Friday, 7 August 2015

পাকিস্তানি জঙ্গি উসমান ধরা পরার পর নিজের মুখে বলেছে --'আমি হিন্দুদের মারতে এসেছি, এটা বেশ মজার'...

পাকিস্তানি জঙ্গি উসমান ধরা পরার পর নিজের মুখে বলেছে --'আমি হিন্দুদের মারতে এসেছি, এটা বেশ মজার'... কিন্তু অল্প কিছু সংবাদ মাধ্যম লিখেছে যে জঙ্গিটি বলেছে,-- 'আমি ভারতীয়দের মারতে এসেছি'... এই নিয়ে মিডিয়ার ছল-চাতুরি ধরা পড়েছে,.. এবং যে মিডিয়া লিখেছে যে-- 'আমি ভারতীয়দের মারতে এসেছি',, তারা ভুল তো কিছু লেখেনি, ভারতীয় বলতে হিন্দু-বৌদ্ধ-জৌন-শিখ এদের বোঝায়, মুসলমানদের ভারতীয় বোঝায় না, কারন দেশভাগ অনুসারে মুসলমানদের দেশ পাকিস্তান।।

Religion of Peace is teaching ' ISLAM & TERRORISM ' in Madrasa . 'Moth' & ' Tole ' etc are Religious though Madrasa is Secular !!!!

http://m.timesofindia.com/articleshow/48383137.cms

১৬ আগস্ট আসছে দিন ... মহা মিছিলে.. যোগ দিন।।

১৬ আগস্ট আসছে দিন ... মহা মিছিলে.. যোগ দিন।। (শ্রী প্রসূন মৈত্রের কলমে...) হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা?? ধুস, ওসব গালগল্প, আর যেটুকুই বা হয়, সেটা গ্রামের লোকদের পারিবারিক ঝামেলা। কই, কলকাতায় তো ওসব কিছু দেখিনা! আর যদিওবা খুচখাচ কিছু হয়েই থাকে, রাজ্যে কি আইনের শাসন নেই? পুলিশ কি হাতে চুড়ি পরে আছে? কেউ কোথাও গোলমাল করলে পেঁদিয়ে সিধে করে দেবে। হ্যাঁ, মানছি যে যতই হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই বলিনা কেন তবু পার্ক সার্কাস, রাজাবাজার বা মেটিয়াব্রুজ এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতে পারবো না তাই বলে কি সব মুসলিম খারাপ? কলকাতার সেকুলার হিন্দুদের এই বিশ্বাস গত ৩রা আগস্ট রাতে খানখান হয়ে গেল যখন বিনাপ্ররোচনায় হাজার হাজার মুসলিম শিয়ালদহ, মৌলালী, পার্ক সার্কাস অঞ্চল ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তা অবরোধ করে শহরের নাভিশ্বাস তুলে দিল। পুলিশের সামনেই পুলিশের কিয়স্ক ভাঙলো, বাস আর ট্রাম ভাঙলো কিন্তু পুলিশের ক্ষমতা হলনা যে তাদের বাধা দেয় বা গ্রেপ্তার করে। কমিশনার সুরজিৎ পুরকায়স্থর পুলিশ শুয়োর ধরতে পারে, IPL-টিকিট বেচতে পারে বা শাহরুকের কোলে উঠে নাচতে পারে কিন্তু জিহাদি সন্ত্রাসকে রোখার ক্ষমতা যে তাদের নেই সেটা ৩রা আগস্ট রাতে কলকাতার হিন্দুদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল। ১৯৪৬ সালের ১৬ই আগস্টও এমনই ঘটনা ঘটেছিল। গান্ধীকে বিশ্বাস করে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের মৌতাতে বুঁদ হয়ে থাকা কলকাতার হিন্দুদের উপর নেমে এসেছিল জেহাদের করাল থাবা। এবারের মত সেবারও পুলিশ মুসলিমদের বিরুদ্ধে কোন ভূমিকা নেয়নি কারন সেবারও উপরওয়ালার নির্দেশ ছিল না। মুসলিমদের পরিকল্পিত ও সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমনের সামনে সেদিনই কলকাতা হিন্দুশূণ্য হয়ে যেত যদিনা গোপাল পাঁঠা (মুখোপাধ্যায়) ও তার দলের কিছু অকুতোভয় হিন্দু যুবক মুসলিম আক্রমনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তাদের পালটা মার না দিত। যে যেই ভাষা বোঝে তার সাথে সেই ভাষাতেই কথা বলা উচিত- এই ছিল গোপাল পাঁঠার দলের বিশ্বাস। তাই আপৎকালে নিজেদের অস্তিত্বরক্ষার জন্যে তারা তৎকালীন কোন রাজনৈতিক দল বা প্রশাসনের মুখাপেক্ষী হয়ে বসে থাকেনি, নিজেদের লড়াই, নিজেরাই করেছে আর সাফল্যও পেয়েছে। প্রতিবছরের মত এবছরও তপন ঘোষের নেতৃত্বে হিন্দু সংহতি আগামী ১৬ই আগস্ট দিনটিকে গোপাল মুখার্জী স্মরণ দিবস হিসাবে পালন করবে। সেই অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসাবে ঐ দিন রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় অবধি এক মহামিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। আপনি নিজের ও নিজের ভবিষ্যত প্রজন্মের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে প্রয়োজনে গোপাল মুখার্জীর পদাঙ্ক অনুসরণ করার শপথ নিতে সেই মিছিলে অংশগ্রহন করবেন না নিজের ভবিষ্যতের ভার রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের উপর রেখেই নিশ্চিত থাকবেন সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আপনার।

পাক সার জমিন সাদ বাদ -- (পর্ব - ২২)

এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক শ্রী 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের প্রেক্ষাপটে তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ২২) ---------------------------------------------------------- কাশিনাথপুরের শ্রীধর দাস এসেছিল পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে। একসময় এই টাকা পেলে আমি পাগল হয়ে যেতাম, মজনু হয়ে যেতাম, এখন এগুলোকে মনে ভিক্ষুকের ভাঙা থালের উপর পড়ে থাকা কয়েকটি কানা পয়সা। তার উপর থুতু ছিটতে ইচ্ছে করে, ছিটোই। শ্রীধর বলছিলো, ‘এই ট্যাকাডা নেন হুজুর, আমার মাইয়াডারে নষ্ট কইরেন না, আমার মাইয়াডা ফুলের মতন’। এটা বেশ অদ্ভুত, মালাউনরা সবাই তাদের মেয়েদের ভুলের সঙ্গে তুলনা করে। ব্যাটারা ধর্ম ও বিজ্ঞান কিছুই জানে না; ফুল যে গাছের যোনি ও শিশ্ন, এটা ওরা জানে না; আমি জানি, তাই ফুল আমি পছন্দ করি। আমি ওকে এসব বোঝাতে যাই নি, কোনো দরকার নেই, আমি যা চাই তা পেলেই আমি তৃপ্ত- কয়েকটি সুন্দর সুগন্ধি রঙিন তীব্র পুষ্প। আমি বলেছিলাম, ‘দ্যাখ, ফুল তো আমি পছন্দ করি, ফুলের সুগন্ধ নেওয়ার কথা আমাদের ধর্মে আছে, তোমাদের মালাউন কবিই তা অনুবাদ করেছে- যদি জোটে দুইটি পয়সা ফুল কিনো হে অনুরাগী’। শ্রীধর বলছিল, ‘আমার মাইয়াডারে আপনে নষ্ট কইররেন না, হুজুর, ট্যাকাডা নেন , আমারে বাঁচান। আমি বলেছি, ‘একরাত থাকলে সে নষ্ট হবে না, ফুল আমি নষ্ট করি না, ফুলের সুগন্ধ নিই, তোম্র মেয়েটা নষ্ট হবে না, পরে হয়তো বারবার সে আমার কাছে সতে চাইবে, নাহলে সবাই জানবে, তোমার মেয়েটা নষ্ট হয়ে যাবে’। শ্রীধর বলেছিল, ‘তাইলে আরো পঞ্চাশ হাজার দেই হুজুর, মাইয়াডারে ক্ষমা কইরা দ্যান, ওরে ইন্ডিয়া পাডাই দিমু’। আমি বলেছি, ‘তিন লাখ, আর এক রাত লাগবে শ্রীধর, তোমার মেয়েকে আমি ধর্ম শিখাবো, বিছমিল্লা বলে ছহবত করবো, কোনো ক্ষতি হবে না, চাইলে তোমার মেয়েটাকে মুছলমানও বানিয়ে দিতে পারি; কালই লাগবে, নইলে মেয়েটাকে পাবে বিলে, তখন আমি একা করবো না। আর তুমি কি মনে করো ইন্ডিয়ায় আমার থেকেও ভালো পুষ্পনুরাগী আছে?’ শ্রীধর বলছিলো, ‘হুজুর আপনার পায়ে পড়ি’। কিন্তু শ্রীধর ও তার মেয়ে দুর্গা আত্মহত্যা করে আমার বেশ বড় ক্ষতি করে, আর থানার ওসি আর দারোগাগুলোর উপকার করে যায়। ওই বাঞ্চতের পুত্রের আর তার পাছাভারি চিকন কোমরের মেয়েটির বিষ খাওয়ার কি দরকার ছিলো; বিষ কি আমার খৎনা করা হুজুরের থেকে উত্তম? ম্লাউনদের বিশ্বাস করা অসম্ভব আর করব না। দুর্গার উপর ওসিটার চোখ পড়েছিল, কয়েকবার শ্রীধরের বাড়ীতেও গেছে; কিন্তু তার গোটা পাঁচেক চাকরানি আছে, আর সপ্তাহে সপ্তাহে নরুন চাকরানি আসে, সে কচি মেয়েদের থেকে কচি টাকার উপরেই চড়তে বেশী পছন্দ করে; তার কোনো ক্ষতি হয়নি, লাখ দুয়েক সে আদায় করে নিয়েছে, ক্ষতি হয়েছে আমার। তাই ওসিকে একটু দেখিয়েে দিতে হয়েছে, জামাঈ জিহাদে ইছলামের হুজুরকে ছেড়ে সে কিভাবে দু-লাখ হজম করে? এখন সে আমার পিছে পিছে ঘুরছে, চাকরিটিও নেই; পঞ্চাশ লাখ ছাড়া ওর কোনো ভবিষ্যৎ নেই। ক্রমশ... .... অনুলিখনে ... বিল্টু মন্ডল...।।

জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) যৌন জিহাদে রাজি না হওয়ায় ১৯ নারী বন্দীকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে কুর্দী সরকার।

ইরাকের একটি সংবাদপত্রে প্রকাশ, ওইসব নারী বন্দীরা ইরাকের মসুলে জঙ্গী গোষ্ঠীদের সঙ্গে অবস্থান করছিলো। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আইএস জঙ্গিরা সবচেয়ে বেশি যৌন দাসী কেনা বেচা করে। জয়নব বাঙ্গুরা নামের এক মহিলা বন্দী জানায়, একজন মহিলাকে পাঁচ থেকে সাত জন ক্রেতা ক্রয় করে। মাঝে মাঝে পছন্দের দাসী কেনাবেচা নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই করে তারা। তিনি আরও জানান, বন্দীশালায় আইএসের যোদ্ধারা নারীদের অমানুষিক নির্যাতন করে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানায়, আইএস গত এক বছরে বহু নারীদের জিহাদের কথা বলে বন্দী করে যৌন দাসী হতে বাধ্য করেছে। এদের মধ্য থেকে অল্প কিছুজন প্রাণে বাঁচতে পেরেছিলো ।

বাংলাদেশে আসন্ন কোরবানির ঈদ

বাংলাদেশে আসন্ন কোরবানির ঈদে শহরগুলোতে রাস্তায়-বাড়িতে যেখানে-সেখানে পশু জবাই নিরুৎসাহিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের সবগুলো সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এলাকায় এলাকায় নির্দিষ্ট কিছু খোলা জায়গা বেছে সেখানে কোরবানি দেওয়ার মত উপযোগী করে তুলতে। Source: BBC

জাকির নায়েক এবং তার কপিপেস্ট ভক্তরা দাবী করে থাকেন যে মুহম্মদ ই হল হিন্দুদের সর্বশেষ অবতার কল্কি যার কথা কল্কিপুরানে বলা হয়েছে।

আসলেই মুহম্মদ কি কল্কি পুরান এর কল্কি অবতার?এ নিয়ে ইসলামিক অপপ্রচার আর প্রকৃত সত্যের তফাত টা নিজেরাই দেখে নেই- পর্যবেক্ষন ১ কল্কি পুরান এ বলা আছে কল্কি অবতার এর পিতা ও মাতা উভয়েই তাঁর জন্মের সময় জীবিত থাকবেন।বলা হচ্ছে দদাস্তু পুত্রং পিতরো হৃষ্ট (কল্কি পুরান ১.২.১৫) অর্থাৎ কল্কির জন্মতে তাঁর পিতা অত্যন্ত হৃষ্ট হলেন। এছাড়া কল্কি পুরাণ ১৩.১৭(২.৬.১৭) অনুযায়ী কল্কি অবতারের পিতা-মাতা উভয়েই তাঁর বিয়ের পরেও জীবিত ছিলেন। অথচ আমরা জানি যে নবী মুহম্মদ এর পিতা তার জন্মের আগেই মৃত্যুবরন করেন এবং মাতা তার বাল্যকালেই মারা যান। পর্যবেক্ষন ২ [সাদৃশ্যকারীদেরদাবী] কল্কি পুরান এ বলা আছে যে কল্কি জন্ম নিবেন একটি মাসের ১২ তারিখে।অপরদিকে মোহাম্মদ (সঃ) ও ১২ ই রবিউল আউয়াল মাসের ১২তারিখে জন্ম গ্রহন করেছিলেন! এই দাবীটা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন।কল্কিপুরানেই দেখে নেই তার জন্মতারিখ द्वादश्यां शुक्ल-पक्षस्य माधवे मासि माधवम्। जातं ददृशतुः पुत्रं पितरौ हृष्ट-मानसौ।। (কল্কি পুরাণ ১.২.১৫,দ্বিতীয়অধ্যায় এর ১৫ নং শ্লোক) অর্থাত্ মাধব(সংস্কৃত বৈশাখ মাসের) শুক্লপক্ষের দ্বাদশ তারিখ তিনি জন্ম নেবেন যা ইংরেজী এপ্রিল-মে মাসের সমান্তরাল। অপরদিকে মুসলিমদের নবী মুহম্মদ এর জন্মতারিখ ১২ রবিউল আউয়াল কিনা তা নিয়ে কিন্তু মুসলিম পণ্ডিতবর্গ এবং ঐতিহাসিক ব্যাক্তিরাই কিন্তু নিশ্চিত নন।একনজরে দেখে নেব বিভিন্ন বিখ্যাত মুসলিম বিশেষজ্ঞদের এই জন্মতারিখ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত- ২ রবি আউয়াল-ইবনে আব্দ আল-বার ৫ রবিউল আউয়াল-আমির উদ-দিন ৮ রবিউল আউয়াল-ইবনে আল কাইয়িম,ইবনে ই হাজম,আজ জুহরি,ইবনে ই দিহ্যা ৯ রবিউল আউয়াল-মুহাম্মদসুলেমান মনসুরপুরি,মুবারকপুরি,শিবলি নোমানি,মাহমুদ পাশা ফালাকি,আকবর শাহ নাজিব আবাদি,মইন উদ্দিন আহমেদ নদভি,আব্দুল কালাম আজাদ ১০ রবিউল আউয়াল-আবুল ফিদা,আবু জাফর আল বাকির,আল ওয়াকাদি,আল শাবি ১২ ই রবিউল আউয়াল-তাবারি,ইবনে ই খুলদুন,ড. হামিদুল্লাহ,ইবনে ই হিশাম,আল্লামা আবুল হাসান,আলি ইবনে মুহাম্মদ আল-মাওয়ারদি,ইবনে ই ইসহাক ১৭ ই রবিউল আউয়াল-শিয়াদেরবিশ্বাস,তারা এও বিশ্বাস করে যে ওইদিন ছিল শুক্রবার ২২ ই রবিউল আউয়াল-ইবনে ই হাজম কর্তৃক প্রদত্ত অপর সম্ভাব্য তারিখ ১০ ই মুহররম-আব্দুল কাদির জিলানী অর্থাৎ উনার জন্মতারিখ নিয়ে অনেকগুলো মত আছে,এমনকি কেউ কেউ তা রবিউল আউয়াল মাসে নয় বরং মুহররম মাসেও বর্ণনা করেছেন!তবে এই তারিখগুলোর মধ্যে ১২ ই রবিউল আউয়াল সবচেয়ে বেশী প্রচারিত।আর মজার বিষয় হচ্ছে জ্যোতির্বিজ্ঞানঅনুযায়ী ১২ রবিউল আউয়াল ইংরেজি ডিসেম্বর মাসে ছিল অর্থাৎ কল্কি অবতার এর জন্ম মাস বা তারিখ কোনটার কাছাকাছি ই নয়! পর্যবেক্ষন ৩ [সাদৃশ্যকারীদেরদাবী] আর বলা আছে তার বাবার হবে বিষ্ণুযশ যার অর্থ সৃষ্টিকর্তার গোলাম।অপরদিকে নবী মুহাম্মদ এর পিতার নাম আব্দুল্লাহ শব্দের অর্থও সৃষ্টিকর্তার গোলাম! ব্যাকরণে অতি দুর্বলতার লক্ষন হল এটি।বিষ্ণুযশ শব্দের অর্থ "ঈশ্বরের মহিমা",সৃষ্টিকর্তার গোলাম নয়।এছাড়া পদ্ম পুরাণ,সৃষ্টিখণ্ড (৬.২৪২.৮-১২) তে বর্ণিত আছে বিষ্ণুযশ প্রথমে স্বয়ম্ভু মনু(প্রথম সৃষ্ট মানুষ) রুপে জন্ম গ্রহন করেছিলেন যিনি কঠোর তপোস্যা করে ঈশ্বরের কাছ থেকে বর(ইচ্ছা) প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বর যেন তার পুত্র রুপে আবির্ভুত হন। ঈশ্বর তাঁকে কথা দিয়েছিলেন তিনি ৩ বার তাঁর পুত্র রুপে অবতীর্ণ হবেন। পরবর্তীতে দশরথ রুপে স্বয়ম্ভু মনু জন্ম গ্রহন করেন এবং ঈশ্বর রাম রুপে তাঁর ঘরে অবতীর্ণ হন তারপরে স্বয়ম্ভু মনু বাসুদেব রুপে জন্ম গ্রহন করেন তখন ঈশ্বর শ্রীকৃষ্ণ রুপে তাঁর ঘরে অবতীর্ণ হন এবং সর্বশেষে স্বয়ম্ভু মনু কলিযুগের শেষে বিষ্ণুযশ রুপে জন্ম গ্রহন করবেন এবং ঈশ্বর তখন তাঁর ঘরে অবতীর্ণ হবেন।অপরদিকে মুসলিমরা তো জন্মান্তরবাদেই বিশ্বাসী নন!সুতরাং মুহাম্মদকে কল্কি অবতারের সাথে মেলাতে হলে আব্দুল্লাহকেও স্বয়ম্ভু মনুর মত ই তিনবার পুনর্জন্ম নিতে হয় যে! পর্যবেক্ষন ৪ [সাদৃশ্যকারীদেরদাবী] কল্কি অবতারের মায়ের নাম সুমতি।“সু” অর্থ শান্ত এবং “মতি” অর্থ আত্মা বা হৃদয়। অর্থাৎ “সুমতি” শব্দের অর্থ পরিতুষ্ট আত্মা। আরবীতে মুহম্মদ এর মাতার নাম “আমিনা” শব্দের অর্থও শান্ত বা পরিতুষ্ট আত্মা। (আমিনা নবী হযরত মুহাম্মদের মাতার নাম)] সু শব্দের অর্থ শান্ত এমনটি কোথাও পাওয়া যায়না,বরং সু অর্থ ভালো,মতি শব্দের অর্থ চিত্ত,আত্মা নয়,বেদান্ত অনুযায়ী আত্মা আর চিত্ত এক জিনিস নয়।অপরদিকে এই ক্ষেত্রেও গত লেখনীর উদাহরন প্রযোজ্য। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম আর দয়ানন্দ নমো ইতিঃ এর অর্থ যেহেতু এক তাহলে কোরান কি মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতীর নাম ভবিষ্যত্বানী করছে?একভাষার সাথে অন্যভাষার শব্দের অর্থ মিলিয| রাজা শিবাজি