Saturday, 8 August 2015

বগ্লার নীল

বগ্লার নীল, বাবা মার উৎকৃষ্ট সন্তান, মা বাবাকে ত্যাগ করে সে তাদের আপত্তি স্বত্বেও এক মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করে, আলাদা ভাবে ফ্ল্যাটে থাকত, আর ওখানে বসে ধর্ম নিয়ে চটি লিখত। কি আর্দশ মহামানব!!!! - হিন্দু মহিলাদের শাখা সিধুর নিয়ে নিলএর কুটুক্তি। - "যদি কোন মহিলার মাথায় সিধুর এবং হাতে শাখা থাকে, তাহলে বুঝতে হবে যে, সে অন্যের মাল, সেদিকে নজর দেয়া যাবে না " উহার একজন ভোক্তা রয়েছে " মুলত শাখা সিধুর দ্বারা বুঝা যায় যে একটা নারী মাল এবং সে ইতিমধ্যেই একজনের গোলাম। " - এই নীলের মার হাতে ও শাখা আছে, তার মানে ওর মাও একটা ___!! আর তার ভোক্তা হচ্ছে ওর বাবা। তেমনি প্রত্যেক হিন্দু মহিলারও তাই।। - ব্লা ব্লা ব্লা!! উত্তম, অতি উত্তম।।

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম সন্ত্রাস বন্ধে দরকার ধর্মযুদ্ধ

¤¤¤ পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম সন্ত্রাস বন্ধে দরকার ধর্মযুদ্ধ ¤¤¤ _____________________________________________________________________________ ** ধর্মনিরপেক্ষতারমেকি বুলি আমাদের কোন রকম নিরাপত্তা দিতে সেদিনও পারেনি, আর আজও পারছে না, আর ভবিষ্যতেও পারবে না। আজ পশ্চিমবঙ্গে আবার কি সেই মহাভারতের কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের মতো ধর্ম আর অধর্মের মধ্যে লড়াই-র পথে এগিয়ে চলেছে না ? জেহাদি সন্ত্রাস একের পর এক অন্যায় করেই চলেছে আর আমরা চোখে ধর্মনিরপেক্ষতারঠুলি এঁটে শান্তির হাঁপু বাজিয়ে চলেছি। কামদুনি, দেগঙ্গা , ক্যানিং , পাঁচলা , মল্লিকপুর , জুরানপুর মধ্যমগ্রাম সহ সারা রাজ্যে কত শত বোনের সম্মান দ্রৌপদীর মত লুণ্ঠিত হচ্ছে, শত শত নিরিহ হিন্দু পরিবার নির্যাতিত হচ্ছে । বনগাঁর দীপঙ্করের মত কত শত যুবক অভিমন্যুর মত জেহাদি সপ্তরথীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। ক্যানিং, পাঁচলা সহ পশ্চিমবঙ্গের কত গ্রাম জিহাদি আগুনে বারনাবরতের জতুগৃহের মত পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে আর আমরা পুণ্য করতে গঙ্গাসাগরে গিয়ে ডুব দিচ্ছি বা মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে পূজা দিচ্ছি যাতে “ঠাকুর রক্ষা করেন”। কিন্তু ইতিহাস বলছে যে ঠাকুর আমাদের ১৯৪৭ এ রক্ষা করেননি। জেহাদি সন্ত্রাসের সামনে নিজেদের বাপ-ঠাকুর্দার ভিটে ছেড়ে, মা-বোনেদের ইজ্জত খুইয়ে আমরা উদ্বাস্তুর হয়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম এই পশ্চিমবঙ্গে। আমাদের এই পৃয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও আজ যে পরিস্থিতি চলছে তাতে এখনই যদি সঠিক কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া যায় তাহলে ভবিষ্যতে আবার কোনোদিন জীবন বাচাতে বা মা বোনের ইজ্জত বাচাতে এই রাজ্য ছেড়েও পালাতে হবে। আমরা যেনো কোনো উদ্বাস্তু......কোথায়ও যেনো আমাদের স্থায়ী কোনো ঠিকানাই নেই...। .......... উপর থেকে দেখলে মনে হয় যেনো সবাই ধর্মনিরপেক্ষতায় মগ্ন.... কারোর ভেতরে কোনো পাপ নেই... কোথায়ও কোনো প্রবলেম নেই.... কিন্তু সত্যিই কি তাই! নাকি ধর্মনিরপেক্ষ নামক দেশদ্রোহী ঘুন পোকা এই দেশের ভেতরটাকেই দিন দিন ফোকলা করে দিচ্ছে। কারন এই ধর্মনিরপেক্ষতারনামে মাত্রাতিরিক্ত মুসলিম তোষণ.. আর অবৈধ প্রশ্রয়ই হিন্দু অত্যাচারের প্রধান কারন........ হিন্দু সমাজের এই করুন পরিণতি দেখে আজ যেন মনে হয় আমরা প্রতিবাদ করতে ভুলেগেছি... প্রতিরোধ করতেও ভুলেগেছি ...... কারন আমরা ভুলে গেছি যে ঠাকুর নিজে বলেছেন যে “যখন ধর্ম আর অধর্মের মধ্যে লড়াই হয় তখন সেই যুদ্ধক্ষেত্রই একমাত্র তীর্থক্ষেত্র”।

কলকাতা গন হিন্দুহত্যা ১৯৪৬ প্রস্তুতিপর্ব পর্ব ৩

কলকাতা গন হিন্দুহত্যা ১৯৪৬ প্রস্তুতিপর্ব পর্ব ৩ তিনটি দুশ্চিন্তাজনক উদ্ধৃতি ১ দ্বিজাতি ত্বত্ত সম্পর্কে জিন্নাহ্‌ “আমরা বিশ্বাস করি এবং পালন করি রাষ্ট্রের সংগা এবং অভিজ্ঞায়, মুসলমান এবং হিন্দু দুটি প্রধান রাষ্ট্র।আমরা, আমাদের পৃথক সংস্কৃতি এবং সভ্যতা, ভাষা এবং সাহিত্য,শিল্প এবং স্থাপত্য,রীতিনীতি,ইতিহাস এবং ঐতিহ্য,প্রবনতা এবং উচ্চাকাঙ্খায় ;একটি রাষ্ট্র।সংক্ষেপে আমরা আমাদের পৃথক দৃষ্টি রাখি এই জীবন ও পরজীবন সম্পর্কে “ ২ পাকিস্তান আদায়ের লক্ষে হিংস্র রাজনীতি সম্পর্কে সুহরাবর্দ্দী “রক্তপাত ও বিশৃংখলা নিজেরা আদৌ খারাপ নয়,যদি বড় উদ্দেশ্যে লাগে।আজকের মুসলমানদের মধ্যে , পাকিস্তানের থেকে প্রিয় এবং বড় কিছু নেই।” ৩ স্যার সিকান্দর হায়াৎ খান পাকিস্তানের হিন্দুদের সম্পর্কে ভবিষ্যত “কি করে আপনারা এমন বলতে পারেন?আপনারা পশ্চিমপাঞ্জাবেরমুসলমানদের সম্পর্কে যথেষ্ঠ জানেন ।নিশ্চিত ভাবে আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন পাকিস্তান হবে সেখানকার সমস্ত হিন্দু বানিয়ার গলা কাটার আহ্বান---পাকিস্তান মানে গনহত্যা।'' (ডঃ দীনেশচন্দ্র সিংহ লিখিত 1946: The Great Calcutta Killing and Noakhali Genocide এর বাংলা অনুবাদ) অনুলিখনে- জয় রাজ..

যারা নিলয় নীলকে হিন্দু ব্লগার ভাবছ সেটা ভুল

নিলয় ছিল প্রচন্ড হিন্দুবিদ্বেষী এবং সে অনেক হিন্দুবিদ্বেষী লেখা লিখেছে। নিচে কয়েকটা দিচ্ছি: নিলয় নীলের হিন্দু বিদ্বেষী লেখার লিস্ট: 1) সনাতনী বিগ্যানঃ ঋতুকালে নারীর কর্তব্য ( http://www.istishon.com/node/9573 ) 2) সর্ব রোগের মহাঔষধি গোমাতার পবিত্র মূত্র ( http://www.istishon.com/node/7993 ) 3) হরেক রকম সরস্বতী ( http://www.istishon.com/node/6738 ) 4) স্টিভ জবস নাকি হরে কৃষ্ণ আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন ! ( http://www.istishon.com/node/5747 ) 5) শাঁখা সিঁদুরে নিয়ে কিছু স্বতন্ত্র চিন্তা ( http://www.istishon.com/node/4919 ) 6) ওম নমঃ খা ল্যাদায়ঃ ( http://www.istishon.com/node/5075 ) 7) সচিত্র শ্রীকৃষ্ণ লীলা (১৮ +) ( https://goo.gl/KXcShP ) 8) অশুভ শক্তির হাত থেকে বাঁচতে কুকুরের সাথে অষ্টাদশী তরুণীর বিয়ে ! ( https://goo.gl/BC32Yq ) 9) নিলয় নীলের ইসকন বিরোধী স্ট্যাটাস- https://goo.gl/xN5Tl5 সনাতনী বিগ্যানঃ ঋতুকালে নারীর কর্তব্য | ইস্টিশন

লামায় ফাঁসিয়াখালীতে গীর্জা ভেঙ্গে শশ্মানের জায়গা দখল করল ইউপি চেয়ারম্যান ও তার স্বজনরা

লামায় ফাঁসিয়াখালীতে গীর্জা ভেঙ্গে শশ্মানের জায়গা দখল করল ইউপি চেয়ারম্যান ও তার স্বজনরা যে কোন সময় বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও তার স্বজনরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বনফুর রাজাপাড়া এলাকায় গীর্জা ভেঙ্গে ও হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ধর্মাবলম্বীদের শশ্মানের জায়গা দখল করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ২৮৫নং সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান থংপ্রে মুরও (৬০) ও রাজাপাড়ার কারবারী পালে মুরও (১০৪) বলেন, পাঁচ পুরুষ (১৫০ বছর) থেকে ভোগ দখল করা গীর্জা ও শশ্মানের জায়গাটি ৫ আগষ্ট ২০১৫ইং চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদারের নির্দেশে তার ছোট ভাই জাহাঙ্গীর মজুমদার(২৯) তার চাচা নূরনবী সহ ১৫-২০ জনের একটি সংগবদ্ধ গ্রুপ খৃষ্টান ধর্মাবলম্বীদের গীর্জাটি ভেঙ্গে ৫ একর ও শশ্মানের ৫ একর জায়গা দখল করে নেয়। দখলীয় জায়গায় দখল নিশ্চিত করতে রাবার ও বিভিন্ন জাতের চারা লাগিয়ে যায়। জায়গার তিন পাশে বাশেঁর বেঁড়া দেয়। এঘটনায় ক্ষুদ্ধ ২ শতাধিক এলাকাবাসী ৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাদের গীর্জা ও শশ্মানের জায়গা পুনরুদ্ধার করে এবং পুনরায় ধ্বংস গীর্জাটি মেরামত, শশ্মানের জায়গায় দখল ঠেকাতে ক্যাং নির্মাণ করেন। গীর্জা ভাঙ্গার বিষয়ে এলাকার হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এসময় অপর পক্ষের (জাহাঙ্গীর মজুমদার ও তার সঙ্গীয়) কাউকে দেখা যায়নি। ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাতের ঘটনায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১নং ও ৯নং ওয়ার্ডের বনফুর, রাজাপাড়া, বড়পাড়া, ছোটপাড়া, নিচের পাড়া, রাজাপাড়া ও মোক্তারাম ত্রিপুরা পাড়ার লোকজনের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা যায়। দুই পক্ষের মূখোমুখিতে যে কোন সময় বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারে বলে জানান ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার লাং কম (৪৫)। এলাকার সবচেয়ে বয়োজৌষ্ট কারবারী পালে মুরও (১০৪) জানান, পাঁচ পুরুষ আগে বৃটিশ শাসনের আমলে অত্র জায়গায় রাজাপাড়ার অবস্থান ছিল। তিন পুরুষ আগে ডায়রিয়া ও কাল জ্বরে যখন শত লোক মারা যাচ্ছে তখন এই এলাকার লোকজন ভীতসন্ত্রস্থ হয়ে পাশের পাহাড়ে উপরে অর্থাৎ বর্তমান স্থানে রাজা পাড়া স্থানান্তর করে। তখনকার সময়ের সুপরিচিত মুরও কারবারী রাজা মুরও নামে এই পাড়ার নামকরণ করা হয়। এই পথ ধরে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময় বৃটিশ সৈন্যরা বাংলাদেশ থেকে মায়ানমার (বার্মা) রেংগুন শহরে যেত। প্রায় দুই শতাব্দীর ইতিহাসের স্বাক্ষী উক্ত পাড়াটি। চলাচলের পথে বৃটিশ সেনারা রাজাপাড়ায় বসে বিশ্রাম করত ও সহজ সরল মুরওদের সাথে আলাপ খোশগল্প করত। এঘটনায় বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ছাত্র-যুব ঐক্য পরিষদের কক্সবাজার সভাপতি সোহেল বড়ুয়া তীব্র নিন্দা সহ সরকারের কাছে গীর্জা ভাংচুর ও শশ্মানের জায়গা দখলকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবী করেন। গীর্জা ভাঙ্গা ও জায়গা দখলের বিষয়ে জাহাঙ্গীর মজুমদারের বড় ভাই ৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউপি’র চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুদার বলেন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নাম ভাঙ্গিয়ে আমার দীর্ঘ সময়ে ভোগ দখলীয় জায়গাটি জবর দখল করার চেষ্টা করছে। উপজাতিরা ষড়যন্ত্র করছে আমার বিরুদ্ধে। গীর্জা ভেঙ্গে নেয়ার অভিযোগ সত্য নয়। বিরোধীয় জায়গা থেকে শশ্মান আরো নিচে। আমি যতটুকু জানি এই শশ্মানে ৪০-৪৫ বছর পূর্বে ৪-৫টি মুরওদের মৃত দেহ দাহ করে সমাধি করা হয়। ১৯৮৬-৮৭ সালে এই জায়গাটি আমার চাচাসহ ৪ জনের নামে জি হোল্ডিং মূলে আমরা বন্দোবস্তি পাই। এই বিরোধীয় জায়গার নিয়ে কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় ভাবে এলাকার সাবেক মেম্বার লাং কম মুরওও চং পাত মুরও সাথে বৈঠক করে এই জায়গা আমাদের নিশ্চিত করে আমরা বুঝেনি। মূলত এলাকার আমার বিরোধীয় একটি গ্রুপ আগামী নির্বাচনকে ঘিরে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। বিরোধীয় জায়গাটি কোনদিন তাদের বলে দাবী করতে শুনিনি। তারা বর্তমানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ব্যানারে কৌশলে জায়গা দখলের পায়তারা চালাচ্ছে। এবিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যানের ভাই জাহাঙ্গীর মজুমদার উক্ত জায়গাটি তার দাবী করে গতকাল ৬ আগষ্ট লামা থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। প্রতিপক্ষ দখলে প্রচেষ্টায় ঘর নির্মাণের জিনিসপত্র আনলে তারা ঘর তৈরি করতে বাধা দেয়। গীর্জা ভাঙ্গা বিষয়ে আমি অবগত নয়। আগামীকাল ৮ আগষ্ট শনিবার জাহাঙ্গীর মজুমদারের অভিযোগ তদন্তের জন্য লামা থানার পুলিশের একটি টিম বনফুর বাজারে যাবে। http://www.somoyerkonthosor.com/news/265044 Anmmy kumar roy

সিপিএম এর মানসিকতা

সিপিএম এর মানসিকতা সমন্ধ্যে একটা ভালো জ্ঞান হল, নীলয় নীল এর মৃত্যু কে নিয়েও এরা গেম খেলছে। নীলয় নীল কে যারা হত্যা করল তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ না তুলে, সিপিএম এর সাইবার সেল দোষ টা এখন হিন্দু দের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। কোনো এক হিন্দু পেজ নীলয় নীল এর এক পোস্ট / প্রোফাইল রিপোর্ট করে বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও ওটা প্রোফাইল কিনা আমি জানিনা, কারন আমি কাল নীলয় এর প্রোফাইল ভিসিট করেছিলাম দিব্যি খুলছিল, হয়ত তার কোনো পোস্ট হবে। আর সিপিএম এখন পুরো দোষ টাই হিন্দু দের ঘাড়ে চাপিয়ে, মৌলবাদী দের রক্ষা করতে চাইছে। ঠিক যেমন ইয়াকুব কে বাঁচাতে চেয়েছিল। তাদের কাছে ২৫০ জনার খুনি ইয়াকুব দোষি না হলেও, ফেসবুকে একজনার আকাউন্ট রিপোর্ট কারি রা দোষি বটে... সত্যি Cpi(M) ধর্ম নিয়ে রাজনীতি তোমাদের কাছেই শিখতে হবে। _/\_ লাল সেলাম কমরেডস... তোমাদের তোষন মূলক রাজনীতি দীর্ঘজীবী হউক।।। Raj Singh

অনলাইনে যারা নিয়মিত হিন্দুদের পক্ষে লিখেন, তাদেরকে অারো কৌশলী হতে হবে

অনলাইনে যারা নিয়মিত হিন্দুদের পক্ষে লিখেন, তাদেরকে অারো কৌশলী হতে হবে। অনলাইনে ১-২ দিন লিখে সেলিব্রেটি হওয়া যায় বটে , কিন্তু এত তাড়াতাড়ি সমাজকে পাল্টানো যায় না। অনেক সময় লাগে একটি সমাজকে বদলাতে। লেখনীর মাধ্যমে অন্যদের প্রভাবিত করা এত সহজ কাজ নয়। সাধারণ জনগনকে প্রভাবিত করা সময়সাপেক্ষ বিষয়। সেজন্যে অামাদেরকে দীর্ঘকাল বেচে থাকতে হবে। . একজন ব্যক্তির উদাহরণ দেওয়া যাক, _MAHARANA_PRATAP যিনি ভারতের বহিরাগত মুঘল শক্তির বিরুদ্ধে সারাটি জীবন লড়াই করেছেন। কিন্তু কখনো সামনে মাথা নত করেন নি। যার ফলশ্রুতিতে, ভারত পরর্বতীকালে মুসলিম শাসন মুক্ত হয়। তিনি কৌশলী ছিলেন বলেই তো সেটা সম্ভব হয়েছিল। . বর্তমানে এদেশের সবকটা রাজনৈতিক দলের সদস্যরা হিন্দু বিরোধী কাজ করে যাচ্ছে। হিন্দু নির্যাতনে অা.লীগ, বিএনপি, জামাত সব দল অাজ এককাতারে। সেজন্যে হিন্দুদের একক রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করলে চলবে না। এই সংকটময় সময়ে অামাদেরকে সব রাজনৈতিক দলে অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। যাতে অা.লীগাররা হিন্দু নির্যাতন করলে অাপনি একজন বিএনপি কর্মী হয়ে অাপনার দলকে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্যে চাপ প্রয়োগ করতে পারেন। . একবার বিএনপির হয়ে সময়ের কন্ঠস্বরে কমেন্ট করেছিলাম। সেই কমেন্টে কিছু বিএনপির পক্ষে, কিছু অামাদের পক্ষে লিখেছিলাম। এরকম করলে এর সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে। comment টির। link এখানে: https://m.facebook.com/somoyerkonthosor/photos/a.158766884295208.1073741826.158016491036914/458246321013928/?type=1 মিঠুন দেব