Saturday, 29 August 2015

ঐক্য ছাড়া কোনো জাতি কখনও বাঁচতে পারে না..।

ঐক্য ছাড়া কোনো জাতি কখনও বাঁচতে পারে না..। ঐক্যই হল মূল শক্তি..। হিন্দু শুধুমাত্র একটি ধর্ম বা জাতি নয়, এই ভারতের মূল জীবনধারাই হল হিন্দু ধারা..। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, রাস্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ, হিন্দু সংহতি, ভারত সেবাসঙ্ঘ ও অন্যান্য সংগঠন যারা হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে; শ্রম দিয়ে ও অর্থ দিয়ে এদের সর্বোতোভাবে সাহায্য করুন, গতিবৃদ্ধি করুন..। এদের সাম্প্রদায়িক আখ্যা দিয়ে নিজে আত্মহত্যার পথ প্রশস্ত করবেন না।

WARNING EXTREMELY GRAPHIC VIDEO: What ISIS does in this video will literally shock the hell out you | JEWSNEWS

http://www.jewsnews.co.il/2015/08/24/warning-extremely-graphic-video-what-isis-does-in-this-video-will-literally-shock-the-hell-out-you/

সৌদি আরবে হঠাৎ করেই মার্স ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে গেছে

সৌদি আরবে হঠাৎ করেই মার্স ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে গত সাত দিনে ১৭ জন মারা গেছে। বাংলাদেশ থেকে আগত হজ যাত্রীরা বেশি বেশি করে উটের মূত্র পান করুণ, জীবন বাঁচান।

তাজমহল পূর্বে ছিল হিন্দু মন্দির! | বিদেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

http://www.kalerkantho.com/online/world/2015/08/21/259164

বিষয়টি অত্যন্ত মারাত্মক

আজ যে বিষয়টি জানাতে চাইছি তা অত্যন্ত মারাত্মক | পরিবর্তন পন্থী পশ্চিম বঙ্গের এই সরকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে যে ভাবে সংখ্যাগুরু হিন্দু জনগনের স্বার্থ ও উন্নয়নের কাজকে জলাঞ্জলি দিয়ে শুধু মাত্র মুসলমান সংখ্যালঘু উন্নয়নের নামে খরচের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন, তাতে এই রাজ্যে আগামী দিনে ইসলামিকরনের চক্রান্তটি সুস্পষ্ট ভাবে আন্দাজ করা যাচ্ছে | ________________________________________________ গত ১০-০১- ২০১২ তারিখে কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংখ্যা লঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগমের অনুষ্ঠানে মমতা ব্যানার্জি যেভাবে মাথায় হিজাব টেনে মুসলিম উন্নয়নে আগামী ৩১ শে মার্চের মধ্যে ৪১৫ কোটি টাকা যে কোন ভাবেই খরচ করতে হবে বলে ফরমান জারি করেছেন, তা এক কথায় নজির বিহীন | এদিকে প্রতিটি জেলাতে মুসলিম উন্নয়নের (আসলে ইসলামীকরণ) কাজ কে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জেলা-মহকুমা ও ব্লক ভিত্তিক আলাদা সংখ্যালঘু দপ্তর গঠন যাতে বাধাপ্রাপ্ত না হয়, তার জন্যে বরাদ্দ ১৪ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছেন | ওই দিন মমতা (মুসলিম ভাই বোনেরা নাকি এখন তাকে মমতাজ বলেই ডাকেন), নেতাজি ইনডোরের অনুষ্ঠান থেকেই ৩ লাখ ১১ হাজার মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী-যুবক-যুবতী কে ৬৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকার মেধা-বৃত্তি, ঋণ ও অনুদান প্রদান করেন | তিনি নির্দেশও দেন যে বাকি ১৬ লাখ ৭০ হাজার মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী-যুবক-যুবতী ও স্বসহায়ক দল গুলিকে যেন তাদের প্রাপ্য ৩১ শে মার্চ ২০১২ এর মধ্যে মিটিয়ে দেওয়া হয় | _______________________________________________ ** উল্লেখ্য যে, পরিবর্তনের রথে মহাকরণে আসীন হয়েই মমতা তার মুসলিম ভাই বোনদের খুসি করতে গত জুলাই (২০১১) মাসে ৫৪১৪১ জন মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের২১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বিতরণ করে তার ইসলামিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছিলেন | আর একদিনে ১০০০০ মাদ্রাসার অনুমোদন করেছেন পশ্চিমবঙ্গকে ইসলামীকরন করতে | _________________________________________________ সবসময় রবীন্দ্রনাথ আর নজরুল আওড়ানো মুখ্যমন্ত্রী কেন বলতে সাহস করেন না যে, আমার রাজ্যে থাকবে শুধু শান্তিনিকেতনের গুরুকুল প্রথার শিক্ষা ধারা, যেখানে ধর্মীয় সংকীর্ণতার লৌহকপাট ভেঙ্গে বাঙালি প্রকৃত এক জাতি এক প্রাণ হওয়ার শিক্ষা পাবে | অথবা মাদ্রাসা সহ সমস্ত সরকারী অনুদান যুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা হবে ধর্ম মুক্ত | ..............না বন্ধু তা হওয়ার নয় | _______________________________________________ কারণ সেরকম যদি হয় তাহলে- সিদ্দিকী, ইদ্রিস আলী, নুরার রহমান বরকতি, সিদ্দিকুল্লাহরাতাদের আন্দোলনের (পশ্চিমবঙ্গের ইসলামীকরণ) জন্য জেহাদীদের কোথায় পাবে ? __________________________________________________ ** আপনারা তো টের পাচ্ছেন না ! কিভাবে এই পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশের অঙ্গরাজ্য করার জন্য সেলিম, খোঁড়া বাদশা, জানে আলম, রশিদ মিয়ারা (অনিয়ন্ত্রিত পয়দা), ব্যাপক অনুপ্রবেশ, জাল নোটের কারবার, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা চিট ফান্ড, নেশা আর অস্ত্রের কারবারে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু গরিষ্টতাকে লাথি মেরে ভেঙে দিতে সচেষ্ট হয়েছে | _________________________________________________ তাই মগরাহাট ইলেকট্রিক হুকিং কান্ডে পুলিশী গুলিচালনায় মৃত্যু আর সংগ্রামপুর চোলাই কান্ডে ১৫০ এর উপর মৃত মুসলিমদের (বাকি ১৭/১৮ জন হিন্দু) দের সমর্থনে মৃত সতকারের জন্য পুলিশ – প্রশাসনকে হতভন্ব করে মমতাময়ীর নির্দেশে মুসলিম দের জন্যে হকিং জায়েজ হলো | আর চোলাই খেয়ে বেহস্তগামীরা তৃণমূলি শাহিদের সম্মান পেল | অতএব রাজকোষ খালি করো | প্রত্যেককে ২ লাখ করে দেওয়া হলো | ___________________________________________________ ** আজ পুলিশের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে রাইফেল | ঢাল তলওয়ারহীন পুলিশ এখন নিধিরাম সর্দার | আর একে একে ঘটে চলেছে জেহাদী মুসলিমদের দ্বারা কুল্পী, কানিং, এর মত অনেক অনেক আক্রমনের মতো ঘটনা ,তাই আজ সব ঘটনা প্রকাশ হয় না..... জোর করে চেপে দেওয়া হয় | এই জিহাদকে ফুলিয়ে ফাপিয়ে বড় করার জন্য বাঙালি মুসলিম মননকে চক্রান্ত করে সেভাবেই গড়ে তোলা হচ্ছে | রাজারহাটে আলিয়া মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মঞ্জুর হলো ৬০ বিঘা মূল্যবান জমি | নব কলেবরে দন্ডায়মান তিন তিনটি সরকারী হজ টাওয়ার | রাজারহাট, কৈখালী আর পার্ক সার্কাসে | আর সারা ভারত থেকে আগত গঙ্গাসাগরের তীর্থ যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ হোগলার ছাউনি | ৫ টাকার তীর্থকর উঠিয়ে নিয়ে ৫০০০ মমতার কাট আউটে মুড়ে ফেলা হয়েছে সাগর মেলা প্রাঙ্গন | আর দুই তিন গুন বর্ধিত বাস-টাক্সি-ভেসেল ভাড়া আদায় কড়া হচ্ছে গরীব- আনপড় হিন্দু তীর্থ যাত্রীদের কাছ থেকে | ফুর্তি করতে যাওয়া হিন্দু মন্ত্রী আর আমলাগুলোর মধ্যেও প্রতিবাদ করার লোক নেই, আর এভাবেই অনিশ্চিত গভীর জলের দিকে ঠেলে ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে পশ্চিম বঙ্গের বাঙালি হিন্দুর ভবিষ্যৎকে ।।

৪ঠা অক্টোবর

৪ঠা অক্টোবর দিন ঘোষণা হল বটে, কিন্তু এর সঙ্গে শুরু হয়ে গেল নাটকের দ্বিতীয় অঙ্ক। কারণ ঐ দিন পরীক্ষা না হবার অন্তত একটা কম এক ডজন কারণ আছে। দেখা যাক কি কি কারণ... ৪ঠা অক্টোবর... ১. KVS EXAM ২. BSF EXAM ৩. IBPS PO EXAM ৪. NIA EXAM ৫. SSB EXAM ৬. WBSSC CGL (MAINS) EXAM ৭. CISF EXAM ৮. SSC (CONSTABLE) EXAM ৯. MASTER DEGREE EXAM (BU) ১০. PSC ASSISTANT TEACHER EXAM (POSSIBLY) এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ... ১১. ASANSOL পুরো নির্বাচন রয়েছে। প্রথম দশটা কারণ যদি ছেড়েও দিই, তাহলেও প্রশ্ন ওঠে, আসানসোল পুরো নির্বাচন পূর্ব ঘোষিত একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। নিয়ম অনুযায়ী ভোট ঘোষিত হবার পর আর কোনো পরীক্ষার দিন ঘোষণা করা চলে না। এখানে সেসব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভোটের দিনেই পরীক্ষার দিন ঘোষণা করা হল কোন যুক্তিতে! আর কে প্রমাণ করবে যে সেই উধাও হয়ে যাওয়া প্রশ্নেই পরীক্ষা হচ্ছে না বলে! প্রশ্ন তো কেউ দেখেনি। সরকার বাহাদুর কি স্বচ্ছতার পরিচয় রাখতে উধাও হওয়া প্রশ্নপত্রের কপি স্বতস্ফুর্তভাবেআদালতের কাছে জমা রাখবেন ? আর তা যদি না রাখেন, তাহলে এমন গণপ্রহসন না করলেও চলে। অনেক হয়েছে পথিক সময় এসেছে মশাল জ্বালো...! ‪#‎ copy‬
দিল্লির ঔরঙ্গজেব রোডের নাম বদলে এ পি জে আব্দুল কালাম মুঘল সাম্রাজ্যের ছন্দপতন ঘটল দিল্লির রাজপথে। বাবর, হুমায়ুন, আকবর, জাহাঙ্গীর, শাহজাহান, বাহাদুর শাহ এখনও রয়েছেন বহাল তবিয়তে। বাদ গেলেন ঔরঙ্গজেব। দিল্লির অভিজাত পাড়ায় ঔরঙ্গজেব রোডের নাম বদলে গেল।