Monday, 17 August 2015

বাংলাদেশের ইতিহাস

রানা দাশগুপ্ত : বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম ধর্মীয় ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজনকে প্রধান বিচারপতি পদে বসানো হয়েছে। অথচ ভারতে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি থেকে অনেক উচ্চপদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা আসীন ছিলেন এবং আছেন। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহে যেমন এটি হয়েছে, তেমনি প্রধান বিচারপতি যেদিন পদায়ন পেয়েছেন, সেদিনই ওলামা লীগ সমাবেশ করে এর বিরোধিতা করেছে। এখন তারা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। আবার এই সংগঠনের সভা-সমাবেশে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও যান। যে কথাগুলো মৌলবাদী ডানপন্থীরা বলতে পারছে না, ওলামা লীগ সেটিই বলছে। তাদের এসব তৎপরতা মৌলবাদীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পাঁচ দফা চুক্তির কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়, যাতে শরিয়াহ আইন চালুর কথা বলা হয়েছিল। এখন আওয়ামী লীগকেই পরিষ্কার করতে হবে, তারা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, না ওলামা লীগের দাবি অনুযায়ী ধর্মরাষ্ট্র? দুটো তো একসঙ্গে চলে না। ৬৮ বছর ধরেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা বঞ্চিত। মেধা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদের উপযুক্ত পদ দেওয়া হয়নি। তাই বর্তমান সরকারের আমলে যখন যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে কিছু ক্ষেত্রে (সব ক্ষেত্রে নয়) সংখ্যালঘুদের পদায়ন করা হচ্ছে, তখনই অন্ধকারের শক্তি শোরগোল তুলছে।

শিক্ষায় হস্তক্ষেপ নিয়ে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ফের বিস্ফোরক অমর্ত্য সেন

http://abpananda.abplive.in/incoming/2015/08/16/article686510.ece/Interference-in-academic-matters-extreme-under-NDA-Amartya

Sunday, 16 August 2015

নবী মুহাম্মদের খৎনা কখন হয়, কেউ জানেন কি?

নবী মুহাম্মদের খৎনা কখন হয়, কেউ জানেন কি? চারটি প্রচলিত মত আছে। ১. মুহাম্মদের জন্মগত খত্না ছিল মুসানবি, দাঊদ, ইয়াকুবেরও নাকি জন্মগত খত্না ছিল। জন্মগত খত্না একটি জন্মগত ত্রুটি বলে প্যাগান সংস্কৃতিতে এটিকে অমঙ্গলের চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হত। ইহুদিরা অবশ্য একে মঙ্গল চিহ্ন মানে। ২. সম্ভবত, জন্মগত খত্নার বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য দ্বিতীয় মতের জন্ম হয় যে, মুহাম্মদের খত্না করেছিলেন ফেরেশতা জিবরাইল।( গাজাখুরি কথা) ৩. খত্না নিয়ে এই সন্দেহের বিষয়টিকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য তৃতীয় একটি মতের জন্ম হয় এবং অনেক মুসলমানদের কাছে এটিই গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে যে, উনারা পিতামহ আবদুল মুত্তালিব উনার খত্না করিয়েছিলে ন।(আরেকটি মিথ্যা) ৪. মুহাম্মদের খত্না হয়নি, এমনও একটি মত প্রচলিত আছে। পুরো ব্যাপারটাই ছিল নবির বানানো একটা ভুতুড়ে নিয়ন।যেটাকে বিশ্বাস করানোর জন্য নবির এত কায়দা। খত্নাকে মুসলিমরা আল্লাহর নিয়ম বলে বিশ্বাস করে।আল্লাহ কি ইসলামিস্টদের বানাতে কোন ভুল করলো নাকি??তাই ইসলামিস্টরা জন্মের পর সেই ভুল শুধরাচ্ছে।কোরানে আছে আল্লাহ মানুষ বানাতে ভুল করেনি।তাহলে এটা কি আল্লাহর ভুল নাকি মতিভ্রম??? পৃথিবীতে মোট জনসংখা প্রায় ৭২০ কোটি।তার মধ্যে ইসলামিস্ট রয়েছে ১৫৮ কোটি।বাকি রইলো ৫৬২ কোটি।এর মধ্যে কত কোটি পুরুষ তা আপনারাই বিবেচনা করুন। তাহলে বোঝা যাচ্ছে জনসং্খার ৪ ভাগ পুরুষের মধ্যে ১ ভাগ খত্নার মত বর্বর নিয়মটি পালন করে।বাকি ৩ ভাগ পুরুষের কি অসুবিধা হচ্ছে??নাকি তারা পিতা হতে পারছে না?? বিশ্বের বহু দেশেই এই নিয়মকে পাপ হিসিবে ধরা হয়। এই নিয়ম যদি আল্লাহর হত তাহলে কেন ইসলামিস্টদের খত্না করিয়ে পাঠালো না আল্লাহ?? নাকি আল্লাহর কাছে ধারালো কাচি ছিল না?? তাহলে কেন ভন্ড ইসলামিস্টরা আল্লাহর উপর আল্লাহগিরি করে??

15 Great Freedom Fighters from Bengal | GoBengal

http://gobengal.com/15-great-freedom-fighters-from-bengal/

2007 থেকে 2014 সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সনাতনীদের উপর অত্যাচারের বিবরনঃ-

2007 থেকে 2014 সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সনাতনীদের উপর অত্যাচারের বিবরনঃ- , 1)1699 টি মন্দিরে হামলা ও প্রতিমা ভাংচুরকরন,2)505 0টি সনাতনী পরিবার উচ্ছেদকরন , 3)406টি জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরকরন,4) 302 টি সনাতনী মেয়ে ধর্ষন| , আপনার মহান সনাতন ধর্মের মানুষের উপর এরকম মধ্যযুগীয় কায়দায় অত্যাচার দেখে আপনি একটুকুও বিচলিত হচ্ছেন না??? , আপনার শরীরে কি সনাতনী পিতার রক্ত নেই?? , একটু ভাবুন তো যদি অন্য কোন ধর্মের মানুষের উপর এরকম অমানবিক অত্যাচার হত তাহলে তারা নপুংসকের মত চুড়ি পরে বসে থাকত?? , আর কত% সনাতনী কমলে,আর কতটা সংখ্যালঘু হলে,আর কত অত্যাচারিত হলে সব সনাতনীদের ঘুম ভাঙার সময় হবে?? , সনাতন সমাজকে একতাবদ্ধ তথা রক্ষার জন্য একটু কাজ করলে এমন কিসময় বা অর্থ নষ্ট হয়?? , আপনার কি একবারও ইচ্ছা হয়না আপনার মহান সনাতন ধর্মের মানুষেরা এরকম মধ্যযুগীয় কায়দায় অত্যাচারিত না হয়ে একটু সুখে শান্তিতে থাকুক?? , আপনি কি চান না আপনার মহান সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য আরে বৃদ্ধি পাক?? , তাই আসুন আমরা সবাই সনাতন সমাজকে একতাবদ্ধ তথা রক্ষা করার জন্য কাজ করি|

Israil

ইজরায়েল এমন একটা দেশ যার জনসংখ্যা 80 লাখের মতো , আর 150 কোটি মুসলিম জনসংখ্যা পৃথিবীতে 56 টা মুসলিম দেশ আছে , এরা সবাই মিলে ইজরায়েল কে যুদ্ধে হারাতে পারেনি আজও পর্যন্ত ।আইএসআই পুরো আরবে খুন বোমা বাজি করে পায়ের তলায় চেপে রেখেছে আরবের মুসলিম দের ।কিন্তু এখনও পর্যন্ত একটি গুলি ও করেনি ইজরায়েলের উপরে , ইজরায়েল দেশটি সিরিয়ার পাশের দেশ, আইএসআই রা একজনও ইজরায়েলের নাগরিকদের গায়ে হাত দেয়না । কেনো জানেন ওরা ভালো করেই জানে ইজরায়েলের নাগরিকের গায়ে হাত পড়লে ওদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে । ইজরায়েলের শক্তি আজকের থেকে তৈরি হয়নি , যখন হিটলারের থেকে প্রান বাঁচিয়ে ইহুদিরা ইজরায়েলে এসে ইজরায়েল তৈরি করে ছিল, তখন আরবের মুসলিম রা প্রথম 1948 সালে হামলা করেছিল, ওই সময় ইজরায়েল সবে মাত্র তৈরি হচ্ছিল, তখন এদের কাছে বড়ো কোনও সৈন্য বোমা গুলি এইসব ছিলই না , কিন্তু তখনও আরবদের হারিয়ে ছিল ইজরায়েল খুব সহজেই, 1948 সালে । তখন থেকে আজ পর্যন্ত আরবের সংগে 6 বার যুদ্ধ হয়েছে , কিন্তু মুসলিম রা একবারও জিততে পারেনি । খতির দিক দেখলে 1948 সাল থেকে আজ পর্যন্ত ইজরায়েলের 22000 হাজার সৈন্য আর আরবের 1.10.000 হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয়েছে । ইজরায়েল এমন একটা দেশ যার চার পাশেই মুসলিম দেশ দিয়ে ঘেরা ।কিন্তু কোনও মুসলিম দেশ বা আইএসআই রা ইজরায়েলের বাঁকা চুল সোজা করতে পারেনি , বলতে গেলে ইজরায়েল মুসলিম দের যম ।ইজরায়েল শক্তিশালি এইজন্য এখানকার মানুষের মৃত্যু নিয়ে কোনও আপস হয়না , মৃত্যুর বদলে মৃত্যু ।আমাদের ভারতের নোংরা রাজনৈতিক এবং নোংরা সংবিধান তাদের নয় , ভারতের সাধারণ মানুষের কোনও মূল্যে ই দেওয়া হয়না , কিন্তু ইজরায়েলের প্রতিটা নাগরিক সবাই সবার জন্য জীবন দিতে পারে । আর একটা কথা বন্ধুগন ইজরায়েল প্রথমে আক্রমন করেনা । কিন্তু কেউ ওদের লাগালে তাদের ছেড়ে দেয়না ।এইজন্য জংগি সংগঠন বা মুসলিম দেশ গুলো টেরা চোখে ভূলেও তাকাতে সাহস করেনা । ইনুক অলিংপিকে জিহাদিরা ইজরায়েলের খেলোয়াড়কে জার্মানে হত্যা করেছিল, আর পরে জিহাদিরা কোনও মুসলিম দেশে লুকিয়ে ছিল, যাদের সংখ্যা অনেক ছিল ।ইজরায়েলের মাত্র 30 জন সৈনিক মুসলিম দেশে ঢুকে জিহাদিদের মেরে এসেছিল । ইজরায়েলের মাত্র একজন সৈন্য সহিদ হয়েছিল ।একবার ইজরায়েলের নাগরিক দের হত্যা করে কিছু মুসলিম, পরে তাঁরা ফেরার হয়ে যায় , এই খূনি মুসলিম রা নাম ঠিকানা বদলে অন্য' মুসলিম দেশে চলে যায় , 25 বছর পরে খূনি দের দক্ষিন আমেরিকার এক হোটেলে ঢুকে ইজরায়েলি সৈন্য তাদের আল্লার কাছে পাঠিয়ে দেয় । ভারতকে ইজরায়েলের থেকে শিখতে হবে , যদি ভারত ইজরায়েলের 10% ভাগ গুন পায় , পাকিস্তান তো দুর পৃথিবীর কোনও দেশ ভারতের দিকে চোখ তুলে দেখার সাহস করবে না । এখনকার নেতাদের কথা ছাড়ুন এক একটা হারামি ।এই পোস্ট টি শেয়ার করো , যেন যুবক রা পরবতী প্রজন্ম দেশ ভক্তি শিখে আর ভবিষ্যতে নেতা হয়ে ইজরায়েলের মতো দেশ শাশন করে । ইজরায়েল আর ওদের দেশের লোকেদের অনেক অনেক ভালোবাসা জানাই ।

নরেন্দ্র মোদীজীকে (বর্তমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী) ভারতের উচ্চ-আদালত, গুজরাত দাঙ্গায় দোষী প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদীজীকে (বর্তমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী) ভারতের উচ্চ-আদালত, গুজরাত দাঙ্গায় দোষী প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। সেখানে, মোদীজীকে ঘিরে বাংলাদেশের কোন সলিমুল্লাহ না কলিমুল্লাহ না কোন হরিদাস পাল মোদীজীকে নিয়ে মন্তব্য করে যাচ্ছে, এত স্পর্ধা হয় কি করে ? ** একটি গণতান্ত্রিক দেশের উচ্চ-আদালতের রায়কে শ্রদ্ধা করতে জানেনা... তাই এই অবস্থা। নিজেরা যেমন অপদার্থ তেমনি বিশ্বের সবাইকেই অপদার্থ ভাবাটা এদের জন্মগত বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে আদালতের বিচার ব্যবস্থার উপর বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কোনো আস্থা নেই। যার পক্ষে রায় যায়, সে বলে আদালত নিরপেক্ষ বিচার করে। আর যার বিপক্ষে যায়, সে আদালতের মুণ্ড প্রকাশ্যে চিবায়। আর আদালতকে কাঁচকলা দেখানো, দেখে দেখে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক অভ্যস্ত । তাই কোনো দেশের আদালতের বিচারব্যবস্থা একটু উন্নত দেখে সহ্য হচ্ছে না !!! ভারতবর্ষের বিচার ব্যবস্থা কে বাংলাদেশের সমকক্ষে না দাড় করানো পর্যন্ত বাঙ্গালদের শান্তি হচ্ছে না। কিন্তু ভারতীয় আদালতের নির্দেশ অমান্য করার মতো আজ অব্দী ভারতের মাটিতে কেউ দৃষ্টান্ত রাখতে সাহস করেনি। সুতরাং বাদরের তিন নম্বর বাচ্চার মতো লাফালাফি করা বন্ধ করুন ? আগে বাংলাদেশের নিরিহ হিন্দু নির্যাতনের বিচার করুন, হিন্দু মন্দির ধ্বংসের বিচার করুন, হিন্দু নারীদের গনিমতের মাল মনে করে ধর্ষণ করা জানোয়ারদের বিচার করুন.... কথায় কথায় বাংলাদেশী হিন্দুদের মালায়ন, মালু, কাফের বলা অমানুষ দের বিচার করুন। ** কথায় কথায় গুজরাত দাঙ্গায় নিহতের শোকে, বাংলাদেশের মুসলমরা মায়া কান্নাকরে বুক ভাসিয়ে দেয়। আঃ কি প্রেম !!! এ যেনো মাছের মায়ের পুত্রশোক! চোখের সামনে সিরিয়াতে, হাজার অতিক্রম করে এখন নিহতের সংখ্যা লক্ষ অতিক্রম করেছে। চল্লিশ বছরের বেশী সময় ধরে আফগানিস্থানে কত লক্ষ মরেছে, প্রতিদিন ইরাক, ইরানে মরছে, সেই হিসেব আপনাদের কাছে নেই। পাকিস্তানে, রোজ মরছে। এই মৃত্যুর বিরুদ্ধে ক'বার নিন্দা জানান? মুসলিমরা এগুলো চোখে দেখতে পান না? না কি ওরা মুসলমান নয়? যারা গুজরাতের জন্য কাঁদেন তারা কি গুজরাট দাঙ্গার সূত্রপাত কে কখনো নিন্দা জানিয়েছেন? যখন কোনো অ-মুসলিম নর-নারী শিশুরও এই একই রকমের কোনো ঘটনার শিকার হয় তখনও কি আপনাদের চোখের জলে বুক ভাসে? যারা কেবল একপেশে বিচার করে, নরেন্দ্র মোদীকে দায়ী করে কিন্তু ওই ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে কোনো কথা বলেন না, এড়িয়ে যান, নিন্দা জানাতে কষ্ট হয় তারা কখনোই সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ হতে পারে না। ধরুন যদি গোধরা স্টেশনে হত্যাকাণ্ডের মতো, যদি কোনো হজ ফেরত কোনো ট্রেন বা বাস বা কোনো বিমানে হিন্দুরা বা বৌদ্ধরা বা খৃষ্টানরা পেট্রল বোমাতে একশো মানুষ জীবিত পুড়িয়ে মারে, তাহলে কি হতো ? তখন কি আপনারা "কবি নজরুলের" কবিতা আবৃত্তি করতেন? "গাহি সাম্যের গান- - - -!!" ** যারা, ইচ্ছাকৃতভাবে কেবল দ্বিতীয় পর্যায়ের হত্যা নিয়ে কথা বলে, তারা হলো খুব বড় মাপের শয়তান !! যদি সমালোচনা ও নিন্দা জানাতে হয়, তবে যে কোন অন্যায়-কেই অন্যায়কে অন্যায় বলতে শিখতে হবে, কোনো অন্যায়কেই ছাড় দেওয়া যাবে না। অন্যায় মানে অন্যায়। আর যদি সে সদসাহস না থাকে, তাহলে চাটুকারিতা ছেড়ে চুপচাপ থাকুন। কথাটা হচ্ছে পশুদের মধ্যে গাঁধার বুদ্ধি তুনামুলক ভাবে কম, কিন্তু শৃগালের বুদ্ধি অনেক বেশী। তাই শৃগালের ব্যারিস্টার হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে গাধা !!!! Biplab Dutta