Saturday, 25 July 2015

For the T.M.C

যে সব তৃনমুল কর্মী বা সমর্থক আছেন , যারা প্রকৃতপক্ষে দলটাকে ভালবেসে স্বচ্ছভাবে দলের হয়ে কাজ করতে চান , তাদের উদ্দেশ্যে বলি ,,- আপনারা রাজনীতিতে পরিনত এবং দলের সকৃয় কর্মী , আপনারা এটাও নিশ্চই স্বীকার করবেন যে, শাসক দলে স্বার্থবাদী মানুষে ছেয়ে গেছে ,, যারা কোন না কোন স্বার্থে দলকে একটা ঢাল হিসাবে ব্যাবহার করছে ,নিজেদের প্রতিস্ঠিত করছে ও প্রভাব বিস্তার করে চলেছে এবং মা-মাটি-মানুষেরনামে অবৈধ কাজে লিপ্ত হয়ে জনগনকে লুটেপুটে খাচ্ছে l এটাই কি সকৃয় কর্মীর উদাহরন ? আর যদি তা না হয় তবে আপনাদেরই সরব হতে হবে , যদি প্রতিবাদী হতে না পারেন তাহলে এমন দলে না থাকাই ভাল l আর যে জনগন এত কিছু জেনেও শাসক দলকে ভোট দিচ্ছেন তারা কি চাইছেন ! তৃনমুলের মুখ্যমন্ত্রী নাকি জনগনের মুখ্যমন্ত্রী ? জনগনের করের টাকায় ক্লাবগুলোকে অনুদান-শিল্পিদের নিয়ে মাহোত্সব-শিলান্যাস নাকি জনগনের পরিসেবা ? দলদাস পুলিশ কর্মী-সরকারি উকিল নাকি নিরপেক্ষ প্রশাসন ? বাঙ্গলাদেশি জঙ্গী গোশ্ঠীর সহযোগীতায় রাজ্যের মাদ্রাসা গুলোতে জঙ্গী তালিম আর বোমা তৈরির কারখানা গড়া নাকি সন্ত্রাসমুক্ত বাঙ্গলা ? শিল্পকে ধ্বংস করে বেকারত্ব বাড়ানো নাকি শিল্পের মাধ্যমে আর্থিক সমবৃদ্ধি ? বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থা নাকি শিক্ষার আলোয় আগামীকে বরণ করা ? শাসক দলের রক্তচক্ষুর কাছে মাথা নোয়ানো নাকি তাকে উপেক্ষা করে সুশ্ঠ সমাজ গড়ার পক্ষে ভোট দিয়ে নিজের স্বাধীনতা ও স্বধীকার রক্ষা করা ? এর উত্তর আপনাদের কেই খুঁজতে হবে l Ashish Debnath

দেশের কাছে আজ বড় গর্বের দিন

দেশের কাছে আজ বড় গর্বের দিন। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত জন গণ অধিনায়ক জয় হে-কে বিশ্বের সেরা জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে মর্যাদা দিল UNESCO পোস্টটি শেয়ার করুন। এক ভারতীয় হওয়ার গর্ব দেখান। http://bit.ly/1thwjoY ‪#JanaGanaMana ‬ kolkata24x7.com

জহর ব্রত

মুসলমানরা ভারত অধিকার করার আগে আরো অনেক দেশ জয় করেছিল এবং সেই সব দেশ জয় করে সেখানে ব্যাপক হারে নরহত্যা ও সেখানকার নারীজাতি কে দাসী হিসাবে ভোগ ও বিক্রি করেছে। কিন্তু 'জহর ব্রত' বা আগুনে আত্মহুতি দেওয়ার ঘটনা ভারতেই ঘটেছে, আর অন্য কোনো দেশে ঘটেনি। আমাদের দেশের মা বোনেরাই মুসলমানদের হাতে লাঞ্ছিতা, ধর্ষিতা হওয়ার চেয়ে মৃত্যুকে শ্রেয়জ্ঞান করেছে। সেই নিদারুন করুন কাহিনী ঘটেছিল ৭১২ সালে মহম্মদ বিন কাশিম সিন্ধু প্রদেশ জয় করলে, রাজা দাহিরের স্ত্রী ও কন্যাগন নিজেদের বর্বর মুসলমান আক্রমনকারীদের হাত থেকে বাঁচাতে আগুনে আত্মহুতি দেন, যাতে মুসলমানরা তাদের মৃতদেহ টুকুও অপবিত্র না করতে পারে।। কিন্তু আমাদের স্কুলে ইতিহাস বইয়ের পাতায় এই নিদারুন দুঃখের কাহিনী পড়ানো হয়, মুসলমান ভোট ব্যঙ্কের লোভে, মুসলমান আক্রমনের ইতিহাস পড়ালে মুসলমানরা আর ভোট দেবে না যে, আমি আর গদিতে বসতে পারব না। তুমি বলো আমি কি গদির লোভ ছাড়তে পারি। দেশ আবার ধীরে ধীরে সেই বর্বর মুসলমানররা দখল করে নিচ্ছে নিক, কিন্তু আমার বৌএর দামী শাড়ি কিনে দিতে হবে, BMW কিনতে হবে যে। আমি গদিতে না বসলে কেমন করে সম্ভব হবে তুমিই বলো?

Muslim Vote Bank On W.B

আজকে সব দেখে শুনে মনে হচ্ছে মমতা ব্যানার্জির তৃনমূল শুধু মাত্র পশ্চিম বঙ্গের ২৫ শতাংশ মুসলিম ভোটের মাধ্যমে জিতে সরকার গড়েছে , আর ৭৫ শতাংশ হিন্দু ভোটের কোন মূল্যই নেই | পশ্চিম বঙ্গের হিন্দুরা যেন বানের জলে ভেসে এসেছে | মমতা ব্যানার্জির শুধু মাত্র মুসলমান মৌলভি, মাওলানা আর মুসলিম সমাজের জন্য দান খয়রাতি করতেই ব্যস্ত | আজকে মমতা ব্যানার্জি পাঁচ ওক্ত আজান শুনে শুনে আর ভন্ডামির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বুলি আওরাতে আওরাতে সত্যি কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন | ** তাই এটা বলব যে- যারা জেগে ঘুমোচ্ছেন, তারা বেঘোরে প্রাণ হারাবেন | আর যারা পশ্চিম বঙ্গের এই ইসলামিকরণের চক্রান্ত বুঝতে পারছেন, তারা দয়া করে রুখে দিন, হিন্দুর উপর রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক আক্রমন, হিন্দুর মা – বোন – সম্পত্তির উপর বিধর্মীর লোলুপ দৃষ্টি | নতুন নতুন এলাকা আর রাস্তার মুখপথ ওরা দখল করে নিচ্ছে | নতুন বাজার-হাট গড়ছে | হিন্দু এলাকার মধ্যে মাদ্রাসা আর ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে হরদম | হিন্দুর ছেলে মেয়ে গুলোকে মাদ্রাসা আর ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়িয়ে তাদের ভেতরে নিজের ধর্ম সংস্কৃতির সম্পর্কে হীন ধারনা তৈরীর চেষ্টা চলছে | হিন্দু মেয়েদের লাভ জিহাদের শিকার করার চক্রান্ত চলছে | সুযোগ পেলেই নতুন নতুন জায়গাতে গোমাংসের দোকান আর মুসলিম হোটেল খোলা হচ্ছে | আর কোলকাতার তো কোন তুলনাই হয় না, কারণ কোন কোন এলাকায় গেলে মন্ হয় না যে এটা ভারতবর্ষ !... মনে হবে কোন মুসলিম রাষ্ট্র......যেমন- পাকিস্তান আফগানিস্তানের মত কোন দেশ | যেভাবে মসজিদ – মাদ্রাসা – এন জি ও র উন্নতির জন্য কোটি কোটি আরব ডলার কাজে লাগানো হচ্ছে তা ভাবা যায় না | এরা নাকি সাচার কমিটি আর রঙ্গনাথ মিশ্র কমিশন উল্লিখিত পশ্চাদপদ সম্প্রদায় | সংগ্রামপুর চোলাই কান্ডের কান্ডারী খোঁড়া বাদশা রেলের হকার থেকে আজ ১৬ কোটির ও বেশী টাকার মালিক | তার প্রাসাদোপম অট্টালিকা দেখে সাংবাদিক কুলের ভিরমি খাবার যোগাড় | তবুও তেল দিতে হবে সংখ্যালঘু মুসলিম ভাই-বেরাদারকে | মারতে হবে কাফের নিরিহ হিন্দু গুলোকে | ডাকাতি করতে হবে হিন্দু বাড়িগুলোতে | তারপর সারা রাত ধরে ইজ্জত লুঠতে হবে হিন্দু-মা বোনেদের | ** ও ভাই, বড্ড সাম্প্রদায়িক ব্যক্তব্য হয়ে যাচ্ছে না ? তা একটু কষ্ট করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে, মালদা -মুর্শিদাবাদ- উত্তর দিনাজপুরের গ্রামগুলোতে, নদীয়া আর উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী স্থান গুলোতে ঘুরে আসুন, দেখবেন হিন্দুরা কিরকম কান্না চেপে, সত্য গোপন করতে শিখে গেছে…….. তাহলে কি বাঙালি হিন্দু এখনই শেষ হয়ে যাবে | আসুন ভাই আত্মরক্ষায়-স্বধর্ম রক্ষায় ব্রতী হই | আত্মরক্ষা তো সবার মৌলিক অধিকার | আসুন অবশ্যই আমরা যে কোন হিন্দু সংগঠনে যোগ দিই আর এই পঞ্চ ব্রত পালন করি : (১) কোথাও হিন্দু মার খেলে ঝঁপিয়ে পড়ুন | মুখ ফিরিয়ে চলে যাবেন না | আক্রমণকারীদের হাত থেকে হিন্দু রক্ষা আমাদের প্রথম ব্রত | (২) যে কোন মূল্যে হিন্দু মা বোনদের সাথে বিধর্মীর প্রেম-বিবাহ বন্ধ করুন | মুসলিমরা মহিলাদের কোরান মোতাবেক উত্পাদনের শস্য ক্ষেত্র মনে করে | এ পথে শুধুমাত্র হিন্দুদের শত্রুর সংখ্যা বাড়ানোর চক্রান্ত “লাভ জেহাদ” রুখেদিন | (৩) দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়েছিল | মুসলমানদের জন্য মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান হলেও, ভারত কিন্তু প্রকৃত হিন্দুস্থান হয়নি | হিন্দু রাষ্ট্র তো নয়ই | যে জাতি আজ অবদি প্রান খুলে বন্দেমাতরম বলতে পারল না, যারা এই মাটিকে পবিত্র-ভারত ভাবতে পারল না, তাদেরকে এক ইঞ্চি ভূমিও বিক্রি করাও পাপ | ওরা ২ গুন / ৩ গুন মূল্যে বিঘে বিঘে জমি কিনছে, বসতি করছে | নতুন এক পাকিস্তানের চক্রান্ত হাসিলে মদতদেওয়া বন্ধ করুন | হাজার প্রলোভনেও এক ইঞ্চি ভূমি কোন দেশদ্রোহী বা বাংলাদেশী মুসলিমের হাতে তুলে দেবেন না | (৪) একটু সাবধানে ব্যবসা বানিজ্যে প্রবৃত্ত হোন | লাভ যেকোনো দিক থেকে সত পথে আপনার পকেটে আসুক | কিন্তু আপনার কাছ থেকে লাভ তুলে সে টাকা 'যাকাত আর খয়রাতের মাধ্যমে মসজিদ আর মাদ্রাসা নির্মানে যেন সহায়ক না হয় | হাজার হাজার জেহাদী ওই মসজিদ আর মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে আপনাকে আর সমগ্র ভারত বর্ষকে শেষ করবে | (৫) হিন্দু ভাই গণ একটু কম ভন্ডামি করুন | ধর্ম আচরণ করবেন আর ধর্ম রক্ষা করবেন না – এই চালাকি ত্যাগ করুন | ধর্ম রক্ষা শুধু সাধু-গুরু -সংগঠক দের নয় | ধর্ম রক্ষায় সবাইকে ব্রতী হতে হবে ভাই | বৈপরিত্য চলবে না | গরুকে মাতা বলব, গোমাতা বলে পূজা করবো, সে গরুকে অথর্ব বা বুড়ো হলে কসাই এর হাতে বিক্রি করব – এর থেকে বড় পাপ আর ভন্ডামি কিছু হয় না | কোন ভাবেই গরুকে কুরবানির জন্য কসাই এর হাতে বিক্রি করবেন না | গোরক্ষা আন্দোলনে নিজেকে যুক্ত করুন | ভালো হবে | মঙ্গল হবে |এই ধার্মিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক কট্টরতা না থাকলে আগামি ২৫ বছরে হিন্দুর পরবর্তী ভবিষ্যত যে কতটা দুঃস্বপ্নে পরিনত হবে সেটা ভাবতেও পারবেন না | ** “দিদির” নির্দেশে যেমন এক লহমায় ” আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়”হতে পারে “আলিয়া মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয়”, তেমনি তার ইসলামিক তর্জনী হেলনে “পশ্চিম বঙ্গ” হয়ে যেতে পারে “পশ্চিম মুসলিম বঙ্গ” | হয়ত তা শুধু সময়ের অপেক্ষা , অথবা সংগ্রামের শুভারম্ভ |

কুকুর-বিড়ালকে নাগরিকত্ব প্রদান

স্পেনের ত্রিগেরোস দেল ভাইয়ে একটি অভিনব ঘটনা ঘটলো। সেখানে ভোট দিয়ে কুকুর-বিড়ালকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়েছে। এখন থেকে মানুষের মতই সমান অধিকার দেয়া পাবে শহরটির কুকুর-বিড়াল। জানা গেছে, সেখানকার পৌর প্রশাসনের সভায় সর্বসম্মতভাবে বিড়াল ও কুকুরকে ‘নন হিউম্যান রেসিডেন্টস’ আখ্যা দিয়ে তাদের অধিকারকে সুনিশ্চিত করা হয়।

কেনো পারবেনা আগে আমাকে সেটা বলুন

কেনো পারবেনা আগে আমাকে সেটা বলুন। প্রত্যেক টা মানুষ জন্ম গত ভাবে হিন্দু হয়ে জন্মায়। সৃষ্টি কর্তা তাদের যেভাবে দুনিয়াতে পাঠায় ঠিক সেভাবেই রাখা হয় সারা জীবন। পৃথিবীতে এসে সে শুধু ভগবান এর নাম নিবে এবং ভগবানের নাম প্রচার করবে। তাকে নতুন করে সনাতন ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্যা কিছুই করা হয়না। কেনোনা সে জন্ম সীত্রেই সনাতনি। কিন্তু অন্যান্য ধর্মে বিভীন্ন কর্মের মাধ্যমে জন্মের পর ধর্মান্তরিত করা হয়। সে সেই ধর্মে দিক্ষিত হতে পারেনা। করলে তখনি সে সেই ধর্মের লোক। কিন্তু এক জন সনাতন পরিবারে জন্ম নেয়া কোন শিশুকে এগুলোর কিছুই করতে হয়না। । কিন্তু অন্যা ধর্ম থেকে কেউ যদি হিন্দু হতে চায় তাহলে তাকে শুধু মাত্র গীতা যোজ্ঞ্য করেই সে হিন্দু বা সনাতনি হতে পারবে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন হতে পারে সে যোজ্ঞ করে সে কি হিন্দু হয়ে যাবে..? হে হবে। কেনোনা, গীতায় ভগবান বলেছেন যোজ্ঞ্য করার জন্যা। কেনোনা যোজ্ঞ্য মানুষ কে পবিত্র করে তুলে। এমন কি মনিষী (পরম পুরুষ) দের কেও। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যোজ্ঞ্য করলে সে এক দম নিস্পাপ হবে। কিন্তু সে কি সনাতনি হয়ে যাবে নাকি..? । ( উধারন সরুপ কেউ মুসলিম হতে চাইলে তাকে কালেমা মুখস্ত করতে হত। যার বাংলা অর্থ দারায় সে আল্লাহ কে মেনে নিলেন। এবং গোপন অংগ কাটলেই সে মুসলিম, এক কথায় সে ইসলামের ভেশ ভুসা ধরলেই সে মুসলিম) । ভগবান বলেছেন শুধু মাত্র তাকে সরন করার জন্যা। তার পুজা করার জন্যা, তিনিই সৃষ্টি এই জগতের সৃষ্টি কর্তা। তিনিই ধংস কর্তা। তিনি সকল পাপির সাস্তি দাতা। তিনি পুন্যবান দের স্বর্গে নিবাস কারি। তিনিই এই জগত থেকে মানুষ কে উদ্ধার কারি। অতএব তাহারি ভজনা করতে বলেছেন। নাহয় এই জগত থেকে মুক্তির কোন উপায় নেই। নাহয় ফিরে আসতে হবে এই পৃথিবীতে বার বার। অন্যা ধর্মে থেকে সে এতদিন আসল সৃষ্টি কর্তাকেই পুজা করেনি। তার নাম সরন করেনি। তাই সে পাপে পান্নিত। তার জন্যা নরক অনিবার্জ। শুভ বুদ্ধি উদয় হয়ার পরে সে ভগবানের নাম নিয়ে স্বর্গে জেতে চাইলে তাকে যোজ্ঞ্য করে সম্পুর্ন পাপ মুক্ত হয়ে (নিস্পাপ) ভগবান সেবায় নিউজিত হলেই সে একজন সনাতনি বা হিন্দু।

ভারতে পরীক্ষাকেন্দ্রে হিজাব নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট

বহু বিতর্কিত অল ইন্ডিয়া প্রিমেডিক্যাল টেস্ট আর আরও একবার সংগঠিত হচ্ছে আজ। এবারে আগে থেকেই কড়াকড়ি নিরাপত্তা বেষ্টনীতে পরীক্ষাকেন্দ্র গুলি ঘিরে ফেলা হয়েছে। তার সঙ্গেই পরীক্ষার্থীদের জন্যও কড়া করা হয়েছে বিধিনিষেধ। আরও বহু বিধিনিষেধের মধ্যেই পরীক্ষাকেন্দ্রে হিজাব নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট। এই নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী পরীক্ষাকেন্দ্র নিষিদ্ধ বেল্ট, টুপি, স্কার্ফও। হালকা হাফস্লিভ জামা ও পা খোলা জুতো পরতে হবে পরীক্ষার্থীদের। এর আগে হিজাব পড়ার অনুমতি চেয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিল স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশন (এসআইও)। শুক্রবার এই আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এইচএল দাত্তির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। ''যেদিন তোমাকে একটি পরীক্ষায় বসতে হবে, শুধু মাত্র সেই দিনের জন্য তোমাকে এটি (হিজাব) পরতে বারন করা হচ্ছে। পরীক্ষা দিতে এসে একদিনের জন্য স্কার্ফ না পরলে তোমার বিশ্বাস উবে যাবে না।'' মন্তব্য বেঞ্চের। শীর্ষ আদালতের মতে এটি অত্যন্ত ছোট একটি বিষয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার জেরে ২০১৫ সালের এইপিএমটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। শীর্ষ আদালত সিবিএসই-কে আগামী ৩ মে-এর মধ্যে আর এক বার পরীক্ষা নিয়ে ফলাফল প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল। এই বারের পরীক্ষায় আরও একবার যাতে কোনও রকম গণ্ডগোলের কবলে পরতে না হয় তাই আগে থেকেই কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সিবিএসসি। সূত্র : জি নিউজ। http://www.kalerkantho.com/online/world/2015/07/25/248435