Tuesday, 11 August 2015

মুসলিম লিগ কেন প্রতিষ্ঠা হয়েছিল?এর লক্ষ্য কী ছিল?

■■মুসলিম লিগ কেন প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ?এর লক্ষ্য কী ছিল ? ♤পটভূমি•••••••••••••••••••••••••• মুসলিম শাসন থেকে ভারতবাসীরা মুক্ত না হতে হতেই ব্রিটিশ শাসনের অধীন হয় ভারত।ঊনিশ শতকে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সৈজন্যে পাশ্চাত্য শিক্ষা ভারতীয়দের বোধগম্য হয়।হিন্দুরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় উদ্যোগী হলেও মুসলিম সমাজ ইসলামিক রীতিনীতি কে বেশী গুরুত্ব দিত।ফলস্বরুপ জাতিগত এবং সামাজিকগত দিক থেকে বিকাশ ঘটে হিন্দুদের।আর এতেই জন্ম নেয় মুসলিম সাম্প্রদায়ীকতার।পাশ্চাত্য শিক্ষার জাগরণের জন্য মুসলিমরা হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ ভাব পোষণ করে বলে মুসলিমরা আলাদা জাতি তাই তাদের সবকিছু আলাদা থাকা দরকার। ♧♧প্রতিষ্ঠা•••••••••••••••••••••1857 সালের মহাবিদ্রোহ প্রমান করেছিল মুসলিমরা ব্রিটিশ অনুগামী।পৈশাচিকব্রিটিশ সৈনদের বিরুদ্ধে লড়াই এর সামর্থ্য তাদের ছিল না। স্যার সৈয়দ আহমদ এবং তাঁর মতো অন্যান্য মুসলমান নেতারাও বিশ্বাস করতেন যে, একটি পশ্চাৎপদ জাতি হিসেবে মুসলমানগণ ব্রিটিশদের প্রতি বিরোধিতার পরিবর্তে আনুগত্যের মাধ্যমেই অধিকতর সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে। মুসলিম নেতৃবৃন্দ মুসলমান সম্প্রদায়ের শিক্ষাসংক্রান্তসমস্যাসমূহ আলোচনা এবং সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রচার করার জন্য বছরে একবার অনানুষ্ঠানিকভাবে সভায় মিলিত হতো। কংগ্রেসের পৃষ্ঠপোষকতায় বঙ্গভঙ্গের (১৯০৫) বিরুদ্ধে পরিচালিত বিক্ষোভ এবং স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এমনি এক সভা (সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন) ১৯০৬ সালে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গভঙ্গের গোঁড়াসমর্থক ঢাকার নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ কংগ্রেস সমর্থকদের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী বিক্ষোভ মোকাবিলা করার জন্য একটি রাজনৈতিক দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম লিগ। ♢♧লক্ষ্য•••••••••••••••••••••••••• 1} মুসলিমদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন থেকে দূরে রাখা। 2}বাংলা ভাগের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম অধিকার প্রতিষ্ঠা করানো। 3}মুসলিমদের হিন্দু বিদ্বেষ সৃষ্টি করে জাতীয় কংগ্রেস থেকে দূরে রেখে মুসলিম জাতিকে একত্রিত করা। 4} মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা। 5} ব্রিটিশ সরকারের প্রতি মুসলমানদের আনুগত্য বৃদ্ধি করা। ■■রাজনৈতিক পরিনাম••••••••••••••••• ১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হওয়ার পর প্রায় এক বছর মুসলিম লীগ নিষ্ক্রিয় ছিল। কিন্তু কয়েক বৎসরের মধ্যে মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় থেকে আসা এবং র্যাডিক্যাল চিন্তাধারার তরুণ প্রজন্মের মুসলমানগণ মুসলিম লীগের রাজনীতিতে এগিয়ে আসেন। তারা ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসকদের বিরোধিতা তো করেনই, অধিকন্তু ভারতে মুসলিমদের নিয়ন্ত্রিত সরকার প্রতিষ্ঠারও দাবি করেন। ১৯১০-এর দশকে মুসলিম লীগ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের আদলে একটি নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ গ্রহণ করে।1924 খ্রিষ্টাব্দে মহম্মদ আলি জিন্না র সভাপতিত্বে লাহোরে মুসলিম লিগের অধিবেশন বসে।এখানে তিনি গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের তীব্র বিরোধীতা করেন এবং মুসলিম দের জন্য পৃথক নির্বাচনমন্ডলীরব্যবস্থাকে সমর্থন করেন। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে বাংলায় মুসলিম লীগ বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করে। মুসলিম লীগ আইন সভায় কংগ্রেসের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। ■■মুসলিম লিগের আলাদা রাষ্ট্রের দাবী••••••••••••••••• 1930 খ্রীষ্টাব্দে ডিসেম্বর মাসে মুসলিম লীগের এলাহাবাদ অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে বিখ্যাত কবি মহম্মদ ইকবাল ভারতের উত্তর- পশ্চিম অঞ্চলে পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের দাবি উত্থাপন করেন।তিনি বলেন যে হিন্দু মুসলমান দুটি পৃথক জাতি,ভিন্ন সম্প্রদায় ও ভিন্ন সংস্কৃতি। ভারতের জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান "সারে জাহা সে আচ্ছা ইয়ে ইন্দুস্তান হামারা" গানটি রচয়িতা তিনিই।ইকবাল ব্রিটিশ ঐতিহাসিক এডওয়ার্ড টমসনকে বলেছিলেন-পাকিস্তান পরিকল্পনা ব্রিটিশ সরকার এবং হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায় সবার পক্ষেই ক্ষতিকারক হবে। ■■পাকিস্তান নামের জন্ম•••••••••••১৯৩৩ সালের ২৮ জানুয়ারি রহমৎ আলি “Now or Never; Are We to Live or Perish Forever?” পুস্তিকায় প্রকাশ করেন পাকিস্তান শব্দটি। পাকস্তান শব্দটি ভারতের উত্তরের পাঁচটি রাজ্যকে পাঞ্জাব (P), আফগান প্রদেশ উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ (A), কাশ্মীর (K), সিন্ধু (S) ও বেলুচিস্তান (Tan) কে নির্দেশ করে। তিনি বলেন---"হিন্দুদের থেকে মৌলিকভাবে পৃথক আমাদের ধর্ম,সংস্কৃতি,ইতিহাস,ঐতিহ্য,সাহিত্য,অর্থনৈতিকব্যবস্থা,উওরাধিকার আইন ও বিবাহ পদ্ধতি।এই পার্থক্য কেবলমাএ বড় বড় ক্ষেত্রেই নয়,তা ছোটখাটো ক্ষেত্রেও দেখা যায়।আমাদের হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে পান ভোজন বা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া নিষিদ্ধ।আমাদের জাতীয় রীতি-নীতি,পঞ্জিকা---------এমনকী খাদ্যাখাদ্য ও বেশভূষাতেও পার্থক্য দেখা যায়"।সৃষ্টি হয় পাকিস্তান ভিত্তি। ■■লাহোর প্রস্তাব•••••••••••••••••••••1940 খ্রীষ্টাব্দে জিন্না ও মুসলিম লিগ দ্বি জাতি তত্বের ভিত্তিতে ভারতকে ভেঙে টুকরো করার পরিকল্পনা করা হয় মুসলিমদের আলাদা রাষ্ট্রের দাবী করে।1940 খ্রীষ্টাব্দে 20 শে মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠীত মুসলিম লিগ অধিবেশনে বাংলার প্রধানমন্ত্রী ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপিত করেন।তিনি বলেন ভারতে হিন্দু- মুসলিম দুটি জাতি আছে-----দুটি সম্প্রদায় নয়।ভারতকে ভাগ করার জোরালো দাবী করেন জিন্না।কংগ্রেসের ক্ষমতাকে তিনি "হিন্দু রাজ" বলেন। ■■লীগের প্রতক্ষ্য সংগ্রাম দিবস•••••••••••••••1946 এ মন্ত্রীমিশনের পরিকল্পনায় জিন্নার পাকিস্তান গঠনের স্বপ্ন পূরণ হবার লক্ষন দেখা যায়।কংগ্রেস এই সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে মন্ত্রীসভা গঠন করলে মুসলিম লিগ 16ই আগস্ট প্রত্যক্ষ সংগ্রামের ডাক দেয়।এই সংগ্রামের লক্ষই ছিল হিন্দু নিধন ও উচ্ছেদ।বাংলায় হোসেন সুরাবর্দী পরিচালিত মুসলিম লীগ সরকার ও গুন্ডাদের সহযোগীতায় 16ই আগস্ট থেকে তিনদিন ব্যপক কলকাতার ব্যপক দাঙ্গা,লুণ্ঠন,ধর্ষণ ও বিভৎস হত্যাকাণ্ড চলে।পুলিশ প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নিস্ক্রীয় করে রাখা হয়।ব্রিটিশ ঐতিহাসিক লিওনার্দো মসলী লিখেছেন-----16,17,18 আগস্ট এই তিনদিনে কলকাতায় 6000 লোক ছোরা,বন্দুক,লাঠী বা অগ্নীদাহে নিহত এবং 20000 নারী ধর্ষীত ও বিকলাঙ্গ হয়।

সন্ত্রাস কী ?এরা কেন শুধু আমাদের হিন্দুস্থান কে ক্ষতি করতে চায় ?

♢♢■■■■সন্ত্রাস কী ?এরা কেন শুধু আমাদের হিন্দুস্থান কে ক্ষতি করতে চায় ? আমাদের জানতেই হবে। ☆স্বাধীনতার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় শক্তিশালী দেশ হয়েছে।অপরদিকে যারা ধর্মের নামে ভারতভূমিকে ভাগ করেছিল তারা পরিচিতি লাভ করেছে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ।বলাবাহুল্য 99•99% সন্ত্রাসবাদী মুসলিম তথা ইসলামি।সন্ত্রাসের অর্থ ভয়।সন্ত্রাসবাদীরা মূলত ভারতকে জোর পূর্বক ইসলামিক রাষ্ট্র করতে চায়।যা তারা পারেনি আর পারবেও না। এই সন্ত্রাস সাধারণত ভারতের নীরিহ জনগণকে হত্যা করে ইসলামি বীরত্ব ফলানো হয়।আমাদের পাড়শী শান্তিবাদী সহিংস রাষ্ট্র দুই পাকিস্থান আজ অব্দি ভারতে প্রায় 300 এর বেশী সন্ত্রাসবাদী আক্রমন করেছে।যদিও তথাকতিত মুসলিম প্রেমী রাজনীতিক রা তেমন কোন দরদ দেখায় না ঐ হামলায় মৃত ব্যক্তিদের বা জাওয়ানদের প্রতি।যতটা কোন সন্ত্রাসবাদীর ফাঁসি হলে দেখায়। যাই হোক সন্ত্রাসবাদ মূলত তিনটি উপায়ে চালানো হয়। ●●1}অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস••••••••••• কিছু ধর্মপন্থী গোষ্ঠী ও মাঝে মাঝে এমন সন্ত্রাস করে। যেমন লস্কর তৈবা ও পাক মদতে খলিস্তানী আন্দোলন।আবার কোন কোন রাজনৈতিক দল যেমন 1946 এ মুসলিম লিগের প্রত্যক্ষ সংগ্রাম হিন্দু হত্যার দ্বারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করা। ●●2}বহিরাগত সন্ত্রাস••••••••••••••এই সন্ত্রাসে সাধারণত ব্যপক প্রাণহাণী ঘটে।দেশীয় ও বহিরাগত ধর্মপন্থীরা এক জোট হয়ে বা আলাদা হয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে।উদাহরণ ভারতীয় কিছু মুসলিম এর জন্য মুম্বই হামলা 1993। পাকিস্তান জঙ্গীদের দ্বারা ঘটিত 26/11~~ 2008 এ মুম্বই আক্রমনের ঘটনা। ●●3}সোশাল সাইটে সন্ত্রাস•••••••••••••••• এটি সবথেকে আধুনিক সন্ত্রাস ও বেশ ভয়াবহ।পর্ণো গল্প ও ভিডিও দেখিয়ে ভারতীয় যুব সমাজকে বেপথে ঠেলে দেওয়া হয় এই সন্ত্রাসে।যদিও Porn flim খোজায় প্রথম 8 টি দেশের মধ্যে 6 টি মুসলিম।আবার মুসলিম সমাজকে ইসলামের আদর্শে দেশদ্রোহী মূলক কাজকর্মের প্রতি উৎসাহ দান করা হয় এই সন্ত্রাসে। ■■ব্রিটিশ শাসনকালে বিবেকানন্দ,বঙ্কিমচন্দ্র,ঈশ্বরচন্দ্র,রবীন্দ্রনাথ,নেতাজী দের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের দৌলতে ভারতীয় তরুণ প্রজন্ম দেশের প্রতি ভালোবাসা কোন অংশে কম ছিল না।তাই সন্ত্রাসবাদীরা টার্গেট করে মন কে ।হিন্দু ধর্মে নারীদের প্রতি সম্মান ছিল অন্য ধর্মের চেয়ে শতগুন বেশী।এই সম্মান ও সম্ভ্রম কে হত্যা করার জন্যই সন্ত্রাসবাদীরা ভারতীয় সিমকার্ড থেকে পক্সি এডড্রেস ব্যবহার করে কামমূলক গল্প ও ভিডিও প্রচার করে।ফলে অশিক্ষিত দের কাছে জনপ্রিয় ঘটে এই সব ভিডিও এর। ক্রমে তা শিক্ষিত দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।এ সম্পর্কে ইন্টারনেটে 1000 এর বেশী ওয়েবসাইট পাবেন।অপরদিকে মুসলিম যুব সম্প্রদায় কে অক্কা, 70 হুরা র লোভ দেখিয়ে ইসলামিক রাষ্ট্র সৃষ্টিতে যোগদানের প্রলোভন দেখানো হয়।অনেক ইসলামিক পেজে হিন্দু মেয়ে দের ফাঁদে ফেলাবার কৌশল শেখানো হয় ।এখানেই জঙ্গীরা সৃষ্টি করে লাভ ও সেক্স জেহাদের।আর এতেই ভুল পথে চালিত হয়ে অনেকে কুসঙ্গে জড়িয়ে জীবন নষ্ট করে ফেলে।শুধু বাংলাদেশে বিভিন্ন ইসলামিক গোষ্ঠী মা ও ছেলের, ভাই ও বোন এসম্পর্কে কামমূলক গল্প লেখে।যা সত্যিই বেশ লজ্জাজনক ও অপমানকর।এবং এসব প্রচারের জন্য ফেসবুককে বেছে নেয়। ■■■♤♤বর্তমানে মোদীর নেতৃত্বে ভারত সরকার 800 এর বেশী কামমূলক সাইট যা সন্ত্রাসবাদীরা নিয়ন্ত্রন করত তা মুছে ফেলা হয়েছে।নমঃ মোদী।শনিবার দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্যের ডিজিপি ও স্বরাষ্ট্রসচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব।ছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা এজেন্সিগুলির প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, কয়েকটি রাজ্যে যুব সমাজের মধ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদীমনোভাব দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিসোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে যুবকদের বিপথে চালিত করছে, তা রুখতে নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি, যুব সম্প্রদায় যাতে বিপথে না চালিত হয়, তার জন্য যুবকদের বিশেষভাবে কাউন্সেলিং করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। ■■♧♧বন্ধ হোক ভারতে ইসলামি সন্ত্রাস। ইসলামিক এই পেজগুলোর প্রকৃত ভূমি কিন্তু বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।তাই বিশেষ করে মেয়েরা সতর্ক থাকুন।যে সমস্ত বাংলাদেশী পেজে ইসলাম প্রচার করা হয় জোকস বা অন্য বিষয় সম্বন্ধীয় নাম করে। এরকম পেজে লাইক দেখলেই সাথে সাথে আনলাইক করুন।এরকম পেজ হলেই জেনে নেবেন ভুল বুঝিয়ে আপনাদের ইসলামিক পথে নিয়ে যাওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে।সতর্ক থাকুন জঙ্গীদের পেজ থেকে সুরক্ষিত রাখুন দেশকে। ●●●●আর অবশ্যই মেয়ে ও ছেলেরা; ভারতের ধর্ম ও সংস্কৃতি সম্পর্কে কোন ইসলামিক পাকিস্তান ও বাংলাদেশী পেজে ভুল প্রচারিত হলে ঐ সব প্রচারিত সাইট টির লিঙ্কসহ ট্যাগ লিখুন আপনার ওয়ালে। সুফল মিলবেই। ‪#OperationChakravyuh‬ ‪#SupportChakravyuh‬ ‪#LoveIndia‬ ‪#LoveArmy‬ https://m.facebook.com/731796296942953/photos/a.731813233607926.1073741827.731796296942953/749087071880542/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C5417577161

ইয়াকুবের ফাঁসি নিয়ে অনেক কালি খরচ হচ্ছে মিডিয়া তে।একটু জেনে নিই ভারতে ফাঁসির সম্পর্কে

■■ইয়াকুবের ফাঁসি নিয়ে অনেক কালি খরচ হচ্ছে মিডিয়া তে।একটু জেনে নিই ভারতে ফাঁসির সম্পর্কে•••••••••••••••••••• ■■ঘটনা•••••••••••••••••••• ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় 30 শে জুলাই সকালে ইয়াকুবের ফাঁসি র দন্ড দেয় মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম দোষী হিসাবে।1993 মুম্বই বিস্ফোরণে প্রায় 300 এর বেশী মানুষ মারা যায় এবং অনেকের দেহ ছিন্নবিন্ন হয়ে যায়।তদন্তে দাউদ ইব্রাহিম,আই এস আই, ছোটা সাকিল ও ইয়াকুব মেমন এর যোগসাজিশ প্রমানিত হয়। ■■প্রতিক্রিয়া••••••••••••ফাঁসির পর ভারতে কিছু কংগ্রেসী নেতা,সমাজবাদী নেতা,ফ্লিমস্টারথেকে শুরু করে উগ্র সাম্প্রদায়িক মুসলিম নেতা সুপ্রিম কোর্টের রায়কে তুচ্ছ করে।তাদের মূল যুক্তি ছিল ইয়াকুব মুসলিম বলে ফাঁসি হয়েছে।জন্ম লগ্ন থেকে জেনে আসা আমার মহান ভারতের শিক্ষা-সংস্কৃতি-আইন কী এতই ছোট হতে পারে কিছু সুবিধাবাদী রাজনৈতিক বিবেকহীন চক্রান্তকারী দের কাছে ? এবার যারা ভারতের সংবিধান কে ছোট করেছেন তারা এই তথ্যটা একটু জানুন। ■■●●সত্যতা••••••••••••••••সুপ্রিম কোর্টে বিচারালয় এ থাকে অশোক স্তম্ভ, যার নীচে লেখা থাকে "সত্যমেব জয়তে"।অর্থাৎ সত্যের জয় সর্বত্র। National Law University (NLU), Delhi এর তথ্যানুসারে ভারত স্বাধীন হবার পর এখনও অব্দি 1,414 জনের ফাঁসি হয়েছে।এর মধ্যে মাএ 72 জন মুসলিম।অর্থাৎ শতকরা 5% এর কম।তাহলে মুসলিমদের দাবী মত শুধু মুসলিম বলেই সরকার ফাঁসি দিয়েছে এ তথ্য শুধু কেন্দ্রীয় তথা ভারত সরকার তথা সুপ্রিম কোর্টের বিচার কে ছোট করে ভারতের সংবিধানের অপমান করা।একজন অর্দশ নাগরিকের কাছে কখনও দেশের সংবিধানের অপমান বাঞ্ছনীয় নয়। ■■দাঙ্গার উসকানি•••••••••••••••••অনেক মুসলিম গোষ্ঠি হিন্দুদের সাথে দাঙ্গা লাগার জন্য উস্কানিমূলক কথা বলেছে।সোশাল সাইটে মুসলিমদের লড়াই করার জন্য উস্কানো হচ্ছে পার্শবর্তী দেশ থেকে।2002 এ প্রধানমন্ত্রী পদে মান্যবর শ্রী অটলবিহারী বাজপায়ী যখন বিজেপি র প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন ভারত যখন বিশ্বসেরা হবার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছিল তখন এভাবে দাঙ্গা লাগানো হয়েছিল।ক্ষতি মুসলিমদের হয়েছিল বেশী।কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি আলাদা হিন্দুদের মধ্যে যেভাবে জাগরণ ঘটেছে তাতে আরও ভয়াবহ দিন আসবে ঐসব মুসলীম গোষ্ঠী গুলোর দাঙ্গা হলে।এই মুসলিম গোষ্ঠী গুলো কারণে অকারণে সাম্প্রদায়িকতারবিষ ছড়াচ্ছে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই।মুসলিমরা ফাঁসির প্রতিবাদে ভারতের তেরঙ্গা জ্বালিয়েছে।বলা বাহুল্য একজন হিন্দু কখনই তেরাঙ্গা পুরায় না।মুসলিমরা সবথেকে সুখি পশ্চিমবঙ্গতে কিন্তু এখানেও তারা সাম্প্রদায়িকতা ছড়াচ্ছে।ভারত বিশ্বের একমাএ দেশ যেখানে মুসলিমরা সংখ্যালঘু হয়ে সুযোগ সুবিধা পায়।কিন্তু এতেও এরা সুখী নয়। এথেকে মনে পড়ে গোখলের কথা---বাঙালী (পশ্চিমবঙ্গবাসী)রা আজ যা ভাবে সারা ভারত তা ভাববে কাল।ঊনিশ শতকে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে মুসলিম সমাজের এই উচ্চমানের গুণ গুলি উপলব্ধি করেই ঈশ্বরচন্দ্র,বঙ্কিমচন্দ্র রা মুসলিমদের ব্যাপারে আগ্রহী ছিল না।বাঙালী জাগরণের তৎকালীন চিন্তাধারা সঠিক ছিল এখন প্রমানিত। মুসলিমদের কাছে মানবিকতা নয় ধর্ম আগে। ■■■■●●মানবিকতা বিচারে•••••••••••••••আমার মত সেও মানুষ এই ধারণা থেকেই মানবিকতার জন্ম হয়।ইয়াকুবের মধ্যে মানবতার ছিটেফোটা ছিল না।থাকলে পাকিস্তানের সাথে হাত মিলিয়ে প্রায় তিনশো শিশু-মহিলা-পুরুষ কে হত্যা করত না।কালাম মারা গেলে এরা শোকপ্রকাশ করে না কারন কালাম হিন্দুস্থানী রত্ন।কিন্তু ইয়াকুব মরলে করে এটা ভুলে গিয়ে মানবিকতা এক তরফ থেকে হয় না।ইয়াকুব মরলে রাজনীতি করেন, কিন্তু কখনও খবর নিয়েছেন কী ঐ বিস্ফোরণে মৃত মুসলিম পরিবারগুলো কেমন আছে ? পারছেন কী ঐ বিস্ফোরনে মৃত পরিবার গুলোর স্বজন হারাবার কষ্ট কে বুঝতে ?আপনারা দাঙ্গা চাইলেও ঐ পরিবারগুলো কিন্তু বাঁচতে চাই কারণ স্বজন হারাবার কষ্ট ওরাই জানে।আপনাদের মত শিয়ালপন্ডিত রাজনীতিক বা মৌলবাদীরা নয় । ■■■■■■■ ■■ফাঁসির তালিকা•••••••••••••••••••••••• ☆অন্ধপ্রদেশ------27জন ফাঁসি।শুধু 2 জন মুসলিম ☆কর্ণাটক-------39 জনের ফাঁসি।শুধু 3 জন মুসলিম। ☆পশ্চিমবঙ্গ------32 জনের ফাঁসি।এর মধ্যে 7জন মুসলিম। ☆উওরপ্রদেশ-------366 জনের ফাঁসি। 45 জন মুসলিম এর মধ্যে। ☆রাজস্থান-------8 জনের ফাঁসি।কোন মুসলিম নেই । ☆ওড়িষ্যা-------5 জনের ফাঁসি । কোন মুসলিম নেই। ☆জন্মু ও কাশ্মীর------- -5 জনের ফাঁসি । কোন মুসলিম নেই। ☆হরিয়াণা-------103 জনের ফাঁসি ।মাএ 1 জন মুসলিম। ☆দিল্লী---------25জনের ফাঁসি । 4 জন মুসলিম । ☆পাঞ্জাব------ 10 জনের ফাঁসি । কোন মুসলিম নেই। ☆মহারাষ্ট্র------ 56 জনের ফাঁসি । 5জন মুসলিম । ☆মধ্যপ্রদেশ------- 78 জনের ফাঁসি । 5 জন মুসলিম । ☆গোয়া----------1 জনের ফাঁসি।মুসলিম শূন্য। ●●তাহলে এটা প্রমানিত ভারত রাষ্ট্র কখনই ধর্ম দেখে বিচার করে না।আর মুসলিম দের খুশি কখনও কেউ করতে পারবে না।কারন ইসলামিক দেশগুলো তে দেখেছি মুসলিমরা নিজেদের মধ্যে মারপিট করে।আর মুসলিমদের ভারত রাষ্ট্র সম্পর্কে অপমান নতুন কিছু নয়।বাবর থেকে মিরজাফর থেকে জিন্না থেকে কুরেশি সকলেই চায় অমুসলিম সকল জাতিকে ভারত থেকে সরাতে।দেশকে অপমান ওরা এভাবে করলে ওদের কপাল থেকে দুঃখ কোনদিনো ঘুচবে না। ইংরেজরা মুসলিমদের পাকিস্তান দিয়েছে আমার ভারত খারাপ হলে ওরা আছে কেন ? চলে যাক পাকিস্থানে বা ইরাকে। তাহলে ওরা বুঝবে সন্ত্রাসবাদ কী জিনিস। ॐ卐 সত্যের জয় হবে ॐ卐 https://m.facebook.com/profile.php?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C7050733253
সত্যি কী আজব লাগে যখন দেখি আমার পেজের সত্য কথা গুলো বল্লে কিছু ইসলামিক গোষ্ঠী র সদস্য (দেশ এবং বিদেশের) কুকথা বলে ভারত সম্পর্কে।আমাকে হিন্দুবাদী তাকমা দেয়।জানার মানুষের অধিকার আর সত্য কথা বলা সংবিধানের অধিকার ।সিপাহী বিদ্রোহে মুসলিমরা বহু অঞ্চলে বিদ্রোহ করেনি এই সত্য ওরা মানে না।ওরা বলে সিপাহী বিদ্রোহে কোন হিন্দু ছিল না। আমি মর্মাহত ওদের আচরনে। কিন্তু সিপাহী বিদ্রোহের প্রভাবশালী নেতৃবিন্দ ছিল হিন্দু (যদি সাম্প্রদায়িক বিচার করো ওদের লজিকে)।সূচনা করে মঙ্গল পান্ডে।জনপ্রিয় করে রানী লক্ষী বাই।তাঁতিয়া টোপি জোয়ার আনে জাগরণে।নামমাত্রসম্রাট বাহাদুর শাহ প্রকৃত জাতীয়তাবাদের পরিচয় দিয়ে ব্রিটিশ দের বিরুদ্ধে লড়াই য়ে উদ্বুদ্ধ করেন।সব মিলিয়ে হিন্দু মুসলিম সাময়িক কাছাকাছি হলেও বহুল পরিমান মুসলিম অংশ নেয়নি এতে। দেশের ইতিহাস জানাতে আমি পিছপা হব না।আমার ভারত যুগ যুগ ধরে জিন্দাবদ ছিল আছে থাকবে।

বিশিষ্ট নেতাজী গবেষক শ্রীমতী পূরবী রায়ের এই সময় পত্রিকার সাংবাদিক শুভরঞ্জন দাশগুপ্তকে দেওয়া সাক্ষাত্কার :

প্র: স্বাধীনতার পর সাত সাতটি দশক অতিক্রান্ত৷ এখনও পর্যন্ত নেতাজি সম্পর্কিত ফাইল, নথি জনসমক্ষে এল না৷ এই সুদীর্ঘ সময় ধরে লুকোচুরির পিছনে নেহরুর অবদান কতটা ? পূরবী রায় : নেহরুর অবদান নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ , সত্যি বলতে যথেষ্ট৷ প্রশ্ন হল, নেহরু কেন এমনটি করেছিলেন ? উত্তরে বলা যেতে পারে যে, নেহরু নেতাজির মৃত্যুকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করতে চেয়েছিলেন এবং নথির প্রকাশ তাঁর এই প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করত৷ আমাদের কাছে প্রমাণ আছে যে, নেতাজি ১৮ অগস্ট ১৯৪৫ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি৷ তিনি চলে গিয়েছিলেন সোভিয়েত রাশিয়ায় আশ্রয়ের খোঁজে এবং আশ্রয় তাঁকে দেওয়াও হয়েছিল৷ তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বময় নেতা জোসেফ স্তালিন তাঁর অনুগামীদের প্রশ্ন করেছিলেন What shall we do with Chandra Bose, where shall we keep him ? সামরিক বাহিনীর আর্কাইভ থেকে প্রাপ্ত এই সংবাদটি প্রকাশ করেন আলেক্সজান্ডার কোলাসনিকভ, ১৯৯৬ সালে৷ তিনি ছিলেন ওয়ারশ চুক্তি - র মেজর জেনারেল৷ অর্থাত্ এক দিকে আমরা পাচ্ছি এই প্রতিবেদন যা বিমান দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে যায় , অন্য দিকে নেহরু উঠে পড়ে লেগেছিলেন নেতাজির মৃত্যু সংবাদ জনসমক্ষে প্রতিষ্ঠিত করতে৷ এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি দু দুটি ডেথ রিপোর্ট- এর ব্যবস্থা করেন যার প্রথমটি দেওয়া হয়েছিল সন্ধ্যা সাতটায় আর দ্বিতীয়টি রাত সাড়ে বারোটায়৷ ১৯৪৬ সালে , প্রথমটি জুলাই মাসে, দ্বিতীয়টি অক্টোবর মাসে৷ মনে রাখতে হবে যে , স্তালিন নেহরুকে প্রকৃত অর্থে অপছন্দ করতেন৷ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষ্ণ মেননের সাহায্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে নেহরু প্রয়াসী হয়েছিলেন৷ সোভিয়েত ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মলোটভকে কৃষ্ণ মেনন বহু বার বলেছিলেন , আপনারা এক বার নেহরুকে সোভিয়েত ইউনিয়নে আসতে আমন্ত্রণ করুন৷ মলোটভ এই আবেদনটি স্তালিনের কানে তুলেছিলেন, কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি৷ অতএব , নেহরুর সোভিয়েত ইউনিয়ন যাত্রার বাসনা স্তালিনের সময়ে পূরণ হয়নি৷ নেহরু কেন যেতে চেয়েছিলেন ? যাওয়ার একটি মূল কারণ ছিল নেতাজি সম্পর্কে বিশদ ভাবে জানতে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের দিক থেকে প্রচার করতে যে নেতাজি বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন৷ তাঁর এই সাধ বাস্তবে পরিণত হয়নি৷ হিন্দ - রুশি ভাই ভাই সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল স্তালিনের মৃত্যুর পরে , ১৯৫৬ সালে বিংশ সোভিয়েত কংগ্রেসের পর, যে অধিবেশনে ক্রুশ্চেভ স্তালিনের বিরুদ্ধে তাঁর ঐতিহাসিক বক্তব্য রেখেছিলেন৷ এই অধিবেশনকে স্বাগত জানিয়ে সরকারি স্তরে লন্ডন , প্যারিস ও নিউইয়র্ক থেকে যে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো হয়, তার বিষয়বস্তু ছিল এই যে , নেতাজি রাশিয়াতেই আছেন৷ নথি প্রকাশ না করার পিছনে আরও একটি কারণ ছিল এই যে , মূলত আদর্শগত ভাবে গান্ধীর শিষ্য নেহরু অহিংস আন্দোলনে বিশ্বাসী ছিলেন৷ পক্ষান্তরে নেতাজি দেশের স্বাধীনতা লাভ করতে চেয়েছিলেন ভায়োলেন্স ও যুদ্ধের মাধ্যমে৷ সশস্ত্র যুদ্ধের প্রবক্তা নেতাজিকে তাই নেহরু আদর্শগত কারণে ব্রাত্য রাখতে চেয়েছিলেন৷ আর সব শেষের কারণটি ছিল ব্যক্তিগত৷ নেতাজি জীবিত থাকলে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার জটিল প্রশ্নটি উঠত এবং স্বাভাবিক কারণেই এই দু ' জনের ভিতর ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়ে যেত৷ বলা বাহুল্য, নেহরু এই ক্ষমতার লড়াই পুরোদস্তুর এড়িয়ে যেতে চেয়েছিলেন৷ তবে, এ কথা আমরা স্বীকার করব যে নেতাজির সোভিয়েত ইউনিয়নে কী পরিণতি হয়েছিল তা আমাদের কাছে এখনও অস্পষ্ট৷ হয়তো বা নেতাজি বিষয়ক ফাইল ঘেঁটে আমরা এই গূঢ় প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হব৷ গ্রেট ব্রিটেনের গোয়েন্দা বিভাগও নেতাজির মৃত্যু প্রতিষ্ঠা করবার জন্য নেহরুর সঙ্গে সহযোগিতা করেছিল৷ নেহরু আজাদ হিন্দ ফৌজের কিছু নেতাকে , যাকে বলে , পদ ইত্যাদি পাইয়ে দিয়ে নিজের দলে টানবার চেষ্টা করেছিলেন৷ এ রকম দু জন ছিলেন এ সি এন নামবিয়ার ও শাহনাওয়াজ খান৷ প্র: বারংবার বলা হয়েছে যে , নেতাজি সম্পর্কিত ফাইলের প্রকাশ ভারতের পররাষ্ট্র কার্যক্রমকে অসুবিধায় ফেলত৷ এই কথাটি বলার পিছনে কারণ কী ? এই সুনির্দিষ্ট অজুহাত দেখানো হয়েছে বার বার , কিন্তু কোন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে , কেন হবে , এই নিয়ে সুস্পষ্ট ভাবে কিছুই বলা হয়নি৷ ভারতের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্ক কি খারাপ হবে , কেন হবে ? নথিতে কি এমন কিছু আছে যা অশান্তি ও উদ্বেগের সৃষ্টি করতে পারে? সত্তর বছর পেরিয়ে গেছে এখনও এ বিষয়ে ব্যাপক অস্পষ্টতা রয়ে গেছে৷ মাঝে মধ্যে মনে হয় এই পুরো ব্যাপারটি একটি গভীর চক্রান্তের সঙ্গে তুলনীয়৷ নথিতে যদি প্রকাশ পায় যে নেতাজি সোভিয়েত ইউনিয়নের আশ্রয় নিয়েছিলেন তা হলে সযত্নে লালিত ও নির্মিত নেতাজির মৃত্যুর আখ্যানটি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে এবং এই সম্পূর্ণ ভাঙন রোধ করবার জন্যই এতটা সক্রিয়তা ও ব্যস্ততা৷ সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বিতর্কটি জড়িয়ে গিয়েছে বলেই, প্র: আর একটি প্রশ্ন উঠে আসে৷ এই সমগ্র প্রবাহে ভারতীয় কমিউনিস্টদের ভূমিকা কী ছিল ? এই প্রশ্নের উত্তরে প্রথমেই বলতে হবে যে, তত্কালীন ভারতীয় কমিউনিস্টদের পরিচালক ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টি অফ গ্রেট ব্রিটেন বা সিপিজিবি৷ এবং ব্রিটেনের এই পার্টি নেতাজিকে নিয়ে ততটা চিন্তাক্লিষ্ট ছিল না৷ তাদের দেখাদেখি ভারতের কমিউনিস্টরাও এই গভীর রহস্যের উন্মোচন করতে আগ্রহী হননি৷ আর যাদের কমিন্টার্ন - এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল, যেমন অবনী মুখোপাধ্যায় এবং বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় , তাঁরাও দেশের কমিউনিস্টদের উপর তেমন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি৷ দেশের কমিউনিস্টরা সোভিয়েত ইউনিয়নে যেত , অনেক আলাপ- আলোচনাও হত , কিন্তু নেতাজিকে নিয়ে খুব একটা বাক্য বিনিময় হত না৷ এক বার তো স্বয়ং স্তালিন কমিউনিস্ট নেতা এস এ ডাঙ্গের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলেছিলেন , কিন্তু ডাঙ্গে দেশে ফিরে এই মতবিনিময়ের উপর কোনও মন্তব্য করেননি৷ সুতরাং , এক দিকে দেশের বামপন্থীরা , যে কোনও কারণেই হোক , নেতাজির জীবনমৃত্যু নিয়ে আগ্রহী ছিলেন না , অন্য দিকে কমিন্টার্ন

বীর দেশপ্রেমী ক্ষুদিরাম বসু

আগেই জানিয়েছিলাম ব্রিটিশ শাসনের আমলে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের পৃষ্ঠভূমি ছিল পশ্চিমবাংলা।এমনিই এক বীর দেশপ্রেমী ছিলেন ক্ষুদিরাম বসু। জীবন:-------ক্ষুদিরাম বসু ডিসেম্বর ১৮৮৯ ভারতের পশ্চিম বঙ্গের অন্তর্গত মেদিনীপুর জেলার মৌরনি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ত্রৈলোক্য নাথ বসু । তার মা লক্ষীপ্রিয় দেবী। তিনি তার পুত্রকে তার বড় বোনের কাছে(অর্থাৎ ক্ষুদিরামের মাসি)মানুষ করতে পাঠান। ক্ষুদিরাম বসু পরবর্তিতে তার বড় বোনের কাছেই বড় হন। ●● শিক্ষা জীবন:----------ক্ষুদিরাম বসুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় তমলুকের হ্যামিলটন স্কুলে। ১৯০২ সালে ক্ষুদিরাম তার বোন অপরূপার স্বামী অমৃতর সাথে তামলুক শহর থেকে মেদিনীপুরে চলে আসেন। সেখানে তিনি মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন। পরবর্তী সময়ে মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে পড়ার সময় সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সান্নিধ্যলাভ করেন এবং এই শিক্ষকের সংস্পর্শে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হন। ক্ষুদিরাম বসু তার শিক্ষক সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নিকট হতে এবং শ্রীমদ্ভগবদগীতাপড়ে দেশকে ভালোবেসে ব্রিটিশ উপনিবেশের বিরুদ্ধে বিপ্লব করতে অনুপ্রাণিত হন। বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ড:--------------------ক্ষুদিরাম বসু তার প্রাপ্তবয়সে পৌঁছানোর অনেক আগেই একজন ডানপিটে, রোমাঞ্চপ্রিয় হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। ১৯০২-০৩ সালে যখন বিপ্লবী নেতা শ্রী অরবিন্দ এবং সিস্টার নিবেদিতা মেদিনীপুর ভ্রমণ করে জনসম্মুখে বক্তব্য রাখেন এবং বিপ্লবী দলগুলোর সাথে গোপন পরিকল্পনা করেন, তখন তরুণ ছাত্র ক্ষুদিরাম বিপ্লবে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত হন। এখানেই তার বিপ্লবী জীবনের অভিষেক। ১৯০২ সালেই তিনি বিপ্লবীদের একটি নবগঠিত দলে যুগান্তরে যোগদান করেন। অল্প কিছু সময়ের মধ্যেই ক্ষুদিরাম তার গুণাবলীর জন্য সবার চোখে গুরুত্বপূর্ণ এবং দলের সক্রিয় সদস্য হয়ে ওঠেন। সেইসময়ে তিনি বিলাতি দ্রব্য বয়কট, বিলাতি লবণের নৌকা ডোবানো প্রভৃতি কর্মকাণ্ডের ভেতর দিয়ে স্বদেশী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯০৬ সালে মেদিনীপুরের এক প্রদর্শনীতে বিপ্লবী পত্রিকা ‘সোনার বাংলা’ বিলি করার সময়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েও পুলিশকে মেরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এই অভিযোগে পরে আবার গ্রেফতার হন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু বয়স নিতান্তই অল্প বলে সরকার কর্তৃক মামলাটি প্রত্যাহার হয়ে যায়। বিপ্লবীদের গোপন সংস্থায় অর্থের প্রয়োজনে ১৯০৭-এ মেলব্যাগ লুটে অংশ নেন।আলিপুর আদালত প্রাঙ্গনে বন্দেমাতরম ধ্বনি উচ্চারণ করার অপরাধে কলকাতার প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড সুশীল সেন নামক ১৬ বছরের এক কিশোরকে প্রকাশ্য স্থানে বেত মারার আদেশ দেন। এই শাস্তির বদলা নিতে ও সেই সময় বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দমনমূলক কার্যকলাপের জন্য যুগান্তর দল কলকাতার চিফ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট অত্যাচারী কিংসফোর্ডকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইতিমধ্যে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নিরাপত্তার কারণে কিংসফোর্ডকে বিহারের মজফফরপুরে বদলি করা হয়। সেখানে তাকে হত্যার দায়িত্ব পড়ে ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকীর ওপর। ১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল রাত ৮টার সময় ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী রাতের অন্ধকারে কিংসফোর্ডের গাড়ি ভেবে ভুল করে ঘোড়ারগাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করে নিরপরাধ কেনেডি সাহেবের স্ত্রী মিসেস কেনেডি ও তার কন্যাকে হত্যা করেন। অত্যাচারী কিংসফোর্ডকে হত্যার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। ক্ষুদিরাম বসু হত্যাকান্ডের স্থল থেকে ২৫ মাইল দূরে ওয়েইনি স্টেশনে পরদিন ধরা পড়েন। অপর বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকীকেও ধরার চেষ্টা হলে তিনি নিজের রিভলবারের গুলিতে আত্মঘাতী হন। কয়েক মাস বিচারের পর তাঁর ফাঁসির হুকুম হয়। ফাঁসির আদেশ শুনে ক্ষুদিরাম বসু হাসিমুখে বলেন যে, মৃত্যুতে তাঁর কিছুমাত্র ভয় নাই। মজফফরপুর জেলেই ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ১১ আগস্ট ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ফাঁসির সময় তার বয়স ছিল ১৮ বছর, ৭ মাস ১১ দিন। কথিত আছে, হাসতে হাসতে ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগিয়ে যান অগ্নিযুগের প্রথম শহিদ ক্ষুদিরাম বসু। তাঁর নির্ভীক দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ বাংলার যুবসমাজকে বিপ্লবী মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ■■তার সম্পর্কে সেরা উক্তি------------ ক্ষুদিরাম বসু সম্পর্কে অগ্নিযুগের আরেক বিপ্লবী হেমচন্দ্র কানুনগো লিখেছেন যে তাঁর দুঃসাধ্য কাজ ক্রবার সহজ প্রবৃত্তি অত্যন্ত প্রবল ছিল। তিনি আরো লিখেছেন, “ক্ষুদিরাম মহাপুরুষ ছিল না অথবা মানব আকারে শাপভ্রষ্ট দেবতাও ছিল না। সে ছিল বাঙলার হাজার হাজার ছেলের মতোই একটা ছেলে। তারও দোষ ছিল অনেক; আর সে যে স্বনামধন্য হয়েছে, আমরা এখানে তার সেই শহীদপনার (Martyrdom) কথাও ধরছি না। আমরা দেখছি তার অন্যায় অত্যাচারের প্রতি তীব্র অনুভূতি। সে অনুভূতির পরিণতি বক্তৃতায় নয় বৃথা আস্ফালনে নয়; অসহ্য দুঃখ-কষ্ট, বিপদ-আপদ, এমনকি মৃত্যুকে বরণ করে, প্রতিকার অসম্ভব জেনেও শুধু সেই অনুভূতির জ্বালা নিবারণের জন্য, নিজ হাতে অন্যায়ের প্রতিবিধানের উদ্দেশ্যে প্রতিবিধানের চেষ্টা করবার ঐকান্তিক প্রবৃত্তি ও সৎসাহস ক্ষুদিরাম চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। পীতাম্বর দাসের গান:------------------ ক্ষুদিরামের ফাঁসি গানটি নিশ্চয়ই শুনেছেন? ক্ষুদিরামের আত্মদান নিয়ে বাঁকুড়ার লোককবি পীতাম্বর দাস রচনা করেন অমর গণসংগীত ‘একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি।’ সরল লৌকিক ঝুমুর বাউল সুরে গীত গানটি তখন সারা বাংলায় মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এবং সর্বজনগ্রাহ্যতালাভ করে। গান------------------------------- গানের কথা একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী। কলের বোমা তৈরি করে দাঁড়িয়ে ছিলেম রাস্তার ধারে মাগো, বড়লাটকে মারতে গিয়ে মারলাম আরেক ইংলন্ডবাসী। হাতে যদি থাকতো ছোরা তোর ক্ষুদি কি পড়তো ধরা মাগো রক্ত-মাংসে এক করিতাম দেখতো জগতবাসী শনিবার বেলা দশটার পরে জজকোর্টেতে লোক না ধরে মাগো হল অভিরামের দ্বীপ চালান মা ক্ষুদিরামের ফাঁসি বারো লক্ষ তেত্রিশ কোটি রইলো মা তোর বেটা বেটি মাগো তাদের নিয়ে ঘর করিস মা ওদের করিস দাসী দশ মাস দশদিন পরে জন্ম নেব মাসির ঘরে মাগো তখন যদি না চিনতে পারিস দেখবি গলায় ফাঁসি। ॐ卐সত্যমেব জয়তেॐ卐 বীরশ্রেষ্ঠ লহ প্রণাম

হিন্দুরা মূর্তি পূজা করে কেন........??

হিন্দুরা মূর্তি পূজা করে কেন........?? এমন কোন হিন্দু নেই যে এ প্রশ্নটি শোনেনি।। কি হওয়া উচিৎ এর উত্তর..?? খুব সহজ ভাবে একটু চিন্তা করে দেখি... যেমন, আমরা শহীদ মিনারে ফুল দেই।। কিন্তু ওইখানে কি শহীদ মানুষ থাকে ?? মুসলিমরা হজ্জ করতে গিয়ে শয়তানের উদ্দেশ্যে একটি বড় প্রস্তরখন্ডে পাথর ছুঁড়ে মারে।। ওখানেও কি শয়তান থাকে ?? নাকি এগুলো প্রতিক হিসেবে ব্যাবহার করা হচ্ছে ....?? আমাদের হিন্দু ধর্মেও তাই..... মূর্তিগুলো আসলে পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তারই প্রতিরুপ।। (জাগো হিন্দু ফোরাম) আরও সহজভাবে একটু চিন্তা করি....... প্রতিটি ধর্মই বিশেষ একটা কিছুকে centralize করছে।। যেমন, খৃষ্টানরা যীশু এবং মাতা মেরীর সামনে প্রার্থনা করছে।। বাংলাদেশের মুসলিমরা পশ্চিম দিকে আবার আমেরিকার মুসলিমরা পূর্ব দিকে নামাজ পড়ছে।। কিন্তু কারন কি....?? To centralize কাবা শরীফ।। একই ভাবে আমরা হিন্দুরাও centralized হচ্ছি সামনে শুধু একটি মূর্তি রাখার মাধ্যমে।। (জাগো হিন্দু ফোরাম) একটু অন্যভাবে দেখি..... যীশু যখন ক্রুশ বিদ্ধ হন, তখন তিনি তার মুখটি একটি রুমাল দিয়ে ঢেকে দেন।। পরে তিনি রুমালটি এক শিষ্যের কাছে দেন।। যীশুর মৃত্যুর পর সেই রুমালটির মধ্যে যীশুর অবয়ব ভেসে ওঠে।। সেটি দেখেই আজ যীশুর মুর্তি বানানো হয়।। অর্থাৎ, যীশু তাঁর নিজের মুর্তি তাঁর অনুসারীদের দিয়ে গিয়েছেন।। তাই তাঁর অনুসারীরা তাঁর মুর্তির সামনে নীল ডাউন হয়ে প্রার্থনা করবে এটাই স্বাভাবিক।। অনদিকে prophet Muhammad (PBUH) যখন ধর্ম প্রচার করেন, তখন সবাই মুর্তি পূজা করত।। তাই তিনি সৃষ্টিকর্তার কোন প্রকার আকার বা অবয়বকে তীব্রভাবে নিষেধ করে দিলেন।। তিনি সম্পূর্ণ একটি বিপরীত গাইড লাইন দেন।। সুতরাং যারা নবী মোহাম্মদ এর অনুসারী অর্থাৎ মুসলিমরা তাদের কুরআনে যেভাবে নিরাকার সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ দেওয়া আছে সেভাবেই ধর্ম পালন করবে সেটাই স্বাভাবিক।। আর আমরা.......?? কলিযুগের মুক্তিদাতা শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু যদি স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুর্তি পূজা করেন আর আমরা যদি তাঁর অনুসারী হয়ে থাকি তাহলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুর্তি পূজা আমরাও করব এটাই স্বাভাবিক।। অর্থাৎ, যে যার অনুসারী, তিনি যেভাবে বলেছেন তারা সেভাবেই করবেন।। (তবে গুরুদেব শ্রীল প্রভুপাদ আসল কথাটি বলেছেন ..... আর তা হলো শুধু মুর্তি পূজা থেকে আধ্যাত্মিক লাভ হবে মাত্র এক ভাগ আর নিয়মিত জপ থেকে লাভ হবে নিরানববই ভাগ।।) (জাগো হিন্দু ফোরাম) এবার গীতার কথায় আসি....... গীতায় পঞ্চইন্দ্রিয়কেএক করে ভগবানের নাম স্মরণ করতে বলা হয়েছে।। অর্থাৎ, একটা অবয়ব থাকতে হবে যা চোখ বন্ধ করেও দেখা যায়।। আর এই অবয়বের জন্যও একটা প্রতীক প্রয়োজন আর সেটাই হলো মুর্তি।। আর ঐ সব কথাগুলো যে কলিযুগের মানুষের মন অস্থির, তারপর স্মরনশক্তি কম এই কারনগুলো তো আপনারা জানেন.... তাই বললাম না।। তাহলে ভাবুন, পৃথিবীতে সব সত্য।। সকল ধর্মই সত্য।। সবাই ঘুরেফিরে সবাই ঐ একই পালনকর্তারই আরাধনা করে ...... শুধু process টা একটু ভিন্ন...... এই যা.... এরপরও যদি কেউ বলে শুধু তার ধর্মই সত্য বাকি সব মিথ্যা তাহলে কি ঠিক হবে.....?? আপনারাই বলুন.... কপিপোষ্ট: জাগো হিন্দু ফোরাম —