Monday, 27 July 2015

হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই

আমরা হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই, আর সেই ভাই হওয়ার কারনে মাঝে মাঝে আমাদের বাড়ি,দোকান পোড়ে, লুঠ হয়। আমাদের মেয়েরা রাস্তায় শ্লীলতাহানির শিকার হয়, আমাদের মেয়েদের আমরা সন্ধ্যের পর মুসলমান পাড়া দিয়ে আসতে বারণ করি, কারন আমরা ভাই ভাই। আমরা যদি ভাই না হতাম তাহলে আমাদের বাড়িঘর, দোকানপাট পুড়ত না লুঠ হত না, আমাদের মেয়েরা শ্লীলতাহানি, ধর্ষনের শিকার হত না, আমাদের মেয়েদের সন্ধ্যের পর মুসলমান পাড়া দিয়ে আসতে বারণ করতে হত না। ঈদের দিন মেয়েদের রাস্তায় বেরোতে বারণ করতে হত না। মেয়েদের রাস্তায় কেউ ইভটিজিং করত না, মেয়েরা রাস্তায় বের হলে এতো নিরাপত্তাহীনতায়ভুগত না। যাইহোক, আমরা ভাই ভাই এসব একটু আধটু হয়েই থাকে, শরীর থাকলে যেমন জর হয়, তেমন আমরা ভাই ভাই তাই একটু এসব হয়েই থাকে এই নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। -আমি সেকুলার

পঞ্জাবের গুরুদাসপুর

সকাল ৫.৩০ প্রথমে গুলি চলার আওয়াজ শোনা যায় সোমবার সকাল ৭.৫৩ পঞ্জাবের গুরুদাসপুরে পঞ্জাব-জম্মু-কাশ্মীর সীমানায় জম্মুগামী বাস লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় জঙ্গিরা। সকাল ৮.০৬ দীনানগরের কাছে পরমানন্দে (পাঠানকোট- অমৃতসর) রেললাইনের ওপর পাঁচটি বোমা পাওয়া গেল। সকাল ৮.০৭ অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী বেরিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে জঙ্গিদের মোকাবিলা করতে। সকাল ৮.১৫-৮.৩০-র মধ্যে জঙ্গিরা দীনানগর থানা লক্ষ্য করে গ্রেনেড ও গুলি ছোড়ে। ঢুকে পড়ে থানায়। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। সকাল ৮.১৫ তিনজন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায় সকাল ৮.১৯ গুরুদাসপুরের সমস্ত স্কুল, কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হল। সকাল ৮.২১ এনএসজি-র কোম্যান্ডোরা পৌঁছল ঘটনাস্থলে। সকাল ৮.২৫ ভারতীয় সেনা ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। সকাল ৮.৩৫ জঙ্গিরা থানার বিল্ডিং-এর অন্যদিকে পুলিশ কোয়ার্টারে ঢুকে পড়ে। গুলির লড়াই শুরু হয়। সকাল ৮.৩৮ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিংহ বাদলের সঙ্গে কথা বললেন ঘটনার বিষয়ে। স্বরাষ্ট্র সচিব ও এনএসএ-র সঙ্গেও আলোচনা করলেন। সকাল ৯.২০ মকবুল খানের নেতৃত্বে লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গিরা হামলা চালিয়েছে বলে সন্দেহ। পঞ্জাব, জম্মু-কাশ্মীরে সতর্কতা জারি। সকাল ৯.৩০ ৫জনের মৃত্যুর খবর। পুলিশের পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে পণবন্দী করে রাখার খবর। সকাল ১০ ৬জনের মৃত্যুর খবর (দুই হোমগার্ড ও ৪জন সাধারণ মানুষ) সকাল ১০ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে আপৎকালীন বৈঠক শুরু। সকাল ১০.০৮ পাঠানকোট জম্মু সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হল। সকাল ১১.২৫ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তেও জারি সতর্কতা। সকাল ১১.৪০ দুই পুলিশকর্মীসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে গুলির লড়াইয়ে দীনানগর পুলিশ লকআপে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু। সকাল ১১.৫৬ জম্মু কাশ্মীরের সাম্বায় চূড়ান্ত সতর্কতা জারি। সকাল ১২.১৫ তীব্র গুলির লড়াই অব্যাহত। দুপুর ১২.৩০ থানার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ৩-৪জন জঙ্গি বলে খবর। দুপুর ১টা গুলিবিদ্ধ পঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পুলিশ সুপার বলজিত সিংহ। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯। দুপুর ১.১৫ পঞ্জাবে রেড অ্যালার্ট জারি। দুপুর ১.২০ সারা দেশেই জারি চূড়ান্ত সতর্কতা।

Hang Yakub Menon‬

ঝড়ের বেগে শেয়ার করুন সবাই- ‪#HangYakubMenon‬ "আমি এমন এক ব্যক্তির প্রতি গুলিবর্ষণ করেছি যার কার্যকলাপ লক্ষ-কোটি হিন্দুর কপালে দুর্দশা ডেকে এনেছে।তাই আমি এই দুর্দশাগ্রস্থ হিন্দু জাতির মুক্তির কথা চিন্তা করেই গান্ধীর প্রতি মৃত্যবাণ নিক্ষেপ করেছি।"-মোল্লা দালাল গান্ধীকে বধ করার পর ঠিক এভাবেই আদালতে দাড়িয়ে স্বীকারোক্তিমূলবীরোচিত জবানবন্দি দিয়েছিলেন হিন্দু বীর নাথুরাম গডসেজী। কিন্তু সেদিনের সে আদালত নাথুরামজীকে ছাড়েনি।স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পরও খানগ্রেসি কোর্ট সেদিন নাথুরামজীকে ফাঁসি দিয়েছিল।নাথুরামজীর শেষ ইচ্ছা ছিল তার অস্থিভষ্ম সেদিনই যেন গঙ্গায় দেওয়া হয় যেদিন সিন্ধুর ধারা আবার ভারতীয় সাম্রাজ্যের ভেতর দিয়ে ধাবিত হবে।তাঁর শেষ ইচ্ছা অনূযায়ী সে দেহভষ্ম এখনো সংরিক্ষত আছে। আর এদিকে ইয়াকূব মেনন নামক এক সন্ত্রাসবাদীর সাজা হল আজ বাইশ বছর পর।ফাঁসির সাজা।আদালতে অপরাধ প্রমাণিত।৯৩ তে ৩০০র বেশি হিন্দু হত্যাকারীর ফাসি আগামী ৩১ শে জুলাই।কিন্তু,দুঃখের বিষয় ভারত তো বটেই বাংলাদেশ সাথে পাকিস্তানের সব যবন মসলমান সব রাজনৈতিক বিরোধ ভুলে ইয়াকূবের পাশে দাড়িয়েছে।তথাকথিত সেকুলার মসলমানরাও আজ নিজের মুখোশ লূকাতে পারছে না।জাত ভাইয়ের স্বার্থে টান পড়েছে! মসলমানরাও মেনে নিয়েছে সে অপরাধী।কিন্তু তাদের যুক্তি দেখাচ্ছে-ইয়াকূব মসলমান বলেই নাকি তাকে ফাসি দেওয়া হচ্ছে।আমরা বলব-হ্যা,৩০০র উপরে মানুষ হত্যা যদি ইসলাম ধর্ম হয় তবে ওকে মসলমান হিসেবেই ফাসি দেওয়া হবে।ক্ষমতা থাকে তো ঠেকা! ৮০০ বছর বাদে ভারতে হিন্দু শাসক ফিরে এসেছে।আমরা ভুলে যাইনি ভারতে মসলমান শাসকদের হিন্দুর উপর নির্যাতনের ইতিহাস।স্রেফ হিন্দু বলেই মসলমান শাসকরা হিন্দুর রক্তে সারা ভারত প্লাবিত করেছিল।নজর-এ-বেওয়া থেকে শুরু করে হিন্দু মন্দিরে গোহত্যা,হিন্দু নারী ধর্ষণ সব করেছে মসলমান শাসকরা।মন্দির ভাঙার ইতিহাস আপনাদের আগেই বলেছি।এখন এতদিন বাদে আবার হিন্দুর হাতে ক্ষমতা ফিরে এসেছে।সেই দাবি থেকে এখন আমরা বাবু ভাই বজরঙ্গি,মায়া কোডনানিদের মুক্তি চাইব এটা আমাদের অধিকার। কিন্তু কোন অধিকার বলে মোল্লারা এখন ইয়াকূবের মুক্তি চাইছে যারা মাত্র এক হ্যা শুধুমাত্র এক গান্ধী হত্যার জন্য নাথুরামজীকে ফাসি দিয়েছিল।তাও শুধুমাত্র মোল্লা দালাল বিচারকদের দিয়ে।তখন আদালত স্বাধীন ছিল না কিন্তু এখন স্বাধীন।মাঝে মাঝেই আদালত নানা হিন্দু বিরোধী রায় দিচ্ছে কিন্তু আমরা কিছু করতে পারছি না কারন বিচারবিভাগ স্বাধীন বলে।তাহলে মোল্লা আর তাদের দালালরা এর বিরোধীতা করছে কেন? হ্যাঁ এটা হল ওদের ইসলামের শিক্ষা।যতই ধর্ষক কিংবা মহা সন্ত্রাসবাদী হোক নামের সাথে মোহম্মদ থাকলে সব এক!তবে আমরা কেন এক হব না???পৃথিবীর সব হিন্দু এক হও।গর্জে ওঠ-এক গান্ধীকে হত্যার জন্য যদি নাথুরাম গডসেজীর ফাঁসি হতে পারে তবে ৩০০র বেশি হিন্দু হত্যাকারী ইয়াকূবের কেন ফাঁসি হবে না???ওর তো ফাসির পরে দেহ হাজার টূকরা করে দিল্লির জামা মসজিদে ফেলে আসা উচিত! ‪#জয়শ্রীরাম‬ সবাই #HangYakubMenon হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন। হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়। ‪#RSS

ইসলামিক নৈরাজ্য

কথাটা হচ্ছে যে- পরিবর্তনের তালে তালে এই যে "ইসলামিক নৈরাজ্য" সেটা প্রকট হচ্ছে, পুলিশ -প্রশাসন কথায় কথায় আক্রান্ত হচ্ছে, তাতে আপনাদের কি মনে হচ্ছে ? আমি কিন্তুু অসুভ লক্ষন দেখতে পাচ্ছি, আর সেটা হল - পশ্চিমবঙ্গে জেহাদী ইসলাম প্রকট হতে চলেছে | একটা গভীর চক্রান্ত করে গ্রাম স্তর পর্যন্ত একটি সমান্তরাল শরিয়তি শাসনের চেষ্টা চালাচ্ছে | আর অনৈতিক ভোটব্যাংক টিকিয়ে রাখার জন্য মুসলিম দের তেলিয়ে তেলিয়ে একটি তালিবানি সমাজ গড়ার জোর প্রচেষ্টা চলছে | ………….... *** পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আমার কিছু প্রশ্ন :- (1) এই তালিবানি শাসন চক্রান্ত শুধু ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি না মুসলিম পশ্চিমবঙ্গ গঠনের আন্তর্জাতিক প্রয়াস ? (2) পরিবর্তনের এই স্বল্প সীমায় এত হিন্দু মন্দিরে চুরি, মূর্তি ভাঙ্গা আর হিন্দু গ্রামে ডাকাতি বাড়ছে কি করে ? (3) হিন্দু মেলা ও অনুষ্ঠানে হিন্দু মেয়েদের বিশেষ টার্গেট করার মাত্রা হটাত বেড়ে গেল কি করে ? (4) ভারতের সংবিধান, সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাই কোর্টের রায় অমান্য করে ব্যাপক গরুহাট ও গো বংশ নিধনের চেষ্টা চলছে | একদিকে শব্দ দুষণ প্রতিরোধ করতে দীপাবলীতে শব্দ বাজি ধরার কড়া চেষ্টা আর অন্যদিকে গো হত্যার জন্য বকরী ঈদে বেআইনি ছাড় | ব্যাপারটা কি ? (5) পশ্চিমবঙ্গে এত এত অবৈধ মাদ্রাসা তৈরি হয়েছে.... আপনারা কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন ? নাকি এগুলো আপনাদের সম্মতিতেই হয়েছে ? (6) মাদ্রাসা গুলোতে যে জঙ্গী প্রশিক্ষণ আর মৌলবাদি তৈরি করা ছাড়া আর কিছুই হয় না সেটা কি জানতেন না ? অথচ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অনেক আগেই আপনাদের এই সম্বন্ধে সতর্ক করেছিল ! (7) পশ্চিমবঙ্গে 30% এরও বেশী মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও মুসলিমরা কি করে সংখ্যালঘু হয়? (8) পশ্চিমবঙ্গে কি শুধু মুসলিমরাই সংখ্যালঘু ?.....তা যদি না হয় তাহলে অন্য সম্প্রদায় কে কেন সংখ্যালঘুর সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে ? (9) সাধারণ হিন্দুদের বঞ্চিত করে অত্যধিক হারে মুসলিম তোষনের কারণটা কি শুধুই ভোটব্যাংক... নাকি অন্য কোন ষড়যন্ত্র? ** হিন্দুরা ক্রমশ: এই নির্লজ্জ মুসলিম তোষনে আজ বীতশ্রদ্ধ | সেটা কি আপনারা বুঝতে পারছেন না ? দয়া করে শুনুন | সংখ্যা গুরু হিন্দুদের মাথায় অন্যায় ভাবে আঘাত করে, পেটে লাথি মেরে আর খেপিয়ে তুলে খুব লাভ হবে কি ? বিপ্লব দত্ত

Hanuman is still alive: 7 reasons that prove it

http://m.speakingtree.in/spiritual-slideshow/seekers/mysticism/hanuman-is-still-alive-seven-reasons-that-prove-it?utm_source=Facebook&utm_medium=Paid&utm_campaign=Boost

পশ্চিম বঙ্গের জেলাতে জেলাতে অতি বর্ষনের ফলে বন্যা দেখা দিয়েছে

পশ্চিম বঙ্গের জেলাতে জেলাতে অতি বর্ষনের ফলে বন্যা দেখা দিয়েছে আর সেই সময় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সপার্ষদ প্রমোদ সফরে বিলেত গেলেন এর পূর্বে সিঙ্গুর কে সিঙ্গারা বানিয়ে সিঙ্গাপুরে গিয়ে ঘাটালের সাংসদ কে পাগলু ড্যান্স করিয়ে এক নয়া পয়্সা বিনিয়োগ ও আনতে পারেন নি। এবারেও বিলেতে উনার তেলেভাজা অর্থনিতী তত্ত্ব কপচে হাথতালি নিয়েই ফিরবেন আর সাথে থাকবে এক গোছা মৌ।জ্যোতি বাবুর আমল থেকে মৌ খেয়ে খেয়ে রাজ্যবাসীর রক্তে সুগার বেড়ে চলেছে তবে এই আপতকালীন পরিস্থিতে প্রমোদভ্রমণ আমাকে পুরান একটি উপমা মনে করাচ্ছে, যদিও বহু ব্যবহারে সেটি ক্লিশে হয়ে গেছে। এটি হলো "রোম পুড়ছে তখন সম্রাট নিরো বেহালা বাজাচ্ছেন" জয় ভবানী

What is Love Jehad ?লাভ জিহাদ কী?

লাভ জিহাদ কী ? লাভ জিহাদ হচ্ছে উগ্র কিছু মুসলিমদের শক্তিশালী একটা অর্গানাইজেশন। এই গ্রুপটা শুধু বাংলাদেশে না ,ভারত ,আমেরিকা ,ইংল্যান্ড ,কানাডা সহ যে অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।এই গ্রুপটার কাজ ই হচ্ছে মুসলিম ব্যতীত অন্য ধর্মের ব্যক্তিদের মুসলিমে কনভার্ট করা । প্রধানত , তারা মেয়েদের বেশী টার্গেট করে এবং মেয়েদের সাথে প্রেমের এক লোভ লালসাময় ছলনা করে । এক পর্যায়ে মেয়েরা তাদের ফাঁদে ধরা দেয় এবং মুসলিমে কনভার্ট হয়ে যায় । যতটুকু আমাদের কাছে খবর এসেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো= ১ টা হিন্দু মেয়ে কনভার্ট = ১ লাখ টাকা । ১ টা ব্রাহ্মণ মেয়ে কনভার্ট = ২ লাখ টাকা । ১ টা শিখ মেয়ে কনভার্ট = ৪ লাখ রূপি । ১ টা ওয়াইট মেয়ে কনভার্ট = ৮০,০০০ ডলার মনে রাখবেন , লাভ জিহাদের একটা গ্রুপ । গ্রুপ অনেকগুলো আছে এবং এগুলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে । আর যাতে আমাদের ধর্মের কোন বোন অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে না পারে সেই দিকে সবাইকে নজর রাখতে হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বেবস্থার পাশাপাশি যদি আমারা বাচ্চাদের ধর্মীয় শিক্ষা দেই তাহলে আমাদের সমাজ থেকে এই লাভ জিহাদ নামক প্রতারনা মুলক ফাঁদ টি অচিরের ধ্বংস হয়ে যাবে । শেয়ার করে আপনারা সকল হিন্দু বোনদের জানিয়ে দিন। ‪#‎ RSS