যদিও তারা আদৌ নাস্তিকতার মানে বলতে কি বোঝে তা আমাদের অজানা।
আমরা নাস্তিক মানে বুঝি "যে কোনো ধর্মেই বিশ্বাসি নয়"
আর কমরেড দের নাস্তিকতা মানে "ইসলাম বাদে কোনো ধর্মে বিশ্বাসি নয়"
বেশ কিছু কাল ধরেই তারা যখন নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে পরিচয় দিতে দিতে বিরক্ত হয়ে গেছে, তখন তারা এই "নাস্তিক" কথাটি আবিস্কার করেছে।
কিন্তু তারা সত্যি কি নাস্তিক না নাস্তিক হওয়ার ভান করে? আসুন দেখে নিই।
হিন্দু কমরেড নিজেকে নাস্তিক বলে,
কিন্তু তারা ধর্ম মেনে সংস্কৃত এ মন্ত্র পরেই কিন্ত বিবাহ সম্পন্ন করে।
তাদের বাড়ির কেও মরলে, হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী সব প্রথা মেনে তার অন্তিম সংস্কার করে। তারপর কেও ১৪ দিন আর কেও বেশি ধার্মিক হলে ৩০ দিন গুরুদশা পালন করে, আর মৃত ব্যাক্তির আত্নার শান্তি কামনার জন্য,
স্রাদ্ধ করে তাও মন্ত্র পরে, আবার নিজের মাথা নেড়া করতেও ভোলেনা।
আবার সেই নাস্তিক এর বাড়ি তে কোনো সন্তান জন্মালে, ধর্ম মেনে অন্নপ্রাশন, তারপর বিদ্যার দেবী এর কাছে অঞ্জলী দিয়ে তার সন্তান দের হাতেখড়ি দেয়।আবার বাড়ির কোনো গুরুজন মারা গেলে, তারা বাড়িতে অন্তত এক বছর ঘটা করে একাদশী পালন করে, দূর্গাপূজায় নতুন জামা প্যান্ট পরে মা দূর্গা কে দর্শন করতে মন্ডপে মন্ডপে ভিড় জমায়। আবার তারাই দেবী দূর্গার কাছে পার্থনা করে,সপ্তমী আর অষ্টমী তে যেন বৃষ্টি না পরে।তারপর তাদের সন্তান রা যখন ধীরে ধীরে বড় হয় এবং বিয়ের যোগ্য হয়, তখন তারাই ভাল পাত্র খোজ করে নিজের জাতের মধ্যে, এবং ধর্ম মেনেই বিয়ে দেয়।
তাও এরা নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেয়।
এবার বলি কিছু ইসলামি নাস্তিক দের কথা, যদিও এই ধর্ম টা সমন্ধে আমার তেমন কিছু জ্ঞ্যান নেই, তাও দু একটা কথা বলি।
এরা নিজের ধর্ম মেনে তিন বার "কবুল হে" বলে আর কিছু সম্পত্তির হিসেব টেনে "নিকাহ" করে।
এদের বাড়িতে কেও মারা গেলে নিজের ধর্ম মেনেই তার সৎ কাজ করে গেরোস্থানে মাটি দেয়।
এরা পশ্চিম দিকে মানে মক্কা যেদিকে সেদিকে মুত্র বিসর্জন করেনা। এরা ঈদ এ খুব তৃপ্তির সাথে সপরিবারে "গো" মাংস খায়, কারন একটা ধর্মের অপমান না করে খুশির ঈদ এরা পালন করতে পারেনা।
আর এরা সব থেকে বেশি যেটা করে সেটা হল, নিজের ধর্ম কে সেরা মনে করে অন্য ধর্ম কে ছোট করার।
আবার এদের ধর্ম কে কেও অপমান করলে, এরা সদলবলে এসে তাদের মা মাসি উদ্ধার করে দিয়ে যায়।
হিন্দু নাস্তিক রা যেমন কথায় কথায়
"জয় মা" "মা তারা " বলে, তেমনই এরা সব সময় "ইনশাল্লাহ" আর "সেলাম ওয়ালেকুম" বলে থাকে।
তার পরেও এরা নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেয়।
তবে আমরা এদের মন থেকে ধন্যবাদ জানাই, যে এরা ভোট এর খাতিরে আমাদের কিন্তু "নাস্তিকতার" আসল রুপ টা শিখিয়ে দিল।
এই পোস্ট টা পরে অনেক কমরেডই অনেক যুক্তি দেবে, তাদের কাছে আবার যুক্তির অভাব নেই, কিন্তু মানবিকতার অভাব টা অনেক.....
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 9 August 2015
আরএসএস-বজরংদলকেসন্ত্ৰাসবাদী বললেন মুখ্যমন্ত্ৰী গগৈ
এই সক্যুলারের বাচ্ছাকে কি করা উচিৎ
লাইক নয় কমেন্ট চাই:-
আরএসএস-বজরংদলকেসন্ত্ৰাসবাদী বললেন মুখ্যমন্ত্ৰী গগৈ
: রাষ্ট্ৰীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এবং বজরংদলকে সন্ত্ৰাসবাদী আখ্যা দিয়ে ফের এক বিতৰ্কের আবর্তে ঢুকে পড়লেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্ৰী তরুণ গগৈ। আসন্ন স্বাধীনতা দিবস অথবা তার আগে রাজ্যে জঙ্গি নাশকতা ঘটতে পারে বলে পুলিশ কমিশনারের আশঙ্কা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আলফা, এনডিএফবি-র ব্যাপারে আমাদের শঙ্কা থাকতেই পারে, কিন্তু এ-ধরনের নাশকতা আরএসএস কিংবা বজরং দলও ঘটাতে পারে এবং এদের ব্যাপারেও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সোমবার আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে মুখ্যমন্ত্ৰী গগৈ সংঘ সম্পর্কে এমন মন্তব্য করার পাশাপাশি আরও বলেন, জামাত-এর সঙ্গে আরএসএস-এর যে সম্পৰ্ক আছে তা ইন্দ্ৰেশ কুমারের গতকালের মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট। নরেন্দ্র মোদিকে এআইইউডিএফ-প্রধান বদরুদ্দিন আজমলের বড় ভাই বলে কটাক্ষ করে গগৈয়ে বলেন, বদরুদ্দিন আজমলের সঙ্গে এদের সমঝোতা বহু পুরনো। বিজেপি-র প্রদেশ সভাপতি সিদ্ধাৰ্থ ভট্টাচার্য এবং বিজয়া চক্ৰবৰ্তী কখনও বদরুদ্দিন আজমলের নিন্দা বা বিরোধিতা করেন না। তাঁরা কেবল মুখ্যমন্ত্ৰী গগৈয়ের কট্টর বিরুদ্ধাচরণ করেন। এই দুটো দলই সাম্প্ৰদায়িক। এরা সমাজকে ভাগ করতে পারে| http://m.newshunt.com/india/bangla-newspapers/hindusthan-samachar-bangla/latestnews/aareshoeshbojorangdolke-shontvashobadi-bollen-mukhjomontvi-gogai_42447231/c-in-l-bangla-n-hsbang-ncat-latestnews
নোয়াখালি দাঙ্গা এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার মিথ্যাচার
** চরম হিন্দু বিদ্বেষী দৈনিক এবং বিএনপির মুখপাত্র দৈনিক "আমার দেশ" ২০১৩ সালের ২৭ অক্টোবর সংখ্যায় জামাতি বুদ্ধিজীবী এরশাদ মজুমদার ‘বাংলাদেশের নাটকে সাম্প্রদায়িকতা’ শীর্ষক লেখায় দাবি করে যে “বাংলাদেশে বেশ কিছু হিন্দু সাংবাদিক আছেন, গোপনে বা ভারতীয় কাগজে ভুয়া দাঙ্গার খবর প্রচার করে থাকেন। এমনকি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন ওই ভুয়া খবরের পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। বাংলাদেশে বেশ কিছু বুদ্ধিজীবী ও সংগঠন আছে যারা প্রায়ই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার উসকানি দিয়ে নানা ধরনের সুযোগ নিতে চায়। ”
আরও ভয়াবহ বিষয় একধাপ এগিয়ে সে দাবি করে নোয়াখালীতে ১৯৪৬ সালে নাকি কোন দাঙ্গা হয় নাই। এ নিয়ে সে লিখে, “বিহারে যখন বিরাট দাঙ্গা চলছিল তখন প্রতিক্রিয়া হিসেবে নোয়াখালীতে কয়েকটি এলাকায় দাঙ্গার অবস্থা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু গান্ধীজী বিহারে না গিয়ে চলে গেলেন নোয়াখালীতে মিডিয়াতে নোয়াখালীর দাঙ্গাকে বড় করে দেখানোর জন্য। আজ কেউ দাঙ্গার ইতিহাস লিখতে গেলে বা কোনো রেফারেন্স উল্লেখ করতে গেলেই নোয়াখালীর দাঙ্গার কথা বলা হয়। কাহিনীটা কলকাতার হলওয়েল মনুমেন্ট বা সিরাজুদ্দৌলার অন্ধকূপ হত্যা কাহিনীর মতো। দাঙ্গাবাজ সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও ঐতিহাসিকরা জিন্নাহ সাহেবকে সাম্প্রদায়িক নেতা বানিয়ে ফেলেছেন।”
অবশ্য এই মিথ্যাচার তাদের কাছে নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর হামলার যেকোনো ঘটনাকে তারা অস্বীকার করে।... এরা সাংবাদিক নামের কলঙ্ক.. এই কুকুরদের সাংবাদিক বললে ভুল হবে.... এরা হলো ইসলাম আর মৌলবাদের একনিষ্ঠ দালাল।
হিন্দুরা দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালাচ্ছে
বেশ কিছু হিন্দুরা দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালাচ্ছে যে সব মুসলমানরা নাকি আই এস আই এস এর সাপোর্টার।
কিন্তু আসল কথা হল, সব মুসলমান আই এস আই এস কে সাপোর্ট করে না। কারণ
...
...
...
...
...
...
...
...
...
অনেক মুসলমান আলকায়েদা, তালিবানকেও সাপোর্ট করে।।
আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপিরাই এখন সংখ্যালঘু তাড়ানোর ভূমিকা পালন করছেন
আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপিরাই এখন সংখ্যালঘু তাড়ানোর ভূমিকা পালন করছেন : সুব্রত বিশ্বাস
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, তাদের সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ, জবরদখল এখন নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আগে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর ওপর বদনাম দেওয়া হতো। এখন দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগই সেই নামের ভূমিকায়। তারাই এখন সংখ্যালঘু তাড়ানোর প্রধান হোতা। সম্প্রতি জনাব গাফফার চৌধুরী লন্ডনে সিলেট বুরুঙ্গা বাজারে পাক বাহিনীর গণহত্যা দিবস পালনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনে সংখ্যালঘুরা দেশ ছেড়েছে। আর এখন আওয়ামী লীগের জবরদখল, অত্যাচার নির্যাতনে দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, দাবি আদায় ও প্রতিবাদের জন্য গড়ে উঠেছিল ঐক্য পরিষদ এটি এখন নপুংষক।
সম্প্রতি ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের অন্যতম অনুপবাবুর বিষয়সম্পত্তি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন দস্যু বাহরামের ন্যায় পুরো পরিবারটিকে বন্দী করে রেখে কাগজপত্র করিয়ে জবরদখল করে নিয়েছেন। অভিযোগ উঠে ব্যাপারটি প্রধানমন্ত্রী বরাবরে জানানো সত্বে কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এমনকি ভয়ে দেশে কোন পত্রপত্রিকা সাহস করে খবরটি ছাপায়নি। দেশ বিদেশে থাকা ঐক্য পরিষদ প্রতিবাদ জানালে মন্ত্রী মহোদয় ফরিদপুর ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দকে স্থানীয় দয়াময়ী হলে ডেকে নিয়ে শাসিয়ে দিয়ে নাকি বলেছেন, এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে পরিণাম ভাল হবেনা। নিজে মন্ত্রী তার ওপর প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই বলে কথা।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় আমি একটি প্রতিবেদন লিখি। তার কয়েকদিন পর জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে দেখা। আমাকে আলাদা সরিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করেন, প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই হিন্দু সম্পত্তি দখলের যে খবর বেরিয়েছে এবং আপনিও এ নিয়ে লিখেছেন, সংবাদটি আদৌ সত্যি নাকি? বলেছিলাম, সংবাদটি তো পত্রপত্রিকায় বেরিয়েছে, আমি ছাড়া আরও কেউ কেউ এ নিয়ে লিখেছেন, ঐক্য পরিষদ প্রতিবাদ জানিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো-প্রধানমন্ত্রীর অফিস কিংবা মন্ত্রীর পক্ষ থেকে এর কোন প্রতিবাদ কিংবা কোন বিজ্ঞপ্তি তো লক্ষ্য করা যায়নি। স্বাভাবিকভাবে সন্দেহের অবকাশতো থেকেই যায়। আপনিতো নিয়মিত দেশে যান খবর নিয়ে জানতে পারেন।
ইতিমধ্যে অনেক ঘটনার ধারাবাহিকতায় সংবাদ শিরোনাম হয়ে এলো আরোও একটি সরকারদলীয় এমপির জবরদখলের ঘটনা। ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তার ছেলে মাজাহারুল ইসলাম ওরফে সুজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখল, তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে। এর মধ্যে তেভাগা আন্দোলনের এক নেতার পরিবারও রয়েছে।
পত্রিকার খবর অনুসারে, এব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ও ভূক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্যে বলা হয়েছে সাংসদ দবিরুল ইসলাম তার সংসদীয় আসনের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের রনবাগ নামক স্থানে রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি চা-বাগান গড়ে তুলেছেন। ১০৬ একর আয়তনের ওই বাগানের মাঝখানে অকুল চন্দ্র সিংয়ের ২১ বিঘা জমি, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিংয়ের ২৭ বিঘা জমি, সোনারাম সিংয়ের ২৪ বিঘা, ক্ষুদনলালের ২৪ বিঘা চা-বাগানসহ ১০টি হিন্দু পরিবারের জমি রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংসদের মদতে তার ছেলে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোকে তাদের মোট ২০০ বিঘা জমি বিক্রি করে দিতে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। গত ১৯শে জুন সাংসদের ছেলের নেতৃত্বে ইসলামী টি স্টেটের তত্ত্ববধায়ক একরামুল হক এবং স্থানীয় মোহাম্মদ আলী, শওকত আলী, আশরাফুল ইসলাম, এরশাদ আলী, বাবু মিনিসহ ২৫/৩০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে তাদের ওপর আক্রমণ করা হয়। আক্রমণে আহত অকুল চন্দ্র সিং, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিং সহ আট দশজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, তাদের জমি ও বাগানের চারপাশ ঘিরে আছে সাংসদের চা-বাগান। অকুল চন্দ্রের ১ বিঘা জমি আছে করিডোর হিসেবে ভেতরে যাওয়ার। ইতিমধ্যে সাংসদ সেই এক বিঘার অর্ধেকও দখল করে নিয়েছেন। যেকোন দিন বাকী অংশ দখল হয়ে যাবে। সেকারণে সাংসদ নাকি আপোষের প্রস্তাব রেখেছেন। অর্থাৎ ভেতরে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেলে বাধ্য হবে আপোষে আসতে বাধ্য হবে। অথবা এমনিতেই এক পর্যায় দখল হয়ে য়াবে।
ঠাকুরগাঁও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বলরাম গুহ প্রথম আলোকে বলেন, জমি দখলের জন্যই হামলা হয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায় হওয়ায় ভয়ে প্রতিবাদ জানাতেও সাহস পাচ্ছেনা। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা আওয়ামী লীগকেই ভোট্ দেয়, আর ক্ষমতায় এলে ওই আওয়ামী লীগের নেতারাই তাদের সঙ্গে অন্যায় করে।
এই খবরটি প্রকাশের পর মন্ত্রী ও এমপি মহোদয়ের দ’ুটি ঘটনা এবং প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে ফেসবুকে একটি প্রতিবেদন পোস্ট করেছিলাম। তা দেখে আওয়ামী লীগ সভাপতি বেজায় ক্ষেপেছেন। এতে নাকি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। তার মানে আওয়ামী, মন্ত্রী, এমপি সংখ্যালঘুদের জায়গা জমি দখল করবে, দেশ থেকে তাড়িয়ে দেবে তারপরও সংখ্যালঘুরা কিছু বলতে পারবেনা, প্রতিবাদ করতে পারবে না। রাষ্ট্রপ্রধানেরকাছে অভিযোগ করলেও প্রতিকার পাওয়া যাবে না। এটাই এখন বাংলাদেশ আওয়ামী সরকারের ধর্মনিরপেক্ষ চেহারা। Anmmy Kumar Ray
আজ তালডাংরা ল্যাম্বস এর ভোট।।
আজ তালডাংরা ল্যাম্বস এর ভোট।।
আশা রাখছি সত্যের জয় হবে।।
এই তালডাংরা ল্যাম্বস ভোটকে কেন্দ্র করেই "এবিপি আনন্দ" টানা তিনদিন ননস্টপ খবর সম্প্রচার করেছিলো।।
আজ ভোট এবং আজই রেজাল্ট।।
যদিও তৃণমূল এবং সিপিএম প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে মোট আসন ৪৪।।
রাজ্য রাজনীতির চোখ আজ তালডাংরা ল্যাম্বস ভোটের দিকে।।
সিপিএম এর রাজ্য নেতারা মিডিয়া তে অনেক প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তালডাংরা ল্যাম্বস ভোট নিয়ে।।
দীর্ঘদিন সিপিএমের দখলে বাঁকুড়ার তালডাংরা ল্যাম্বস।।
দেখা যাক কার দখলে থাকে তালডাংরা ল্যাম্বস।। subhodip khan
Ex-Muslim: My parents don't want me 'to burn in hell'
http://www.bbc.co.uk/newsbeat/article/33005214/ex-muslim-my-parents-dont-want-me-to-burn-in-hell
Subscribe to:
Posts (Atom)