Saturday, 25 July 2015

সেক্যুলারদের ভণ্ডামী

সেক্যুলারদের ভণ্ডামী ও মাত্রাহীন তোষণের কারণে খুব শীঘ্রই আমাদের ওয়েষ্ট বেঙ্গল পাকিস্তানে পরিনত হবে। কিন্তু তাতে কি? "গান্ধীজি বলেছেন কেউ তোমার এক গালে চড় মারলে তুমি তোমার আরেক গাল বাড়িয়ে দাও।" সেক্যুলারদের বানী: "মুসলিমরা যদি তোমাদের মেয়ে,মা,বোনদের ধর্ষণ করে তবে তুমি তোমার স্ত্রীকেও ধর্ষণ করার জন্য তাদের কাছে এগিয়ে দাও।" আসুন আমরা সবাই রোজা রাখি এবং টুপি পড়ে নামাজ পড়ি,ইফতার করি এবং গো মাংস খেয়ে ধর্ম নিরপেক্ষতার বানী প্রচার করি।

সিপিএম আর ওয়াসি মিলে ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি কে ধর্মীয় রং দিতে চাইছে

সিপিএম আর ওয়াসি মিলে ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি কে ধর্মীয় রং দিতে চাইছে। এর ফলে ভারতে বড়সড় এক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এরকম দাঙ্গা হলে CPIM এর ই লাভ, কারন তারা আবার মোদী কে দাঙ্গাবাজ বলতে পারবে। তাই এই দুই বিষধর সাপ এর উস্কানি মূলক বক্তব্য তে কান দেবেননা। আদলত যা সাজা ঘোষনা করেছে তাই হবে। দয়া করে দেশদ্রোহী দের সমর্থন না করে, বিচার ব্যাবস্থার ওপর ভরসা রাখুন।

মুসলিম বলেই ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে ইয়াকুবকে

মুসলিম বলেই ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে ইয়াকুবকে, ফের ‘বিস্ফোরক’ ওয়েইসি, পাকিস্তান যেতে বললেন সাক্ষী মহারাজ নয়াদিল্লি: মুসলিম বলেই ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে ইয়াকুব মেননকে! এহেন বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়াতে চলেছেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। ১৯৯৩-এর মুম্বই সিরিয়াল বিস্ফোরণে দোষী সাব্যস্ত ইয়াকুবের মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে তিনি টেনে এনেছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গাঁধীর ঘাতকদের প্রসঙ্গ। তাঁর প্রশ্ন, তাহলে কেন রাজীব হত্যাকারীদের এখনও একই সাজা দেওয়া হয়নি? এক জনসভায় অল ইন্ডিয়া মুসলিম ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) প্রধান বলেছেন, তামিলনাড়ুর দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলই রাজীব গাঁধী হত্যায় দোষী ঘোষিত সান্থন, মুরুগান ও পেরারিভালানের ফাঁসি ঠেকানোর চেষ্টা করছে। তারপরই তাঁর মন্তব্য়, মৃত্যুদণ্ড দিলে সবাইকে দেওয়া হোক। এক্ষেত্রে যেন ধর্মের ভেদাভেদ করা না হয়।সেটাও সন্ত্রাসবাদ। ওয়েইসির মন্তব্যের জবাবে তাঁকে পাকিস্তান যেতে বলেছেন বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ। বিজেপিও তাঁর বিরুদ্ধে সন্তাসবাদ নিয়ে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির করার অভিযোগ তুলেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর বলেছেন, ওয়েইসি সব কিছুতেই রাজনীতে দেখেন। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির এর চেয়ে কুত্সিত চেহারা হয় না। ইয়াকুবের ফাঁসির নির্দেশ সরকার নয়, দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট । সাক্ষী বলেছেন, দেশের বিচার ব্যবস্থায় যাদের ভরসা নেই, তারা পাকিস্তান চলে যাক! দরজা খোলা রয়েছে। যারা দেশকে ভালবাসে না, জাতীয় পতাকা, সংবিধানকে সম্মান করতে জানে না, তাদের ভারতে থাকার অধিকার নেই। ওয়েইসি আর বিতর্ক যেন হাত ধরাধরি করে চলে।কিছুদিন আগেই অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙায় অটলবিহারী বাজপেয়ীর হাত ছিল বলে দাবি করে কেন তাঁকে ভারতরত্ন সম্মান দেওয়া হবে, প্রশ্ন তুলে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ওয়েইসি।

হিন্দু কুসংস্কার

পূর্ণিমা-অমাবস্যায় ব্যথা - হিন্দু কুসংস্কার . হিন্দুদের অন্যতম বড় কুসংস্কার হল এই 'পূর্ণিমা-অমাবস্যায় শরীরে ব্যথা'। প্রায় সমস্ত হিন্দু বাড়িতে এই সমস্যাটা আজও প্রবল... অনেক হিন্দুই বলে, এটা বিজ্ঞান। এটা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণের উত্তর চাঁদের মাধ্যাকর্ষণের প্রভাব, তাই এই ব্যথা হয়। বাড়িতে আরথ্রিতিস রোগী থাকলে তো কথাই নেই, এই ব্যথা হবেই... আসুন, এই সমস্যাটার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটা জেনে নিই। এই রোগগুলোকে বলে প্সিছসমাতিচ ডিসেয়াসেস। সহজ ভাষায় 'মনোরোগ' (প্সিছ) ও 'শারীরিক অসুস্থতা' (শমা)-র মিশ্রণ। এই রোগ মনে ৯৫% এবং শরীরে ৫%। এই রোগের ওষুধ 'ওষুধের দোকানে' পাওয়া যাবে না, যাবে 'সোনার দোকানে'। ওষুধগুলোর বৈজ্ঞানিক নাম জানি না, তবে বাজারে এগুলোর নাম - 'চুনি, পান্না, মুক্ত, গোমেদ, ইত্যাদি... এসবের প্রকৃত মূল্য ৫০০০ হলে মানুষের অন্ধবিশ্বাসকে ঢাল করে ৫০,০০০ - ৬০,০০০ এ বিক্রি হয়। তবে এই রোগের চিকিত্সা বিনামূল্যেও করা সম্ভব। মনের জোর এবং অন্ধবিশ্বাস ত্যাগ করুন, আপনিও পাবেন এই রোগ থেকে মুক্তি... ভেবে দেখুন, ব্যাপারটা যদি শ্চিয়েন্তিফিচ-ইহবে, তাহলে ব্যথা শুধু হিন্দুদের হয় কেন? - শতদল ঘোষ

সনাতন হিন্দুদের ঐতিহাসিক ভুল ও ভবিষ্যতের শিক্ষা-১

১) সুলতান মাহমুদ ১০ হাজার সেনা নিয়ে সোমনাথ মন্দির আক্রমণ করেছিল মন্দিরের ধন-রত্ন লুণ্ঠন ও মন্দির ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে। তখন ভারতের প্রধান প্রধান রাজারা এই মন্দির রক্ষার জন্য চারদিক থেকে সেনাবাহিনী প্রেরণ করেছিল যা ছিল ১ লক্ষের উপরে। কয়েকজন রাজপুত রাজকুমার মন্দির রক্ষার জন্য জীবন বিসর্জন দিতে প্রতিজ্ঞা করেন। খবর পেয়ে সুলতান মাহমুদ ভীত হয়ে পরেন এবং মন্দিরের দিকে অগ্রসর হওয়া থেকে বিরত থাকেন। রাজপুত বাহিনী মাহমুদের বাহিনীকে আক্রমণ করতে অগ্রসর হন। কিন্তু মন্দিরের পুরোহিতরা বিধান দিলেন যে এখন যোগিনী নক্ষত্র এর যোগ চলছে তাই এই সময়ে আক্রমণ করা ঠিক হবে না। রাজপুত বাহিনী তখন আক্রমণ করা থেকে বিরত হলেন। সুলতান মাহমুদ গোপন সূত্রে এই খবর পেলেন এবং রাজপুতরা পুরোহিতদের কথা মত যোগিনী নক্ষত্র এর সময় যুদ্ধ করবে না নিশ্চিত হয়ে হঠাৎ ঝটিকা আক্রমণ করে বসলেন এবং মন্দির ধ্বংস ও লুটপাট করলেন! অথচ এসব নক্ষত্র বিচার না করে বা কুসংস্কারাচ্ছন্ন পুরোহিতদের কথায় কান না দিয়ে রাজপুত বাহিনী যদি সুলতান মাহমুদের বাহিনীকে আক্রমণ করত তাহলে তাদের নিশ্চিত পরাজয় হত এবং মন্দির রক্ষা পেত। হিন্দুরা অনেক সময় অপশাস্ত্রের শিকারে পরিনত হয়েছে কিছু বিবেক বর্জিত তথাকথিত ব্রাহ্মণ বা পুরোহিতের অজ্ঞতার কারণে। ২) মোহাম্মাদ ঘুরী ১১ শতকের শেষ দিকে বিশাল এক সেনাবাহিনী নিয়ে ভারতের সেই সময়ের সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহানকে আক্রমণ করেন। তারাইনের ১ম এই যুদ্ধে ঘুরী বাহিনী রাজপুত বাহিনীর সাথে যুদ্ধে শোচনীয়ভাবে পরাজয়ের দিকে যেতে থাকে। এমন সময় মোহাম্মাদ ঘুরী পৃথ্বীরাজ চৌহানের ভাই ও প্রধান সেনাপতি গোবিন্দ রাজের সাথে যুদ্ধে ভীষণ আহত হয়ে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যায়। গোবিন্দ রাজ ইচ্ছে করলে তাকে পিছন থেকে ধাওয়া করে হত্যা করতে পারত। কিন্তু বৈদিক যুদ্ধনীতিতে কাউকে পিছন থেকে আক্রমণ করা বা পলাতক শত্রু সেনাকে হত্যা করা অন্যায় বা পাপ ও কাপুরুষতা হিসেবে গণ্য করা হয়। এই পলাতক মোহাম্মাদ ঘুরী পরের বছর আরও বেশী সেনা নিয়ে দিল্লী আক্রমণ করেন। দিল্লীর উপকণ্ঠে এসে তারা পৃথ্বীরাজ চৌহানের বিশাল সেনা বাহিনী দেখে হতাশ হয়ে পরেন। তারা ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেন। মোহাম্মাদ ঘুরী পৃথ্বীরাজ এর কাছে সন্ধি স্থাপনের জন্য একটা লিখিত প্রস্তাব পাঠান। এতে বলা হয় যে আফগান বাহিনীকে বিনা বাধায় দিল্লী ত্যাগ করার সূযোগ করে দিতে হবে এবং তারা আর কখনই দিল্লী আক্রমণ করবে না। পৃথ্বীরাজ এই সন্ধি প্রস্তাব মেনে নেন। কিন্তু বিশ্বাস ঘাতক ঘুরী ঐ রাতে হঠাৎ আক্রমণ করেন, আর এটা ছিল ঠিক মাঝ রাত। বৈদিক যুদ্ধনীতিতে রাতে যুদ্ধ করার কোন বিধান নেই, রাতে যুদ্ধ করা অন্যায় ও কাপুরুষতা। পৃথ্বীরাজ কখনই ভাবেননি যে নিজেই সন্ধি প্রস্তাব দিয়ে এই ম্লেচ্ছ এভাবে বিশ্বাস ঘাতকতা করবে। আসলে ইতিহাসের দিকে যদি তাকাই তাহলে দেখা যাবে এভাবে বিশ্বাস ঘাতকতা করেই নীতিবান ও মানবতাবাদী হিন্দুদেরকে পরাজিত করা হয়েছে। তাই, সনাতন হিন্দুদেরকে আত্মরক্ষার জন্য এইসব কাপুরুষোচিত ষড়যন্ত্র ও কূটকৌশল সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। লেখকঃ গৌরাঙ্গ সরকার সন্তোষ

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট-এর জঙ্গিদের লক্ষ্য করে আবারো বিমান হামলা চালিয়েছে তুরস্ক

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট-এর জঙ্গিদের লক্ষ্য করে আবারো বিমান হামলা চালিয়েছে তুরস্ক। . একি সাথে হামলা চালানো হচ্ছে উত্তর ইরাকের কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের লক্ষ্য করেও। . ইসলামিক স্টেট-এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছে তুরস্ক। তারই অংশ হিসেবে সিরিয়ার জঙ্গিদের উপরে বোমা হামলা চলছে। . স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে আইএস সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে সিরিয়ার আকাশসীমা থেকে তুর্কী বিমান গুলি করেছে। . এই নিয়ে এক সপ্তাহে দ্বিতীয় বারের মতন তুরস্ক বিমান হামলা চালালো। . এর আগে শুক্রবারেও সিরিয়ায় আইএস-এর তিনটি টার্গেটে বিমান হামলা চালায় তুরস্ক। . এছাড়া ইরাকের কুর্দিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদীআন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পৃথক মিশনে বোমা হামলা চালানো হয়েছে কুর্দি সেপারেটিস্ট গ্রুপ বা কেকেকে এর উপর। . তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে সাম্প্রতিক এক হামলার দায় স্বীকার করেছিল পিকেকেকে। . আইএসকে দমনের জন্য তাদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন বিমানগুলোকে তুরস্কের বিমানঘাঁটিগুলো ব্যাবহার করার অনুমতিও দিয়েছে তুরস্ক। Source : ‪#‎ BBC‬

আপনারা কি ড.সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর সাথে একমত?

আপনারা কি ড.সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর সাথে একমত? নয়া দিল্লি;হিন্দুত্ব এজেন্ডার বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠক ডাকার জন্য দলের সভাপতি অমিত শাহকে বলতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুরোধ জানালেন ড. সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।২০১৪ সালের নির্বাচনী ইস্তেহারে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অনুসারে হিন্দুত্ব এজেন্ডার বাস্তবায়ন সম্পর্কে বিজেপির কার্যকরী বৈঠক চান স্বামী।তিনি এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে চিঠি দিয়েছেন।চিঠিতেস্বামী বলেছেন,এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চিঠি লেখার পর চার মাস কেটে গেলেও অমিত শাহ তার চিঠির উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।তাই বাধ্য হয়ে এবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখেছেন। "আমাদের দলের সব কর্মী এবং সংঘ পরিবারের হৃদয়স্পর্শী ইস্যু" নিয়ে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী অমিথ শাহের উপর যথেষ্ট ক্ষুব্ধ তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট।তিনি আরও বলেছেন,বিশেষ করে দল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল,যদি সম্ভব হয় আইনি পদক্ষেপ নিয়ে রামমন্দির নির্মাণ করা হবে। ‪#জয়শ্রীরাম‬ হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়। ‪#RSS‬