঐ আগুন কিভাবে সহ্য করবে? এই হিজাবী বোনটিকে দেখো। প্রচন্ড গরমেও তিনি কেমন সারা শরীর ঢেকে রেখেছেন। কারণ তিনি জানেন জাহান্নামের ঐ আগুনের কাছে পৃথিবীর এই গরম কিছু নয়।" --এই পোস্ট পড়ে মরণের পর জাহান্নামের ঐ আগুনের কথা ভেবে ভয়ে সানি লিওন ইসলাম গ্রহণ করে ফেললেন। কিন্তু তিনি ছোটবেলা থেকে একদম হালকা পোশাকে অভ্যস্ত। তাই ধুম করে বোরকার মধ্যে ঢুকে যেতে পারছেন না গরমের কারণে। তবে চেষ্টা করছেন আস্তে আস্তে পোশাক বড় করার। এখন তিনি শাড়ি আর থ্রিপিস পড়েন। একদিন বোরকায় ঢুকে যাবেন। সুবাহান-আল্লাহ...... রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও(আস্তাগফিরুল্লাহ) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। ইসলাম গ্রহণের পর নিজের নাম রেখেছিলেন রবিউল ইসলাম। ঈমানের চিহ্ন হিসেবে তিনি মুখে দাড়ি রেখেছিলেন। মৌলভীদের মত আচকান জোব্বা পড়তেন। কিন্তু ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এটা প্রকাশ করলে শয়তান ইহুদি নাসারারা তাদের দেওয়া নোবেল পুরষ্কার কেড়ে নেবে এই ভয়ে রবিউল(রবীন্দ্রনাথ) সেই সত্য প্রকাশ করতে পারেন নি। তবে বাঁশেরকেল্লা পেইজের এডমিনের কাছে উপযুক্ত প্রমাণ এবং তথ্য আছে। আশা করি সত্য একদিন প্রকাশ পাবে। ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন নেপোলিয়ন বোনাপার্টিও। ইসলাম গ্রহণ করার অপরাধেই শয়তান বৃটিশরা নেপোলিয়নকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দিয়েছিল। সেই দ্বীপে নেপোলিয়ন একটা মসজিদও নির্মাণ করেছেন। নিজের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে এই গোপন সত্যগুলো লিখে রেখেছেন নেপোলিয়ন। দূর্লভ এই মহামূল্যবান ডায়েরিটা রেডিও মুন্নার এডমিনের কাছে আছে। আপনার কপিটা আজকেই সংগ্রহ করুন। দ্রুততম মানব লিজেন্ড উসাইন বোল্ট রেডিও মুন্না পেইজের একটি পোস্টে দেখেছেন বায়তুল মোকাররম মসজিদে শেজদা দিচ্ছে ঘাস ফড়িং। এটা দেখে তিনি একদিন সকালে দৌড়াতে দৌড়াতে ইসলাম গ্রহণ করে ফেললেন। বনানীতে গাছে জ্বলছে গায়েবী আগুন। অনেক চেষ্টা করেও এই রহস্যময় আগুনের কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখা দাঁড় করাতে পারেন নি স্টিফেন হকিং। অবশেষে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন উনার বিগ ব্যাং থিওরি ভুল। এই থিওরি যেন কেউ পড়ে বিভ্রান্ত না হন। তিনি এও বলেছেন ফিজিক্স, ক্যামিস্ট্রি কিছু নয়। সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান হচ্ছে কুরান শরীফ। সব আবিষ্কারের সূত্র এই আসমানি কিতাবে আছে। আল্লাহ আমাদের সকলকে ইসলামের ফ্রিজিং ছায়াতলে ঈমান আনার তৌফিক দান করুন। আমিন!