পার্কে বিকিনি পরার অপরাধে উত্তর ফ্রানসের এক জন মেয়েকে বোরকা পরিহিতা এক দল মুসলিম ছাগলী প্রচণ্ড মারধর করেছে। ফ্রান্সেও মুসলিম ছাগলীরা আল্লাহর আইন চায়। বোরকা পরিহিতা এই সব মুসলিম ছাগলীদের বস্তাবন্দি করে পিটানো দরকার। নিউজ লিংক কমেন্ট বক্সে
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 29 July 2015
সিককুলার ভাম
পাড়ার সিককুলার ভাম কাকুর একটি মেয়ে আছে, মোটামুটি স্বাধীন ভাবেই চলাফেরা করতো। সে যখন ক্লাস এইটে পড়ে, পাশের পাড়ার দশম শ্রেনীতে পড়া বিষ্ণুপদ বাগ্দীর সাথে প্রেম হয়, ভালো ছেলে, বেশ বুদ্ধিমান। কিন্তু বাধ সাধল তার বাবা। ছোট জাতের সাথে সম্পর্ক মেনে নিতে পারলেন না তিনি। অনেক বাধা দানের পরও যখন, মেয়ে-ছেলে কেউই কথা না শুনে লুকিয়ে চুরিয়ে দেখা করতে লাগল,... তখন তিনি তার গুণমুগ্ধ কয়েক জন কর্মী দিয়ে তাদেরকে বেদম প্রহার করান, এবং এরপর দেখা করলে বাড়ির সকলকে সটান মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। থানাতে অভিযোগ জানানোরও সব পথ বন্ধ করা হয়। এখানেই তাদের প্রেমের ইতি ঘটে। সে বছর কেন, আর কোনদিনই সেই উজ্জ্বল ছেলেটির আর মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। কিছুদিন পরে ভাম কাকুর মেয়ের দিকে, তার এক চ্যালার নজর পড়ে। সুযোগের অপেক্ষায় ঘুর ঘুর করে, বাড়ি আসে যায়। এর মধ্যেই একদিন সুযোগ জুটে যায়, মা নেই, দাদা কলেজ গেছে, ভামকাকু পার্টি অফিসে আর দাদু-ঠাকুমা! সে তো পৈতৃক বাড়ীর কাকুদের কাছে। সেদিনেই ধর্ষন করে তার যুবতী মেয়েকে। পাড়ার ছেলে-ছোকরারা ধরেও ফেলে কিন্তু ভামকাকু এসে পড়ায়, উত্তম-মধ্যম থেকে বেঁচে যায়। ভাম কাকু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের ভয়ে ব্যাপারটা চেপে যায়। এতো গুলো ভোটের কি হবে, এই আশঙ্কাতেই বোধ হয়! অন্যদিকে তার ছেলেও প্রেমে পড়ে গ্রামেরই এক বিধর্মী মেয়ের সাথে, একদিন চুমোচুমির সময় পাড়ার গলিতে ধরা পড়ে, পাড়ার ছেলেরা হাত-পা ভেঙে দিলে, পাড়ার কিছু ভালো ছেলে তাকে হসপিটালাইজড করে, বাড়িতে খবর দেয়, সবাই তো আর সমান নয়। পরে পোগতীশীল, অসাম্প্রদায়িক ভামকাকু মেয়ের পাড়াতে গিয়ে ছেলের অপকর্ম ও বিধর্মীদের ইজ্জতে হাত দেওয়ার অপরাধে ক্ষমা চেয়ে আসে। যদিও পরবতী সময়ে তার সেই কুসংস্কার মুক্ত ছেলে সেই মেয়েকে নিয়ে ভাগে কিন্তু কিছুদিন পর সেই মেয়ে ফিরে এলেও ছেলে আর কোনদিন ফেরেনি। ভামকাকু এখন বদ্ধ পাগল, বিড়বিড় করে সারাদিন ধরে কি যেন বকে! ..... সুমন মন্ডল.......
Gita-প্রেসিডেন্ট স্বর্গীয় কালামজী
শ্রীমদ্ভগবদগীতাআমার জীবনকে বদলে দিয়েছে-আত্মজীবনীতে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট স্বর্গীয় কালামজী। যে ব্যক্তি জীবনে কখনো নামায পড়েনি,ইসলামের ধারে কাছেও তার জন্য মসলমানরা যেন ইন্না ইল্লাহি রাজিউন না বলে-মসলমানদের কাছে এই অনুরোধ করছি।এবং কর্তপক্ষের নিকট আবেদন জানাচ্ছি-চিরকালহিন্দু রীতি মেনে চলা প্রাণপ্রিয় কালামজীকে যেন শ্মশানে অন্তেষ্টিক্রিয়া করা হয়। (দিব্যান লোকান সঃ গচ্ছেতুঃ) # RSS
হিন্দু নেতাদের হিন্দু বললে হিন্দু ধর্মের অপমান
হিন্দু নেতাদের হিন্দু বললে হিন্দু ধর্মের অপমান মনে করি ।মুসলমান নেতাদের দেখবেন তারা নিয়মিত মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে ।অন্যদিকে হিন্দু নেতারা মন্দিরে কতদিন পর পর যায় ভগবান জানেন ।আমার মনে হয় হিন্দু নেতাদেরকে যদি বলেন- গীতার কয়টি অধ্যায় ও কি কি?গীতার অষ্টাদশ অধ্যায়ের 66 নং শ্লোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কি বলেছেন?উত্তর পারবে না শতকরা 95 ভাগ হিন্দু নেতা । বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত হিন্দু নির্যাতন হয় অথচ তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না । অন্যদিকে সাধারণ হিন্দুরা মাঠে নেমে বৃষ্টিতে ভিজে আন্দোলন করে হিন্দু এমপি ও মন্ত্রী চাই । ক্ষমতা একবার হাতে পেয়ে গেলে চোখে সর্ষে ফুল দেখে ।এদেশে সব কয়টা হিন্দু নেতা মুসলমানদের বাল ছাঁটে । একটা হিন্দু নেতা নেই জোর গলায় প্রতিবাদ করার মত ।একজন ছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত অথচ সরকার তাকে একটা সিস্টেমে সরিয়ে ফেললেন ।বর্তমানে হিন্দু সোনার ছেলে কয়েকটা আছে যারা ছাত্রলীগ কিংবা ছাত্রদলে যোগ দিলেন ।আসল কথা এদেরকে মুসলমান নেতা যাই বলে তাই কানে ধরে করে ।তাই আমাদের উচিত প্রত্যেক হিন্দু পরিবার থেকে টাকা তুলে হিন্দু নেতাদের দান করা ।কেননা তারা টাকার লোভে এসব করছে ।এখনি তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে
ডঃ এ পি জে আব্দুল কালামের জীবন থেকে নেয়া
ডঃ এ পি জে আব্দুল কালামের জীবন থেকে নেয়া ********************** “ যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট সবজি আর একেবারে পুড়ে যাওয়া রুটি খেতে দিলেন। আমি অপেক্ষা করছিলাম বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার জন্য। কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে নিলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন স্কুলে আমার আজকের দিনটা কেমন গেছে। আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি উত্তর দিয়ে ছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে যে, মা পোড়া রুটি খেতে দেয়ার জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন সেটা আমি কোনদিন ভুলব না। বাবা বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই আমার পছন্দ।’ পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন বাবাকে শুভরাত্রি বলে চুমু খেতে গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া রুটিটা পছন্দ করেছিলেন কিনা। বাবা আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন। তাছাড়া একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ কষ্ট পায় না বরং মানুষ কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর কথায়। জেনে রেখো, জীবন হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ জিনিস এবং ত্রুটিপূর্ণ মানুষের সমষ্টি। আমি কোনক্ষেত্রেই সেরা না বরং খুব কম ক্ষেত্রেই ভাল বলা যায়। আর সবার মতোই আমিও জন্মদিন এবং বিভিন্ন বার্ষিকীর তারিখ ভুলে যাই। এ জীবনে আমি যা শিখেছি সেটা হচ্ছে, আমাদের একে অপরের ভুলগুলোকে মেনে নিতে হবে এবং সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হবে। জীবন খুবই ছোট; প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অনুতপ্ত বোধ করার কোন মানেই হয় না। যে মানুষগুলো তোমাকে যথার্থ মূল্যায়ন করে তাদের ভালোবাসো আর যারা তোমাকে মূল্যায়ন করে না তাদের প্রতিও সহানুভূতিশীল হও।”
বখতিয়ার খিলজি বৌদ্ধ বিদ্বেষী ছিলেন
ভারতবর্ষে বখতিয়ার খিলজি প্রচুর বৌদ্ধ বিদ্বেষী ছিলেন।এই ঘটনা ভারতে বৌদ্ধধর্মের পতনের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে বিবেচিত হয়।বখতিয়ার খিলজিসহ কয়েক 'শ মুসলমান মিলে হাজার হাজার নিরীহ শান্তিপ্রিয় বৌদ্ধ ভিক্ষুকে হত্যা করে।পারস্য ইতিহাসবিদ মিনহাজ তাঁর "তাবাকাতে নাসিরি" গ্রন্হে লিখেছেন "হাজার হাজার বৌদ্ধ ভিক্ষুকে আগুনে পুড়িয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে সেখানে ইসলাম প্রচারের চেষ্টা করে ডাকাত খিলজী। পরবর্তীতে খিলজীর অত্যাচারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ভারত ত্যাগ করে শ্রীলংকা,মায়ানমার,চীন,কম্বোডিয় াতে পালিয়ে যায়।বর্তমানে ভারত বর্ষে প্রাচীন নিদর্শন ব্যতীত বৌদ্ধ সম্প্রদায় নেই বললেই চলে ।নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বিহার রাজ্যে অবস্হিত একটি প্রাচীন উচ্চশিক্ষা কেন্দ্র।অতীতে ব্রিটেন,পারস্য, কোরিয়া,জাপান,তিব্বত,তুরস্ক,সিঙ্গাপুরসহ অনেক দেশের স্টুডেন্ট ভারতে পড়াশুনা করতে আসত।আর সেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসসহ পুরো বৌদ্ধধর্মের মানুষদের হত্যা করলেন উগ্রবাদী মুসলমান ও বিশ্বের সেরা ডাকাত বখতিয়ার খিলজী । অথচ দেখছেন এই পশ্চিমবঙ্গের মোল্লারা এই ডাকাতকে এই বাংলার শ্রেষ্ঠ মসলমান বীর বলে মানে ও সম্মান করে।সেকুদের আশ্রয়ে এরা যে কি পরিমাণে এখন দুধে- ভাতে আছে তার একটা প্রমাণ আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি-তিনবছর আগে নদীয়ার একটা টিস্টলে বসে চা খাচ্ছিলাম।তখন পাঁচটা দাড়িয়ালা মোল্লা এবিষয়ে কথা বলছিল। তারা বখতিয়ার খিলজিকে মহান নেতা হিসেবে সম্বোধন করতেই আমরা দু বন্ধু তার প্রতিবাদ করে এই সত্য ইতিহাস বলতেই আমাদের দিকে তেড়ে আসে!শেষে আরো কিছু লোক চলে আসলে মোল্লার বাচ্চারা কাপ রেখে স্থান ত্যাগ করে দ্রুত চলে যায়। ভাবতে পেরেছেন এরা কতটা বাড় বেড়েছ?তাই এই দেশের শত্রু মোল্লাদের হিন্দুস্থানে থাকার কোন নৈতিক অধিকার আছে কিনা আপনারাই বলুন?
Agni 5 NCM
ভারতের সবচেয়ে লং রেঞ্জ নিউক্লিয়ার মিসাইলের রেঞ্জ ৫৫০০ কিমি(অগ্নি-৫ এর)।ভারত বিভিন্ন মোবাইল বেইজ বা মোবাইল নিক্লিয়ার ইউনিট থেকে সর্ব পশ্চিমে গুজরাট বা পাঞ্জাব বা উত্তরে কাশ্মীরের প্রদেশ থেকে পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমে এই মিসাইল ছুড়লে সেটা পাকিস্তান,আফগানিস্তান,ইরান,তুর্কমেনিস্তান,উযবেকিস্তান,তাজিকিস্তান ও কিরগিযস্তান এই ৭ টি মুসলিম দেশে আঘাত হানতে পারবে।
পূর্বে পশ্চিম বঙ্গ বা সেভেন সিস্টার থেকে পুরা বাংলাদেশ এই বোমা এর রেঞ্জে থাকবে।দক্ষিনে কেরালা থেকে মালদ্বীপ আর দক্ষিণ পূর্বে আন্দামান থেকে মালেয়শিয়া ও ইন্দো নেশিয়া এই তিনটা মুসলিম দেশে এই বোমা আঘাত হানতে পারবে।অর্থ্যাৎ কালামজী ভারতের উপর হুমকিস্বরূপ ১১ টা মুসলিম দেশের প্রায় ৬০ কোটি এর অধিক মুসলিম জীহাদিকে নিয়ন্ত্রনের আওতায় নিয়েএসেছেন।
এ.পি.জে. কালাম আরেকটা মহা কাজ করেছিলেন উনার জীবদ্দশায় সেটা হচ্ছে মেগা রিভার প্রোজেক্ট।তার মানে বাংলাদেশের নদীগুলো থেকে জল প্রত্যাহারের পরিকল্পনা উনার মস্তিস্কপ্রসুত।
অমর রহে কালামজী।
হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।
#RSS
Subscribe to:
Posts (Atom)