Wednesday, 19 August 2015

দক্ষিণ ভারতীয় চলচিত্র নায়িকা নয়নথারা গত ৭ আগস্ট খ্রীস্টান ধর্ম ত্যাগ করে মহান সনাতন ধর্ম গ্রহণ করেন

বিখ্যাত দক্ষিণ ভারতীয় চলচিত্র নায়িকা নয়নথারা গত ৭ আগস্ট খ্রীস্টান ধর্ম ত্যাগ করে মহান সনাতন ধর্ম গ্রহণ করেন (সত্যমেভ জয়তে)। নয়নতথারার পূর্বের নাম ছিল ডায়ানা মরিয়ম কুরিয়ান। তিঁনি এব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমে যা বলেন তা হুবহু বাংলায় অনুবাদ করে দিলাম- "আমি গত ৭ আগস্ট কচি থেকে চেন্নাই ল্যান্ড করেই যাই আর্য সমাজ মন্দিরে। সেখানে আমি বৈদিক হোম করে ও মন্ত্রাদি পাঠ করে শুদ্ধি যোজ্ঞের মাধ্যমে সনাতন ধর্মে ফিরে আসি। এতে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগে। এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ আমার মন থেকে নেয়া।" তিঁনি আরো জানান যে তিঁনি আমিষ আহার ত্যাগ করে ‪#‎ নিরামিষ‬আহারও শুরু করেছেন(জয়তু) তার বর্তমান শুটিং চলমান ছবিতে তিঁনি সীতার চরিত্রে অভিনয় করছেন। উল্লেখ্য তিনি ২০১৩ সালে রাজা- রাণী ছবির জন্য Filmfare Award লাভ করেন শ্রেষ্ঠ্য অভিনেত্রী হিসেবে। . কিছুদিন আগেও আর্য সমাজের মাধ্যমে বলিয়ুড অভিনেত্রী # দিয়া মির্জা শুদ্ধি যোজ্ঞের মাধ্যমে সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন। তার আগে সাইফ আলী খানের বোন সোহা আলী খান নায়ক কুনাল খেমুকে বিয়ে করে সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন। যারা আর্য সমাজ বা ইসকনকে গালি দেয়, পরিহাস করে তারা এমন কিছু করে দেখাক তো। শালা দালালের দল। জয়তু আর্য্য সমাজ ও ইসকন "জয় শ্রী কৃষ্ণ" "হর হর মহাদেব" ওম শান্তি শান্তি শান্তি

Nayantara - Wikipedia, the free encyclopedia

https://en.m.wikipedia.org/wiki/Nayantara?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C5554822794

ফেসবুকে স্টেস্টাসের কারনে শহিদ পরিবারের ছেলে যখন জেলে

ফেসবুকে স্টেস্টাসের কারনে শহিদ পরিবারের ছেলে যখন জেলে তখন সংবিধান সাংঘোর্সিক খবর যা তুলে ধরলাম দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার একটি রিপোর্ট। সবাইকে পড়ার অনুরোধ করে মতামত দিতে বলছি। 'ধর্মনিরপেক্ষতাবলতে কোনো কল্যাণমূলক মতবাদ পৃথিবীতে নেই। ধর্মনিরপেক্ষতা ধর্মহীনতার নামান্তর। ধর্মকে ধ্বংস করার কৌশল হিসেবে রচিত একটি অপতন্ত্র। এটি ইসলামী ধর্ম বিশ্বাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।' আলিম (একাদশ) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রচিত 'ইসলামী পৌরনীতি' বইয়ের ৩৮৭ নম্বর পৃষ্ঠায় লেখা অনুচ্ছেদের একাংশে বলা হয়েছে এসব কথা। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ সিলেবাস অনুযায়ী আল-বারাকা প্রকাশনী বইটি প্রকাশ করেছে। এতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অনুমোদনের সিলও আছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনেই মাদ্রাসা শিক্ষায় ধর্মান্ধতা ও উগ্রবাদের বীজ বপনের এই চিত্র ফুটে উঠেছে। গত বছরের ১৫ মে ফাউন্ডেশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ- সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। বিশেষজ্ঞ আলেম, মুফতি, মুফাসসির ও মুহাদ্দিস সমন্বয়ে গঠিত ২১ সদস্যের কমিটি প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। ইসলামিয়া কুতুবখানা রচিত আলিম শ্রেণির 'ইসলামী পৌরনীতি' বইয়ের ৩৬২ নম্বর পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে 'মানব রচিত বাতিল ব্যবস্থাকে উৎখাতের চেষ্টার নামই হলো ইসলামী আন্দোলন। এই আন্দোলন সকল নবী-রাসূলের আন্দোলন।' পর্যালোচনা কমিটি মনে করছে, এসব লেখায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইসলামের বিষয়ে যুদ্ধ বা জিহাদের মনোভাব জাগ্রত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এভাবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবির অনুমোদিত বেশির ভাগ বইয়ে জামায়াতের দর্শন, মওদুদীবাদ ও ইসলামপন্থী উগ্রবাদ বিস্তারের চেষ্টা করা হয়েছে সুকৌশলে। বছরের পর বছর এ চেষ্টা সফল হয়েছে সবার অগোচরে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ইসলামি উগ্রবাদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে জামায়াতি ও মওদুদী দর্শনযুক্ত বই অবিলম্বে বাজার থেকে প্রত্যাহারসহ সাত দফা সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষায় জঙ্গিবাদের আগ্রাসনের কারণেই সরকার ও প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতার মধ্যেও উগ্রবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীর কর্মী- সমর্থক বাড়ছে। মেধাবী তরুণরাই এখন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ ও র্যাবের গোয়েন্দারের অভিযানে যেসব জঙ্গি ধরা পড়ছে, তাদের বেশির ভাগই মেধাবী ছাত্র। আবার জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য মসজিদের ইমামদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সচেতনতার কাজে উদ্বুদ্ধ করছে সরকার। জঙ্গিবাদ বিষয়ে দেশব্যাপী সচেতনতা তৈরিতে দুটি আলাদা কমিটিও আছে। কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রশিক্ষণ ও ভাতা নিলেও বেশির ভাগ ইমাম জঙ্গিবাদ বিষয়ে সচেতনতামূলক বয়ান (বক্তব্য) করছেন না। কিছু এলাকায় ইমামদের বিরুদ্ধে উগ্রবাদী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে গঠিত জাতীয় কমিটি স্থানীয় পর্যায়েও কমিটি গঠন করে দিয়েছে। তবে এসব কমিটি গঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ তাদের কার্যক্রম। কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জঙ্গিবাদের বিষয়ে সচেতনতার জন্য কোনো ধরনের তথ্যই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি মাদ্রাসা শিক্ষায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শুধু উগ্রবাদ প্রচার নয়, মাদ্রাসার পাঠ্য বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উপেক্ষা করে ভুল ও আংশিক ইতিহাস লেখা হয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক এবং জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিটির সদস্য সামীম মোহাম্মদ আফজাল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'শিক্ষার নামে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জামায়াতি ও মওদুদী দর্শন পড়িয়ে উগ্রবাদী করার যে চেষ্টা তার চিত্র আমাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলে দেশ ও জাতি জঙ্গিবাদ থেকে রেহাই পাবে। এ জন্য বেশ কিছু উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আমরা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে কোথায় ত্রুটি আছে বের করতে পারি। তবে বাস্তবায়ন করতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ অন্যসব কর্তৃপক্ষকে।' সূত্র জানায়, গত বছরের ৯ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ এবং প্রতিকার কমিটির সভা হয়। তাতে সিদ্ধান্ত হয়, কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসার যেসব পাঠ্যপুস্তকে ধর্ম অথবা ইতিহাস বিকৃত করে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সেগুলো সুনির্দিষ্টভাবেস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশসহ জানাবেন। সে অনুযায়ী আলিয়া মাদ্রাসার বেশির ভাগ পাঠ্যপুস্তক ও গাইড বই পরীক্ষা- নিরীক্ষার পর গত বছরের ১৫ মে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, জামায়াত-শিবিরেরছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা ১০টি প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত বইগুলো প্রকাশ করেছে। এগুলো হচ্ছে আল-ফাতাহ পাবলিকেশন্স, আল- বারাকা প্রকাশনী, পাঞ্জেরী প্রকাশনী, কামিয়াব প্রকাশনী, আল মদিনা প্রকাশনী, মিল্লাত প্রকাশনী, ইমতেহান প্রকাশনী, ইসলামিয়া কুতুবখানা, মাদ্রাসা লাইব্রেরি ও আল-আরাফা প্রকাশনী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়েফ উল্ল্যাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে আলিম শ্রেণির যেসব বইয়ের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো বোর্ডের অনুমোদিত নয়। এসব বইয়ের উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ উসকে দেওয়ার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমাদের অবহিত করেছে। আমরা

AGNI-4

ভারতের নিউক্লিয়ার মিসাইল AGNI-4 কে , এ মাসের শেষের দিকে টেস্ট ট্রায়াল করা হবে বলে ,DRDO ঘোষনা করেছে ।AGNI-4 এর শেষ ট্রায়াল করা হয়েছিল দুবছর আগে।উরিষ্যার হুইলার দ্বীপ থেকে এই পরীক্ষা চালানো হবে । 4000 KM রেঞ্জের (চায়নার মতে 6000 KM) আওতায় এশিয়ার প্রায় সবদেশ (কোরিয়া বাদে) পরে ।170 টনের এই অগ্নি 250 kt পর্যন্ত নিউক্লিয় বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম ,যা পাকিদের যে কোন মিসাইলের দুইথেক আড়াই গুন বেশি । *** তা আমি ভাবচ্ছিলাম , মিসাইলটা বঙ্গোপসাগরে না ফেলে , সোজা বঙ্গস্তান (পূর্ব পাকিস্তান) এ ফেললে কেমন হয় ? ভারত মাতা কী জয়. आर्य संजय

আমরা কি নেতাজীকে ভুলে যাচ্ছি?

আমরা কি নেতাজীকে ভুলে যাচ্ছি? ভারত মাতার সর্বকালের সেরা সন্তানকে নোংরা রাজনীতির বন্ধ ফাইলের মধ্যই থাকতে হচ্ছে। 1945 সালে আজকের দিনে নেতাজী হারিয়ে যান নাকি তাঁকে গুম করা হয়েছিল। ভারত থেকে নেতাজীকে সরিয়ে কাদের লাভ হত!! অবশ্যই ইংরেজদের নয় তা হত তত্কালীন ক্ষমতা লোভী কিছু নেতাদের। নেতাজী এবং ভারতের প্রথম স্বাধীন মিলিটারি বাহিনী আজাদ হিন্দ ফৌজ ব্রিটিশদের কফিনে পেরেক পোতা শুরু করে দিয়েছিল। ধূরন্দর ও প্রতিহিংসা পরায়ন ব্রিটিশরা তা বুঝতে পারে এবং তারা জানতে পারে ভারতে তাদের দিন শেষ। কারণ ভারতমাতার এই সন্তান সুভাষ তাদের জন্য কতটা ভয়ানক হবে তা তারা আচ করে ছিল এবং আগে থাকতেই পথের কাটাকে সরিয়ে দিয়ে নিজেরা সম্মানের সাথে ভারত থেকে চলে যাবে। এখানেই কংগ্রেস এবং মুসলীম লীগের ভূমিকা তারা দেখল নেতাজি থাকলে স্বাধীন ভারতের রাশ তার হাতেই থাকবে ফলে তারা লিপ্ত হল ইংরেজদের সাথে এক নোংরা খেলায়। এর ফলে তারা দুই দল পেল দুটি স্বাধীন দেশ ভারত ও পাকিস্থান আর ইংরেজরা সম্মান পেল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ব্রিটেনের অর্থনীতি ভেঙে পরেছিল আর ভারতে যাতে তাদের আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের মতো না হেরে ফিরতে হয় সেদিকে তারা খেয়াল রেখেছিল। তারা আমেরিকার স্বাধীনতার জর্জ ওয়াশিনটন কে দেখেছিল আর এখানে তারা দেখল নেতাজী সুভাষ কে। কিন্তু তাদের চোখে আরেকটি জিনিস চোখে পরলো যা তারা আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে দেখেনি এটি ছিল কিছু ক্ষমতালোভী ব্যক্তি যারা ভারতের স্বাধীনতায় ছিল। চালাক ইংরেজরা এক ঢিলে দুই পাখি মারলো তারা সস্মানে ভারত ছেড়ে চলে গেল ,যা তারা আমেরিকার বেলায় পারে নি। আর তারা যাওয়ার সময় নেতাজীকেও ঢীড করে গেল যা তারা জর্জ ওয়াশিনটনের সাথে পারেনি ,কারণ আমেরিকাতে সবাই একহয়ে লড়েছিল সেখানে কোন ক্ষমতা লোভী ছিল না ,আর ভারতে ক্ষমতা জয়ীর ক্ষমতার লোভে দেশ কে দু ভাগে ভাগ করলো। তাই আজ আমরা এখানে আর আমেরিকা ওখানে। হয়তো আমাদের জাতির পিতা আজ নেতাজী হতেন ,টাকায় হয়তো তার সৌম কিংবা রূদ্র মুখাবয়ব থাকত। কিন্তু তা হলো না ,ক্ষমতা লোভীরা তা হতে দিলনা। আজ স্বাধীনতার এত বছর পরেও একটি বিশেষ সরকার নেতাজী অন্তর্ধান রহস্য মোচনে আগ্রহ দেখালো না ,পাছে তাদের আগের পুরুষদের কুকীর্তির কথা সবাই জেনে যায়। তবে সত্য কোন দিন লুকিয়ে থাকে না ,তা একদিন প্রকাশ পাবেই। তখন না হয় ভারতে আর একটি বিপ্লব ঘটবে নেতাজীর নামে। এখানে নেতাজির কিছু অতি দূর্লভ ছবি আছে। এতদূর কষ্ট করে পোস্টটি পড়লেন যখন এই লিংকে ঢুকে ছবি গুলিও দেখে নিন:- http:// defencelover.in/…/very-rare-pictures-of-subash-chan…/ http:// defencelover.in/…/rare-pics-of-subash-chandra-bosep…/ ‪#‎ Jay_hind‬

হিন্দুদের নিশ্চহ্ণ করে দেয়ার মিশন

একদিকে ‬প্রশাসন সহ সংখ্যাগরিষ্টরা নেমেছে এদেশ থেকে হিন্দুদের নিশ্চহ্ণ করে দেয়ার মিশনে। অপরদিকে হিন্দুরা এখনো পড়ে আছে সেই জাতপ্রথার মিথ্যা বেড়াজালে। আসলে কুকুরেও নিজের ভালো বোঝে, কিন্তু এই হিন্দু নামের জাতিটা আজও নিজের ভালোটা বুঝলো না। ভাবতে খুব অবাক লাগে যেই জাতিতে সূর্য সেন, প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম, রানা প্রতাপ এবং ছত্রপতি শিবাজিদের মত হিন্দু বীর জন্মগ্রহণ করেছিলো, সেই জাতি কিভাবে এত তাড়াতাড়ি নপুংসক এবং দূর্বল জাতিতে পরিণত হলো?? এখন সময় এসেছে মিথ্যা জাতপাতের ভেদাভেদ ভুলে নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গলায় আওয়াজ তুলুন, নতুবা শীঘ্রই এমন এক সময় আসতে চলেছে যে বংশের প্রদিপ জ্বালানোর মত আর কেউ অবশিষ্ট থাকবেনা।

আদিবাসী বার্তা - নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে কন্যার ধর্ষণ মামলা!

http://adibashibarta.com/index.php/2014-03-28-10-07-08/2014-09-10-08-17-14/3764-2015-08-18-10-36-15