একবার চিন্তা করুন-কতটা কতটা হিন্দুবিদ্বেষী হলে মোল্লারা ইয়াকূবের জানাযায় অংশ নিতে পারে!এরা জানে ইয়াকূব তিনশর বেশি হিন্দু হত্যা করেছিল তাই আজ ইয়াকূব এই সাম্প্রদায়িক হিন্দু বিদ্বেষী মসলমানদের এত প্রিয়।তা নাহলে একজন সাধারণ ইয়াকূবের জন্য যবনদেয এত কান্না কেন?
সারা মহারাষ্ট্রে আগুন জ্বেলে উঠেছে।মহারাষ্ট্রে মাত্র 12% মোল্লা।শিবসেনা-হিন্দু রাষ্ট্র সেনা(HRS) একশনে নেমে পড়ুন।যেখানে আজ কালামজীর সৎকারে এর আর্ধেক মসলমানও হয়নি সেখানে একজন সামান্য ইয়াকূবের সৎকারে এত মোল্লা এসে প্রমাণ করে দিল-ওরা আরও হিন্দুর রক্ত খেতে চায়।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 30 July 2015
ইউসুফ ওবরানী কংগ্রেসের প্রাক্তন মুসলিম সাংসদ জি নিউজের ষ্টুডিওতেই বসে বলল- বাবরী ধংসের বদলা ছিল মুম্বই বিস্ফোরন
ইউসুফ ওবরানী কংগ্রেসের প্রাক্তন মুসলিম সাংসদ জি নিউজের ষ্টুডিওতেই বসে বলল- বাবরী ধংসের বদলা ছিল মুম্বই বিস্ফোরন।যদি বাবরী ধংসের বদলা নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয় তাহলে এদের ধর্ম কত শান্তির এবার বুঝন । অনেক হল তোরা সোমনাথ মন্দির ভেঙেছিস,কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙেছিস আর সহ্য করব না আমরা । ভারতের মাটিতে বসে পাকিস্তানের দালালী করলে তলোয়ার দিয়ে মুন্ডপাত করা হবে । একজন সন্ত্রাসবাদীকে মুসলিম বলে যদি ফাঁসী দেওয়া হচ্ছে, তাহলে সব সন্ত্রাসবাদীই কেন মুসলিম হয় । যদি সন্ত্রাসের কোন ধর্মই হয়না তাহলে ইয়াকুবের জন্য এতো প্রতিবাদ কিসের?
ইসলাম অভিযোগ করে... হিন্দু ধর্ম পৌত্তলিকতা দোষে দুষ্ট। বিষয়টা কি আসলে তাই?
ইসলাম অভিযোগ করে... হিন্দু ধর্ম পৌত্তলিকতা দোষে দুষ্ট। বিষয়টা কি আসলে তাই?
হিন্দু ধর্মের মূল কথা হলো তাদের ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়, প্রয়োজন অনুসারে বহু রূপে আত্মপ্রকাশ করেন। যে মানুষ তাকে যে ভাবে ডাকে ঈশ্বর ঠিক সেভাবেই তার কাছে ধরা দেন। যদি কোন সত্যিকার ঈশ্বর থেকে থাকে আসলে হওয়ার কথাও তো তাই। কেউ ঈশ্বরকে বন্ধু ভাবে চাইতে পারে , কেউ সন্তান হিসাবে, কেউ বা স্বামী হিসাবে। ঈশ্বরের যদি এভাবে তার ভক্তের ইচ্ছা পূরণের ক্ষমতা না থাকে তাহলে সে কিসের ঈশ্বর?
ধরা যাক, এক লোক তাকে বন্ধু হিসাবে চাইল কিন্তু অন্য তার ভাই ঈশ্বরকে পিতা হিসাবে কামনা করল। সে ক্ষেত্রে ঈশ্বর একই সাথে দুই সহোদর ভাইয়ের সাধ কিভাবে মিটাবে ? এটা একমাত্র সম্ভব ঈশ্বর যদি বহু রূপ ধারন করেন। মুনকার নকির নামক দুই ফিরিস্তা যদি একই সাথে দুনিয়ার সাতশ কোটি মানুষের দুই কাঁধে বসে তাদের কাজ কাম লিখে রাখতে পারে, ঈশ্বর কেন পারবে না, দুনিয়ার মানুষ যে যেমন করে তাকে চাইবে সেভাবে তার কাছে ধরা দিতে? যদি তা না পারে বা না করে সেটা তাহলে ঈশ্বরের অক্ষমতা।
হিন্দুদের যে শত কোটি দেব দেবী আছে এগুলো সেই এক ঈশ্বরের বহুরূপ ছাড়া আর কিছু নয়। হিন্দুরা যার যার সুবিধা মত তার আরাধ্য দেব দেবী নির্ধারন করে তার পূজা করে। আবার যদি কেউ চায় সে শুধুমাত্র পরম ঈশ্বরেরও উপাসনা করতে পারে। ওপর থেকে দেখলে মনে হয় মূর্তি পূজা করছে। কিন্তু বিষয়টা মোটেও তা নয়। ওরা আরাধ্য দেবতাকে সামনে রেখে তার মধ্যে জীবন্ত দেবতার কল্পনা করে, মাথা নত করে। মাথা নত করার সময় মনে মনে ভাবে তার আরাধ্য দেবতা তাকে দেখছে। সে তার সামনের দেব-দেবীর মূর্তিকে জড় পদার্থ মনে করে না। যে কারনে তার অন্তরের সাথে তার আরাধ্য দেবতার একটা মিলন ঘটে, আরাধ্য দেবতাকে সে হৃদয়ে অনুভব করতে পারে। এটাই একজন ভক্ত হিন্দুকে চরম আনন্দ প্রদান করে যা সে শুধু নিজেই অনুভব করে, অন্যকে প্রকাশ করতে পারে না।
বিষয়টাকে মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যেভাবেই ব্যখ্যা করা হোক না কেন, হিন্দুদের ধর্ম ঠিক এরকমই।
ইসলাম শুধু উপর দিয়ে দেখে উপহাস করে বলে হিন্দুরা মূর্তি পূজা করে।সেখানে ইসলামের আল্লাহ এরকম বহু রূপ ধারন করতে পারে না, অন্তত: কোরান হাদিসে তার কোন উল্লেখ নেই। আর তাই সে তার ভক্তের কামনা বাসনা মিটাতে অক্ষম। একই সাথে এক ব্যক্তি একই সময়ে বিচারক ও দয়ালু হতে পারে না।
কোন বিচারক একজন ক্রিমিনালকে বিচার করে সঠিক ভাবে ফাঁসির রায় দিলে সেটা তার চুড়ান্ত ন্যয় বিচার হতে পারে কিন্তু তখন তিনি আ র অভিযুক্তের প্রতি দয়ালু থাকেন না। সুতরাং একই সাথে আল্লাহ কিভাবে তার সৃষ্ট কোটি কোটি মানুষের বিচার করে কাউকে ফাঁসি, কাউকে করুনা করে একই সময়ে সবার প্রতি পরম ন্যয় বিচারক ও দয়ালু থাকেন ? এটা সম্ভব শুধুমাত্র আল্লাহ বহু রূপ ধারন করে তখনই। ইসলামের আল্লাহর এ ধরনের বহু রূপ ধারনের ক্ষমতা নেই। আর সে কারনেই দেখা যায় কোরানে আল্লাহর প্রকৃত রূপ হলো – একজন ভীষণ রাগী, ক্রুদ্ধ, হিংস্র, প্রতিশোধ পরায়ন কোন অস্তিত্বের , তার মধ্যে ভালবাসা, করুনা, ক্ষমার কোন লক্ষন দেখা যায় না। যদিও মাঝে মাঝে উল্লেখ আছে সে নাকি ক্ষমাশীল কিন্তু তার রাগ ও হিংস্রতার কথা যদি ৫০ বার উল্লেখ করা হয়েছে তো ক্ষমাশীলতার কথা বলা আছে মাত্র ১ বার। অর্থাৎ সার্বিক ভাবে কোরানের আল্লাহ একজন হিংস্র কোন জন্তু বা জীব। পরম করুনাময় সৃষ্টি কর্তা নয় কোনমতেই। একারনেই সম্ভবত কোন মুসলমান ইসলামের সব ধরনের বিধান অনুসরণ করেও কখনো আল্লাহর সাথে নৈকট্য অনুভব করে না।
যেহেতু ইসলামের আল্লাহর তার ভক্তের সাধ পূরনের কোন ক্ষমতা নেই, তাই এ ধরনের রূঢ় ও ক্রুদ্ধ সৃষ্টিকর্তার কোন অস্তিত্ব থাকতে পারে না, থাকলেও সেটা ঈশ্বর না হয়ে হবে নিশ্চিত ভাবে শয়তান। কারন শয়তানই একমাত্র এভাবে ক্রুদ্ধ ও হিংস্র হতে পারে কোন পরম করুণাময় ঈশ্বর নয়। আর হিন্দুদের ঈশ্বর জগতের সব জায়গাতেই বিরাজমান, তাই তাদের কোন নির্দিষ্ট কিবলার দরকার পড়ে না। যে কোন দিকে বসেই তারা তাদের ঈশ্বর বা দেব দেবীকে ডাকতে পারে।
"পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১৫)
এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্য সাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের উপর তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১৫)
------------------------------------------------------------
আমি জানতাম জিহাদিদের পিস্তল ও এম১৬ দৃঢ় ও সদাসক্রিয়, কিন্তু জেহাদিদের পিস্তল ও এম১৬ যে এতো দৃঢ় ও সদাপ্রস্তুত এবং পৌনপুনিক কুয়তসম্পন্ন-অটোমেটিক, এটা আমার জানা ছিল না।
মালাউনপল্লীতে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে মালাউনরা বুঝতে পারে আমরা ‘শান্তির ঠান্ডা আগুন’ ছড়াতে এসেছি। তারা একবারও চিৎকার করে না, অতো ঠান্ডায় জমে যাওয়া ছাড়া আর উপায় ছিল না; কেউ হাতে একটা সরকি ব দা নিয়েও আসে না, তারা জমে গিয়ে বাঁচতে চায়; তারা আমাদের ঠান্ডা শান্তির আগুনে নিঃশব্দে পুড়ে যেতে থাকে। আমাদের হাতে অবশ্য লোহার পিস্তল ছিল, চাইনিজ রাইফেল ছিল, এম১৬ ছিল; ওগুলো হাতে না থাকলে চামড়ার পিস্তল কেউ ব্যাবহার করতে দেয় না।
আমার জিহাদিরা ‘আল্লাহু আকবর’, ‘আলি আলি জুলফিক্কার’, ‘নারায়ে তাকবির’ বলে ঝাঁপিয়ে পড়তে চায়, ওদের মাথায় একটু ঘিলু কম, ওরা যতটা কাজ করে তার চেয়ে বেশি গোলমাল করে, যদিও গোলামালেও বেশ কাজ হয়; আমি ওদের নিরস্ত করি। আমি ‘শান্তির ঠান্ডা আগুন’ পছন্দ করি; দাউদাউ করার দরকার না হলে দাউদাউ কররে শক্তি খরচ করতে চাই না।
বাহুর শক্তি খরচের কিছু নেই, কিছু অতিশয় মূল্যবান ধাতু খরচ করতে হবে। ধাতু ক্ষয় করবো মালাউনদের জন্য এটা আমাদের দয়া ,এক বিন্দু ধাতু প্রচুর সুখাদ্যের ফল, বহু পুষ্টিতে এক বিন্দু ধাতু উতপন্ন হয়, তা বড়ই পবিত্র, বড়ই সৃষ্টিশীল। সে মহান জিনিশ আমরা ওদের ডান করব, এটা আমাদের মেহেরবানি, এর জন্য আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কিন্তু ইহুদিরা মালাউনরা কবে কৃতজ্ঞ থেকেছে, শুকরিয়া জানিয়েছে?
সীতাপুর গ্রামটিকে আমরা প্রথমে বেছে নিই।
এই নামটা কেন যেন আমার পছন্দ হয়, হয়ত সীতা ওই মেয়েটির জন্য, মেয়েটিকে আমার প্রতম থেকেই পছন্দ। ওকে আমার ক্ষুব সেক্সি মনে হয়েছিল, যখন ওর জন্মের গল্পটি প্রথম পড়েছিলাম। সে খুবই সেক্সি, একটি বইতে পড়েছিলাম, সে আসলে যোনির সিম্বল, আর রাম হচ্ছে শিশ্নের সিম্বল; তাই যোনি ও শিশ্নের গ্রামটিকেই আমরা প্রথমে বেছে নিই। প্রতিটি পাড়াকে আমরা ঘিরে ফেলি, যাতে কেউ পুকুরেও লাফ দিয়ে না পালাতে পারে, জঙ্গলে গিয়ে লুকাতে না পারে, পায়খানায় গিয়ে বসে থাকতে না পারে, এমনকি গলায় দড়িও না দিতে পারে। জিহাদিরা অতন্ত্র প্রহরী।
ক্রমশ....
কমরেড ইয়াকুব মেমন
বিগত দশকের মহান বিপ্লবী কমরেড ইয়াকুব মেমনের ফাসি হল।
আশাকরি, আল্লাতালা তাকে সর্বোত্তম জান্নাত ফেরদাউসে স্থান দেবেন এবং ছহবত করার জন্য অপূর্ব সুন্দরী ৭২টি হুর দেবেন।
সাথে সাথে তাকে ফাসি দানকারী কাফের, জালেমদের নরকের ভয়ংকর আগুনে ঝলসাবেন।
RIP ইয়াকুব মেমন।
কমরেড ইয়াকুব মেমন অমর রহে।।
হীরক রাজার দেশরাজা
হীরক রাজার দেশরাজা = ওহে মন্ত্রী কেমন হলো সমাবেশ?মন্ত্রী = আজব দেশ! মাইক ধরলেই CBI কেস!রাজা = তা রানীর কি উপদেশ? কি তার আদেশ?বিদুষক = মহারাজ ভিড় সামলাতেই অর্ধেক সময় শেষ।রাজা = মঞ্চে নাকি ছিলেন অনেক বড়ো বড়ো নেতা!মন্ত্রী = আজ্ঞে গিটার হাতে ছিলেন নচিকেতা।রাজা = ছিলেন নাকি বেশ কিছু শিল্পী, গুণী, যোগী!মন্ত্রী = মহারাজ বেশিরভাগই সুবিধাভোগী।রাজা= কি ছিল রানীর ভাষণ?মন্ত্রী = আজ্ঞে রাজ্যে উন্নতির জোয়ার চলেছে সুশাসন।রাজা = শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা নিয়ে উনি কি কয়?শিক্ষামন্ত্রী = আজ্ঞে উনিই করেছেন সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়।রাজা = এই শেষ চার বছরে প্রহত কতো উপাচার্য?শিক্ষামন্ত্রী = আজ্ঞে রানী যা বলেন তাই শিরধার্য।রাজা = বলেছেন কি, কিভাবে করেছেন ছাত্র আন্দোলন দমন!শিক্ষামন্ত্রী = মহারাজ ওনার হাতেই তো শমন।রাজা = স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য নিয়ে কি বচন?স্বাস্থ্যমন্ত্রী = মহারাজ CPIM ধরিয়ে গেছে পচন।বিদুষক = আজ্ঞে উনিই আর জি কর, উনিই পি জি; স্বাস্থ্যের উন্নতিতে উনি সদাই বিজি।রাজা = রাজ্যের মানুষ বুঝি আর ভেলোরে যায়না!স্বাস্থ্যমন্ত্রী = মহারাজ রোগী এখন ন্যায্য মূল্যের ঔষধ ছাড়া অন্য কিছু খায়না।রাজা = তবে রাজ্যবাসী স্বাস্থ্য নিয়ে মিছে রটায় কূৎসা!স্বাস্থ্যমন্ত্রী = খাটালের ওপর ওনার অগাধ ভরসা।বিদুষক = মহারাজ রাজ্যে কুকুরও এখন পায় VIP চিকিত্সা।রাজা = শিল্পমন্ত্রী শিল্পের নতুন কোনো আশা?শিল্পমন্ত্রী = আজ্ঞে শুনলাম না তো তেমন কোনো ভাষা।বিদুষক = সিন্ড্রিকেটদের প্রতি ওনার গভীর ভালোবাসা।রাজা = রক্ষামন্ত্রী সুরক্ষা নিয়ে কি বললেন আজ?রক্ষামন্ত্রী= রাজ্যে সর্বত্র সুখ শান্তি বিরাজ, তাই আমার নেই কোনো কাজ।বিদুষক = ব্যাটা মস্ত ফাঁকিবাজ!!!রাজা= কৃষিমন্ত্রী কৃষি নিয়ে কি বললেন শোনা চাই!কৃষিমন্ত্রী= মহারাজ আমার কথা একবারও উল্লেখ নাই।বিদুষক = চাষিরা এখন দুধে ভাতে আছে তাই!রাজা = অর্থমন্ত্রী এবার তোমারে শুধায়!অর্থমন্ত্রী = মহারাজ পুরোটাই বামেদের দায়।রাজা = বামেদের দেনা, ও গল্প তো সকলের জানা!অর্থমন্ত্রী = ওটা ছাড়া তো অন্য কিছু বলতে মানা।বিদুষক = কেন? তুমি কি কানা??রাজা = তা হবে নাকি প্রচুর নিয়োগ!অর্থমন্ত্রী = টাকা নিয়ে করতে হবে নেতার সাথে যোগাযোগ।রাজা = বিরোধীদের নাকি 'হযবরল' নীতি!বিদুষক = হাত আর পদ্মের সাথে ওনারও ছিল প্রীতি।রাজা = গবেষককে দেখি না যে?বিদুষক = মহারাজ তিনি গবেষণাগারে।রাজা= আমার তলব শুনে আসেনি সে! এতোটা সাহস সে পায় কিসে!গবেষক = প্রায় সম্পূর্ণ ল্যাংচার কাজ, মহারাজ।রাজা = এখনো বাকি!! এটাকি মগের মুলুক নাকি!!বিদুষক = মহারাজ ফাঁকি ফাঁকি।রাজা = তা ল্যাংচার রং কি নীল-সাদা! নাকি সবুজ!গবেষক = মহারাজ আমি নইকো অবুঝ। রং একেবারে পাকা, তিন আঁচড়ে আঁকা।রাজা = আর গুণ কি আছে? যদি বিরোধীরা কূৎসা রটায় পাছে!গবেষক = বিরোধীদের করা একনিষ্ঠ রাজ ভক্ত, আর মোটে নয় শক্ত।রাজা = গবেষক তুমি ধন্য, তোমার যন্ত্র অনন্য।গবেষক = মহারাজ আমি নগণ্য, সবই রানী মাতার জন্য।রাজা = বিরোধীদের শত ধিক, বাংলার ল্যাংচা তোলপাড় করবে চারিদিক।বিদুষক = লিউকোপ্লাস্ট নয় রানী পছন্দ এখন লিপস্টিক।পরিষদ = ঠিক ঠিক ঠিক
লঘু অপরাধ
লঘু অপরাধে দর্শক থেকে বিচারক, সকলেই সঞ্জয়কে সুযোগ দিয়েছে খলনায়ক থেকে নায়ক হয়ে ওঠার। গুরুতর অপরাধে আর কয়েক ঘণ্টা পরই খলনায়ক থেকেই জীবনকে বিদায় জানাতে হবে ইয়াকুবকে।
http://zeenews.india.com/bengali/entertainment/sanjay-dutt-celebrates-birthday-at-jail_130049.html
Subscribe to:
Posts (Atom)