ভবিষ্য পুরাণে মুহাম্মদের উল্লেখ অবশ্যই রয়েছে।
তবে লেখাটা কি আছে
সেটা তো নিশ্চয়ই দেখতে হবে তাই না????
আসুন এক নজর দেখে নিই,ভবিষ্য পুরাণ কিবলছে মুহাম্মদ সম্পর্কে:-
“এতস্মিন্নন্তিবে সেত্দচ্ছ আচার্যেন সমন্বিতঃ।
মহামদ ইতিখ্যাতঃ
শিষ্যশাখা সমন্বিত।।"
"নৃপশ্চৈব মহাদেবং মরুস্থ নিবাসিম্ম।
চন্দনাদিভির ভ্যর্চ্য তুষ্টাব
মনসাহরম্নমস্তে গিরি জানাথ মরুস্থল
নিবাসিনে।
ক্রিপুবাসুরনাশায় বহুমায়া
প্রবর্তিনে॥"
(ভবিষ্যপুরাণ ৩:৩:৩)
"তম্মান্মুসলবন্তো হি
জাতয়ো ধর্ম্ম দূষকাঃ।
ইতি পৈশাচধমশ্চ
ভবিষ্যতি ময়াকৃতঃ। ”
(ভবিষ্যপুরাণ শ্লোকঃ১০-২৭।)
অনুবাদ: মুহাম্মদকে
ভবিষ্য পুরাণ -এ (৩:৩:৫-২৭) মহামদ নামে অভিহিত করা হয়।এই
অংশে তাঁকে আরব - সঞ্জাত বলে অভিহিত করে পিশাচধর্মের
প্রবক্তা ধর্মদুষ্ক (ধর্মদূষণকারী) বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং মুসলমান নামে দূষিত সমাজের প্রবর্তনকারী বলা হয়েছে।এতে উল্লেখ
করা রয়েছে,মুহাম্মদছিল মহাদেব অর্থাৎ শিব কর্তৃক নিহত পিশাচ
ত্রিপুরা অর্থাৎ ত্রিপুরাসুরের অবতার।
আমরা জানি যে, প্রতিটি অসুরই ছিল এক একটি অসুরের অবতার।
অর্থাৎ,পরিশেষে একথা স্পষ্ট যে মুহাম্মদ ছিল একজন অসুরের অবতার। যে কিনা পৃর্বে মহাদেব
(শিব) কর্তৃক বধ হয়েছিল।
আশা করি সঠিক তথ্যটা
সবাই জানতে পেরেছেন।শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ
করে দিন।
তাঁর মানে বুঝা যাচ্ছে মুহাম্মদ পিচাশ ছাড়া আর কিছুই ছিলেন না।তাই মারা যাবার আগে তিনি সাহাবিদের কাছে বলেছেন যে,সিন্দু প্রদেশে কানহা নামে এক মহাপুরুষ জন্মাবেন যিনি কিনা স্বয়ং আল্লাহ্ রুপে অবতীর্ন হবেন।এরপর পরবর্তী পোস্টে নবী আর কল্কির বৈশাদৃষ্য গুলো তুলে ধরা হবে।সাথেই থাকুন।ধন্যবাদ
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 23 August 2015
বেঙ্গল ডাইনেস্টি
প্রাচীনকালে বেঙ্গল ডাইনেস্টি সুদূর রাজস্থান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো। বাংলা ছিলো এই ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাণকেন্দ্র। এমনকি সিরাজউদ্দৌলার আমল পর্যন্তও বাংলা, বিহার ও ঔরিষ্যা মিলিয়েই ছিলো আমাদের মূল ভূখন্ড। ৪৭-এ ধর্মের ভিত্তিতে ভারত-পাকিস্তান ভাগের সময় বেঙ্গল, কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের কলিজার ঠিক মাঝখানে চাকু চালিয়ে নাড়ি ছেড়া হয়েছে। পূর্ববঙ্গ পরবর্তীতে ভারতের সাহায্যে পাকিস্তানীদের কাছ থেকে নিজেদের স্বাধিকার ছিনিয়ে আনে, আজ নাম বাংলাদেশ। তবু এ দুটি দেশ আজ ও নারি ছেরা ধন, জমজ ভাই।এদেশ দুটোর মোল্লাদের ধমানুভূতির সুরসুরি বড় তরল। এই বর্বর পুরাতনী ও নব পাকিস্তানিদের কান্ড দেখলে অবাক হতে হয়, খ্রিস্টান দেশে গিয়ে এমন ভাব নিয়ে চলে দেখলে মনে হবে আধুনিক খ্রিস্টান। অথচ নিজ দেশে ঠুনকো অযুহাতে সংখ্যালঘু নির্যাতন করা, ধর্মান্তরিত করা এদের পেশা ফলে যেখানে ৪৭ সালে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হিন্দু ছিল ১৯ %ও ২২ %।আজ হিন্দুদের দেশ ত্যাগে বাধ্য করে সং্খ্যা কমিয়ে নিয়ে এসেছে ৩% ও ৭%, এরা সহি জমজ ভাই পাকিস্তান ও বাংলাস্তান।
স্বদেশের হিন্দুদের তাড়িয়েও শান্তি মেলেনি, আজও এদেশ দুটির মুসলিমরা রাতে ঘুমাতে যায় একবুক ভারত তথা হিন্দু বিদ্বেষ নিয়ে!! স্বপ্নদেখে সেকুলার ক্ষমতা দিদিদের কোলে চড়ে ভারতের বুকে ফাকিস্তানের আই এসের পতাকা নিয়ে ভয়ংকর জিহাদি যুদ্ধ, লুটপাটে লিপ্ত হবে!!
(খবর : শ্রীনগরে শুক্রবারের নামাজের পরই একদল যুবক ভারতের তেরঙ্গা পতাকা পুড়িয়ে পাকিস্তান ও ইসলামিক স্টেট(আইএস)-এর পতাকা তোলে।)
৩৭০ ধারা
একজন ৩৭০ ধারা তৈরী করে কাশ্মীরকে ভারতের থেকে আলাদা করেছে, একজন সংখ্যালঘু তোষন করে কাশ্মীরকে হিন্দুমুক্ত করেছে, একজন মানবিকতা দেখিয়ে জঙ্গিদের জামাই আদর করেছে, একজন কাশ্মীরিদের মনে পাকিস্তানের প্রতি প্রেম জন্মিয়েছে, একজন পাকিস্তানের পতাকা ও খুঁটি তৈরী করে দিয়েছে, আর আজকে মোদী সরকারকে বদনাম করার জন্য পাকিস্তানের পতাকা ভারতে উড়াতে বলছে । আজকে কংগ্রেসীরা বলছে পাকিস্তানের পতাকা ভারতে উড়ছে কেন? সংখ্যালঘু তোষন আর সংখ্যালঘু সংরক্ষন দুটোই একজন ভারতীয় মুসলিমকে পাকিস্তানি মুসলিমে পরিনত করে । আজকে মোদী সরকার যদি বিছিন্নতাবাদী পাকিস্তানের জারজ সন্তানদের হত্যা করে তখন আপনারাই আবার মোমবাতি মিছিল করবেন । পাকিস্তানকে শেষ করতে ৫ মিনিটও সময় লাগবেনা ভারতের কিন্তু আপনাদের মত দেশদ্রোহীদের জন্য সেটা ৫ বছর লাগবে । আগে কংগ্রেস মুক্ত দেশ হোক, ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটা সংবিধান থেকে মুক্ত করা হোক, তারপর গেরুয়া সন্ত্রাসে কেমন পাকিস্তান রাষ্ট্র বেঁচে থাকে সেটাই দেখব । ইসলামাবাদের পার্লামেন্ট ॐ লেখা গেরুয়া পতাকা উড়াবে হিন্দুরা । তখন "না থাকবে যীশু, না থাকবে আলি, সারা বিশ্ব বলবে ভয়ে জয় বজরংবলী" ।
বাক স্বাধীনতা ও প্রথম আলোর উপর আঘাত - Sylhet Today 24
http://www.sylhettoday24.com/opinion/details/8/194
Saturday, 22 August 2015
"যেদিন ভারতে হিন্দু ভোট ব্যাঙ্ক তৈরী হবে সেদিনই মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি শেষ হবে"... সেদিন সব রাজনৈতিক দল বুঝবে মুসলিম ভোটের চক্করে পড়ে সব হিন্দু ভোট শেষ হতে চলেছে । সেদিনই ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির শেষে বিকাশের রাজনীতি হবে সেখানে না থাকবে মুসলিম না থাকবে হিন্দু, থাকবে ১২৫ কোটি ভারতবাসী । যদি ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি বন্ধ করতে চান তাহলে আসন্ন বিধানসভা ভোটে হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক তৈরী করুন সেদিনই দেখবেন মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক শেষ হয়ে যাবে । যদি মুসলিমরা নিজেদের লাভের জন্য ভোটব্যাঙ্ক তৈরী করতে পারে তাহলে হিন্দুরা কেন পারবে না?? যদি ২০ শতাংশ মুসলিম ভোটের জন্য সরকারের ভাগ্য নির্ধারন হতে পারে তাহলে ৭৫ শতাংশ হিন্দু ভোটের কি কোনো গুরুত্ব নেই? অধিকাংশ রাজনৈতিক দল রাজনীতি করতে মুসলিমদের পিছনে ছুটছে, কেন মুসলিমদের কি সব অধিকার আছে? হিন্দুদের কি কোনো অধিকার নেই?
প্রসঙ্গ কাশ্মীর এ আইএসআইএস এর পতাকা উত্তোলন।
প্রসঙ্গ কাশ্মীর এ আইএসআইএস এর পতাকা উত্তোলন।
আমারা হিন্দু । আমারা অনেকটা ডোডো পাখির মতো । ডোডো পাখি আজ আর পৃথিবীতে নেই । কেন নেই ?
পূর্তগীজ শব্দ ডোডোর অর্থ বোকা ।
মরিশাস দ্বীপ ছিল এদের বাসভূমি । দ্বীপে ছিল না খাদ্যের অভাব । মনের সুখে খেত আর ঘুরে বেড়াতো ।
এক একটার ওজন ছিল 30 _35 কেজি ।
এরা উড়তো না । নিরুপদ্রপ , নিশ্চিত জীবন ।
আনুমানিক 500 বছর আগে পূর্তগীজ ও স্পেনীয় নাবিকরা জলপথে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ গুলো তে বানিজ্য করতে যাওয়ার সময় বিশ্রাম নেওয়ার জন্য মরিশাসে থামতো । ডোডোরা অবাক দৃষ্টি তে দেখতো নবগতাদের । নবগতারাও দেখলো ভালো মুরগী পাওয়া গেছে ।
তারা যাওয়া আসার পথে ডোডোর মাংসের ঝোল খেতে লাগলো ও দেশে ফিরে যাওয়ার সময় বউ বাচ্চাদের জন্য নিয়ে যেতে লাগলো ।
এক একটা ডোডোকে কাটতো আর অন্য ডোডোরা ফিরে ফিরে দেখতো _ তাদের তীক্ষ্ণ ঠোঁটের একটা ঠোক্করও দিত না শত্রু দের , বুঝতে ও চেষ্টা করতো না শত্রু দের চরিত্র । এক এক করে ডোডোর বংশ নিঃবংশ হয়েছে । আজ মরিশাস দ্বীপ আছে শুধু ডোডোরা নেই ,,,',,,
ভারত থাকবে, কিন্তু ভারতে কাশ্মীর থাকবে না, হয়তো বা পৃথিবী তে হিন্দুরাই থাকবে না!! গাজা ই হিন্দের. নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই????
Friday, 21 August 2015
সানি লিওনের বাংলাদেশ সফর
সানি লিওনের বাংলাদেশ সফর ঠেকাতে প্রয়োজনে রক্ত দিতে প্রস্তত হেফাজতে ইসলাম। প্রয়োজনে যে বিমানবন্দর দিয়ে সানি লিওনকে আনা হবে সেই বিমানবন্দরে আক্রমনের হুমকি দেয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের খুতবার আগে বয়ানে হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ জেলা আমির ও শহরের বৃহৎ মসজিদ ডিআইটি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল আউয়াল এ হুমকি দিয়েছেন।
মসজিদে উপস্থিত কয়েকজ হাজার মানুষকে আহ্বান জানিয়ে মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেন, ‘বাংলার জমিনে কোনো নর্তকীকে বেলাল্লাপনা করতে দেয়া হবে না। তৌহিদী জনতাকে উপেক্ষা করা হলে প্রয়োজনে যে বিমানবন্দর দিয়ে সানি লিওনকে আনা হবে সেই বিমানবন্দরেও আক্রমণ করা হবে।
Subscribe to:
Comments (Atom)