Thursday, 13 August 2015

ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে একমাত্র কাকোরী ষড়যন্ত্র মামলার আসফাকুল্লা খান ছাড়া, কেউ বলতে পারবেন, কোন মুসলিমের ফা'সি হয়েছে কিনা??

ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে একমাত্র কাকোরী ষড়যন্ত্র মামলার আসফাকুল্লা খান ছাড়া, কেউ বলতে পারবেন, কোন মুসলিমের ফা'সি হয়েছে কিনা???যাবজ্জীবন হয়েছে কিনা???মনে করে দেখুন, কেউ পারবেন না,,,,অথচ আমাদের ছোট্ট থেকে শেখান হয়,,,স্বাধীনতা যুদ্ধে হিন্দু মুস্লিম একসংগে ফা'সির দড়ি গলায় পরেছে।কিন্তু কেন???কেন এই মিথ্যাচার??? এখানেও সেই তোষনের রাজনীতি!!! ছোট থেকেই মনে তোষনের চিন্তা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়,,,যাতে পরবর্তীকালে পরিশ্রম কম হয়,এটাই করে আসছে ঐ ব্রিটিশ এর পদলেহন কারী কংগ্রেস,আর চীন, রাশিয়ার পেটোয়া কমিউনিষ্ট,কারন তারা জানে,সঠিক তথ্য জানতে দিলে,কোন ভাবে তাদের এই আগ্রাসনের রাজনীতি অনেকাংশে ব্যাহত হবে,,তাই মেক্লের তথাকথিত শিক্ষা ব্যাবস্থাই ভারতে কার্যকর হয়ে আছে,,, শ্রদ্ধেয় আসফাকুল্লা ছাড়া যাদের কারো নাম শোনা যায় না,ফা'সির মঞ্চে,,,তাদের কাছে কি ভারতের অখন্ডতা রক্ষার জন্য কোনো অনুভুতি আশা করা যায়???মুস্লিম শাসক যেদিন ভারতে এসে ছিল সেদিন তাদের যা মানসিকতা ছিল,আজ ও সেই জায়গাতেই স্থিতিশীল,, তার মধ্যে ব্যাতিক্রম আছে,,কিন্তু সেটা এতটাই নগন্য সংখ্যায় যে কোনোভাবেই উদাহরন হতে পারে না,,,এরা কংগ্রেস,বাম সবাই কে দাবার ঘুটি করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করে চলেছে আজ ও,,আর এই কং আর কম,,,শুধুমাত্র ক্ষমতার নেশায় এই জিহাদি তোল্লাই দিএ চলেছে!!! বুঝতে পারছে না,এরা কারো নয়,,এরা শুধু এবং শুধুই ইসলাম,,মানুষ নয় Courtesy: Anindita Paul.

বর্তমানে সনাতন

বর্তমানে সনাতন/হিন্দু সমাজের সকলেই এই সত্য অনুধাবনে সক্ষম যে, সাস্ত্রীয় ভুল/মিথ্যা ব্যাখ্যায় বর্ন প্রথা সৃষ্টি করে সনাতনের প্রকৃত আলোকে আরাল করা হয়েছিল। যার ফলশ্রুতি বর্ন বিদ্দেশের আগুনে পুরে সনাতনে অন্ধকার। এটা বুঝেও নিজে জেন এর বন্ধন থেকে বেড়িয়ে আসতে পারছে না। আমি যদি আত্মশক্তিতে এই বৈশম্যকে লাথি দিতে না পাড়ি, অন্যজনকে কি করে বলতে পারি? এখনো কখনো কখনো প্রশ্ন আসে, কোন জাত, মানে কোন বর্ন ? ওরে সালার বর্ন জাতের খ্যাতা পুরি। জাত-তো সনাতন হিন্দু।--আপনারা নিজের পরিচয় দিতে দ্বিধা করছে ? কেন ? ----------আমি এখানে স্বদম্ভে ঘোষনা করচি-- আমি বর্নকে লাথি দিয়েছি। আমার পূরো পরিবার বর্নকে লাথি দিয়েছে।--আমি দলিত নিম্ন শ্রেনী মানি না।--আমি তাদের সবাইকে এক সনাতন হিন্দু বলে বিবেচনা করি, একই সাথে গ্রহন করি, সকল অনুষ্ঠানে, নিম্ন বর্ন বলতে, দলিত বলতে কিছু নেই, যাহারা একটি শ্রেনীকে অবজ্ঞা করে রেখেছে, তারা সনাতন/হিন্দুর কীট, এই অবহেলিতরা আমার ভাই। আর অযোগ্য ব্যাক্তি পূর্বের বর্ন মতে যে খানেই জন্মাক না কেন, তার যোগ্যতার প্রাপ্যটুকুই সে পাবে। জন্ম সূত্রে ব্রাহ্মন হয় না। আমি জন্ম সূত্রকে গ্রহন করি না।---------সনাতন/হিন্দু সমাজকে ধর্মিয় বিধি পালনের জন্য---উপযুক্ত পূঁজারি ব্রাহ্মন সৃষ্টির জন্য, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ব্যাবস্থা গ্রহন করার আহ্বান রখছি। ---------সকলের কাছে এই ঘোষনার অনুরোধ রইলো। তাহা হলে আমাদের একধাপ অগ্রগতি হবে। সঙ্ঘ শক্তির দিকে এগিয়ে যাব। সকলে উৎফুল্ল চিত্তে এগিয়ে আসুন। "সত্যম শিবম সুন্দরম"।

হেফাজতে ইসলামের ১৩-দফা দাবী জেনে নিন।

হেফাজতে ইসলামের ১৩-দফা দাবী জেনে নিন। আগামী কিছু বছরে বাংলাদেশে এগুলো কার্যকর হতে চলেছে,এখনই আংশিকভাবে কার্যকর । পড়ে হয়ত বিশ্বাস হবেনা অনেকের, কিন্তু এটাই সত্যি । ১। সংবিধানে ‘আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরান-সুন্নাহ বিরোধী সকল আইন বাতিল করতে হবে। ২। আল্লাহ্‌, রাসুল (সা.) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুৎসা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস করতে হবে। ৩। কথিত শাহবাগী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী স্বঘোষিত নাস্তিক-মুরতাদ এবং প্রিয় নবী (সা.)-র শানে জঘন্য কুৎসা রটনাকারী কুলাঙ্গার ব্লগার ও ইসলাম বিদ্বেষীদের সকল অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শাস্তিদানের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪। ব্যক্তি ও বাক-স্বাধীনতার নামে সকল বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বলনসহ সকল বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। ৫। ইসলামবিরোধী নারীনীতি, ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাতিল করে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে। ৬। সরকারিভাবে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রমূলক সকল অপ-তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। ৭। মসজিদের নগরী ঢাকাকে মূর্তির নগরীতে রূপান্তর এবং দেশব্যাপী রাস্তার মোড়ে ও কলেজ-ভার্সিটিতেভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করতে হবে। ৮। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ে বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা অপসারণ এবং ওয়াজ-নসিহত ও ধর্মীয় কার্যকলাপে বাধাদান বন্ধ করতে হবে। ৯। রেডিও, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় দাড়ি-টুপি ও ইসলামী কৃষ্টি-কালচার নিয়ে হাসি-ঠাট্টা এবং নাটক-সিনেমায় খল ও নেতিবাচক চরিত্রে ধর্মীয় লেবাস-পোশাক পরিয়ে অভিনয়ের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মনে ইসলামের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব সৃষ্টির অপপ্রয়াস বন্ধ করতে হবে। ১০। পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত এনজিও এবং খ্রিস্টান মিশনারীদের ধর্মান্তকরণসহ সকল অপ-তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। ১১। রাসুলপ্রেমিক প্রতিবাদী আলেম-ওলামা, মাদরাসা ছাত্র এবং তৌহিদী জনতার ওপর হামলা, দমন-পীড়ন, নির্বিচার গুলিবর্ষণ এবং গণহত্যা বন্ধ করতে হবে। ১২। সারা দেশের কওমী মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, ওলামা-মাশায়েখ এবং মসজিদের ইমাম-খতিবকে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দানসহ তাদের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে। ১৩। অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত সকল আলেম-ওলামা, মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতাকে মুক্তিদান, দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণসহ দুষ্কৃতকারীদেরকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। বিঃদ্রঃ ধীরে ধীরে পশ্চিম বঙ্গে ও যে এই দাবী জোরাল হয়ে উঠবে তাতে সন্দেহ নেই। এবং, এর পক্ষে প্রচুর মতামত ও "আনন্দবাজারে" ও অন্যান্য সংবাদপত্রেও দেখা যেতে পারে। "কালীঘাট" আর "আলীমুদ্দিন" এর কথা আর নাই বা বললাম। ..... সংগৃহীত .....

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কনডম সংকট - BBC বাংলা

http://www.bbc.com/bengali/news/2015/08/150813_sm_india_condom_crisis?ocid=socialflow_facebook

Congress wants to save the family, BJP wants to save the country: PM Modi

http://m.firstpost.com/politics/congress-wants-save-family-bjp-wants-save-country-pm-modi-2391636.html

আমি যেখানে খেলতাম তিরিশ বছর পর গিয়ে দেখি সেখানে একটি মসজিদ উঠেছে

ছেলেবেলায় আমি যেখানে খেলতাম তিরিশ বছর পর গিয়ে দেখি সেখানে একটি মসজিদ উঠেছে। আমি জানতে চাই ছেলেরা এখন খেলে কোথায়? তারা বলে ছেলেরা এখন খেলে না, মসজিদে পাঁচবেলা নামাজ পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়েপড়ার সময় বুড়িগঙ্গার ধারে বেড়াতে গিয়ে যেখানে একঘন্টা পরস্পরের দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে ছিলাম আমি আর মরিয়ম, গিয়ে দেখি সৌদি সাহায্যে সেখানে একটা লাল ইটের মসজিদ উঠেছে। কোথাও নিষ্পলক দৃষ্টি নেই চারদিকে জোব্বা আর আলখাল্লা। পঁচিশ বছর আগে বোম্বাই সমুদ্রপারে এক সেমিনারে গিয়ে যেখানে আমরা সারারাত নেচেছিলাম আর পান করেছিলাম আর নেচেছিলাম, ১৯৯৫-এ গিয়ে দেখি সেখানে এক মস্ত মন্দির উঠেছে। দিকে দিকে নগ্ন সন্ন্যাসী, রাম আর সীতা, সংখ্যাহীন হনুমান; নাচ আর পান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফার্থ অফ ফোর্থের তীরের বনভূমিতে যেখানে সুজ্যান আমাকে জড়িয়ে ধ’রে বাড়িয়ে দিয়েছিলো লাল ঠোঁট, সেখানে গিয়ে দেখি মাথা তুলেছে এক গগনভেদি গির্জা। বনভূমি ঢেকে আকাশ থেকে মাটি পর্যন্ত ঝুলছে এ ক্রুদ্ধ ক্রুশকাঠ। আমি জিজ্ঞেস করি কেনো দিকে দিকে এতো প্রার্থনালয়? কেনো খেলার মাঠ নেই গ্রামে? কেনো নদীর ধারে নিষ্পলক পরস্পরের দিকে তাকিয়ে থাকার স্থান নেই? কেনো জায়গা নেই পরস্পরকে জড়িয়ে ধ’রে চুম্বনের? কেনো জায়গা নেই নাচ আর পানের? তারা বলে পৃথিবী ভ’রে গেছে পাপে, আসমান থেকে জমিন ছেয়ে গেছে গুনাহ্য তাই আমাদের একমাত্র কাজ এখন শুধুই প্রার্থনা। চারদিকে তাকিয়ে আমি অজস্র শক্তিশালী মুখমণ্ডল দেখতে পাই, তখন আর একথা অস্বীকার করতে পারিনা। . প্রার্থনালয় -কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু - হুমায়ুন আজাদ

ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান অনুপ্রবেশকারী লুটেরা

ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান অনুপ্রবেশকারী লুটেরা ধর্ষক রা যত হিন্দুদের ধর্মান্তর করেছে তার চেয়ে বেশি ধর্মান্তর ঘটেছে ইংরেজ ও তার পরবর্তী সময়ে। যা এখনো চলমান। মুসলমানেরা অত্যাচার নিপীড়ন দ্বারা ধর্মের প্রচার করেছে তা আ অস্বীকার করা যায়না কিন্তু বর্তমানকাল এ এর কারন কি? এর একমাত্র কারন হিন্দুসমাজের জাতিভেদ যা বর্তমান এ হিন্দুদের একটি জাতীয় ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। কিছুদিন আগেও ভারতে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। এর জন্য দায়ী কে? হ্যা এর জন্য আমরাই দায়ী। আর এর জন্য একদিন আমরা আমাদের উত্তরসূরি দের কাছে অপরাধী হয়ে থাকব। স্বামীজী আজীবন বলে গেছেন জাত পাত বিসর্জন দিয়ে মুচি, মেথর, দলিত সবাইকে আপন ভাই আপন রক্ত মনে করতে। আমরা স্বামীজীর সেই বানীতে অনুপ্রাণিত হতে পারিনা। আসুন আজই সবাই মিলে বলি আমরা সবাই হিন্দু। আমাদের কোন জাত নেই, বিভেদ নেই, আমরা সবাই ভাই ভাই। আজ থেকে আমাদের শপথ হোক : আর একজন হিন্দুকেও ধর্মের নামে অধর্ম গ্রহণ করতে দেবনা। জয় হিন্দু। জয় শ্রীরাম। —