Wednesday, 9 September 2015

আইএস-এর বিরুদ্ধে বিশ্বের বৃহত্তম ফতোয়া ভারতীয় মুসলিম ধর্মগুরুদের

http://abpananda.abplive.in/national/2015/09/09/article709265.ece/Over-1000-Indian-Islamic-scholars-issue-worlds-biggest-fatwa-against-ISIS

Defence News - India, Israel Can Together Be World Leaders in Defence Hardware

http://defencenews.in/defence-news-internal.aspx?get=new&id=yilg5LmVIss%3D

হিন্দুর সংখ্যা

হিন্দুর সংখ্যা হ্রাস পেতে পেতে হিন্দুস্থান টুকরো হতে হতে বর্ডারেতে গুলি খেতে খেতে সংরক্ষণের দাড়িতে তেল দিতে দিতে সেকুলারিজম আর কানুনের ফাঁকে মৌলবাদীর আজানের ডাকে জঙ্গিরা ঘিরে ফেলেছে হিন্দুর ধাম। চক্রব্যুহে অভিমন্যুর প্রাণ আগ্নেঅস্ত্র হাতে দাড়িয়ে দুর্যোধন কৃষ্ণের বাঁশি করে আহ্রান কে আছো জওয়ান হও আগয়ান রাক্ষক কুলে করে খান খান সিদ্ধ কর ভারত মাতার নাম। হিন্দুর মাটি হিন্দুর জল বিষাক্ত করেছে দেশদ্রোহীর দল, সেকুলারিজম শুধু হিন্দুর বেলা কম্মুনাল মীরজাফরের সব রাস্তা খোলা, একই দেশী দু'রকম কানুনি প্রণালী ধর্মের দোহাই দিয়ে এ কেমন হেয়ালি? দেশপ্রেমীর হিতসাধকে হোক সংবিধান গদ্দারেরা ভারত ছাড় হোক আন্দোলন না হলে আগ্রাসনে যাবে হিন্দুর প্রাণ।

আসুন জেনে নেই কি?

আসুন জেনে নেই কি ? ইসলাম ইসলাম মানে কি .শান্তি .না কি অ শান্তি ,আসলে বাংলা অর্থ হল কামনা বাসনা . যারা হিংসা পিসাচ আর হত্যা কারী . যে ধর্মীয় গ্রন্থ বলে হত্যা করো আর যে লিখছে সে কেমন হত্যা করে আমাকে খুশী করো যারা বে ধর্মী তাদের হত্যা করো । ইসলাম কোন ধর্মের মধ্যে পড়ে না পশুর মত ব্যবহার , ‪#‎ বাবা_মেয়েকে_বিয় ে_করে‬, নবী বলে আপন ছেলের বউকে বিয়ে করে , তারা এমন যে ফুফু ,খালা . নিজের বোনকে বিয়ে করে আর শান্তী খোজে যেখানে ৬০ বছরের বুড়ো ১৫ বছরের মেয়েকে বিয়ে করে যে তার নাতীর বয়সী . এদের আর কি বলব নবী তো আরো খারাপ ৯ বছরের বাচ্ছাকে বিয়ে করে .সে ধর্মের কি শেখাবে . আর যত রকম কুকথা আছে ‪#‎ কুরানে‬, ISLAM SEX PRO, হাদিস . নারী দের আসম্মান করে .নারীকে রসোগোল্লা বলে আর যারা ঐ নবীর তালের লোক তারা পিপড়া . পৃথিবীতে যত কুকাজ সব ইসলাম দ্বারা চলে ,এখন তো জিহাদ ,আবার লাভ জিহাদও আছে , যত সব খুন খারাবী , তারা তো নিজেরা পশু আর অন্যদের ও পশু ভাবে . কোরান তো প্রথমে ভুল আছে ,থাক পরে লিখব তবে , এই পশু পাখি মত যৌন দাহিদা আরা খারাপ চিন্তা ধারা যে কি করে আসে তা ঐ কোরান হাদিস পড়লে বোঝা যায় , যে কোরান এর আদেশ পালন করবে সে জীবনে শান্তি পাবে না শুধু প্রকৃতির বুরুদ্ধে আচারন করবে শুধু পশু পাখির মত যৌন কাজ তাদের ।তাদের বাবা .মা .ভাই বোন .চাচী ,ফুফু খালা সব এক ভাবে . আরো আসছে সাথে থাকুন । R S S

হে আমার প্রিয় পশ্চিমবাংলা

হে আমার প্রিয় পশ্চিমবাংলার হিন্দুভাই ও বোনেরা!আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা তোমরা দিন দিন অজানা এক অন্ধকারের দিকে ধাবিত হইতেছে।গোয়ালে বাঁধা গরু যে ছেড়ে দিলে কি করবে, কি খাবে,কোন দিক ছুট দিবে তা ভেবে পায় না। তেমনি হয়েছে তোমাদের দশা।তোমরা ভূলে গেছ অতীত ইতিহাস! তোমাদের পূর্বপুরুষ বাংলাদেশের অধিবাসী ছিল আর কি কারনে তারাদেশ ত্যাগ করেছিল তা তোমাদের মনেই নেই! থাকবে কি করে তোমরা যে উদার,সেকুলার,বাম,ডান।আজওবাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে।জান কি কারণে পালাচ্ছে? কাউকে জোর করে ভিটেমাটি থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছে,কারো মেয়ে বৌকে ধর্ষন করছে,কারো উপর হত্যার হুমকি,কারো উপর চাঁদা,কাউকে ভোটের জন্য নির্যাতন, কাউকে জোর করে মুসলিম বানানোর চেষ্ঠা,মেয়েদের ধর্মান্তর করনের চেষ্ঠা প্রভৃতি কারনে বাংলাদেশ ত্যাগে বাধ্য হচ্ছে।তোমাদের পূর্বপুরুষ ও এমন কোন কারনে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছিল।তুমিকি জান না দেশ বিভক্ত হওয়ার আগে ১৯৪৬ সালের ১৬ ই আগষ্ট কোলকাতা দাঙ্গা যেখানে হিন্দুদের নিহতের সংখ্যা প্রথম তিন দিনে ২০হাজার,এরপর নোয়াখালি ১০/১০/৪৬লক্ষী পূজার রাতে শুরু হয় হিন্দু নিধন,৩০০-৪০০ মহিলাকে জোর কে ধর্ষনও ধর্মান্তর করা হয়েছিল।১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে দেশ বিভক্ত হওয়ার সময় পশ্চিম পাকিস্তানে শুরু হয় ভয়াবহ হিন্দুও শিখ নিধন।পাকিস্থানের ওয়াগা সীমান্তের রোরণবালা গ্রামে দেখে আসতে পারেন ১০ লক্ষ হিন্দু শিখ শহিদের স্মৃতি সৌধ।পশ্চিম পাকিস্তান হতে আনা হয়েছিল ৭৫ হাজার গর্ভবতী মহিলাকে যারা পাকিস্থানের মুসলিম লীগ গুন্ডাদের দ্বারা ধর্ষিতাছিল।এদেরকে দিল্লীর কারেলবাগে কাপুর হাসপাতালে গর্ভপাত করানো হয়েছিল। ৫০ হাজার শিশুর জন্ম হয়েছিল,তাদেরকে গোপনে হত্যা করা হয়েছিল।এরপর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বধীনতার সময় বেছেবেছে হিন্দু মেয়েদের ধর্ষন, হিন্দুবাড়ি পোড়ানো,হিন্দু যুবক পুরুষদের লুঙ্গি খুলে নুনু কাটা কিনা তা দেখে নিশ্চিত করে হত্যা করা হয়েছিল।হিন্দুহত্যার জন্য গড়ে উঠেছিল আলবদর,আলশামস,রাজাকার,পিসকমিটি এরা কারা ছিল? সব বর্বর মুসলিম! একজরিপে বলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই প্রায় ১০ লক্ষ হিন্দু শহীদ ও হিন্দু নারী ধর্ষিতা হয়।ভারতের আশ্রয় শিবিরে না খেতে পেয়ে আরো কয়েক লক্ষ হিন্দু মারা যায়।এতো অত্যাচারের পরও তারা আপনাদের প্রিয়পাত্র? যাদের এদেশে থাকার কথাই না,কারণ ধর্মের ভিত্তিতে দেশ বিভক্ত করেছিল।তারা বলেছিল হিন্দুর সাথে তাদের ধর্ম কর্ম করতে পারবেনা,তাই ভাগ করল ভারত।এখন তারা ভারতে থেকে জামাই অাদর পাচ্ছেআর হুমকি দিচ্ছে।আরে নির্বোদের দলগত কয়েক মাসের মুসলিমদের হামলা (ক্যানিং,উস্তি,হাসখালী,সমুদ্রগড় ইত্যাদি)গুলোর কথা চিন্তা কর,কোন খোজ তো রাখিস না।মদ খাজা বিড়ি খৈনে খেয়ে টাল থাকিস নে,একবার চিন্তাকর মুসলিমদের অত্যাচারে বা তাদের ভয়ে এখন কোথায় পালাবি? আমার একটা কথাও মিথ্যা নয় ইতিহাস সাক্ষি।আরো অনেক কথা বলারছিল কিন্তু এখানেই শেষ করতে হবে কারণ বেশি বড় লেখা পড়ার মতো সময়কৈ আপনাদের।নিজের ভালো পাগলেও বোঝে,বুঝতে শিখুন।আপনারা জাগলেই বাংলাদেশের হিন্দুরা ভালো থাকবে,সাহস পাবে,আপনারা ভালো থাকবেন,ভারত মাতা খন্ডিত হবে না।ভারত নয় আমরা চাই মুসলিম মুক্ত হিন্দুস্থান। আপনারাই পারেন বাঙালী হিন্দুর হারানো গৌরব ফিরিতে আনতে।জয় সনাতনের জয়।

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সংখ্যালঘু উদ্বাস্তুদের ভারতে থাকার অনুমতি কেন্দ্রের

http://abpananda.abplive.in/incoming/2015/09/08/article707911.ece/India-to-allow-minorities-from-Pak-Bangla-to-stay-without

শ্রী রামচন্দ্রের কিছু বাণী

শ্রী রামচন্দ্রের কিছু বাণী অমৃত- ১.জ্ঞানীর নিকট সত্য ই পরম ধর্ম। ২.দুর্বলই কেবল ভাগ্যের দোষারোপ করে আর বীর ভাগ্যকে অর্জন করে। ৩.গোদান করে দড়ির উপর মায়া রেখে কি লাভ? যখন মোহ ত্যাগ করবে,তখন নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করবে। ৪.শোকের চেয়ে বড় নাশকর্তা আর কিছু নেই,শোক মানুষের সব শক্তিকেই নষ্ট করে দেয়,তাই শোক করোনা। ৫.ব্যাবহার ও চরিত্রেই বংশের পরিচয় হয়। ৬.মিথ্যাবাদী ব্যাক্তি সর্পের চেয়েও ভয়ঙ্কর। ৭.সত্যই এ জগতের নিয়ন্ত্রক,সত্যেই ধর্ম প্রোথিত হয়ে আছে। ৮.মাতৃঋণ কোন সন্তানই কখনো শোধ করতে পারেনা। ৯.চন্দ্র তাঁর সৌন্দর্য হারাতে পারে,হিমবন বরফশুন্য হয়ে পড়তে পারে,সমুদ্র বিরান হয়ে যেতে পারে কিন্তু রাম কখনো তার প্রতিজ্ঞা হতে বিচ্যুত হয়না। ১০.শেকড়হীন বিশাল বৃক্ষ ও যেমন সত্তরই নির্জীব হয়ে পড়ে ঠিক তেমনি নিরীহের ক্ষতিকারী শত শক্তিশালী হলেও সমূলে পতিত হয়। ১১.উৎসাহ এর চেয়ে বড় বল আর কিছুই নেই,উৎসাহী ব্যাক্তি জগত ও জয় করতে পারে। ১২.দুঃখ বা দুর্দশায় একজন প্রকৃত বন্ধুর মত পরম সঙ্গী আর কেউ নেই অনুকম্পা,দয়া,ক্ষমা ও মানবতার মত বড় গুন আর নেই। ১৩.হৃদয়বানের কোন ক্রোধ নেই। ১৪.অতি গর্জনকারী মেঘ খুব কদাচিৎই বর্ষে,প্রকৃত বীর অকারনে বাক্যব্যায় করেনা। ১৫.দেশে দেশে বন্ধু,আত্মীয়স্বজন বা স্ত্রী মেলে কিন্তু পৃথিবীতে এমন কোন দেশ নেই যেখানে ভ্রাতা লক্ষন এর মত সহোদর মেলা সম্ভব। ১৬.তপস্যাই পরম শ্রেয়,বাকী সকলই মায়া। ১৭.যদিও লঙ্কা ধন সম্পদে পরিপূর্ণ তথাপি হে লক্ষন, এখানে আমার শান্তি লাভ হচ্ছেনা। সব সময় মনে রাখবে, জননী ও জন্মভুমি স্বর্গ অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ। ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি