আপনি স্বীকার করেন আর নাই করেন,কিচ্ছু যায় আসে না।বর্তমান বিশ্বে ইসলাম একটা বিভীষিকার নাম।শান্তির ধর্ম তো শত সহস্র মাইল দুরের কথা, সভ্য সমাজে এই ধর্মটি এক মূর্তিমান আতংকের প্রতিচ্ছবি।......
[তসলিমাদি'র মতই বাংলাদেশের অপর এক অসমসাহসী কৃতি মানুষ এবং অবশ্যই দেশ থেকে নির্বাসিত, ... বলিষ্ঠ লেখক ও কলামিস্ট .. শ্রী আসিফ মহিউদ্দিনের ক্ষুরধার একটি বিশ্লেষণ: - সবাই পড়ুন এবং শেয়ার করুন]
ছোটবেলা একটা গল্প মায়ের মুখে শুনতাম। গল্পটা মহানবী আর এক ইহুদী বুড়ির গল্প। এক ইহুদী বুড়ি রোজ মহানবীর নামাজে যাবার পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখতো, মহানবী নামাজে সিজদা করার সময় পিঠে উটের নাড়িভুঁড়ি চাপিয়ে দিতো, নানান অত্যাচার করতো, অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করতো। কিন্তু মানবদরদী মহানবী তাকে কিছুই বলতেন না। একদিন মহানবী দেখলেন, তার রাস্তায় কাঁটা নেই, তিনি তো হতবাক! নামাজ বাদ দিয়েই দৌড়ে গেলেন বুড়ির বাসায়। গিয়ে দেখেন বুড়ি অসুস্থ। এরপরে মানবতাবাদী মহানবী বুড়ির সেবা শুশ্রূষা করলেন, ভাল করে তুললেন। মহানবীর এই মানবপ্রেম দেখে ইহুদী বুড়ি পরে ইসলাম গ্রহণ করলো।
গল্পটা অসাধারণ। ছোটবেলা যখন গল্পটা শুনতাম, তখন আবেগে চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে যেত। আহা, মহানবী কত ভালমানুষই না ছিলেন। ধর্ম বর্ণ সবাইকে সমান ভালবাসতেন। এরকম মানুষই তো পৃথিবীর জন্য দরকার। ছোটবেলা তাই মহানবীকে খুব ভালবাসতাম। আমার মা এরকম আরো নানান গল্প বলতেন মহানবীকে নিয়ে। শুনতাম আর মুগ্ধ হয়ে ভাবতাম, আমিও মহানবীর মত মানবদরদী হবো। আমাকেও কেউ গালাগালি, কটাক্ষ করলে আমি তাকে ভালবাসা দিয়ে উত্তর দেবো। কোনদিন তাদের হত্যা করবো না।
একটু বড় হবার পরে এই গল্পটা আরো বিস্তৃতভাবে জানার জন্য কোরআন পড়তে শুরু করলাম, স্বাভাবিকভাবেই ধারণা ছিল কোরআন হাদিস এই ধরণের ঐতিহাসিক সত্য ইতিহাসে পরিপূর্ণ থাকবে। কিন্তু কোরআন হাদিসগুলো সব তন্ন তন্ন করে খুঁজলাম। কোথাও এরকম কিছু খুঁজে পেলাম না। আমি খুব খুশি হতাম যদি আসলেই ঘটনাগুলো এরকম হতো, মহানবী তার সমালোচক, তাকে গালাগালি করা, তার বিরুদ্ধে কবিতা লেখা, তার সমালোচনা করা, তার উপরে অত্যাচার করা সবাইকে ভালবাসা আর প্রেম দিয়ে জয় করে ফেলতেন। মানবতার জয়গান গাইতেন। কোরআন, হাদিস, এবং অন্যান্য ইসলামি ইতিহাসে মহানবী আসলে তার সমালোচকদের, তাকে কটাক্ষকারীদের সাথে কী আচরণ করেছিলেন, তা খুঁজে দেখা তাই আমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হচ্ছে, হাদিস গ্রন্থগুলো ঘেঁটে একেবারেই ভিন্ন এক মুহাম্মদকে আবিষ্কার করলাম!
যেমন একটি ঘটনাঃ
সুনানে আবু দাউদ শরীফে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- মহানবীকে গালি দেওয়ার অপরাধে এক অন্ধ সাহাবী তার স্ত্রীকে হত্যা করে ছিলেন।
অন্ধ সাহাবী দাঁড়ালেন মানুষকে অতিক্রম করে সে কাঁপতে ছিল এমনকি রসূলের সামনে বসে পড়লেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসূল ! আমি ঐ মহিলার স্বামী সে আপনাকে গালি দিত এবং আপনার নিন্দা করত। আমি তাকে নিষেধ করতাম সে বিরত হত না এবং আমি তাকে ধমক দিতাম কিন্তু সে থামতো না, সে আমার প্রিয় সঙ্গিনী ছিল, তার থেকে আমার দুইটা মুক্তার মত ছেলে আছে। গতকল্য সে আপনাকে গালি দিচ্ছিল এবং দোষারোপ ও নিন্দা করছিল। অতঃপর আমি ছুরি নিয়ে তার পেটে রেখে তার উপর ভর দিয়ে এমনকি আমি তাকে হত্যা করেছি। তখন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বললেন : " তোমরা সাক্ষী থাক ঐ মহিলার রক্ত বৃথা হয়ে গেল"।(আবু দাউদঃ ৪৩৬১)
কয়েকবছর আগে আমাদের দেশে একটি ভয়ংকর ঘটনা ঘটে গিয়েছিল। আমাদের একজন প্রধানতম কবি, ভাষাবিজ্ঞানী এবং সাহিত্যিক ডঃ হুমায়ুন আজাদকে চাপাতি দিয়ে বইমেলার সামনে কোপানো হয়েছিল। যারা কুপিয়েছে, তারা ছিল ইসলামি মৌলবাদী, যারা হুমায়ুন আজাদের একটি উপন্যাস "পাক সার জমিন সাদ বাদ" এর বক্তব্য সহ্য করতে পারে নি। তাই অত্যন্ত নির্মমভাবে এই প্রথাবিরোধী মানুষটিকে তারা কুপিয়েছে এবং পরবর্তীতে হত্যাও করেছে। হ্যাঁ, এটাকে আমি হত্যাই বলবো, হুমায়ুন আজাদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয় নি। হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন, এই আক্রমণের পিছনে হাত রয়েছে জামাত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাইদীর, কিন্তু দেলোয়ার হোসেন সাইদীকে এই মামলায় গ্রেফতার করা হয় নি।
ধর্মান্ধ মৌলবাদীরা নির্বোধ, কারণ হুমায়ুন আজাদকে যদি কোপাতেই হয়, কোপানো উচিত ছিল তার “শুভব্রত, তার সম্পর্কিত সুসমাচার”-উপন্যাসটির জন্য। তাকে যদি কোপাতেই হয়, কোপানো উচিত ছিল তার “নারী”-গ্রন্থটির জন্য। এই দুইটি গ্রন্থের তুলনায় “পাক সার জমিন সাদ বাদ” নিতান্তই শিশু, কিন্তু ধর্ম যারা পালন করেন তাদের বুদ্ধিবৃত্তি যে কতটা নিচু সেটা তারা বুঝিয়ে দিলেন। শুভব্রত তাদের মস্তিষ্কে প্রবেশ করেনি, নারী পড়ে ধর্মদণ্ড উত্তেজিত না হয়ে হয়ত অন্য কিছু উত্তেজিত হয়েছে। কারণ এটাই তাদের কাজ, উত্তেজনা ছাড়া তাদের আর কিছুই নেই। তাদের সমস্ত অস্তিত্ব জুড়ে উত্তেজনা আর উত্তেজনা, পরকালে হুর সঙ্গমের স্বপ্নে যৌন উত্তেজনা, তার সাথে মেলে ধর্মতত্ত্ব। অথবা দুটোই একই রকমের উন্নতমম-শির, বোরখা না দেখলেই উত্তেজনা-হিজাব না দেখলেই উত্তেজনা-মেয়েদের চুল দেখা গেলেও তাদের উত্তেজনা। উত্তেজনার যেন শেষ নেই, তাদের ধর্মীয় এবং যৌন উত্তেজনা পরস্পর পরিপূরক।
শান্তি প্রতিষ্ঠা কখনও রক্তপাতের মাধ্যমে সম্ভব নয়। রক্তপাত এবং হত্যার মাধ্যমে যারা শান্তি কায়েমের স্বপ্ন দেখেন, তারা আসলে জানেন না, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রক্তপাত এবং কারো সম্ভ্রম রক্ষার জন্য ধর্ষণ একই অর্থ বহন করে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় এক মার্কিন জেনারেলকে একটি গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়ার কারণ জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। উত্তরে সেই জেনারেল বলেছিলেন, ভিয়েতকঙ্গদের হাত থেকে গ্রামটিকে রক্ষার জন্যই তারা পুরো গ্রামটিকে ধ্বংস করে দেয়!
আমরা যারা সভ্য মানুষ বলে নিজেদের দাবী করি, তারা সবসময়ই বলি, মতের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করতে হবে, লেখার বিরুদ্ধে লিখে প্রতিবাদ জানাতে হবে, কবিতার বিরুদ্ধে কবিতা লিখে বা সমালোচনা করে তার প্রতিবাদ জানাতে হবে। কোনভাবেই কেউ কিছু লিখলে সেই লেখককে আক্রমণ করা যাবে না, নির্যাতন করা যাবে না। এটা সভ্য সমাজে বাস করার অন্যতম অলিখিত নিয়ম।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 8 August 2015
বীরভূম জেলার লোকপুর গ্রামের উচ্চ বিদ্যালয়
বীরভূম জেলার লোকপুর গ্রামের উচ্চ বিদ্যালয়ে বেশ কিছুদিন ধরে কিছু মুসলিম ছাত্র বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, স্কুল শুরু হবার আগে স্কুলের খেলার মাঠের পাশে নতুন তৈরী হওয়া রুমের মধ্যে কিছু মুসলিম ছাত্র কিছু ছাত্রীর সাথে এসে অশ্লিল আচরন করতে থাকে কয়েকদিন ধরে,...আজ সেই আবার কিছু মুসলিম ছাত্র ঐ বিদ্যালয়ের হলঘরে দেওয়ালে দীর্ঘ দীন ধরে থাকা ঔঁ(om) চিহ্ন কে চটি দিয়ে মুছে ফেলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে কিছু হিন্দু ছাত্র এর তীব্র প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়,...এবং সেই মুর্হুতে শিক্ষক মহাশয়রা এই ব্যাপারটিকে ভালোভাবে মেটানোর চেষ্টা করলে ঐ মুসলিম ছাএরা শিক্ষক-শিক্ষিকামহাশয়কে চোখ রাঙিয়ে কথা বলতে থাকে,...এবং তারা শিক্ষক মহাশয়দের জোর গলায় বলে তাদের জন্য নামাজ পরার রুম দিতে হবে...........
@ এটাই কি বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা?যে তারা বই পরার পরিবর্তে নামাজ পরার হুমকি দেবে.....শিক্ষক-শিক্ষিকা মহাশয়কে হেনস্থা করবে, বিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে.আজ তো শুধু চটি করে ঔঁ মুছেছে,.....সকলে মিলে এর প্রতিবাদ না করলে তো স্বাধীনতার দিন এরা ভারতের জাতীয় পতাকা পুরাবে. এর নমুনা তো অনেক জায়গাতে শুরু হয়ে গিয়েছে.....
@অাসুন সকলে মিলে একত্রিক হয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং শিক্ষার আদর্শ কে রক্ষা করি.....@ভারতমাতা কি জয়@ — Abhijit Garain
হিন্দু রাষ্ট্র
আমি বহুবার বলেছি আবারও বলছি, সমস্ত নাস্তিক, সেকু মাকুর বোঝা দরকার হিন্দু সমাজের উদারতাটা..
গতকাল বাংলাদেশে নিলয় নীল নামে যে ব্লগার নিহত হয়েছেন, তিনি শুধু ইসলামের সমালোচনা করেননি, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মেরও বহু সমালোচনা করেছিলেন, কিন্তু হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের বিরুদ্ধে লেখার জন্য তার কাছে হুমকি পর্যন্তও একবারও আসেনি..
অথচ কাল প্রান চলে গেল মুসলমান সন্ত্রাসীদের হাতে.. আল্লার বান্দারা "আল্লাহ হু আকবর" ধ্বনি নিয়ে প্রান নিয়ে নিল..তিনি তো কৃষ্ণ আর রাধার প্রেম কাহিনী নিয়ে রীতিমত চটি কবিতা লিখেছিলেন আজ পড়লাম, তার জন্য প্রান দিতে হয়েছে?? না, হয় নি।
ভারতে অনেক নাস্তিক আছেন, গিয়াসউদ্দিন, সরিতা আহমেদ এনারাও হুমকি পান, কিন্তু সেই হুমকি কোনো রামের বান্দা দেয় না, বা রাস্তায় কোনোদিন "জয় শ্রী রাম" বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে না, পড়বেও না নিশ্চিন্তে থাকুন আপনারা...
হ্যা এটাও মানছি ফেসবুকে হয়তো কিছু রামের বান্দা অশ্লীল মন্তব্য করে, ব্যস ওটুকুওই, এর বেশী হিন্দু সমাজ কিন্তু কাউকে কিছু করে না।।
কিন্তু আল্লার বান্দারা গিয়াসউদ্দিন বাবুকে হুমকি দিয়েছে.. আর কিছুদিন পর মুসলিম জনসং্খ্যা বেশী হয়ে গেলেই আপনাদেরও কল্লা নিয়ে নেবে..।
তাই ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হলে সবাই নিশ্চিন্তে থাকবেন, হিন্দু রাষ্ট্রে কারোর ধর্ম বিপন্ন হয় না। নাস্তিককে প্রান দিতে হয় না। প্রতিনিয়ত জীবন হাতে নিয়ে বাইরে বেরোতে হয় না। নারীদের নিরাপত্তা বাড়ে...
তাই সিদ্ধান্ত আপনার.. আপনি কি সমর্থন করবেন.. দেশটাকে ইসলামিক বানাবেন না হিন্দু রাষ্ট্র বানাবেন।। Biltu Mondal
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
#দাদার_মুখে_বুলি_ছুটেছে
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি সংখ্যালঘু
সম্প্রদায়ের সম্পত্তি রক্ষায়
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
হস্তক্ষেপ
কামনা করেছেন। আজ শুক্রবার দুপুরে
রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স
ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এ হস্তক্ষেপ কামনা
করেন।
সরকারের এমপি, মন্ত্রী ও হুইপরা
সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল করে
নেওয়ার যে অভিযোগ হিন্দু-বৌদ্ধ-
খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ করেছে তা
অত্যন্ত
মর্মান্তিক বলেও মন্তব্য করেছেন
সাবেক এ মন্ত্রী। চলমান রাজনীতি
নিয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে
বঙ্গবন্ধু একাডেমি। আলোচনা সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য
হাজি মুহাম্মদ সেলিম।
সুরঞ্জিত বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের
সম্পত্তি মন্ত্রী, এমপি, হুইপরা দখল
করে
নিয়েছেন। এখন ক্ষমতায়
অসাম্প্রদায়িক
সরকার। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কি
হতে
পারে। সংখ্যালঘুরা কার আশ্রয়ে
যাবে। এখন যদি বিভিন্ন পত্র-
পত্রিকায়
এসব খবর আসে, আর এটা যদি সত্য হয়
তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক আর কি হতে
পারে।
তিনি বলেন, আপনি জঙ্গিবাদের
বিরুদ্ধে কথা বলবেন,
সাম্প্রদায়িকতার
বিরুদ্ধে স্লোগান দেবেন আর নিজে
অসাম্প্রদায়িক হতে পারবেন না এটা
হয় না। রক্ষক যদি ভক্ষক হয় এর চেয়ে
দুঃখজনক আর কিছু নেই।
বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত এ-
সংক্রান্ত খবরের প্রসঙ্গ টেনে
সুরঞ্জিত
বলেন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান
ঐক্যপরিষদ
এই অভিযোগ করেছে। তারা খোঁজ-খবর
নিয়ে, তথ্য সংগ্রহ করে, জেনেই এই
অভিযোগ করেছেন। তাদের এ
অভিযোগ এসেছে সরকারের বিরুদ্ধে,
সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ও দলের
বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় সংখ্যালঘুরা আরও আতঙ্কিত
হবে। সংখ্যালঘুদের শেষ ভরসা এখন
প্রধানমন্ত্রী। তাদের রক্ষায়
প্রধানমন্ত্রীকেই দায়িত্ব নিতে
হবে।
দখলবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে
হবে। আশা করবো প্রধানমন্ত্রী
বিষয়টি
দেখবেন। তিনিই শেষ ভরসা।
আলোচনা সভায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আরও
বলেন, শিশু হত্যা বিকৃত মানসিকতা
থেকে হচ্ছে। তাদের এ মানসিকতা
একদিনে হয়নি। সিলেটে শিশু
রাজনকে হত্যা করে হত্যাকারী সৌদি
আরব পালিয়ে গেলো, এ সময় পুলিশ কি
নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছিল, না
সহযোগিতা করেছিলো।
সহযোগিতাকারী পুলিশ সদস্যদের
নামও
বের হয়ে এসেছে। ওই পুলিশ সদস্যদের
বিচার করতে হবে। দেশ নিম্ন আয়
থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে,
আর এ দেশের আইনশৃঙ্খলা মধ্যম হতে
হবে
না এটা হতে পারে না।
সুরঞ্জিত বলেন, হঠাৎ করে মন্ত্রীরা
রাস্তা পরিষ্কার করতে নেমে
গেছেন। বর্তমানে রাস্তায়, নছিমন,
করিমনের অভাব নেই। আমি বলতে চাই
এটা কি একদিনে হয়েছে। এতদিন কি
তারা ঘুমিয়ে ছিলেন।
পাক সার জমিন সাদ বাদ -- পর্ব ২৩
বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে হুমায়ন আজাদের অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ"-- পর্ব ২৩
------------------------------------------------------------
পর্ব যত বাড়ছে হিন্দুদের নারীদের উপর ইসলামি জিহাদের বর্বরতার কাহিনী ততই বাড়ছে। তাই পড়ুন, ইসলামি জিহাদ বিষয়ে আগাম সতর্ক হোন...
-----------------------------------------------------
দেশের দশটা জায়গা জুড়ে আজ ও আগামীকাল আমাদের কর্মকান্ড; একযোগে আমরা কাজ করবো দিনাজপুর, ঠকুরগাও, নারায়নগঞ্জ, ব্রাহ্মনবাড়িয়া,সিলেট, বরিশাল, ভোলা, মাইজাদি, লালমনিরহাট আর আমার মদিনাতুন্নবি অঞ্চলে- একসঙ্গে আমরা জিহাদ শুরু করবো।
আমাদের আজকের দিনটির নাম দিয়েছি আমরা ‘ওমর দিবস’, আগামী কালের নাম ‘আলি দিবস’। দুটি পবিত্র দিবস। ওমর দিবসে আমরা ভৈরবের নাম বদলে রাখব ‘ওমরপুর’, আলি দিবসে শ্যামাসিদ্ধির নাম বদলে রাখবো ‘আলিগঞ্জ’, বদলে দেবো সব কিছু।
দিবস দুটি আর জায়গা দুটির নাম আমার মাথা থেকে বেরোয় নি।
বেরিয়েছে আমার দুই-নম্বর জিহাদি মোঃ হাফিজুদ্দিনের মগজ থেকে; আমি ক্রমশ ওর থকে একটু একটু করে সাবধান হচ্ছি, খুনে আর নামকরনে ওর অলৌকিক প্রতিভা রয়েছে, যা আমাকে মুগ্ধ ও ভীত করে। ওর কোনো সম্ভবত জিনের সম্পর্ক আছে, যেটি খুবই শক্তিশালী, যেটি অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। একদিন ও আমাদের ওসামা বিন লাদেন হয়ে উঠতে পারে, তখন ও আমাকে কানা মোল্লা উমর করে রাখবে না, আমাকে কফের বলে আমার মাথায় বুলেট ঢুকাবে।
আমাকে সাবধান হতে হবে।
আমি অবশ্য সাবধান, সাম্যবাদ ও সর্বহারা করে করে আমাকে সাবধান হতে হয়েছে; এখন জামাই জিহাদে ইছলাম করতে এসে আমাকে আরো সাবধান হতে হচ্ছে। হোলি টেরর আনহোলি টেররের থেকে ভয়ঙ্কর।
জিহাদি হাফিজুদ্দিনটা একটু বেতমিজ, মুখে চমৎকার চাপদাড়ি, স্বাস্থ্যটাও ভালো; একাই দু-তিনটি দোকান ভাঙতে পারে্ কয়েকটিতে আগুন লাগাতে পারে, গুলি চালাতে পারে, ‘আল্লহু আকবর’, ‘আলি জুলফিক্কার’ বলে ছুরি ঢোকাতে পারে; ফিরে এসে একটির পর একটি এক্স এক্স এক্স দেখতে পারে, সবই ইন্ডিয়ান ও বড়ো দুধ ওর পছন্দ, চাকরানিটাকে ডেকে এনে অর্যাল-ভ্যাজাইনাল করতে প্রে, তারপর উঠে গিয়েই মধুর স্বরে ওয়াজ করতে পারে, ফতোয়া দিতে পারে।
ও একটি সাংঘাতিক প্রতিভা,আমি তার প্রতিভায় মুগ্ধ ও সন্ত্রস্ত।
‘ওমর দিবস’ এ আমরা কি করবো, সেটা আমি আলোচনা করি।
আলোচনা করতে বাধ্য হই, মোঃ হাফিজুদ্দিনের সাথে- আগের সন্ধ্যায় মগরেবের নামাজটা সেরে, একটা এক্স এক্স এক্স দেখতে দেখতে একটু ব্ল্যাক লেবেল একটু সিভস রিগ্যাল খেতে খেতে। এই কাজটাও মোঃ হাফিজুদ্দিন পারে বেশ, আমাকে সহজেই ছাড়িয়ে যায়, ঢকঢক করে পানি ছাড়াই গিলে ফেলে, তখন ওকে অলৌকিক মনে হয়; ওর দাড়ি আর সুরমা মাখা চোখ দেখে এটা কেউ বুঝবে না, আমিই অনেক সময় বুঝতে পারিনা।
দাড়ি অবশ্য আমিও রেখেছি, তবে আমার দাড়িটা ওর দাড়ির মত কিছুতেই লম্বা হচ্ছে না, তাই মাঝে মাঝে আমি দাড়ীগুলো টানি; এটা আমাকে একটা হীনম্নন্যতা বোধ দেয়, কিন্তু এটা আমি ওকে বুঝতে দিই না।
Isis flag on JK
আজ আবার দেখা গেল IsIs এর ফ্ল্যাগ,
এই কদিনে ৪ বার এইরকম ঘটনা ঘটল,
জম্মু কাশ্মীর উপত্যকায়, তাও একটা নির্দিষ্ট দিনে,
৪ বারই দিন একটাই ছিল "শুক্রবার"
এই দিনে নামাজ পরার পর দেশদ্রোহীরা
IsIs এর ফ্ল্যাগ নিয়ে গর্বের সাথে উড়িয়েছে।
তবে এবার নামটা ভিন্ন ছিল,
এবার ছিল "IsJk" মানে "ইসলামিক স্টেট জম্মু কাশ্মীর"
নিচে লেখা ছিল "Is Coming"
তবে একটা জিনিষ এক ছিল,
তারা সবাই নিজের মুখ ঢেকেই ছিল।
নিজেদের যোদ্ধা বলা এই দেশদ্রোহী গুলো নিজের
পরিচয় দিতে লজ্জা পায় না ভয় পায়?
এটাই হল সহি ইসলামের পরিচয়,
ভারতের খাব, ভারতের পরব, আবার ভারত কেই ধংস করব।
আমার এই পোস্ট টা পরার পর অনেক সেকুলাররাই
ভোট ব্যাঙ্ক এর লোভে মরা কান্না কাদবে।
আবার বলেও ফেলবে এটা মিথ্যা খবর,
তবে চিন্তা করবেননা এই পোস্টের সব কথাই
সত্য তার প্রমান আমার কাছে আছে।
हे अल्लाह
तूने क्यू बनाया ये मुसलमान
जिसमे 100 मे से 99 बेईमान... — https://m.facebook.com/SUDIPABVP/photos/a.1529753463903661.1073741827.1529226993956308/1639903126222027/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C7980939946
Subscribe to:
Posts (Atom)