http://www.banglamail24.com/news/2015/08/14/id/248250/
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 15 August 2015
মা আজ আপনার বড় দুঃখের দিন
মা আজ আপনার বড় দুঃখের দিন৷1947 সালে এই দিনে শেষবারের মত আপনার অঙ্গ. ছেদ করা হয়েছিল ৷৷৷৷আপনি অত্যাচারিত হয়েছেন 800 বছর ধরে ৷1192 সাল থেকে 1757 সাল পর্যন্ত মুসলিম এবং 1757 থেকে 1947 বৃটিশ দের দ্বারা৷৷ এত লাঞ্ছনা,অপমান,অত্যাচারের পর 1947 সালের এই দিনে আপনার অঙ্গ ছেদ করে যে যন্ত্রনা দিয়েছে সেই যন্ত্রনা কাতর করতে পারেনি বরং বীর সৈনিক দের নিয়ে আজ ও মাথা উঁচুকরে আছেন ৷৷ কিন্তু আপনার কিছু সন্তান আপনার খ্ত নিরাময় না করে আপনাকে কয়েক বার যুদ্ধে ঠেলে দিয়েছে ৷ যে কারনে আপনার অঙ্গছেদ শেষ বারের মত করা হয়েছিল সেই কারন এখন আবার মাথা চারা দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে কিছু ভোট ভিকারির সাহায্যের দ্বারা ৷৷৷ কিন্তু মাতা আমরা ও আপনার মত সদা জাগ্রত ৷আমরা আর অঙ্গ ছেদ হতে দেব না ৷আপনার শরিরের ওপর যে রক্তের হলি খেলার চেষ্টা করা হচ্ছে তা প্রতিহত করচ্ছি আর করব ৷৷ মা আপনার সন্তান আপনার সঙ্গে সব সময় আছি ৷৷
ঋষি আরবিন্দ মহাশয়ের সেই ভাবনা টা আর এক বার স্মরন করি "ভারত মাতা একদিন আবার অখন্ড হবেই" ৷
ভারত মাতা কি
জয়
বন্দেমাতরম ৷৷
ইমানদার দেশভক্ত
ইমানদার দেশভক্ত হলে পুরোটা পড়ুন ।
.
কে বলে ১৫ই আগষ্ট ১৯৪৭ ভারত স্বাধিনতা লাভ করেছে ?
আপনি প্রমান করে দেখাতে পারবেন যে India is a Independent Nation।
.
১৪ই আগষ্ট ১৯৪৭ রাত ১১:৫৯ টার পর লর্ড মাউন বেটেন আর আমাদের দেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রি নেহেরুর মধ্য Transfer of Power Agreement হয়েছিলো ।
Transfer of Power এবং Independance দুটো আলাদা জিনিস ।
।।
আপনারা দেখেছেন যে একটা পার্টী সরকার যখন ভোটে হেরেযায তখন হেরে যাওয়া প্রধান মন্ত্রি অন্য পার্টীর প্রধান যখন সপথ গ্রহন করেন তখন একটি কাগজে সহি করেন এবং কাগজ টি নতুন প্রধান মন্ত্রির কাছে যায তখন নতুন প্রধান মন্ত্রি কাগজটিতে সহি করেন একে Transfer of Power Agreement ।
১৪ই আগষ্টের রাতেও লর্ড মাউন বেটেন আর আমাদের দেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রি নেহেরুর মধ্য তাই হয়েছিলো ।।
।
খুব কম লোগ জানে যে ভারতের স্বাধীনতার আইন ব্রিটিশের সংসদ লন্ডনে বানানো হয়েছিলো Indian Independance Act 1947. এবং সেই আইনে পরিস্কার লিখা আছে যে এই আইন লাগু হয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তান নামে দুটি Dominion States বানানো হবে ।
Dominion States এর বাংলা মানে একটা বড় রাজ্যের অধীন একটা ছোটো রাজ্য, তো সেই বড়ো রাজ্য টা কে ?
সেই বড়ো রাজ্য টার নাম ব্রিটেন । আর আজও ভারত ব্রিটেনের উপনিবেশ ।
খুব কম লোক জানে কিছুদিন আগে যখন ব্রিটেনের মহারাণি ভারতে commonwealth game এসেছিলেন ভারতে প্রবেশ করার জন্য তার কোনো Passport,Visa র প্রয়োজন হয়নি । কারন একটাই মহারাণি অন্য কোনো দেশে জায়নি তার নিজের দেশে এসেছে ।
আমরা মুখে যতই বলি যে আমরা স্বাধীন কিন্তু লিখিত ভাবে আজও ভারত ব্রিটেনের উপনিবেশ ।।
সবাইকে শেয়ার করে দিন
ভারত মাতা কী জয় ।।
আর্য সঞ্জয় ।।
ইমানদার দেশভক্ত হলে পুরোটা পড়ুন ।
.
কে বলে ১৫ই আগষ্ট ১৯৪৭ ভারত স্বাধিনতা লাভ করেছে ?
আপনি প্রমান করে দেখাতে পারবেন যে India is a Independent Nation।
.
১৪ই আগষ্ট ১৯৪৭ রাত ১১:৫৯ টার পর লর্ড মাউন বেটেন আর আমাদের দেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রি নেহেরুর মধ্য Transfer of Power Agreement হয়েছিলো ।
Transfer of Power এবং Independance দুটো আলাদা জিনিস ।
।।
আপনারা দেখেছেন যে একটা পার্টী সরকার যখন ভোটে হেরেযায তখন হেরে যাওয়া প্রধান মন্ত্রি অন্য পার্টীর প্রধান যখন সপথ গ্রহন করেন তখন একটি কাগজে সহি করেন এবং কাগজ টি নতুন প্রধান মন্ত্রির কাছে যায তখন নতুন প্রধান মন্ত্রি কাগজটিতে সহি করেন একে Transfer of Power Agreement ।
১৪ই আগষ্টের রাতেও লর্ড মাউন বেটেন আর আমাদের দেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রি নেহেরুর মধ্য তাই হয়েছিলো ।।
।
খুব কম লোগ জানে যে ভারতের স্বাধীনতার আইন ব্রিটিশের সংসদ লন্ডনে বানানো হয়েছিলো Indian Independance Act 1947. এবং সেই আইনে পরিস্কার লিখা আছে যে এই আইন লাগু হয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তান নামে দুটি Dominion States বানানো হবে ।
Dominion States এর বাংলা মানে একটা বড় রাজ্যের অধীন একটা ছোটো রাজ্য, তো সেই বড়ো রাজ্য টা কে ?
সেই বড়ো রাজ্য টার নাম ব্রিটেন । আর আজও ভারত ব্রিটেনের উপনিবেশ ।
খুব কম লোক জানে কিছুদিন আগে যখন ব্রিটেনের মহারাণি ভারতে commonwealth game এসেছিলেন ভারতে প্রবেশ করার জন্য তার কোনো Passport,Visa র প্রয়োজন হয়নি । কারন একটাই মহারাণি অন্য কোনো দেশে জায়নি তার নিজের দেশে এসেছে ।
আমরা মুখে যতই বলি যে আমরা স্বাধীন কিন্তু লিখিত ভাবে আজও ভারত ব্রিটেনের উপনিবেশ ।।
সবাইকে শেয়ার করে দিন
ভারত মাতা কী জয় ।।
আর্য সঞ্জয় ।।
সবাই বলে যে ভারতের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালে
সবাই বলে যে ভারতের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালে, কিন্তু আমি বলি না কথাটা পুরোপুরি সঠিক নয়। প্রকৃত পক্ষে ভারতের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল অনেক আগেই। ১১৯২ সালে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে পৃত্থীরাজ চৌহান মহম্মদ ঘোরীর নিকট পরাজিত হলে ভারতবর্ষের পরাধীনতার প্রথম পর্বের সূচনা হয় এবং এর চূড়ান্ত যবনিকা ঘটে ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। দুটি ক্ষেত্রেই ভারতীয়দের ক্ষমতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কূটবুদ্ধি ও চক্রান্তের কাছে তারা হেরে যায়। দুটি ক্ষেত্রেই ঘরের শত্রু বিভীষণদের প্রত্যক্ষ মদত ছিলো। ভারতকে আবারো পরাধীন করার চক্রান্তে সামিল হয়েছে আইএস,তালিবান প্রভৃতি আসুরিক শক্তি। মধ্যপ্রাচ্যকে নরকে পরিনত করার পর এই অসুরদের নজর পরেছে পবিত্রভূমি ভারতের দিকে। এই অসুর বাহিনী এবং তাদের অনুচররা ইতিমধ্যেই তাদের কর্মসূচী তৈরি করে ফেলেছে। ঘরের শত্রু বিভীষণের বংশধররা পূর্বের মতোই তাদের সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং তারা সেই মাফিক কাজও শুরু করে দিয়েছে। তাই ভারতের স্বাধীনতা আবারও প্রশ্নের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো ভাবেই অতীতের ঘটনার মুখোমুখি হতে না হয় সেই জন্য আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। ঘরের শত্রু বিভীষণদের দ্রুত চিহ্নিত করে একে একে খুঁজে বের করতে হবে এবং তাদের চক্রান্তের মুখোশ জনসমক্ষে খুলে দিতে হবে। কারণ আমাদের ভাগ্য রয়েছে আমাদেরই হাতে। ভারত মাতাকে আর কোনোভাবেই পরাধীনতার শিকল পরতে দেওয়া যাবে না। আমাদের ভারত মাতা ইতিমধ্যেই দুইবার পরাধীনতার শিকল পরতে বাধ্য হয়েছেন। অনেক হয়েছে, আর নয়। এবার সময় এসেছে রুখে দাঁড়াবার। সময় এসেছে হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার। সময় এসেছে যুদ্ধ করার। সময় এসেছে পালটা মার দেওয়ার।
Friday, 14 August 2015
Rahul Gandhi's 'cheat sheet' for Parliament speech caught on camera - TOI Mobile | The Times of India Mobile Site
http://m.timesofindia.com/india/Rahul-Gandhis-cheat-sheet-for-Parliament-speech-caught-on-camera/articleshow/48466047.cms?utm_source=facebook.com&utm_medium=referral&utm_campaign=TOI
সিগারেটের শেষ টান
সিগারেটের শেষ টানটা একটা তীক্ষ্ণ অবসাদ নিয়ে আসে
যে অবসাদ থেকে মুক্তি নেই।
শেষ শয্যায় শুয়ে বাবা বলেছিল,
জান্নাতে হুরপরীরা এসে বাবার সেবা করবে এরপর . . .
মৃত্যুশয্যায় লোকটার চোখ দুটো চকচক করছিল
লোভ,আনন্দ,কাম,আশা,শ্রদ্ধা- কিসের প্রভাব ঠিক বুঝি নি।
শুধু মনে হয়েছিল,
কি আশ্চর্য! সারাজীবন ক্রীতদাসী ও যৌনদাসীর ভুমিকায় পার্ট করা মা,
হুরপরী হতে পারল না।
-সৌতন বসাক
Subscribe to:
Posts (Atom)