বিচারককে দেওয়া নাথুরাম গডসের বক্তব্যের কিছু পয়েন্ট ১. ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ডের জন্য ভারতের মানুষ জেনারেল ডায়ার এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দেন, গান্ধী এর সমর্থন করতে অস্বীকার করেন।
২. সারা ভারত চেয়েছিল ভগত সিং, রাজগুরু ও শুকদেব এদের মৃত্যুদণ্ড রদ করার জন্য গান্ধী হস্তক্ষেপ করুন, কিন্তু তিনি জেদ ধরে থাকেন, বলেন ওরা পথভ্রষ্ট, ওদের পথ হিংসার।
৩. ৬ই মে ১৯৪৬, জনসভায় গান্ধী হিন্দুদের বলেন, মুসলিম লিগের সাথে লড়াই না করতে তার পরিবর্তে প্রয়োজনে ক্ষতিস্বীকার করতে। কেরালেয় মুসলিম লিগ ১৫০০ হিন্দুকে হত্যা করে ও ২০০০ হিন্দুকে বলপূর্বক ধর্মান্তরিত করে। প্রতিবাদ না করে গান্ধী বলেন আল্লার অনুসারীদের সাহসী কাজ।
৪. নানান অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে গান্ধী শিবাজী, রাণা প্রতাপ ও গুরু গোবিন্দ সিংহকে আদর্শভ্রষ্ট জাতীয়তাবাদী বলেন
৫. গান্ধী কাশ্মীরের রাজা হরি সিংকে উপদেশ দেন কাশ্মীরের অধিকার ছেড়ে দিতে যেহেতু কাশ্মীরের জনগণের অধিকাংশ মুসলিম, একইসাথে তিনি নিজাম ওসমান আলি খানকে হায়দ্রাবাদের পাকিস্তানভুক্তি সমর্থন করেন অথচ হায়দ্রাবাদের(অন্ধ্র, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক ও বেরার) জনগণের অধিকাংশ হিন্দু। যাই হোক সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল গান্ধীকে উপেক্ষা করে। নেহেরু যখন হায়দ্রাবাদে প্যাটেলের পুলিসের ভূমিকা(অপারেশন পোলো) শোনেন তখন প্যাটের সাথে টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দেন, নিজাম আত্মসমর্পন করে।
৬. ১৯৩১ সালে কংগ্রেস কমিটি ভারতের পতাকা গেরুয়া করার প্রস্তাব দেয়, গান্ধী তিরঙ্গা করার জন্য চাপ দেন।
৭. ত্রিপুরা কংগ্রেস সুভাস চন্দ্র বোস সর্বসন্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন, কিন্তু গান্ধী পট্টভভাই সিতারামাইয়াকে সমর্থন করে এবং সুভাসচন্দ্রকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন।
৮. ১৫ই জুন, ১৯৪৭, কংগ্রেস সভায় সিদ্ধান্ত হয় দেশভাগ রোখা হবে, গান্ধী শেষ অধ্যায়ে সভায় যান এবং দেশভাগ সমর্থন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অথচ এই গান্ধী প্রকাশ্যে বলেছিলেন দেশভাগ হলে আমার মৃতদেহের ওপর দিয়ে হবে।
৯. সর্দার প্যাটেল প্রথম প্রধান্মন্ত্রী নির্বাচিত হন অধিকাংশের সমর্থনে, কিন্তু গান্ধী জোর করে নেহেরুকে ্সেই আসনে বসান
১০. নেহেরু সরকার সোম্নাথ মন্দির পুননির্মানেরসিদ্ধান্ত নেয় কিন্তু মন্ত্রীসভার সদস্য না হয়েও সরকারকে এই সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করে। একই সময়ে ১৩ই জানুয়ারী, ১৯৪৮ এ অনশন করে দিল্লীর মসজিদ পুননির্মানে বাধ্য করেন।
১১. হিন্দু শরণার্থীরা (দেশভাগের সময়) সাময়িক ভাবে কিছু মসজিদে আশ্রয় নেয়, মুসলিম রা আপত্তি জানালে গান্ধী সমস্ত শরনার্থীদের শিশু স্ত্রীলোক সহ রাস্তায় থকতে বাধ্য করে।
১২. ১৯৪৭ অক্টোবরে পাকিস্তান কাশ্মীর আক্রমণ করে, ভারত সরকার তখন পাকিস্তানের প্রাপ্য ৫৫হাজার কোটি টাকা না দেবার সিদ্ধান্ত নেয়, কারণ ওই টাকা পাকিস্তান ভারত বিরোধিতার কাজে লাগাবে, এই সিদ্ধান্ত অনৈতিক বলে গান্ধী অনশন করে। মুসলিমদের মন পাবার জন্য হিন্দুদের নুন্যতম স্বার্থকে তিনি উপেক্ষা করতেন।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 3 October 2015
পিরামিডের অজানা রহস্য
প্রাচীন সপ্ত আশ্চর্যের একটি মিশরের পিরামিড । সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় ও আশ্চর্যময় স্থাপত্যের নাম পিরামিড । রূপকথার পুস্পিতবাক্যে নানা রঙ্গে সাজিয়ে ও মিশিয়ে কবি, লেখকরা তাকে নিয়ে রচনা করেছেন বহু কাব্য, ইতিহাস । অন্যদিকে প্রচুর শক্তি সম্পন্ন চশমা, লেন্স চোখে এটে তাবৎ বিশ্বের বিজ্ঞানীরা খুঁজে দেখতে চেষ্টা করছেন পিরামিডের অর্ন্তদিক । আর নিরপেক্ষ দর্শকগন মন্ত্রমুগ্ধের মত যুগযুগ ধরে পিরামিডের সৌন্দর্য উপভোগ
করে চলছেন । কিন্তু পিরামিড কিংবা ইজিপ্টের রহস্য জালের শেষ কোথায় ? বহু প্রাচীন এবং আধুনিক বিজ্ঞানী এবং ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীন বৈদিক সভ্যতা এবং মিশরের সভ্যতার মধ্যে শতভাগ মিল পাওয়া যায় । পিটার ভন বোহরেন, আল মুনসুরী, স্যার উইলিয়াম জোনস, পল উইলিয়াম রবার্ট, এডলফ ইরামসহ বহু ঐতিহাসিক এই কথা এক বাক্যে স্বীকার করেছেন । প্রথমত মিশর বা ‘ইজিপ্ট’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘অজপ’ বা ‘অজপতি’ থেকে । ভগবান শ্রীরামচন্দ্রেরপিতামহ । আবার শ্রীরামের নামে যে ইজিপ্টের নামকরণ করা হয়েছে তার সত্যতা মিলেছে স্বয়ং ইজিপ্টের শাস্ত্রগ্রন্থে । মিশরবাসীরা দেবতা বা ভগবানকে ‘ফারাও’ নামে সম্বোধন করে । আশ্চর্যজনকভাবে মিশরের এক ফারাও এর নাম ‘রামইসি’ । ড. এস কে ভি তার গ্রন্থে “হিন্দু মাইথোলজী এন্ড প্রিহিস্টোরী” তে মিশরের প্রাচীন ইতিহাস পর্যালোচনা করেছেন । তিনি লিখেছেন একসময় মিশরে দদাতি মহারাজ এবং তার দুই স্ত্রী দেবযানী ও শর্মিষ্ঠা বাস করতেন । একসময় এক বিশেষ কারণে দদাতি মহারাজ যুবক অবস্থায় বৃদ্ধ দশা প্রাপ্ত হয়েছিলেন । তখন তিনি তার পুত্রদের অনুরোধ করেন তাকে তাদের যুবক দেহ প্রদান করে বৃদ্ধ দেহ বিনিময় করার জন্য । অন্যান্য পুত্ররা পিতাকে সম্মতি জ্ঞাপন না করলেও কনিষ্ঠ পুত্র পুরু সম্মতি জ্ঞাপন করে এবং সিংহাসন আরোহন করে । পরবর্তীতে এই পুরুর বংশধররা একসময় ‘পরুবাস’ এবং পরবর্তীতে ‘ফারাওস’ নামে মিশরে পরিচিতি লাভ করে । “Proof of Vedic Cultures Global Existence” নামক গ্রন্থে স্টিফেন নেপ লিখেছেন যে, পাশ্চত্যবাসীরা পূর্বে রামকে ‘রাহাম’ নামে উচ্চারণ করত । কালের প্রভাবে পরবর্তীতে রা উচ্চারন বিস্মৃত হয় এবং আফ্রিকার স্কুল পাঠ্যবইয়ে লিখিত আছে যে, আফ্রিকানদের ‘কুশইটেস’ বলা হয় (কুশইটেস এসেছে রামপুত্র কুশ থেকে) এবং তাদের পিতার নাম ‘হাম’,অন্যদিকে রামচন্দ্রের অন্য পুত্র ‘লব’ সংস্কৃত ভাষায় লব্য নামে পরিচিতি যার থেকে ‘লিবিয়া’ নামক দেশের নাম সমাদৃত হয়েছে । অপরদিকে ব্রিটিশ আর্মি অফিসার জন এইচ স্পিকি ১৮৪৪ সালে মিশরের বিখ্যাত নাইল বা নীল নদের উৎস আবিষ্কার করেন । সংস্কৃত শব্দ নীল (Blue) থেকে মূলত নীল নদ এসেছে । এছাড়া মিশরের বহু স্থান এবং বস্তুর নামের উৎস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, এগুলোর উৎস মূলত বৈদিকশাস্ত্র বা সংস্কৃত ভাষা । এছাড়া সনাতন বৈদিক ধর্ম থেকেই যে প্রাচীন ইজিপশিয়াম ধর্মের উদ্ভব তার বহু নিদর্শন সেখানে রয়েছে । স্কন্দ পুরাণ মতে, মিশর বা আফ্রিকা শঙ্খ দ্বীপ হিসেবে পরিচিত । এছাড়া সৃষ্টিলীলা পর্যবেক্ষণ করলেও উভয় ক্ষেত্রে মিল পাওয়া যায় । প্রাচীন ইজিপ্ট ধর্ম মতে হ্রি হিরি হচ্ছেন সমস্ত দেবতা এবং বিগ্রহের উৎস যেখানে বৈদিক মতে, শ্রীহরি বা শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন সমস্ত দেবতাদেরও ঈশ্বর বা পরমেশ্বর । এটি সত্যিই আশ্চর্যকর মিল । এছাড়া মিশরীয় শাস্ত্রে আরো উল্লেখ আছে যে, সৃষ্টির পূর্বে নাহরাইন (NHRYN) (বৈদিক শাস্ত্র মতে নারায়ণ) জলের উপর শায়িত ছিলেন । এছাড়া প্রাচীন ইজিপ্টের জনগন ছিলেন কঠোর নিরামিশাষী । তাদের ঔষধবিদ্য, মহাকাশবিদ্যা ও ভাস্তু বিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন । ঐতিহাসিক মতে, বৈদিক যুগে সমগ্র পৃথিবী বৈদিক শাস্ত্র মতে পরিচালিত হত । তৎকালীন সময়ে সমগ্র পৃথিবীর মানুষ ভারতবর্ষে এসে তপস্যা, সংযম এবং শাস্ত্রগ্রন্থাদি অধ্যয়ন করতেন । এভাবেই বৈদিক ভাস্তুশাস্ত্র সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে । বিখ্যাত ভাস্তুবিদ ড. ভি গণপতি স্থপতি পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভারতের দক্ষিণ অংশ, ইজিপ্টের পিরামিড এবং মেক্সিকোর মায়ান সভ্যতার মধ্যে স্থাপত্যগত মিল পাওয়া যায় । ভাস্তু মতে যাকে ‘শিখর’ বলা হয় ইজিপ্টবাসীরা তাকে ‘পিরামিড’ বলে । পিরামিডের বিস্ময়কর স্থাপত্য মূলত ভাস্তুশাস্ত্রেরএকটি ক্ষুদ্র শাখা মাত্র । এছাড়া পিরামিডের অভ্যন্তরেও বৈদিক সভ্যতার অনেক নিদর্শন পাওয়া গেছে । যেমনঃ- মিশরীয়রা পূর্ণজন্ম বিশ্বাস করে । তারা বিশ্বাস করে যে, মৃত্যুর পর আত্মা পরবর্তী দেহ লাভ করে এবং পরবর্তী দেহ লাভ না করা পর্যন্ত সে আত্মার সুরক্ষাকল্পে তারা ‘মমি’র সন্নিকটে খাদ্যদ্রব্য রেখে দেয় । এছাড়া মিশরে ৩০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দেরও প্রাচীন পিরামিডে খনন কার্য সমাপনের সময় ভগবদগীতা শ্লোক সমন্বিত প্যাপিরাস পাতা আবিষ্কৃত হয় । শ্লোকটি ছিল “বাসাংসি জীর্ণানি যথা…..” অর্থাৎ কেউ যখন জীর্ণ বস্ত্র ত্যাগ করে নতুন বস্ত্র পরিধান করে তেমনি আত্মা জীর্ণ দেহ পরিত্যাগ করে । এছাড়া আরো আশ্চর্যকর ব্যাপার হচ্ছে যে, ভারতীয় ‘মসলিন’ কাপড় দ্বারা মৃত ফারাওদের দেহকে মোড়ানো হয় । এছাড়া প্রাচীন ভারতবর্ষের বৈদিক শাস্ত্রবিদগণও পিরামিড তৈরি করতে জানত । ঠিক যেমন সম্প্রতি মহেঞ্জোদারোতে বৈঞ্জানিক খননকার্য সমাপনের সময় মিশরের টেরাকোটা মমির মত অবিকল মমি আবিষ্কৃত হয় ।
পাপাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে স্পেশাল পোস্ট।সবাই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
**পাপাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে স্পেশাল পোস্ট।সবাই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন**
১৯২১ সালে দক্ষিণ ভারতে ভয়াবহ হিন্দুনিধন দাঙ্গা শুরু হয়।এই দাঙ্গা মপলা বিদ্রোহ নামে পরিচিত।মূলত এই দাঙ্গার
মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু-মুসলিম বিভেদ ভয়াবহ আকার
ধারণ করে।হিন্দু বিরোধী এই মপলা বিদ্রোহের বর্ণনা দিতে গিয়ে ইতিহাসবিদ বেনিঙ্গা লিখেছেন,"...কূপগুলো হিন্দুদের
ছিন্নভিন্ন লাশে ভরে যায়;অন্তসত্ত্বাহিন্দু নারীদের পেট চিরে ভ্রূণ
বের করে আগুনে পুড়িয়ে দেয় জিহাদীরা;শিশুদেরকে তাদের মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করা হয়;ছেলের সামনে মাকে ও পিতার সামনে মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয়।হিন্দুদের
লক্ষাধিক বাড়িঘর ধ্বংস সহ একশত এর অধিক মন্দির ধ্বংস ও অপবিত্র করা হয়।মন্দিরে গো হত্যা করা হয় এবং গরুর নাড়ীভুড়ি দেবমূর্তির গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।"
রবিনসন উল্লেখ করেছেন,মুসলমানদের এই বিদ্রোহে আনুমানিক ৫০ হাজার হিন্দু নিহত হন।
এই বর্বর ঘটনার পর তথাকথিত 'মহাত্মা' আসলে পাপত্মা গান্ধী বলেন,"আমি কলকাতায় ছিলাম।খবর পেলাম খোদাভীরু মুসলিম বিদ্রোহীদের হাতে কয়েকজন হিন্দু মারা গেছে।আমি
মনে করি না এই সামান্য ঘটনায় হিন্দু- মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হবে।"
এসব ঘটনা বিবেচনা করেই নাথুরামজী এই বন্দুকটির সদ্ব্যবহার করেছিলেন।আর তারপর আদালতে দিয়েছিলেন এক বীরোচিত জবানবন্দি যা আজও আমাদের প্রতিটি হিন্দুকে উদ্বুদ্ধ করে।সেই জবানবন্দির একটি চুম্বক অংশ-
"আমি বলতে চাই যে,আমি এমন এক ব্যক্তির প্রতি গুলিবর্ষণ করেছি যার নীতি ও কার্যকলাপ কোটি-কোটি হিন্দুর দুঃখ-দুর্দশা ও ধ্বংস ডেকে এনেছে।দেশে এমন কোন আইন নেই যার আওতায় এমন এক অপরাধীর বিচার হতে পারে।তাই আমি নিজেই তার প্রতি মৃত্যুবাণ নিক্ষেপ করেছি।"
শুনলাম গান্ধীর বধকারী নথুরাম গডসেজীর ভাস্কর্য বসানো হবে।শুধু ভাস্কর্য নয়,নথুরামজীকে মরণোত্তর ভারতরত্ন দেওয়া উচিত।
#হরহরমহাদেব
হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।।
আমরা সত্য বলতে বিন্দু পরিমাণ কাউকে পরোয়া করি না।
#RSS
Muslim leaders issue a fatwa against anyone living on MARS as there is 'no righteous reason' to be there | Daily Mail Online
http://www.dailymail.co.uk/news/article-2562957/Muslim-leaders-issue-fatwa-against-living-MARS-no-righteous-reason-there.html
Indian Military is The 5Th Deadliest: Report | kolkata24x7-Get Latest & Breaking News From kolkata
http://www.kolkata24x7.com/national-news/indian-military-is-the-5th-deadliest-report?utm_source=facebook&utm_medium=social&utm_campaign=IndianArmyNews&utm_content=BengaliNews
উপমহাদেশে মুসলিম বৃদ্ধি হিন্দু কমে যাওয়ার কিছু কারণ
আজ আপনাদের উপমহাদেশে মুসলিম বৃদ্ধি হিন্দু কমে যাওয়ার কিছু কারণ তুলে ধরব:
মুসলিম ভাইদের মূখে মুখে শুনি প্রতিদিন প্রায় শত শত হিন্দুধর্মের লোক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে তাই দিন দিন মুসলিমদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে আর হিন্দুদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।।
আমি সেইসব মুসলিম ভাইদের উদ্দেশ্যে একটা জরিপ দিতে চায়:-
ধরুন, একটি গ্রামে একজন মুসলিম পুরুষ ও একজন হিন্দু পুরুষ বাস করেন।। দুজনে বিয়ে করলো,
প্রথমে,
মুসলিম জন বিয়ে করলো
১টি তাহলে তারা সদস্য সংখ্যা,
পুরুষ+মহিলা=২জন।
হিন্দু জন বিয়ে করলো ১টি।। (১+১)= ২জন
এবার, মুসলিম পুরুষটির সন্তান নিলেন ২ জন।
তাহলেল(স্বামী,স্ত্রী+২জন সন্তান =৪জন।
হিন্দু পুরুষটি একই কাজ করলো (২+২)=৪জন।
তাহলে, মুসলিম সদস্য ৪ জন।
হিন্দু সদস্য ৪ জন।
এবার, মুসলিম জন ২য় বিয়ে করলো(ইসলাম শরীয়ত অনুযায়ী)
(৪জন+জন) ৫ জন।
হিন্দু জন ৪ জনকে নিয়ে বসবাস করতে লাগল।
১ম স্ত্রীর মতো ২য় স্ত্রীর ও ২টা সন্তান হলো।।
(৫+২)=৭জন।
হিন্দু জনের = ৪জন।
এভাবে পযাক্রমে মুসলিম জন আরো ৩ টি বিয়ে করলো , (৭+৩)=১০ জন।
সেই ৩ জন স্ত্রীর ২টি করে সন্তান হলো।।
তাহলে,(১০+ তিনজনের ৬টা সন্তান)=১৬ জন।।
আর হিন্দু জনের =৪ জন। এবার উত্তরটা আপনারাই বলে দিন??
ডিয়ার হিন্দুস
ডিয়ার হিন্দুস
নিজের মধ্যেকার হিন্দুত্ববোধ টুকু জাগীয়ে তুলুন।।
কি ভাবছেন যে হিন্দুত্ববোধ জাগিয়ে হিন্দুত্ববোধ দেখাতে গিয়ে ইসলামিক জঙ্গীর হাতে মারা পড়বেন??
এটা একদম ভূল ভাবছেন।।
আপনি জানেন কি আপনি ও আপনার মতো কয়েকজন মিলে হিন্দুত্ববাদী একতা থাকলে কোন জঙ্গী আপনাকে কিছু করতে পারবে না।। কারণ জঙ্গিরাও একতা থাকে কাউকে দেখে ভয় পায়না ।। মৃত্যুকেও না,
ঠিক আপনাদেরও এমনটা হতে হবে তাহলে দেখবেন আপনাদের দেখে জঙ্গি সংগঠন গুলো ভয় পাচ্ছে।।
আর একটা কথা মনে রাখবেন সবসময় ধর্মীয় নির্দেশ অনুযায়ী চলবেন তাহলে বিপদ খুব কম আসবে।।
Subscribe to:
Posts (Atom)