http://zeenews.india.com/bengali/zila/root-of-mumbail-threat-call-sim-is-west-bengal-2-arrested_130626.html
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 17 August 2015
গত, ১৫ই আগস্ট ২০১৫
গত, ১৫ই আগস্ট ২০১৫, শনিবার... ভারতবর্ষের ৬৯ তম অধীনতা (স্বাধীনতা) দিবস এবং ঋষি অরবিন্দ ঘোষের ১৪৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে আমার বিনম্র নিবেদনঃ ...
ইংরেজ তুমি ফিরে এসো-----, দাসত্বে আমার জন্মগত অধিকার...।
(গত ১৫ই আগস্ট প্রথম পর্বের পর... আজ ১৭ই আগস্ট দ্বিতীয় এবং শেষ পর্ব।)
ইতিহাসের পাতায় নেহেরু-গান্ধী ঘেঁষা বিভিন্ন ভারতীয় ঐতিহাসিকের দল (বিপান চন্দ্র, রোমিলা থাপার,......ইরফান হাবিব... ইত্যাদি)বিভিন্নভাবে ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসলমানের যৌথ আত্মত্যাগের ফানুস উড়াবার চেষ্টা করলেও তৎকালীন বিদেশি ঐতিহাসিকদের বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রামান্য দলিল দস্তাবেজ তাদের সেই দাবীর অসারতাই প্রমান করে।
আরেকটি ভ্রান্ত ধারনা – গান্ধী সহ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের আন্দোলনের ফলেই নাকি আমাদের স্বাধীনতা এসেছে। প্রথম কথা স্বাধীনতা কেউ কাউকে স্বেচ্ছায় দেয় না। তা ছিনিয়ে নিতে হয়। আমাদের ক্ষেত্রে তা আদৌ হয় নি। এই কারনেই কম্যুনিস্টরা হয়তো এককালে স্লোগান দিতেন “ এ আজাদি ঝুটা হ্যায় ”।
পরিশেষে হিন্দুর বহু আত্মত্যাগের শেষ পর্যায়ে যখন স্বাধীনতা প্রাপ্তির বিষয় টি উজ্জ্বল হয়ে উঠল সেই সময়
ব্রিটিশকে বন্ধু বনানোর সুবাদে ১৯৪৪ সালে চৌধুরী রহমত আলীর প্রস্তাবিত পাকিস্থান... মাত্র ১৩ বছরের মধ্যেই আত্মপ্রকাশ করে সব্বাইকে তাক লাগিয়ে দিল।
অত্যন্ত তাৎপর্যের বিষয় এই যে,- ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত ভারতবর্ষের মুসলমান সম্প্রদায় দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ভারত বর্ষকে তিন খণ্ডে ভাগ করেন। তাদের মূল বক্তব্য ছিল তারা হিন্দুদের সঙ্গে থাকতে পারবেন না, তাদের ধর্ম বোধ আলাদা। – জয় পরাজয় বোধ আলাদা। তাদের আলাদা হোম ল্যান্ড চাই। সেই সময় অবিভক্ত ভারতে মুসলমানের সংখ্যা ছিল ৯ কোটি। জনসংখ্যার অনুপাতে তারা ছিলেন।২৩% আবার এই ২৩% মানুষের মধ্যে ৯৫ % মানুষ সেদিন পাকিস্থান এর পক্ষে মত দিয়ে ছিলেন। মজার বিষয় সেই পাকিস্থান চাওয়া মানুষ গুলোর মধ্যে বেসিরভাগ কিন্তু ভারতেই থেকে গেলেন...... তাহলে তারা ভারত ভাগ চাইলেন কেন? উত্তর টা খুবই সহজ - আরেক টা পাকিস্থান। জিন্না সাহেব প্রায়শই বলতেন - " প্রত্যেক মুসলমানের হৃদয়ে আছে একটা করে পাকিস্থান। জীবদ্দশায় সেটিকে কখনই তার থেকে আলাদা করা সম্ভব নয়"।
তখন আরবের তেলের রমরমা ছিল না তাই তাদের হাতে পেট্রোডলারও ছিল না। ছিল না তেমন কোন মারাত্মক অস্ত্র শস্ত্র। শুধুমাত্র লাঠি, ছুরি, তলোয়ার... আর গায়ের জোরেই প্রত্যক্ষ সংগ্রাম (Direct action) করে তারা সেই দিন আমাদের এই দেশ মাতৃকাকে তিন খন্ড করে ফেলে দিল। কোটি কোটি হিন্দু উদ্বাস্তু হল। লক্ষ লক্ষ হিন্দু মেয়ে হল ধর্ষিতা। একটি হিসেব মতে দিল্লীর করোলবাগে একটি হাসপাতালে প্রায় ৭৫,০০০ শিশুকে গর্ভপাত করিয়ে বিনিস্ট করা হয়েছিল সেদিন...!
আর আজ আরবের তেলের রমরমা, তার সঙ্গে পেট্রোডলার এর উপচে পড়া ভাণ্ডার, আর ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ? আনুমানিক ২৫ কোটি ছুঁই ছুঁই (ইন্দোনেশিয়ার পর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। যদিও ২০১১ এর আদমশুমারির গানিতিক সম্প্রদায়গত জন বিন্যাসের হার এখনও আমাদের নাগালের বাহিরে। পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারের কাছে RTI করেও ২০১১ এর মুসলিম জনসংখ্যার হিসেব পাওয়া যায়নি!!!!! ) সার্বিক জনসংখ্যার অনুপাতে প্রায় ৩২%। বর্তমানে তাদের হাতে মারাত্মক ও অত্যাধুনিক অস্ত্র শস্ত্র। বিভিন্ন জেহাদি গ্রুপ - লস্কর ই তৈবা, জয়েস ই মুহাম্মদ, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন, সিমি ......... এর রমরমা। সর্বোপরি পারমানবিক শক্তিধর পাকিস্থানের সক্রিয় উপস্থিতি। এর সঙ্গে আমাদের ভণ্ড সেকুলার রাজনিতিবিদদের নির্লজ্জ মুসলিম তোষণ। লাভ জেহাদ (Love Jihad) এর মাধ্যমে হিন্দু মেয়েদের বিয়ের মাধ্যমে মুসলমান বানানো , অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশ। মুসলিম বহু বিবাহ, - অনিয়ন্ত্রিত জন্ম হার, লোভ বা ভয় দেখিয়ে ধর্মান্তর এইসব ঘটনার পরে কি মনে হয়? .........????
১৯৪৭ সালে প্রায় নিঃসহায় ৯ কোটি মুসলমান যদি ভারত কেটে তিন টুকরো করতে পারেন, তবে ২০......?? সালে ২৫ কোটি প্রবল প্রতাপান্বিত মুসলমান, যারা আজও পাকিস্থান,ক্রিকেট খেলায় জিতলে বাজি পোড়ান, TV তে মালা দেন ব্যান্ড পার্টি বের করেন...। ......তারা কি বসে বসে রামধুন গাইবেন?"
আর আমরা হিন্দু পাঁঠার দল - নিশ্চিন্তে সেকুলারিজম এর ঢেঁকুর তুলে নানা দল উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ছি। কিন্তু এ ভাবে আর কত দিন......??????
মনে রাখা দরকার আমাদের এই পোড়া গণতন্ত্রের দেশে "সংখ্যাই" হল সবচেয়ে বড় সত্য। এখন আর বাইরের দেশ থেকে কামান বন্দুক নিয়ে ‘নারারে এ তকবির’ ধ্বনি দিতে দিতে কেউ ভারত দখল করতে আসবে না।
শুধু সংখ্যা বাড়িয়েই হাঁসতে হাঁসতে ভারতবর্ষ দখল করা সম্ভব। হয়তো স্লোগান উঠবে... “লড়কে লিয়া পাকিস্থান – হাঁসকে লেঙ্গে হিন্দুস্থান”।
হিন্দু বন্ধুরা, ------ ধর্মনিরপেক্ষতা ছেড়ে তাই এবার রাজনীতি নিরপেক্ষ হতে শেখো। হিন্দুর হিন্দুত্ব ছাড়া আর অন্য কোন দল হতে পারে না। - এই সত্যকে মানতে শেখ...... একমাত্র প্রতিক্রিয়াশীল ও সংবেদনশীল হিন্দুত্বই তোমাকে বাঁচাতে পারে। আর তুমি বাঁচলে... তবেই বাঁচবে তোমার দেশ......... তোমার ধর্ম।
আত্মরক্ষা না হলে ধর্মরক্ষা সম্ভব নয়......।। আর তাই তোমায় আত্মরক্ষা করতে সচেষ্ট হতে হবে... জ্ঞান গরিমায় তুমি মহিমান্বিত হলেও তুমি আজও সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার কৌশল আয়ত্ত করতে পারো নি। এমন কি বিপদে পড়লে তোমার জ্ঞানগর্ভ মাথায় দৌড়ে পালানোর মত বুদ্ধি টুকুও আসে না। তাই তোমার ঘরে টিভি ফ্রিজ......... গাড়ি সব রয়েছে। শুধু নেই গরু তাড়ানোর মতো আপাত নিরীহ একটা লাঠি...।।
আর তাই নিশ্চিত হও অদূর ভবিষ্যতে বিজাতীয় আরব সাম্রজ্যবাদের দাসত্ব করার জন্যে। তৈরি থেকো পুনরায় আরেকটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের অশনি সংকেতের অপেক্ষায়...।
সাবধান... ভাই .... সাবধান...... আমি সেই মহাগর্জন... সেই রননাদ... ভীমহুংকার শুনতে পাচ্ছি... তোমরা কি পাচ্ছো না?
আর তাই আবার শরণাপন্ন হতে ইচ্ছে করছে... পশ্চিমী শক্তির কাছে......।। নতজানু হয়ে সকাতর অনুরোধ জানাতে ইচ্ছে করছে......
“দাস খৎ যদি ভাগ্য-লিখন; তবে তোমাকেই অগ্রাধিকার...।
ইংরেজ তুমি ফিরে এসো, দাসত্বে আমার জন্মগত অধিকার...”।
(সমাপ্ত...)
হিন্দু সংহতির মিছিল
আজ হিন্দু সংহতির মিছিলে কিছু ব্যাক্তিগত সমস্যার জন্য যেতে পারিনি তবুও পাখির চোখ ছিল সেই মহামিছিলের উপর । বাংলার হিন্দুদের ভবিষ্যত কোনো রাজনৈতিকদলের পক্ষে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব কারন বেসরকারীভাবে ৩৮শতাংশ মুসলিম এখন পশ্চিমবঙ্গে । শ্রদ্ধেয় তপন ঘোষই পরবর্তী শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী কিংবা গোপাল পাঁঠার ভূমিকা নিতে চলেছেন সেবিষয়ে কোন সন্দেহ নেই । রাজনৈতিক ক্ষমতা গদির লোভ ছাড়াই যেভাবে হিন্দু সংহতি ঐক্যবদ্ধতার কাজ করছেন তার সুফল আজকের মহামিছিল । মিছিলে ১৮ থেকে ২৫ বছরের যুবকদের ঢল আজ বেশী ছিল, এমনকি রাজনৈতিক রং ভুলে আজ সবাই হিন্দু বাঁচাতে পথে নেমেছিল । পুলিশদের মধ্যেও আজ যথেষ্ট উত্তেজনা দেখা গেছে হিন্দুত্ববাদকে জাগ্রত করার জন্য । দুঃখের বিষয়ে এই মিছিলে ধর্মনিরপেক্ষ মিডিয়াকে দেখা পাওয়া গেল না। বাংলার বুকে পূনরায় হিন্দুত্ববাদ জাগ্রত করে বাংলাকে ইসলামীকরনের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তপন ঘোষ এবং উনার সংগঠন হিন্দু সংহতি যেভাবে রুখে দাঁড়িয়েছে তাতে আমাদের সকলের সহযোগীতা করা উচিত। হিন্দু সংহতির সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করলে তবেই বাংলাকে বাঁচানো সম্ভব এটা আজ অনেক মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল। সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য
বঙ্গভাষী হিন্দুর জাগরন ....
বঙ্গভাষী হিন্দুর জাগরন .... আর.... সাম্প্রদায়িক রাজনীতি বুঝি সমার্থক?
না ... তা কখনোই এক নয়। সম্পুর্ন ভুল! .. এটা একটি সম্প্রদায়ের বাঁচার লড়াই ... এর সঙ্গে সাম্প্রদায়ীক রাজনীতির কোন সম্পর্কই নেই। বাঁচার অধিকার আমাদের প্রত্যেকের সংবিধান সম্মত অধিকার। কিন্তু শুধু মাত্র হিন্দু নাম এবং পদবীর জন্যে আমরা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাব, এটা হতে পারে না। ... আমারা এই ভাবে পারস্য (ইরান) থেকে মুছে গেছি, গান্ধার(আফগানিস্থান) থেকে মুছে গেছি। পাকিস্থান থেকে মুছে গেছি। বাংলাদেশ থেকেও হয়তো আর কিছু দিনের মধ্যেই সম্পুর্ন মুছে যাব। ... এই ধারাবাহিকতা কি আমাদের ভবিষ্যৎ ভারত থেকেও মুছে দেবার ইঙ্গিত বাহী নয় বলে আপনাদের বিশ্বাস?
... তবে কাশ্মীরের দিকে তাকিয়ে দেখুন ...। তাকান আসামের দিকে। পরিশেষে এই বাংলায় প্রতিদিনের হিন্দুর গরু, জমি ও মেয়েদের উপর নেমে আসা ইসলামিক জেহাদি আগ্রাসনের দিকে একবার চোখ মেলে দেখুন।... কান খুলে শুনুন! সত্যকে স্বীকার করুন ...উপলব্ধির জ্বলন্ত অঙ্গারে।
আমি বলি না, অকারনে মুসলমানকে আঘাত করো। কিন্তু সে আঘাত করলে তুমি কেন বসে মার খাবে? তোমার শরীরে কি রক্ত নেই? মাংস নেই? ... তোমার কাছে কি তোমার মাতৃ জাতীর মান মর্যাদার কোন দাম নেই? ... বল? ভাই ... যদি তোমার কিশোরী বোন বা কন্যাকে কেউ শুধু জেহাদের নামে শয্যা সঙ্গিনী বানাতে চায় .. তাহলেও কি তুমি চুপ করে বসে থাকবে? .. তোমার সাধের জমিটুকু কেড়ে নিয়ে সে বাড়ীতে যদি কেউ আগুন ধরায় ... তবুও তোমার মুখে কোন ভাষা ফুটবে না? ... আর তার প্রতিবাদ করতে গেলেই তা হয়ে যাবে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি?
... না বন্ধু .. এ মেনে নেওয়া যায় না। মানা উচিতও নয়। .. আর এই না মেনে নেবার স্পর্ধা যদি কারো চোখে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি হয়, ... তবে আমি গর্বিত যে, তেমন একটি একমোদ্বিতীয়ম কর্মকাণ্ডে আমার এই ক্ষুদ্র জীবন উৎসর্গীকৃত হয়েছে .. ।।
জয় মা কালি ... হর হর মাহাদেব ... বন্দে মাতরম... জয় হিন্দ......।। Raja Debnath
Islamic signs in Indian tricolor atop mosque, 3 held in Mandvi, Gujarat | DeshGujarat
http://deshgujarat.com/2015/08/08/islamic-signs-in-indian-tricolor-atop-mosque-3-held-in-mandvi-gujarat/
সাংবাদিক প্রবীর সিকদার সীমা লঙ্ঘন করেছেন।
সাংবাদিক প্রবীর সিকদার সীমা লঙ্ঘন করেছেন। তাই তাকে ডিবি পুলিশ কোন মামলা ব্যতিরিকেই ধরে নিয়ে গিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা হয়েছে বা তার প্রস্তুতি চলছে। আমরা দেখি তিনি কী কী বিষয়ে সীমা লঙ্ঘন করলেন।
১. প্রবীর সিকদার রাজাকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী, ধনকুবের ও শেখ সেলিমের বেয়াই মুসা বিন শমসের-এর বিরুদ্ধে লিখেছেন।
২. প্রবীর সিকদার এলজিআরডি মন্ত্রী ও শেখ হাসিনার বেয়াই খন্দকার মোশারেফ হোসেন-এর আয়ত্ত্বে (দখল বলছি না) থাকা একটি হিন্দু বাড়ির মালিকের খোঁজ চেয়েছেন।
আমরা দেখতে পাই সাংবাদিক প্রবীর সিকদার শেখ পরিবারের দুই রত্ন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং তারই ফুফাত ভাই শেখ সেলিমের বেয়াই মুসা বিন শমসের-এর বিরুদ্ধে লিখেছেন। বেয়াই খুব আদরের একটা সম্পর্ক। সুতরাং বেয়াইদের বিরুদ্ধে লেখা স্পষ্টতই সীমা লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে।
আইজিপি ব্লগারদের সীমা লঙ্ঘন করতে নিষেধ করেছিলেন। করলে তার পরিণতি যে কুপিয়ে হত্যা, তা আপনারা দেখেছেন, আরো দেখবেন। কিন্তু এতো বড় সীমা লঙ্ঘন করার পরেও প্রবীর সিকদারকে কিন্তু কুপিয়ে হত্যা করা হয় নি। তাঁকে কেবল গ্রেফতার করা হয়েছে, মামলা ইস্যু হয়েছে বা হবে। এটা সরকারের মহানুভবতা।
আবার প্রবীর সিকদারের হাত-পা আগেই ভাঙ্গা। এখন তিনি ক্রাচে ভর দিয়ে চলেন। তাঁর হাত-পা এর আগে মুসা বিন শমসের-এর লোকজনই ভেঙে দিয়েছিলো। এ জন্যও সরকারের মায়া হতে পারে। মহানুভব মহামহিম সরকারের মহানুভবতায় আসুন আমরা 'জয় বাংলা' বলে আগে বাড়ি। Sannyasi Ratan
মনসা দেবীর পরিচয়ঃ
*মনসা দেবীর পরিচয়ঃ
মনসা-লৌকিক দেবী হিসেবে খ্রীষ্টপূর্ব
৩০০০অব্দে সিন্ধু সভ্যতার অন্তর্গত আদিম
জনগোষ্ঠীর মধ্যে যাঁর প্রচলন
পরবর্তীতে পৌরাণিক দেবী হিসেবেও খ্যাত ।
পদ্মপুরাণ, দেবীভাগবত পুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্তপুর
াণসহ কয়েকটি উপপুরাণে এই দেবীর উল্লেখ
রয়েছে। তবে ইতিহাসবেত্তাদেরমতে, মনসা
দেবীর বর্তমান মূর্তিরূপে পূজার প্রচলন ঘটে
দশম-একাদশ শতকে ।সাধারণত সর্পকুলের
অধিষ্ঠাত্রী দেবীরূপে প্রচলিত হলেও তাঁকে
কৃষির দেবীও বলা হয়। পুরাণ মতে, মনসা জরত্কারু
মুনির পত্মী, আস্তিকের মাতা এবং বাসুকির ভগিনী ।
ব্রহ্মার উপদেশে ঋষি বশিষ্ঠ সর্পমন্ত্রের সৃষ্টি
করেন এবং তাঁর তপস্যার দ্বারা মন থেকে
অধিষ্ঠাত্রী দেবীরূপে মনসার আবির্ভাব ঘটে।
মন থেকে সাকার রূপ লাভ করেছেন বলে এর
নাম হয়েছে মনসা। মনসাকে আবার শিব দুহিতা
রূপেও কল্পনা করা হয়। মনসার অপর নাম কেতকা,
বিষহরি, পদ্মাবতী প্রভৃতি।
★মনসা পূজাঃ আষাঢ় মাসের পূর্ণিমার পর যে
পঞ্চমী তিথি (শ্রাবণ) তাকে নাগপঞ্চমী বলে।
নাগপঞ্চমীতেউঠানে সিজগাছ স্থাপন করে মনসা
পূজা করা হয়। ভাদ্রমাসের কৃষ্ণা পঞ্চমী পর্যন্ত
পূজা করার বিধান আছে। বাংলাদেশ ও ভারতের
পশ্চিমবঙ্গে একমাস যাবত্ পূজা করে
পূজাসমাপনান্তে বিশেষভাবে পুজো করা হয়অথবা
শুধুমাত্র শেষ দিনে পুরোহিত দ্বারা পূজা করা হয়।
উল্লেখ্য, নাগকুল কশ্যপমুনির জাত যা সাধারণ সাপ
থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন
যেমনঃ অনন্ত, শিষ, বাসুকি প্রভৃতি উদাহরণস্বরূপ
বিষ্ণুর মস্তকের উপরে থাকে শিষ নাগ ।
★বাংলা সাহিত্যে মনসাঃ ত্রয়োদশ শতাব্দীর
শেষার্ধে কানা হরি দত্ত রচিত মনসা মঙ্গল,
নারায়নদেবের পদ্মপুরাণ, বিপ্রদাস বিপলাই রচিত মনসা
বিজয়, কেতাকদাস, ক্ষেমানন্দ প্রমুখসহ
পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশের) প্রায় বাইশ জন
কবি রচিত মনসাকে নিয়ে মঙ্গলকাব্য ও পালাগান
তত্কালীন বাংলার আর্থ -সামাজিক প্রতিচ্ছবিকে
প্রকাশ করে ।
★পরিশেষঃ ভগবান গীতায় ১০ম অধ্যায়ের ২৮-২৯
শ্লোকে বলেছেন, সর্পের মধ্যে বাসুকি,
নাগের মধ্যে তিনিঅনন্ত। আবার, তিনি খুব
সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যে, আকাশ যেমন
সবকিছুকে আচ্ছাদিত করে থাকলেও কোন কিছুর
সাথে লেগে নেই তেমনি সবকিছুর শক্তি তাঁরই
অথচ তিনি কোনকিছুর সাথে জড়িত নন।
দেবী মনসার পুজো কালক্রমে বাঙালি সনাতনী
সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেরালা, তামিল নাড়ু
সহ দক্ষিণভারতে, নেপালের কাঠমুন্ডুতে আজ
নাগপঞ্চমী অন্যতম প্রধান উত্সব। বাংলাদেশে
অনেক আদিবাসী সম্প্রদায়ের পল্লীতেও
গড়ে উঠেছে অনেক মনসা দেবীর মন্দির।
এমনকি বৌদ্ধ ও জৈন দর্শনেও দেওয়া
হয়েছেমনসা দেবীকে বিশেষ মর্যাদা ।
ভগবান গীতায় বলেছেন , "যে যথা মাং
প্রপদ্যন্ত...পার্থ সর্বশঃ ॥"(৪/১১)
আবার, ভগবান গীতার ৭ম অধ্যায়ের ২১-২২ নং
শ্লোকে বলেছেন,"যে যে ভক্ত যেই
যেই দেবতাকে পূজা করিতে চায়, সেই
দেবতাকে পূজা করিবার অচলা ভক্তি আমি তাকে
দিয়াথাকি। সেই ভক্ত ভক্তির সহিত সেই দেবতাকে
পুঁজিয়াই ইষ্টলাভ করে ।
"তাই মনসা দেবীর পুজো যে যে ভক্ত করে
থাকেন সকলকেই জানাই # শ্রীশ্রীমনসা
দেবীর
পূজা উপলক্ষ্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা ।
Subscribe to:
Posts (Atom)