http://www.newstatesman.com/religion/2013/05/confessions-ex-muslim
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 10 August 2015
মঙ্গলে বসতি গড়তে ইচ্ছুক ৭৮ হাজার মানুষ
http://m.dhakatimes.com.bd/2013/05/11/7116/78-thousand-people-want-to-live-in-mars-colony/
আমাদের চারটি যুগ রয়েছে
আমাদের চারটি যুগ রয়েছে যথাঃ-
সত্যযুগ, ত্রেতাযুগ, দ্বাপরযুগ ও কলিযুগ।
বর্তমান সময় কলিযুগের অর্ন্তভুক্ত ।
প্রত্যেক যুগে ভগবানকে সন্তুষ্টি
বিধানের জন্য আলাদা ভাবে
ধর্মানুষ্ঠান করা হত। এ সম্ভন্ধে
শ্রীমদ্ভাগবতের (১২/৩/৫২ শ্লোকে)
শুকদেব গোস্বামী পরিক্ষিত
মহারাজকে বলেন -
“ কৃতে যদ্ধ্যায়তো বিষ্ণুং ত্রেতায়াং
ঘজতো মখৈঃ।
দ্বাপরে পরিচর্যায়াং কলৌ
তদ্ধরিকীর্তনাৎ ।। ”
অথাৎ, সত্যযুগে বিষ্ণুকে ধ্যান করে,
ত্রেতাযুগে যজ্ঞের মাধ্যমে যজন করে
এবং দ্বাপর যুগে অর্চন আদি করে যে ফল
লাভ হত, কলিযুগে কেবলমাত্র “ হরেকৃষ্ণ
মহামন্ত্র” কীর্তনে সেই সকল ফল লাভ হয়।
অথাৎ, সত্যযুগে যুগধর্ম ছিল ভগবান বিষ্ণুর
ধ্যান করা। ধ্যানের মাধ্যমে ভগবানের
সন্তুষ্টি বিধানের প্রয়াস করা হত।
বৈদিক শাস্ত্রমতে ধর্মের চারটি স্তম্ভ
যথাঃ- সত্য, দয়া, তপ ও শৌচ।
সত্যযুুগে এই চারটি স্তম্ভই বর্তমান ছিল।
তখন চারভাগ ধর্ম ছিল এবং মানুষের
আয়ুষ্কাল ছিল ১ (এক) লক্ষ বছর। ভগবানকে
সন্তুষ্টি করার জন্য হাজার হাজার বছর
ধ্যান (তপস্যা) করা হত। ভগবানকে লাভ
করা খুবই কষ্ঠসাধ্য ছিল।
ত্রেতাযুগে যুগধর্ম ছিল যজ্ঞের
মাধ্যমে ভগবানের সন্তুষ্টি বিধান
করা। বিভিন্ন রকমের উপাদান যজ্ঞের
অগ্নিতে আহুতির মাধ্যমে ভগবানকে
আহবান করা হত। যজ্ঞে বিভিন্ন প্রকার
বৈদিক মন্ত্র উচ্চারিত হত। এই যুগে তিন
ভাগ ধর্ম এবং এক ভাগ অধর্ম ছিল।
মানুষের আয়ু ছিল ১০ (দশ) হাজার বছর।
দ্বাপর যুগে যুগধর্ম ছিল অর্চন। এ যুগে দুই
ভাগ ধর্ম ও দুই ভাগ অধর্ম ছিল। মানুষের
আয়ুস্কাল ছিল ১ (এক) হাজার বছর। মানুষ
অর্চনের মাধ্যমে ভগবানকে সন্তুষ্ট করার
জন্য চেষ্টা করত।
কলিযুগের যুগধর্ম হচ্ছে নাম সংকীর্তন
করা। কলিযুগে তিন ভাগ অধর্ম এবং এক
ভাগ ধর্ম। মানুষ অল্প আয়ূ, অল্প মেধা,কলহ
প্রিয়, এবং অধার্মিক। কিন্তু কলি যুগে
সবচেয়ে বড় আশীবাদ হল খুব অল্পতেই
হরিনাম সংকীর্তন করার মাধ্যমে
ভগবানকে লাভ করতে পারা যায়।
চৈতন্যচরিত্রামৃতে বর্ণনা হয়েছে -
“ কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ অবতার।
নাম হৈতে হয় সর্বজগৎ নিস্তার ।।”
এই কলিযুগে ভগবানের দিব্যনাম “ হরে
কৃষ্ণ মহামন্ত্র ” হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের অবতার।
কেবলমাত্র এই দিব্যনাম গ্রহন করার
ফলে, যে কোন মানুষ সরাসরিভাবে
ভগবানের সঙ্গ লাভ করতে পারেন।
যিনি তা করেন তিনি অবশ্যই জড় জগত
থেকে উদ্ধার লাভ করেন। এই নামের
প্রভাবেই কেবল সমস্ত জগৎ নিস্তার
পেতে পারে।
অন্যান্য যুগে অনেক বছর সাধনার ফলে
যা লাভ হতো না, কলিযুগে শুধুমাত্র
নিরন্তন হরিনামের মাধ্যমে তা অতি
সহজেই লাভ হয়।
বাক স্বাধীনতাটা কি শুধু মুসলিমদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য??
বাক স্বাধীনতাটা কি শুধু মুসলিমদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য?? মুসলিম চিত্র শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেন ভারতবর্ষে বাস করে রাধা কৃষ্ণের যৌনমিলনের নগ্ন ছবি এঁকেছিলেন । এই বিতর্কিত ছবির উপর আদালত রায় দিয়েছিল যে, মকবুল ফিদা হুসেন তার বাক স্বাধীনতা ব্যাক্ত করেছেন । অপরদিকে চেন্নাইয়ের এক চিত্র শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেনের চিত্র আঁকলে সেই শিল্পীকে জেলবন্দি করা হয় । আজকে ভারতবর্ষের বুকে মুসলিমরা অনায়াসে পাকিস্তানের পতাকা উড়াতে পারবে কিন্তু কোনো হিন্দু পাকিস্তানের পতাকা ভারতের মাটিতে পোড়ালে সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানোর জন্য গ্রেফতার করা হবে ।
নাস্তিক্যবাদীদের পক্ষে দলবদ্ধ হওয়া সম্ভব নয়
নাস্তিক্য বাদ ? ... একেশ্বর বাদ? .. নাকি মুক্তির আনন্দ লুকিয়ে আস্তিক্য বাদে?
নাস্তিক্যবাদীদের পক্ষে দলবদ্ধ হওয়া সম্ভব নয় কারন নাস্তিক্যবাদের মুলে রয়েছে যুক্তি এবং মুক্ত চিন্তা যা ব্যক্তির একান্ত নিজস্ব। এরফলে যুক্তিবাদীরা ক্রমাগত নির্যাতিত হচ্ছেন। পক্ষান্তরে ইশ্বরবাদীদের পক্ষে দল গড়া সম্ভব হয়। একেশ্বরবাদী দর্শন দ্বারা একটি্ রেজিমেন্ট গড়ে তোলা যায় বা তোলা হয়েছে বারবার। এক বিশ্বাস এক ধারনা মানুষকে এক করতে সক্ষম যদিও এর বিনিময়ে সকল স্বাধীন চিন্তার পথ রুদ্ধ করে দিতে হয়। আমরা একতা যদি চাই তবে একেশ্বরবাদ মোক্ষম অস্ত্র কিন্তু যদি চাই মানুষের চিন্তাধারার বিকাশ তবে তার পথ ঠিক উলটো।
পশ্চিম বিশ্বের অধিকাংশ দার্শনিকেরা মনে করেন একেশ্বরবাদ মানুষের অকল্যাণের কারন হয়ে দাড়িয়েছে। ফ্যাসিবাদের চেয়েও মারাত্মক এই একেশ্বরবাদ। একেশ্বর বাদী দর্শনের ভয়াবহ ফল বিশ্ব দুহাজার বছর ধরে দেখেছে। উগ্র ধর্মযুদ্ধ থেকে সকল প্রকার অমানবিক অত্যাচার একেশ্বরবাদের জন্মলগ্ন থেকেই দেখা গেছে।
প্রাচীন সভ্যতায় একেশ্বরবাদ ছিলনা- মেসোপটি্যমা, মিশরীয় সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতা, বৈদিক সভ্যতা, পরবর্তীতে পারস্য সভ্যতা থেকে রোমান সভ্যতা গ্রীক সভ্যতা কোথাও একেশ্বরবাদ ছিলনা ফলে সভ্যতার ভীত রচিত হয়েছিল এবং মানুষ দ্রুত এগিয়ে গিয়েছিল বিজ্ঞান সহ সকল ক্ষেত্রে।
নাস্তিক্যবাদের বদলে আমাদেরকে সম্ভবত আবার প্রাচীন পথেই ফিরতে হবে। ইউরোপের রেনেসাস পুরানোকে দিয়েই সম্ভব হয়েছিল আমাদেরকেও তাই করতে হবে। আমাদের অবস্থান নিতে হবে বহুইশ্বরবাদে-অর্থাত যে যার ইচ্ছামত ইশ্বরকে আরাধনা করবে এবং ডাকবে অথবা ডাকবেনা।
ভারতের অদ্যাবধি যে মুল ধর্মীয় ধারা যাকে একটা আম্ব্রেলা টার্মের অধীনে হিন্দু বলা হচ্ছে তা কোনক্রমেই একেশ্বরবাদী ছিলনা যদি তাকে সেমিটিক ধর্মের একেশ্বরের সাথে তুলনা করা যায়।
কোন ব্যক্তি ইশ্বর সর্বময় ক্ষমতার অধীকারী বলে হিন্দুরা মানেনা। ফলে ইশ্বরকে নানা রূপে কল্পনা করাই এর বিশেষত্ব। স্বামী বিবেকানন্দ হিন্দু ধর্মকে একেশ্বরবাদী বলেননি। এটা সেই গন্ডির বাইরে এবং আত্মা এবং পুরূষ এই দুইকে ঘিরেই মুলত হিন্দু বেদান্ত ধর্ম। ইশ্বর সেখানে গৌন। বৌদ্ধ ধর্ম এবং জৈন ধর্মে ইশ্বরের অবস্থান আদৌ নেই বলাই সংগত। বলার অপেক্ষা রাখেনা বৌদ্ধ, জৈন হিন্দু ধর্ম গুলি মুলত বৈদিক যুগের শেষে প্রায় একই সময়ে আবির্ভুত হতে থাকে এবং এদের দর্শনের মধ্যে প্রভুত সামঞ্জস্য লক্ষনীয়। সেই দর্শনকে ফিরিয়ে এনেই হয়ত বর্তমান বিক্ষুন্ধ ধর্মমতের সমস্যার সমাধান খুজতে হবে। একেশ্বরবাদী ধারনা ত্যাগ করতে হবে কারন মানুষের মিলনের জন্য সকলের মতকে মর্যাদা দেবার ক্ষমতা বহুইশ্বরবাদ অথবা অনির্দিষ্ট ইশ্বরের ধারনাতেই সম্ভব এবং ভারতীয় নানা ধর্মের অন্তর্নিহিত সেই তত্বকে আবার সামনে নিয়ে আসতে হবে।
কৃতজ্ঞতাঃ শ্রী সমীরণ ভট্টাচার্য .....
মানিকগঞ্জে ২০ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার | bdtoday24
http://bdtoday24.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a7%a8%e0%a7%a6-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ae/
শোন শোন শোন মজার কথা ভাই... .. এবার কোথা যাই
গতকাল ....
"শোন শোন শোন মজার কথা ভাই... .. এবার কোথা যাই"! - শীর্ষক পোষ্টটিতে আমি যা বোঝাতে চেয়েছি, অনেকেই মনে হয় সেটা বুঝতে পারেন নি। ... ব্যর্থতা অবশ্যই আমার নিজের।
এর মাধ্যমে আমি এটাই বলতে চেয়েছি, যে এই ধরনের "পর্ণ সাইট" লাভ জেহাদের ঘটনাগুলিকে ত্বরান্বিত করছে। অতিচালাক হিন্দু মেয়েগুলির অবচেতন মনে মুসলমান ছেলেদের প্রতি এক অন্ধ দুর্বলতা তৈরি করছে, ... যা অন্যায়। ভারতীয় সংবিধানের পরিপন্থী ... তথা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অনতিবিলম্বে সমাজের সর্বস্তরে এর প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ। এই মুহূর্তে এই ধরনের সাইট বন্ধ করার পাশাপাশি এই ধরনের পর্ণ সাইটে যৌন জেহাদের সম্প্রচারকারী সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টান্তমূলক কঠোর সাজার দাবী জানাই ...
বিস্তারিত জানতে, আরও একবার পোস্টটিতে চোখ বুলিয়ে নিন ...
https://www.facebook.com/photo.php?fbid=129529827388133&set=a.100556160285500.1073741828.100009933480528&type=1
Subscribe to:
Posts (Atom)