Monday, 5 October 2015

সিরিয়ার বিমান অভিযান আরো তীব্রতর করবে রাশিয়া - Bangladeshnews

http://bdn24x7.com/?p=276036

পিতৃপক্ষ এবং দেবীপক্ষ কি?

>> পিতৃপক্ষ এবং দেবীপক্ষ কি? বছরের ১২মাসে ২৪টি পক্ষ রয়েছে, তার মধ্যে ২টি পক্ষ বিশেষ তাৎপর্য্যপূর্ণ। প্রথমটি পিতৃপক্ষ ও দ্বিতীয়টি দেবীপক্ষ। আশ্বিনের কৃষ্ণ পক্ষের তিথীকে বলা হয় মহালয়া। এই কৃষ্ণ পক্ষকে বলা হয় অপরপক্ষ কিংবা পিতৃপক্ষ। পিতৃপক্ষে স্বর্গত পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে পার্বন শ্রাদ্ধ ও তর্পন করা হয়। যমালয় থেকে মর্ত্যলোকে এ সময় পিতৃ পুরুষেরা আসেন। তাদেরকে তৃপ্ত করার জন্য তিল, জল, দান করা হয়। এবং তাহাদের যাত্রাপথকে আলোকিত করার জন্য উল্কাদান করা হয়। মহাভারতে বলা হয়েছে যে, মহাবীর কর্ণের আত্মা স্বর্গে গেলে সেখানে তাঁকে খেতে দেওয়া হল শুধুই সোনা আর ধনরত্ন। ‘ব্যাপার কী?’ কর্ণ জিজ্ঞাসা করলেন ইন্দ্রকে । ইন্দ্র বললেন, ‘তুমি সারাজীবন সোনাদানাই দান করেছো, পিতৃপুরুষকে জল দাও নি। তাই তোমার জন্যে এই ব্যবস্থা।’ কর্ণ বললেন, ‘আমার কী দোষ? আমার পিতৃপুরুষের কথা তো আমি জানতে পারলাম যুদ্ধ শুরুর আগের রাতে ।মা কুন্তী আমাকে এসে বললেন, আমি নাকি তাঁর ছেলে। তারপর যুদ্ধে ভাইয়ের হাতেই মৃত্যু হলো। পিতৃতর্পণের সময়ই তো পেলাম না ।’ ইন্দ্র বুঝলেন, কর্ণের দোষ নেই। তাই তিনি কর্ণকে পনেরো দিনের জন্য মর্ত্যে ফিরে গিয়ে পিতৃপুরুষকে জল ও অন্ন দিতে অনুমতি দিলেন। ইন্দ্রের কথা মতো এক পক্ষকাল ধরে কর্ণ মর্ত্যে অবস্থান করে পিতৃপুরুষকে অন্নজল দিলেন। তাঁর পাপ স্খলন হলো এবং যে পক্ষকাল কর্ণ মর্ত্যে এসে পিতৃপুরুষকে জল দিলেন সেই পক্ষটি পরিচিত হল পিতৃপক্ষ নামে। এই অমাবস্যায় পিতৃপূজা সেরে পরের পক্ষে দেবীপূজায় প্রবৃত্ত হতে হয়। তাই দেবীপূজার পক্ষকে বলা হয় দেবীপক্ষ বা মাতৃপক্ষ, মহালয়া হচ্ছে পিতৃপক্ষের শেষ দিন এবং দেবী পক্ষের শুরুর পূর্ব দিন পিতৃপক্ষে আত্নসংযম করে দেবী পক্ষে শক্তি সাধনায় প্রবেশ করতে হয়। দেবী শক্তির আদিশক্তি, তিনি সর্বভূতে বিরাজিত। তিনি মঙ্গল দায়িনী করুনাময়ী। সাধক সাধনা করে দেবীর বর লাভের জন্য, দেবীর মহান আলয়ে প্রবেশ করার সুযোগ করেন বলেই এ দিনটিকে বলা হয় মহালয়া। মহালয়ার পর প্রতিপদ তিথি থেকে দেবী বন্দনা শুরু হয়। কোন কোন অঞ্চলে দেবীর আরাধনা প্রতিপদ থেকে শুরু হয়।আমাদের এখানে ষষ্ঠ তিথি থেকে দেবী বন্দনা শুরু হয়। দুই মতেই দেবী পূজার রীতি প্রচলিত আছে। সংগৃহীতঃ

Sunday, 4 October 2015

বিসর্জনের দিনই বিসর্জন দেবেন । ।

আমার মতো প্রত্যেকে শেয়ার করুন । । বিসর্জনের দিনই বিসর্জন দেবেন । । হিন্দুধর্মের ওপর নিয়ন্ত্রন করতে ফতোয়া বার করল মমতা সরকার- মুসলিমদের মহরমের জন্য নির্ধারিত আমাদের মা দূর্গার বিদায়ের দিন পিছিয়ে দিল মমতা বেগমের ইছলামি সরকার।মূর্তিবিদ্বেষী মুসলিমদের সামনৈ যাতে মা দূর্গা মূর্তি না এসে যায় সেই ব্যাবস্থা করল মোল্লা মমতা বেগমের সরকার। ঠিক এরকম অবস্থা অনেক বছর আগে হয়েছিল.............সেইবারও মা দূর্গার বিসর্জনের দিন মহরম পড়েছিল। মুসলিমরা মা দূর্গার প্রতিমা মন্ডপ থেকে বের করতে দিচ্ছিল না। সঙ্গে সঙ্গে সেই খবর আমাদের শ্যামাপ্রসাদ মুর্খাজী কলকাতায় বসে পেয়ে যান।তিনি বললেন,১০০ঢোল আর ১,০০০লাঠি তৈরী রাখ,বিসর্জনের সময় লাগবে।পরের দিন সে সেখানে গিয়ে প্রতিটি গ্রামবাসীর হাতে লাঠি ধরিয়ে দিয়ে মা দূর্গার প্রতিমা নিয়ে চললেন বিসর্জনের উদ্দেশ্যে। মুসলিমদের বাচাতে সেখানে প্রচুর পুলিশ চলে আসে। কোনো ঝামেলা ছাড়া বিসর্জন হয়ে যায়। আমাদের মা দূর্গার বিসর্জন মহরমের দিনে পড়েছে বলে আবার একবার মমতা সরকার মন্ডপ থেকে সেই দিন ঠাকুর বার করতে বারণ করে দিল।আবার আমরা হাতে লাঠি নিয়ে মহরমের দিনই হাতে লাঠি নিয়ে মা দূর্গার বিসর্জন দেব।অন্য কোনো দিন যেন কেউ ঠাকুর বার না করে নির্দিষ্ট দিনেই মহরমের দিনেই মা দূর্গার বিসর্জন করে।এ বিষয় পূজাসমিতিগুলির কাছে একসাথে গিয়ে কথা বলুন।নির্দিষ্ট দিন ছাড়া মমতা ব্যানার্জীর ঠিক করা দিনে ঠাকুর বার করতে দেবেন না। এটা হিন্দুধর্ম বিরোধী ফতোয়ার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত চ্যালেজ্ঞ। প্রতিটি হিন্দু যাতে একসাথে হয়ে এটি করে,,তাই শেয়ার করুন সবাইকে পোস্টটি। #জয়_মা_দূর্গা #প্রত্যেক_হিন্দু র_জয় #ভারতমাতার_জয

ভালু মুসলমানদের সঙ্গা কি?

ভালু মুসলমানদের সঙ্গা কি? তথাকথিত মডারেট হিন্দু রমণীদের অতিরিক্ত মুসলমান প্রীতি এবং পক্ষান্তরে মডারেট মুসলমানদের অতিরিক্ত হিন্দু রমনী প্রীতির কারন কি? (ভালু মুসলমানদের লেঞ্জা বের হবার পরও)! খুশি হবার কারন নেই, হিন্দু রামছাগলগুলোও কম না। ~~~~~~~~~~~~~~~ ~~~~~~~~~ এই পোস্টের পর অনেক মডারেট হিন্দু নারীর 'মুসলমানুভুতিতে ' আঘাত লেগেছে! এই বার আসল ঘটনায় আসা যাক, এক জন তথাকথিত 'ভালু মুসলমান' এক জন মডারেট হিন্দু নারীর ইনবক্সে তার ঈমান দণ্ডের ছবি পাঠিয়েছে এবং তার সাথে পরকীয়া করতে ছেয়েছে! তারপরও ঐ হিন্দু রমনী 'ভালু মুসলমান'কে ফ্রেন্ড লিস্টে রেখে দিয়েছে এবং খেজুরে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে (আমাকে ইনবক্সে বিষয়টা জানানোর পরও)! ফেসবুকে অধিকাংশ হিন্দু নারী তথাকথিত 'ভালু মুসলমানদের' লুলামি- লুচ্চামী র শিকার, মান-ইজ্জতের জন্য অনেকে তা প্রকাশ করে না। তাইবলে হিন্দু লুচ্চার সংখ্যাও কম নয়।
ভালু মুসলমানদের সঙ্গা কি? তথাকথিত মডারেট হিন্দু রমণীদের অতিরিক্ত মুসলমান প্রীতি এবং পক্ষান্তরে মডারেট মুসলমানদের অতিরিক্ত হিন্দু রমনী প্রীতির কারন কি? (ভালু মুসলমানদের লেঞ্জা বের হবার পরও)! খুশি হবার কারন নেই, হিন্দু রামছাগলগুলোও কম না। ~~~~~~~~~~~~~~~ ~~~~~~~~~ এই পোস্টের পর অনেক মডারেট হিন্দু নারীর 'মুসলমানুভুতিতে ' আঘাত লেগেছে! এই বার আসল ঘটনায় আসা যাক, এক জন তথাকথিত 'ভালু মুসলমান' এক জন মডারেট হিন্দু নারীর ইনবক্সে তার ঈমান দণ্ডের ছবি পাঠিয়েছে এবং তার সাথে পরকীয়া করতে ছেয়েছে! তারপরও ঐ হিন্দু রমনী 'ভালু মুসলমান'কে ফ্রেন্ড লিস্টে রেখে দিয়েছে এবং খেজুরে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে (আমাকে ইনবক্সে বিষয়টা জানানোর পরও)! ফেসবুকে অধিকাংশ হিন্দু নারী তথাকথিত 'ভালু মুসলমানদের' লুলামি- লুচ্চামী র শিকার, মান-ইজ্জতের জন্য অনেকে তা প্রকাশ করে না। তাইবলে হিন্দু লুচ্চার সংখ্যাও কম নয়।

Saturday, 3 October 2015

আজ আপনাদের সামনে 2013 পূর্ববর্তী হিন্দু নির্যাতনের কিছু পত্রিকার নিউজ link গুলো দিচ্ছি।

This summary is not available. Please click here to view the post.

বিচারককে দেওয়া নাথুরাম গডসের বক্তব্যের কিছু পয়েন্ট

বিচারককে দেওয়া নাথুরাম গডসের বক্তব্যের কিছু পয়েন্ট ১. ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ডের জন্য ভারতের মানুষ জেনারেল ডায়ার এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দেন, গান্ধী এর সমর্থন করতে অস্বীকার করেন। ২. সারা ভারত চেয়েছিল ভগত সিং, রাজগুরু ও শুকদেব এদের মৃত্যুদণ্ড রদ করার জন্য গান্ধী হস্তক্ষেপ করুন, কিন্তু তিনি জেদ ধরে থাকেন, বলেন ওরা পথভ্রষ্ট, ওদের পথ হিংসার। ৩. ৬ই মে ১৯৪৬, জনসভায় গান্ধী হিন্দুদের বলেন, মুসলিম লিগের সাথে লড়াই না করতে তার পরিবর্তে প্রয়োজনে ক্ষতিস্বীকার করতে। কেরালেয় মুসলিম লিগ ১৫০০ হিন্দুকে হত্যা করে ও ২০০০ হিন্দুকে বলপূর্বক ধর্মান্তরিত করে। প্রতিবাদ না করে গান্ধী বলেন আল্লার অনুসারীদের সাহসী কাজ। ৪. নানান অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে গান্ধী শিবাজী, রাণা প্রতাপ ও গুরু গোবিন্দ সিংহকে আদর্শভ্রষ্ট জাতীয়তাবাদী বলেন ৫. গান্ধী কাশ্মীরের রাজা হরি সিংকে উপদেশ দেন কাশ্মীরের অধিকার ছেড়ে দিতে যেহেতু কাশ্মীরের জনগণের অধিকাংশ মুসলিম, একইসাথে তিনি নিজাম ওসমান আলি খানকে হায়দ্রাবাদের পাকিস্তানভুক্তি সমর্থন করেন অথচ হায়দ্রাবাদের(অন্ধ্র, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক ও বেরার) জনগণের অধিকাংশ হিন্দু। যাই হোক সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল গান্ধীকে উপেক্ষা করে। নেহেরু যখন হায়দ্রাবাদে প্যাটেলের পুলিসের ভূমিকা(অপারেশন পোলো) শোনেন তখন প্যাটের সাথে টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দেন, নিজাম আত্মসমর্পন করে। ৬. ১৯৩১ সালে কংগ্রেস কমিটি ভারতের পতাকা গেরুয়া করার প্রস্তাব দেয়, গান্ধী তিরঙ্গা করার জন্য চাপ দেন। ৭. ত্রিপুরা কংগ্রেস সুভাস চন্দ্র বোস সর্বসন্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন, কিন্তু গান্ধী পট্টভভাই সিতারামাইয়াকে সমর্থন করে এবং সুভাসচন্দ্রকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন। ৮. ১৫ই জুন, ১৯৪৭, কংগ্রেস সভায় সিদ্ধান্ত হয় দেশভাগ রোখা হবে, গান্ধী শেষ অধ্যায়ে সভায় যান এবং দেশভাগ সমর্থন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অথচ এই গান্ধী প্রকাশ্যে বলেছিলেন দেশভাগ হলে আমার মৃতদেহের ওপর দিয়ে হবে। ৯. সর্দার প্যাটেল প্রথম প্রধান্মন্ত্রী নির্বাচিত হন অধিকাংশের সমর্থনে, কিন্তু গান্ধী জোর করে নেহেরুকে ্সেই আসনে বসান ১০. নেহেরু সরকার সোম্নাথ মন্দির পুননির্মানেরসিদ্ধান্ত নেয় কিন্তু মন্ত্রীসভার সদস্য না হয়েও সরকারকে এই সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করে। একই সময়ে ১৩ই জানুয়ারী, ১৯৪৮ এ অনশন করে দিল্লীর মসজিদ পুননির্মানে বাধ্য করেন। ১১. হিন্দু শরণার্থীরা (দেশভাগের সময়) সাময়িক ভাবে কিছু মসজিদে আশ্রয় নেয়, মুসলিম রা আপত্তি জানালে গান্ধী সমস্ত শরনার্থীদের শিশু স্ত্রীলোক সহ রাস্তায় থকতে বাধ্য করে। ১২. ১৯৪৭ অক্টোবরে পাকিস্তান কাশ্মীর আক্রমণ করে, ভারত সরকার তখন পাকিস্তানের প্রাপ্য ৫৫হাজার কোটি টাকা না দেবার সিদ্ধান্ত নেয়, কারণ ওই টাকা পাকিস্তান ভারত বিরোধিতার কাজে লাগাবে, এই সিদ্ধান্ত অনৈতিক বলে গান্ধী অনশন করে। মুসলিমদের মন পাবার জন্য হিন্দুদের নুন্যতম স্বার্থকে তিনি উপেক্ষা করতেন।