Wednesday, 12 August 2015

রাওলাট আইন কী?

●●রাওলাট আইন কী ? ☆☆ভারতে বিপ্লবী আন্দোলন প্রতিরোধের জন্য 1917 খ্রীষ্টাব্দে ডিসেম্বরে বিচারপতি লর্ড রাওলাটের নেতৃত্বে 5 সদস্য নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।এই কমিটি যে সুপারিশগুলি ঘোষণা করে 1919 খ্রীষ্টাব্দে তা হল রাওলাট আইন। এই আইনে বলা হয়------------------------ 1)সরকার বিরোধী কার্যকলাপ দন্ডনীয় অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। 2)সরকার সন্দেহবশত যেকোন ভারতীয়কে বিনা বিচারে আটক করতে পারবে। 3)স্বাখ্য(স্বাক্ষী) ছড়াই বিশেষ আদালতে বিচার চলবে। 4)এই বিচারের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। 5)সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়। ভারতবাসীর------------------ ☆(গান্ধিজী ও জিন্নার প্রতিক্রিয়া)~~\~~~-রাওলাট আইনের প্রতিবাদে গান্ধিজী দেশব্যপী সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেন।তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভারতবাসী হরতাল পালন করে।মহম্মদ আলি জিন্না এই আইনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে বলেন জনগণের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিল ব্রিটিশরা।গান্ধিজী ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে শয়তানবাদ আখ্যা দেন। ☆সারাদেশে এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখা যায়।দিল্লী ও পাঞ্জাবে পুলিশের সাথে জনতার প্রবল সংঘর্ষ দেখা যায়।আর এই সংঘর্ষের মর্মান্তিক পরিণতি ঘটে জালিয়ানওয়ালা বাগের হত্যাকান্ডের মাধ্যমে। ☆☆পএ পত্রিকায় প্রতিবাদ~~~~দেশের বিভিন্ন সংবাদপএ এই দমনমূলক আইনের সমালোচোনা করে।"নিউ ইন্ডিয়া" "হিন্দু " "পাঞ্জাবি" প্রভৃতি পত্রিকা রাওলাট আইনকে ধিক্কার জানায়।অমৃতবাজারপত্রিকা এই আইনকে এক ভয়াবহ ভ্রান্তি বলে মন্তব্য করে। প্রতিবাদস্বরূপ মহম্মদ আলি জিন্না,মদনমোহন মালব্য প্রমুখ নেতা আইন পরিষদের সদস্য ত্যাগ করে। ॐ卐সত্যমেব জয়তেॐ卐

বাঙালি হিন্দুবীর যোদ্ধা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এত বাঙালি হিন্দুবীর যোদ্ধা আছে আছেন যে তারা এক নিমিষেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে গেঁড়ুয়া পতাকা তুলতে পারবে। কিন্তু আমার মনে একটা প্রশ্ন আছে কোন যুদ্ধে অংশ নিয়ে এসব তথাকথিত যোদ্ধা হিন্দুবীর উপাধি নিল? আর কে দিল তাদের এ উপাধি? মনগড়া কিছু কথা আর কিছুসংখ্যক অন্যায়ের প্রতিবাদ ফেসবুকে বড় বড় বীর সাজা যায় কিন্তু বাস্তবে বীর হওয়া যায় না। এর উদাহরন আমাদের দেশ। হিন্দুবীর লিখে সার্চ দিয়ে দেখেন হাজার হাজার হিন্দুযোদ্ধার id চলে এসেছে। যাদের সবার বাড়ি বাংলাদেশে। এখন প্রশ্ন হল এত হিন্দুযোদ্ধা বাংলার বুকে থাকতে কিভাবে মন্দিরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা কিভাবে ভাঙে মন্দিরের প্রতিমা? কোনদিন তো খবরে শুনলাম না মন্দিরে হামলা ঠেকাতে গিয়ে এক গ্রামে পাঁচজন নিহত হয়েছে। আরে নিহত তো দূরের কথা আহত হয়েছে শুনলেও খুশি হতাম যে যাক একটা হলেও যোদ্ধা পেলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় এত যোদ্ধা থাকতেও মন্দির ভাঙছে দখল হচ্ছে হিন্দুদের জমি ও নারী। হিন্দুযোদ্ধা নামের তালপাতার সিপাইয়েরা ঘরের মধ্যে থেকে স্টেস্টাস দিয়ে বীরত্ব প্রকাশ করে দায় সারেন। যা কাপুরুষতাকেও হার মানায়। আগে বুঝতাম না এত যোদ্ধা থাকতে কেন বাংলার এ অবস্থা? কিন্তু এখন বুঝেছি। আমাকে ইনবক্সে অনেক হিন্দু ছেলেই বলে দাদা আপনার ঠিকানাটা দিন আমি আপনাদের সাথে কাজ করতে আগ্রহী। ফোন নম্বরটা দিন ইত্যাদি। আমি বলি আপনাদের ঠিকানাটা দিন আমি গেলে যোগাযোগ করব। কিছু যোদ্ধার জেলায় আগামীকাল যাব বলে ভেবে তাদের বললাম। ২০জন যোদ্ধার মধ্যে ১৮জনের সাহস নাই আমার সাথে দেখা করার। তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পাশ কাটিয়ে গেল। কেউ দেখা করবে না বিভিন্ন সমস্যার কারনে এ না হল হিন্দুবীর। এই না তাদের বীরত্ব? বাংলাদেশ থেকে লিখেছেন Kartik Krishna Roy

ফিরে আসুন,, ফিরে আসুন, ফিরে আসুন

ফিরে আসুন,, ফিরে আসুন, ফিরে আসুন --------------- আমাদের অনেক নির্যাতিত হিন্দু ধর্মান্তরীত হয়ে পাপের পথে গেছে,, সেখান থেকেই মুসলমানের সৃষ্টি। বিশ্বাস না হলে খোঁজ নিন। আপনার বাবার বাবার বাবার বাবা কে ছিলেন?? বেশিদুর যাওয়া লাগবেনা,, রক্তের মধ্যে হিন্দুত্বের গন্ধ বের হয়ে আসবে। তাই আপনারা আর বোকামি না করে পূর্ব পুরুষদের ধর্মে পিরে আসা মঙ্গল জনক হবে। চোখ খুলুন,, পিছনের দিকে তাকিয়ে,, সামনের দিন গুলো অতিবাহিত করুন।। কবরের মিথ্যা আজাবের চিন্তা বন্ধ করুন। জান্নাতে আপনার হাওয়ার মত আত্মাকে ৭২টা হুরি দেওয়া হবে, এসব আজগবি চিন্তা বন্ধ করুন। যে লোকটা বোমা বেঁধে আত্মহত্যা করছে,মানুষ হত্যা করছে, সে নরকে পতিত হচ্ছে। খবর নিন আজ পর্যন্ত কোন মুসলমান জান্নাতে যেতে পেরেছে কিনা?? কিভাবে যাবে? ধর্ম পরিবর্তন করা মহাপাপ,, ১৪০০ বছর থেকে যারা ঈম্বর প্রদত্ব ধর্ম সনতান ত্যাগ করেছে তারা কেউ স্বর্গে যেতে পারবেনা।এটা ১০০% সত্য কথা।তাই আসুন, সনাতনের পতাকাতলে এসে মুক্তির স্বাদ নিন, সঠিক জীবনেরর স্বাদ উপভোগ করুন। হরে কৃষ্ণ হরে রাম মহামন্ত্র যব করুন,।জয় শ্রী কৃষ্ণ। জয় শ্রী রাম। ওঁ নমঃ শিবায়। এক বস্তা যুক্তি।

স্বামী বিবেকানন্দ আমেরিকার শিকাগো 'বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে'

স্বামী বিবেকানন্দ যখন আমেরিকার শিকাগোতে 'বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে' বক্তৃতা দিতে গেছিলেন, সেই বক্তৃতার শেষে স্বামীজীকে এক ইংরেজ প্রশ্ন করলেন- কোন জানোয়ারের দুধ সব থেকে বেশী সুস্বাদু? স্বামীজী উওর দিলেন- মোষের দুধ সবথেকে বেশী সুস্বাদু । ইংরেজ অবাক হয়ে বললেন- গরুর দুধ সবচেয়ে সুস্বাদু নয় কেন? স্বামীজী বললেন- গরু আমাদের মাতা, তাই গরুর দুধকে আমরা মাতৃদুগ্ধ বলেই পান করি । গোরুর দুধ অমৃত সমান তাই জানোয়ারের দুধের সাথে তুলনা করা অনুচিত ।

Old news? The story of a Dubai man not letting male rescuers save his daughter may have occurred in 1996

http://m.firstpost.com/world/dubai-beach-tragedy-man-lets-daughter-drown-to-death-rather-than-let-male-rescuers-save-her-2387836.html

Jamat জামাত

জামাত খারাপ সেটা সকলেই জানে। কিন্তু যে ভালোর ভেলকি সেজে ভিতরে ভয়ঙ্কর সম্প্রদ্বায়িক রূপে আছে তার খবর কয়জন রাখে ? বর্তমান আওয়ামীলীগ হচ্ছে নব্য জামাত ! স্বাধীনতার পর আওয়ামীলীগের হাতে সবচেয়ে বেশি মন্দির ধ্বংস হয়েছে , তাদের আমলে সবচেয়ে বেশি প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। তাদের দলীয় লোকজন এমন কি মন্ত্রী-এমপিরা সবচেয়ে বেশি হিন্দুদের জমি দখল করেছেন ! স্বাধীনতার পরবর্তী থেকে বর্তমান সময় - দরকার এক নতুন জরিপ ! আবুল বারাকাত সাহেবদের বলবো জরিপটা নতুন করে করুন। বেরিয়ে আসবে এক অভাবনীয় তত্ত্ব্য : http://m.dailynayadiganta.com/detail/news/44819

মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্র করে রাজ্যে বাড়ছে জঙ্গি যোগাযোগ, বলছে গোয়েন্দা তথ্য

মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্র করে রাজ্যে বাড়ছে জঙ্গি যোগাযোগ, বলছে গোয়েন্দা তথ্য, জারি হাই অ্যালার্ট ব্যুরো: মুর্শিদাবাদকে মূল পয়েন্ট করে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করছে জঙ্গিরা। তদন্তে এমনই তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে। তাই নাশকতা রুখতে জাতীয় সড়কে চলছে কড়া নজরদারি। ফরাক্কা থেকে রেজিনগর পর্যন্ত চৌত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়ক জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সন্ধে সাতটার পর অনেক জায়গায় নাকাবন্দি। মুর্শিদাবাদের ঝাড়খণ্ড সীমানা ও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা রেল স্টেশনে। পনেরোই অগাস্টের আগে রাজ্যে নাশকতা চালাতে পারে সন্ত্রাসবাদীরা।এই মর্মে আগেই হাইঅ্যালার্ট পাঠিয়েছে কেন্দ্র। তারপরই রঘুনাথগঞ্জ থেকে প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। তাই জেলা জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। র-এর পর এবার সেন্ট্রাল আইবি। মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে বিস্ফোরক উদ্ধারের তদন্তে আবার এক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। গতকাল সন্ধেয় সেন্ট্রাল আইবির একটি টিম রঘুনাথগঞ্জে এসে পৌছয়। ধৃত তিনজনকে জেরার পর সুতির উদ্দেশে রওনা দেন গোয়েন্দারা। জেরায় জানা গেছে, দুটি বস্তা থেকে যে ষাট কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে, তা ঝাড়খণ্ড থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। মূল চক্রের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।