এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক শ্রী 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের প্রেক্ষাপটে তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ২৭)
-------------------------------------------------------------
ছুটির সময় কোরবান আলি লাইলাতুল কদরকে বলে, ‘থাউক, মিস লাইয়াতুল কদর, তোমার বোরখা হিজাব পরন লাগবে না, তোমার এই রকমেই সোন্দর দেহায়’।
লাইলাতুল কদর বলে, ‘আপনে সত্য বলতেছেন? আমারে সোন্দর দোহায়?’
কোরবান আলি বলে, ‘মিছা কমু ক্যা? তোমার দেহডা নুরজাহানের মতন, হেমা মালিনির মতন, তোমারে এইভাবে দেখতেই আমার সুক লাগব, আল্লার রহমতে আমি সোন্দর জিনিশ দ্যাকতে পছন্দ করি’।
লাইলাতুল কদর বলে, ‘তাহলে দেইখ্যেন’।
কোরবান আলি কয়েক দিন সুখের জিনিশ দেখে, দেখে বেইচন হয়ে উঠে।
কয়েকদিন পরই মহামান্য শক্তিধর শয়তান সন্ধ্যার একটু পর এসে ঢোকে আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারির অফিস রুমে, সে মিস লাইলাতুল কদরকে একটুখানি জোর করে অফিসের সোফার উপর ফেলে বিছমিল্লা বলে ছহবত করে। বেশি জোর করতে হয়নি, লাইলাতুল কদর রাজিই ছিলো অনেকটা; বহুদিন পর ছহবতে দিল ভরে উঠে কোরবান আলি ব্যাপারির।
ছহবতের পর মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘আমারে কালই বিয়া করতে হবে, দেরি করন যাইব না’।
কোরবান আলি বলে, ‘বিয়া ত করুমই, তয় আমার বুড়ি বিবিটার মত লইতে হইব, নহলে করুম কেমনে?’
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘আইজ আমি প্রেগন্যন্ট হইতে পারি, কালই বিয়া করতে হবে, বুড়ির মতের দরকার নেই’।
কোরবান আলি বলে, ‘বুড়ি বিবিটার মত লইয়া লই’।
মিস লাইলাতুল বলে, ‘তারে তালাক দাও’।
কোরবান আলি বলে, ‘তালাক দিতে হইব?’
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘হ..’।
কোরবান আলি বলে, ‘আইচ্ছা, তারে তালাক দিমু; তয় আমার একটা গুন্ডা পোলা আছে, সেইডা যে লি করব’।
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘সেইটারে তুমি সামলাও’।
কোরবান আলি বলে, ‘হ..,দেহি’।
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘নাইলে তোমার বিপদ হইব, আমারও বিপদ হইব, তোমার কোটি কোটি টাকা ধইর্যা টান দিমু’।
কোরবান আলি বলে, ‘আইজ রাইতে বুদ্ধি বাইর করতে হইব’।
কোরবান আলি আরেকবার ছহবত করতে করতে বলতে থাকে, ‘অ, আমার লাইলাতুল কদর, এমুন সুক আমি আর পাই নাই, তুমি আমার বিবি, বুড়িডারে তালাক দিমু, তোমার দ্যাহ ভইর্যা মদু’।
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘মদু পাইবা, কালই বিয়া করতে অইব মদু খাইতে চাইলে, নাহলে মদু বিষ হইয়া যাইব’।
কোরবান আলি বলে, ‘তোমার মদু ছাড়া আমি বাচুম না, তুমি চিন্তা কইর্যা না, কাইল নাইলে পরশুই তোমারে শাদি করুম’।
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘তাইলে আরেকটু মদু খাও, দরজাটা আটকাইয়া লও, ভাল কইর্যা খাও, জানি আমিও মদু পাই’।
কোরবান আলি বলে, ‘ক্যান লাইলাতুল কদর, তুমি মদু পাও নাই?’
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘বুড়ির লগে হুইতে হুইতে তুমি মদু খাইতে আর খাওয়াইতে ভুইল্যা গ্যাছ, তোমারে শিখাই দিমুনে। তোমার শাবলডা ঢিলা অইয়্যা গ্যাছে, ওইডারে শক্ত করিতে অইব, নাইলে খুড়বা ক্যামনে?’
কোরবান আলি বলে, ‘হ.., ঠিকই কইছ, বিবি লাইলাতুল কদর, ওই বুড়িডা ভাল কইর্যা চিত অইতে পারে না, কোনোরকমে কাম সারতে অয়’।
লাইলাতুল কদর বলে, ‘আর আমার কাম?’
কোরবান আলি বলে, ‘তুমি বিবি হুরগো ছাড়াই গ্যাছো। তোমার জান্নাতুল ফেরদাউছে আমি দিনরাইত ঢুইক্যা থাকুম’।
আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারি আমার সাহায্যের জন্য ছুটে আসে।
আমি সাহায্য করি; সাচ্চা মুছলমান হয়ে আরেকজন সাচ্চা পরহেজগার পাক স্তান, সার জমিন সাদ বাদ, দিওয়ান মজনু মুছলমানকে সাহায্য করা আমার কর্তব্য। এতে তার কয়েক কোটি ব্যয় হয়, কিন্তু ওটা তার কাছে সামান্য টাকা; লাইলাতুল কদরের সাথে ছহবত করার জন্য এটা কিছু নয়। তারা ছহি ছালামতে আছে, লাইলাতুল কদরকে এ-পর্যন্ত সে তিনবার গর্ভবতী করেছে; তার জান্নাতুল ফেরদাউসকে সে সবসময় ভরে রাখে; সে প্রোডাকশানে বিশ্বাস করে, প্রোডাকশান ছাড়া ফরেন কারেন্সি আসে না। —
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 13 August 2015
আইসিস নর-রাক্ষসের দল ২০২০ খ্রিঃ মধ্যে ভারতবর্ষে তাদের আধিপত্য কায়েম করার কথা ঘোষণা ইতিমধ্যেই করেছে।
আইসিস নর-রাক্ষসের দল ২০২০ খ্রিঃ মধ্যে ভারতবর্ষে তাদের আধিপত্য কায়েম করার কথা ঘোষণা ইতিমধ্যেই করেছে। ....
এ নিয়ে যে যাই বলুক না কেন ... বাস্তব কথা হল তারা চাইলে অতি সহজেই এটা করতেও পারে। কারন আমরা সবসময় অবশ্যই ভুলে যাই ... তাদের কথা, যারা ইতিমধ্যেই এই ভারতবর্ষের বুকে আইসিসকে সর্বপ্রকারে .. এমনকি প্রাণ দিয়েও সাহায্য করতে প্রস্তুত।
তাদের সংখ্যা?
ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্যের কথা না হয় বাদই দিলেম ... কেবলমাত্র এই পশ্চিমবঙ্গেই এমুহূর্তে সেই সঙ্খ্যাটা অন্তত ৭০ লক্ষ থেকে ১ কোটির কাছাকাছি! .. বরং ব্রক্ষ্মমুহূর্তে এই সঙ্খ্যাটা আরও বাড়বে বই কমবে না।
.... আর ভারতের চশমখোর রাজনীতিবিদ, প্রশাসন ও সমাজের অন্যান্য গন্যমান্যদের কথা না হয় ছেড়েই দিলাম। - পাশপাশি বাংলাদেশ ও পাকিস্থান সহ অন্যান্য মুসলিম দেশগুলিও কিন্তু এই ধর্মযুদ্ধে সরাসরি আইসিস কে সাহায্য করতেই এগিয়ে আসবে।
আর অস্ত্র শস্ত্র ...? তাদের সংগ্রহে আজ যা মালমশলা রয়েছে, ... তা দিয়ে তারা ইতিমধ্যেই কয়েক কোম্পানি সেনার সঙ্গে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিতে পারে ... তো পুলিশ? প্রশাসন?? .... ফুঃ!
তাই... মেয়েরা ... কম-বেশি হিজাব পরার অভ্যাস রপ্ত করা শুরু করে দিন, নয়তো পরে সত্যিই খুব কষ্ট হবে। একসঙ্গে তিন সতীন বা তারচেয়েও বেশি মেয়েছেলের সঙ্গে ঘর করা বা বছর বছর বাচ্চা বিয়ানোর মজাটাও কিন্তু নেহাত কম নয়!
... .. তবে পুরুষদের চিন্তা কম। হয় মরবে ... নয়ত ইসলাম গ্রহণ করে বেঁচে যাবে। তবে ইয়েজিদিদের মত মেয়ে-বৌ রক্ষা করতে পারবে না। -- এই যা দুঃখ!
আর সেনা বাহিনী হবে অসহায়।।.. কাদের মারবে? দেশের ভিতরের মোমিন? .. না বাইরের মুসল্লি??
এ লড়াইয়ে জয় নাই ....
লড়ার চেষ্টা বৃথা তাই ...।।
দরকার নেই আর যুদ্ধের ...
সেনাদল তোমারে দিলাম ছুটি ..
যদিও বলব ধর্ম টর্ম কিছু নয়;
তবু বাঁচবারে চল ইসলাম পদে লুটি।।
আসুন তার চেয়ে বরং মহান এই ভারতবর্ষের সংবিধান প্রবর্তিত ধর্মনিরপেক্ষতা ও পরধর্ম সহিষ্ণুতার যুপকাষ্ঠে আজ নিজেদেরকে উৎসর্গ করি। ... বরনডালা সাজিয়ে ... উলু দিয়ে, শাঁখ বাজিয়ে.. বামপন্থীদের লাল কার্পেট বিছিয়ে... আমরা সেই সব দাড়ী-টুপি ওয়ালা জেহাদিদের চন্দনের ফোঁটা দিয়ে বরন করে নি। ...
উদাত্ত কন্ঠে সোচ্চারিত হই ... সেই বৈদিক বিশ্ব-ভাতৃত্ববোধের শ্রেষ্ঠ মন্ত্রে ....। সর্ব কন্ঠে মন্দ্রিত হোক.....
"অতিথি দেব ভবঃ"
... কেন? ভুলটা কোথায় বললাম....?
রাজা ভোজ মহাকবি কালীদাসকে দশটি প্রশ্ন করেছিল?
"রাজা ভোজ" মহাকবি কালীদাসকে দশটি প্রশ্ন করেছিল? ১. দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ ভগবান কি? - "মা" ২. দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ ফুল কি? - "কাপাসের ফুল" ৩. দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ সুগন্ধ কি? -"বর্ষার জলে ভেজা মাটির গন্ধ" ৪. দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ মিষ্টি কি? -"সুমধুর বানী" ৫. দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দুধ? -"মাতৃদুগ্ধ" ৬. দুনিয়ার সবথেকে বড়ো কালো কি? -"কলঙ্ক" ৭. দুনিয়ার সব থেকে ভারী কি? -"পাপ" ৮. দুনিয়ার সব থেকে সস্তা কি? -"পরামর্শ" ৯. দুনিয়ার সব থেকে মূল্যবান কি? -"সহযোগ" ১০. দুনিয়ার সব থেকে ঝাল কি? -"সত্য বচন"
ভীম মহাভারতের একটি চরিত্র।
ভীম মহাভারতের একটি চরিত্র। পঞ্চ
পাণ্ডব ভ্রাতাদের মধ্যে ভীম ২য়।ঋষি
দুর্বাষা হতে প্রাপ্ত বরের মাধ্যমে
বায়ু দেবকে আহ্বান করে তার বরে
ভীমের জন্ম হয়। বিশাল দেহ ও প্রবল
শক্তির জন্য ভীম বিখ্যাত। পাণ্ডব
ভাইদের বনবাসের সময়ে ভীম
হিড়িম্বা নামের রাক্ষসীকে বিয়ে
করেন, এবং তাদের ঘটোৎকচ নামের
একটি পুত্র সন্তান হয়।
জন্ম ও শৈশব জীবন
শিশু ভীমের ইন্দ্রজাল
ভীমের পিতা পান্ডু একদা শিকারে
গিয়ে হরিণ মারতে গিয়ে ভুল বশত
মিলনরত এক সাধুকে মেরে ফেলেন।
মৃত্যুর আগে সাধু তাকে অভিশাপ দেন
যে যদি তিনি স্ত্রী সহবাস করেন
তাহলে তার মৃত্যু ঘটবে। এই অভিশাপের
কারণে পান্ডু সন্তানের পিতা হতে
অক্ষম ছিলেন। হত্যাকান্ডের
প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে পান্ডু
হাস্তিনাপুরের সিংহাসন ত্যাগ করেন
এবং তার অন্ধ ভাই,ধৃতরাষ্ট্র,রাজ্যের
দায়িত্ব গ্রহণ করেন। [১] পান্ডুর
অক্ষমতার পরও পান্ডবরা একটি
অসাধারণ উপায়ে জন্মগ্রহণ করে। তার
স্ত্রী, রাণী কুন্তি, কিশোরী বয়সে
দুর্বাসা মুনি থেকে দেবতাদের
আহ্বান করার ক্ষমতা অর্জন করেন।
দেবতাদের মধ্যে পবন দেব বা বায়ু দেব
সবচাইতে শক্তিশালী ছিলেন। কুন্তির
আহ্বানে পবন দেবের মাধ্যমে ভীমের
জন্ম হয়।
প্রধান মন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী
তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী কে গুলি করে মেরেছিল, তারই দুই দেহরক্ষী " সতবন্ত সিং, বেন্ট সিং"
তার ফলে কংগ্রেস অনুরাগী দের রাগ ফেটে পরে
পুরো শিখ জাতির ওপর, আর তার ফলে ভারতে লেগে যায় AnTi Sikh Riot.
এই দাঙ্গার ফলে হাজারে হাজারে শিখ দের ঘড় থেকে বাড় করে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়, তাদের ঘড় বাড়ি
পুড়িয়ে দেওয়া হয়, তাদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়। ইন্দিরা গান্ধীর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী
হয় রাজীব গান্ধী, আর তার কাছে যখন এই দাঙ্গার
কারন জানতে চাওয়া হয়, তখন উনি বলেন
"এটা ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর অপোসিট রিএকশন"
তাহলে একজন এর মৃত্যুর অপোসিট রিএকশন এ যদি হাজার হাজার শিখ মারা যায়, ফের গোধরায়
সবরমতি এক্সপ্রেসে ৫৯ জন হিন্দু কে পুড়িয়ে মারার
অপোসিট রিএকশন টা অনেক কম হয়ে গেলোনা?
মারের বদলা মার কিন্তু আমাদের গান্ধী পরিবারই শিখিয়েছে,
আর সব থেকে বড় হল,
১৯৮৪ যেই দাঙ্গায় হাজার হাজার নিরীহ ভাই বোনেদের প্রান বিসর্জন দিতে হয়েছে,
সেই দাঙ্গা আজ ভারতে "শিখ দাঙ্গা" হিসেবে পরিচিত।
মরল শিখ আর বদনামও হল শিখ
সত্যি গান্ধী কি বিচিত্র এই দেশ...
Wednesday, 12 August 2015
Muslims in Nepal demand a 'Hindu state' to protect Islam | Zee News
http://zeenews.india.com/news/south-asia/muslims-in-nepal-demand-a-hindu-state_1646037.html?=23456
আল্লাহার ঘর সংক্রান্ত কিছু জিজ্ঞাসা | ইস্টিশন
মসজিদ নাকি আল্লাহর ঘর, এখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে সাধারণ মানুষ। মসজিদ কোন আরাম আয়েশের বা এলাকার গৌরবের স্থাপনা নয়। মসজিদ প্রয়োজন অনুযায়ি নির্মিত হবে এটাই স্বাভাবিক। প্রশ্ন হল মসজিদকে আলিশান হতে হবে কেন? একটি মসজিদ স্থাপিত হবে, সেখানে ইবাদতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকবে। কিন্তু তাকে সুসজ্জিত করতে হবে কেন? আমাদের দেশের মসজিদ সমূহকে এখন এয়ার কন্ডিশন করা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন?
আপনি আল্লাহর কাছে হাজিরা দিতে মসজিদে উপস্থিত হচ্ছেন। দীনহীন, অসহায়, পাপী একজন বান্দা। সেখানে আপনাকে এত আরাম আয়েশের দিকে লক্ষ রাখতে হবে কেন? যারা আল্লাহর ঘরের দোহাই দিচ্ছেন তাদের কি ক্ষমতা আছে আল্লাহর ঘরকে সুসজ্জিত করে দেয়ার? আল্লাহ কি তাগিদ দিয়েছেন মসজিদকে সুসসজ্জিত করার?
ছবিঃ এটি বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ। এই মসজিদটি গুঠিয়া মসজিদ নামেও পরিচিত। মসজিদটি বরিশালের, উজিরপুর গুঠিয়ার, চাঙ্গুরিয়া নামক এলাকায় অবস্থিত। মসজিদটি কোন ঐতিহাসিক মসজিদ নয়। মসজিদটি তৈরি করেছেন ঐ এলাকার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু নামের জনৈক ব্যাক্তি।
এই কথাগুলো এজন্যেই বলছি, যখন দেখি একটি আলিশান মসজিদের পাশের ফুটপাতেই গৃহহীন মানুষ খোলা আকাশের নিচে শুয়ে আছে তখন মনে হয় ধর্মের নামে মানুষ যেন অসহায় মানুষগুলোর সাথে নির্মম উপহাস করছে।
মসজিদকে কেন্দ্র করে সারা দেশব্যাপি চাঁদার নামে একধরনের ভিক্ষাবৃত্তি চালু হয়েছে। যেখানে চাঁদা গ্রহিতারা যদি শতভাগ সততার সাথেও আদায়কৃত চাঁদার টাকা মসজিদের তহবিলে জমা করেও থাকে সে ক্ষেত্রেও মসজিদ পায় ৩০ ভাগ বাকি ৭০ ভাগ নেয় চাঁদা আদায়কারীরা। অর্থাৎ এটাকেই তারা অবলীলায় পেশা হিসেবে গ্রহন করছে। আর যদি চাঁদা গ্রহিতা পূরো টাকাটাই মেরে দেয় সে ক্ষেত্রেও তাদের বাধা দেয়ার কেউ নেই। এ সবই সম্ভব হচ্ছে মসজিদকে দৃষ্টিনন্দন আলীশান করে গড়ে তোলার মানসে। এখানে কতটা পার্থিব স্বার্থ জড়িত আর কতটা মহান আল্লাহকে খুশি করতে সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ।
যখন কেউ আল্লাহার ঘর নির্মাণ করার জন্য আমার কাছে হাত পাতে তখন শয়তান আমার কানে কানে বলে যায়, মানুষ এতো ক্ষমতাহীন হয়েও নিজের ঘর নিজেই তৈরি করে আর আল্লাহ্ সর্বশক্তিমান হয়েও নিজের জন্য একটা ঘর তুলতে নিকৃষ্ট মানুষের কাছে হাত পাততে হয়? মানুষের ৫/১০ টাকা দিয়ে শেষে আল্লাহার ঘর বানাতে হবে? আর আল্লাহ্ যেহেতু নিরাকার সেহেতু নিরাকার আল্লাহার ঘর কেনই বা প্রয়োজন? আল্লাহ্ কি সিকিউরিটি প্রবলেমে আছে নাকি রোদ বৃষ্টিতে রাস্তায় রাস্তায় আল্লাহার খুব কষ্ট হয় এই জন্য আল্লাহার ঘর বানাইতে হবে? http://www.istishon.com/node/12834
Subscribe to:
Posts (Atom)