Friday, 18 December 2015

হিন্দু নারীদের উপর বলৎকার করে

যেই দেশের উগ্রবাদী মুসলিমরা আতশ বাজি ফুটানোর মত তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিন্দু বাড়িতে হামলা করে অতপর হিন্দু নারীদের উপর বলৎকার করে অনাগত গর্ভের সন্তানকে মেরে ফেলে সেই দেশের উগ্রবাদী মুসলিমগুলো কতটুকু ধর্ম নিরপেক্ষ হতে পারে কিংবা এই দেশ কতটুকু জঙ্গিমুক্ত এটা নিশ্চয় কারো বুঝতে অসুবিধা হবে না। হ্যাঁ এটাই ফেনীর মাথিয়ারায় গত কয়েক দিন আগে উগ্রবাদী মুসলিমদের দ্বারা ঘটে যাওয়া ইতিহাসের ঘৃন্যতম ঘটনা। যেখানে উগ্রবাদী মুসলিমগুলো তুলসী দাস নামের গর্ভবর্তী মায়ের অনাগত সন্তানকে পায়ে পিশে মেরে ফেলেছে। অনেকে আবার কথায় কথায় বলেন সকল মুসলিম সমান না কিংবা সকল জায়গায় হিন্দু অত্যাচার হয় না। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি সন্ত্রাসী রাস্তার সকলকে হামলা করে না বরং যাকে সুযোগে পায় তাকেই ধরে তাছাড়া গত ২ মাসের মধ্যেই সারা দেশে অর্ধশতাধিক প্রতিমা ও মন্দির ভাঙ্গচুর করছে এই দূর্বত্ত নামধারী উগ্রবাদী মুসলিমগুলো। দূর্বৃত্তরা বার বার কেন প্রতিমা ভাঙ্গে কিংবা হিন্দুদের উপর অত্যাচার করে???? কেন বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্ট্রান কিংবা উপজাতিদেরকে হামলা করছে না কিংবা তাদের উপসনালয় ভাঙ্গে না???? দূবৃত্ত বলতে কি মুসলিম বোঝায় তাহলে কেনই বা ৯০ভাগ মুসলিমদের দেশে সাম্প্রদায়িক হামলাকারী মুসলিমদেরকে উগ্রবাদী মুসলিম বলা হয় না????বাংলাদেশ কি আদো সকল ধর্মের মানুষকে ধর্ম পালনের নিরাপত্তা দিতে পেরেছে তাহলে কেন এতো বর্বরতা????ধর্ম অবমাননা কি শুধু ইসলাম নিয়ে হয় অন্যদের ধর্ম কি ইসলাম থেকে ছোট নাকি চাপাতি দিয়ে ধর্ম চালাবে জঙ্গিবাদী মৌলবাদীরা তাহলে কেন ভিন্নমত পোষনকারী ব্যক্তিকে বারবার চাপাতির আঘাত খেয়ে মরতে হয়?????জানি এর উওর কারো কাছে নেই কারণ বাংলাদেশ আজও স্বাধীন নয় পরাধীন কেননা যেই দেশ সমগ্র জাতির নিরপত্তা দিতে পারে না সে দেশ কি করে স্বাধীন হয় ।

সৌদি আরবে যে মুসুল্লিরা আছে শুধু তারাই মুসলিম প্রকৃত মুসলিম

সৌদি বাদশা এবং সৌদি নাগরিক রা মনে করে সৌদি আরবে যে মুসুল্লিরা আছে শুধু তারাই মুসলিম প্রকৃত মুসলিম, এ ছারা যারা অন্য দেশ বা এস্থানে যারা বলে তারা মুসলিম তারা আসলে মুসলিম না তারা ইহুদিদের দ্বারা গঠিত ইসলাম নাম ধারী ইসলামের বিকৃত কারি এবং ইসলামের শত্রু, এ যন্য এই সকল মুসলিম এর শত্রু দের খতম করার যন্য সৌদি বাদশা ততপর ইসলামের নাম ধারী ইসলামের শত্রু দের খতম করতে । কিন্তু যে যে মুসলিম দেশ সৌদির সাথে যোট বেধেছে তারা ? তারাও সাহায্য করছে না তারা চেষ্ঠা করছে তাদের যেন রেহাই দেয়া হয়, কিন্তু যারা যারা ইসলামকে বিকৃতো করছে তাদের রেহাই নেই, ইসলাম শান্তিতে বিস্রাসী । কিন্তু আপনাদের সৌদিতে তো কোথাও অন্য ধর্মের কোন উপাসনা লয় নেই তারাও তো শুধু তাই চাচ্ছে যে তাদের দেশে শুধু মসজিদ থাকুক ? তা যদি সয়তানরা চাইত তবে মসজিদে বোমা হামলা করত না, অন্য ধর্মের উপাসনা লয়ের বোমা হামলা সেতো আরো বরো গুনাহ সকলেই আল্লাহর বান্দা যে যে ভাবেই পারে আল্লাহকেই তো ডাকেন ।

ইছলামী ইতরামি:

ইছলামী ইতরামি: ১. প্রতিবন্ধী শিশুদের হত্যা করে যায়েজ বলে ফতোয়া দিয়েছে আইসিস। ডাউন সিনড্রোমাক্রান্ত ৩৮ জন শিশুকে ইতোমধ্যে মেরে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ইছলামী শিশুশিক্ষার কয়েকটি নমুনা প্রকাশ করেছে তারা। ছবিতে দেখুন। (লিংকে) ২. নাইজেরিয়ায় ইছলামী দল বোকো হারাম হত্যা করেছে ৩০ জনকে । ৩. ইয়াজিদি নারীদের জনসম্মুখেই গণধর্ষণ করে আইসিস জঙ্গিরা! ৪. তরবারি হাতে মমিন মুছলিম প্রতিবেশীকে হুমকি দিয়ে বলেছে, "আল্যার জন্যে আমি মারতে ও মরতে পারি।" তাকে আটক করা হয়েছে। ৫. জার্মানির 'শরিয়া পুলিশ'-এর নেতা গ্রেপ্তার । ৬. এক মডারেট মুছলিম, যে কিনা "I am Muslim, do you trust me enough for a hug?" লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিল পার্লামেন্ট ভবনের পাশে, এক সাংসদের বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছে। ৭. অনার কিলিং-এর মতো বর্বর সংস্কৃতি মুছলিমদের ভেতরেই সবচেয়ে প্রচলিত। এক গ্র্যান্ডফাদার তার দু'বছর বয়সী নাতনিকে ধর্ষণ করেছে এবং শিশুটির মা নিজ সন্তানটিকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে পরিবারের সম্মান রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছে। ৮. আইসিস-এর দুই সক্রিয় সহযোগী মুছলিম অভিবাসীকে প্রেপ্তার করা হয়েছে সুইজারল্যান্ডে। ৯. 'আল্যাহু আকবর' স্লোগান দিয়ে রোমের গির্জায় হামলা চালিয়েছে দুই মুছলিম। ১০. কে ছহীহ মুছলিম? ফাকিস্তানে নিজেদেরকে মুছলিম বলে দাবি করায় প্রেপ্তার করা হয়েছে আহমেদিয়া মুছলিম সম্প্রদায়ের দুইজনকে। ১১. "আমি সমস্ত সহযাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আল্যার সঙ্গে দেখা করতে চাই" - যাত্রীবাহী উড়ন্ড প্লেনের ককপিটে ঢোকার চেষ্টা করার সময় বলেছিল এক মমিন মুছলিম। ১২. শান্তির ধর্মের শান্তিময় উপাসনালয়গুলোয় অনুসন্ধান চালিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যবহার্য ৩২৪ টি অস্ত্র (মূলত কালাশনিকভ) ও আইসিস-এর প্রপাগান্ডা ভিডিও পাওয়া গেছে। মসজিদ নেতার বাড়িতে পাওয়া গেছে শান্তি-রিভলভার ও জিহাদি কাগজপত্র। ১৩. মৌমাছি যখন মধুর বিরুদ্ধে - সন্ত্রাসবিরোধী ইছলামী সামরিক জোট গঠন করেছে চৌদি আজব। ১৪. নবীজি নিজেই প্রতিমা ভেঙে উদাহরণ সৃষ্টি করেছিল। তাকে অনুসরণ করে তার বাংলাদেশী উম্মতরা সুন্নত আদায় করছে মাত্র। বলা উচিত, বাংলাদেশ চলছে সঠিক ইছলামী পথে। আরেক দল মুছলিম বোমা হামলা ও গুলি চালিয়েছে ইসকন মন্দিরে । বাসায় ঢুকে খ্রিষ্টান তিন ভাইবোনকে গুলি করেছে, কুপিয়েছে মুছলিমরাই। ১৫. ইছলামে ছবি তোলাই হারাম, ভিডিও তো দূরের কথা! অথচ ইছলামের জন্মস্থান ও পৃথিবীর প্রধানতম ইছলামী দেশে সিনেমা হল স্থাপন করা হবে। হালাল বিয়ার, হালাল হুইস্কি, হালাল সেক্সশপ-এর মতো এবারে হালাল সিনেমা হল? ১৬. গান-বাজনাও ইছলামে হারাম। তাই বাউল উৎসবের আয়োজককে ছহীহ উপায়ে কুপিয়ে হত্যা করে অশেষ ছওয়াব হাছিল করা হয়েছে। ১৭. ডেনমার্কে বসবাসকারী মুছলিমদের ৪৬.১ শতাংশ মনে করে, ডেনমার্কের আইনকানুন শরিয়াভিত্তিক হওয়া আবশ্যক । তবে তা যেহেতু হচ্ছে না, তাহলে এই মুছলিমগুলো কুফরী এই দেশটাকে ত্যাগ করে শতভাগ শরিয়া আইনের দেশগুলোয় চলে যায় না কেন? ছবি/নিউজলিংকসহ বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে ধর্মকারী লিংকে: http://www.dhormockery.com/2015/12/blog-post_91.html?m=1.

এ কেমন ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান????

এ কেমন ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান????ভারতীয় সংবিধানের 30(a) ধারা অনুসারে বিদ্যালয়ে বেদ,উপনিষদ,শ্রীমদভাগবদগীতা পড়ানো নিষিদ্ধ|অথচ মাদ্রাসাতে কুরান,হাদিস পড়ানো বৈধ| , হিন্দু মন্দির ও তীর্থকর বাবদ প্রাপ্ত অর্থের 80% রিজার্ভার বসিয়ে আদায় করে|অথচ মসজিদ,মাদ্রাসা ও মাজারে প্রাপ্ত তাদের(মোল্লাদের)| , অমরনাথ যাত্রিদের কাছ 30,000 টাকা তীর্থকর আদায় করে সরকার|অথচ হজ যাত্রিদের 100000(1 লক্ষ) টাকা অনুদান| , কি দোষ করল হিন্দুরা???কেন এ বৈষম্য???তাহলে 1947 সালে ধর্মের ভিত্তিতে ভারতমাতাকে ভাগ করা স্বত্তেও কেন মিথ্যা ধর্মনিরপেক্ষতারদোহাই দিয়ে হিন্দুদের এভাবে অবহেলিত রেখে মোল্লাদের পা চাটতে হয়???

এ কেমন ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান????

এ কেমন ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান????ভারতীয় সংবিধানের 30(a) ধারা অনুসারে বিদ্যালয়ে বেদ,উপনিষদ,শ্রীমদভাগবদগীতা পড়ানো নিষিদ্ধ|অথচ মাদ্রাসাতে কুরান,হাদিস পড়ানো বৈধ| , হিন্দু মন্দির ও তীর্থকর বাবদ প্রাপ্ত অর্থের 80% রিজার্ভার বসিয়ে আদায় করে|অথচ মসজিদ,মাদ্রাসা ও মাজারে প্রাপ্ত তাদের(মোল্লাদের)| , অমরনাথ যাত্রিদের কাছ 30,000 টাকা তীর্থকর আদায় করে সরকার|অথচ হজ যাত্রিদের 100000(1 লক্ষ) টাকা অনুদান| , কি দোষ করল হিন্দুরা???কেন এ বৈষম্য???তাহলে 1947 সালে ধর্মের ভিত্তিতে ভারতমাতাকে ভাগ করা স্বত্তেও কেন মিথ্যা ধর্মনিরপেক্ষতারদোহাই দিয়ে হিন্দুদের এভাবে অবহেলিত রেখে মোল্লাদের পা চাটতে হয়???

বানতলার ঘটনা:

বানতলার ঘটনা: ৩০ মে, ১৯৯০। গোসাবায় একটি টীকাকরণ কর্মসূচী সেরে তিন জন সরকারি হেলথ অফিসার ফিরছিলো কোলকাতায় । সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ যখন তারা ই.এম বাইপাসের কাছে বানতলায় পৌঁছে, তখন সিপিএমের পার্টি অফিসের কাছে ৪/৫ মুসলমান যুবক, তাদের গাড়ি থামানোর চেষ্টা করলে, তাদের পাশ কাটাতে গিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এসময় আরও ১০/১২ জন মুসলমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তারা সবাই মিলে গাড়িতে থাকা ড্রাইভার এবং স্বাস্থ্যকর্মী অনিতা দেওয়ান, উমা ঘোষ ও রেনু ঘোষকে টেনে হিঁচড়ে গাড়ি থেকে বের করে এবং গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।গাড়ি চালক তাদের বাধা দিতে গেলে তাকে মেরে তার পুরুষাঙ্গে আঘাত করে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রাখে। তিন হিন্দু যুবতী মেয়েকে ১৫/ ২০ জনে মিলে পার্টি অফিসের পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একজন সিরিয়াসলি বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যা করে এবং অন্য দুজনকে ধর্ষণ করে ফেলে রাখে। রাত সাড়ে এগারোটার দিকে পুলিশ গিয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার ক'রে মেয়েদেরকে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে এবং ড্রাইভারকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করে। মেয়েদের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিলো যে, প্রথমে ডাক্তাররা তিন মেয়েকেই মৃত মনে করেছিলো। কিন্তু তাদের মধ্যে দুজন বেঁচে ছিলো। হাসপাতালে নেওয়ার পরও জীবিত একজনের যোনীর মধ্যে ১২ ইঞ্চি সাইজের একটি ধাতব টর্চলাইট দেখে একজন ডাক্তার অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। ড্রাইভারের দেহে ৪৩ টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিলো এবং তার পুরুষাঙ্গ পিষে যাওয়ায়, সেটার কার্যক্ষমতা সর্ম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। ঘটনার ৫ দিনের মাথায় ঐ ড্রাইভার মারা যায়। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রশান্ত সূর, ধর্ষকদের রক্ষা করার জন্য বলেছিলো, "তারা তাদের শিশুপাচারকারী মনে করে আক্রমন করেছিলো।"কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে, স্বাস্থ্য বিভাগের এই দল কিছু মুসলমান মেয়েকে জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপকারিতা সম্পর্কে বুঝিয়েছিলো। এটাই ছিলো তাদের অপরাধ। জন্ম নিয়ন্ত্রণ ইসলামে নিষেধ এবং তা মুসলমানদের -পয়দা করে ফায়দা লুটে- ভারত দখলের পথে প্রধান বাধা; তাই মুসলমানরা এমন নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুন করে শাস্তি দেয় ঐ তিন হিন্দু মেয়ে এবং তাদের গাড়ির ড্রাইভার হিন্দু যুবককে। ইসলামে জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিষেধ হলেও অমুসলিমদের মেয়েদের ধর্ষণ ও খুন করতে কোনো নিষেধ নেই, বরং তার অনুমতিই আছে। ঐ মুসলমানরা সেদিন ইসলামের এই আদেশই পালন করেছিলো।এবার দেখা যাক, পশ্চিমবঙ্গের জগদ্দল পাথর, মুসলমানদের তাড়া খেয়ে পূর্ব বঙ্গ থেকে পালিয়ে আসা পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানপ্রেমী মূর্খমন্ত্রী জ্যোতি বসু এই ঘটনা সম্পর্কে কী বলেছিলো ? তিনি বলেছিলেন, "ধর্ষণের ঘটনা স্বাভাবিক", উনার কথায় মনে হয়, ধর্ষণের ঘটনা এতটাই স্বাভাবিক যে, উনার বাড়ির মেয়েদের, মুসলমানরা রোজ দু'বেলা করে এসে ধর্ষণ করে যায়। তিনযুগ ধরে কাদের হাতে ছিলো পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের দেখভালের দায়িত্ব তা একবার চিন্তা করুন।
বানতলার ঘটনা: ৩০ মে, ১৯৯০। গোসাবায় একটি টীকাকরণ কর্মসূচী সেরে তিন জন সরকারি হেলথ অফিসার ফিরছিলো কোলকাতায় । সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ যখন তারা ই.এম বাইপাসের কাছে বানতলায় পৌঁছে, তখন সিপিএমের পার্টি অফিসের কাছে ৪/৫ মুসলমান যুবক, তাদের গাড়ি থামানোর চেষ্টা করলে, তাদের পাশ কাটাতে গিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এসময় আরও ১০/১২ জন মুসলমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তারা সবাই মিলে গাড়িতে থাকা ড্রাইভার এবং স্বাস্থ্যকর্মী অনিতা দেওয়ান, উমা ঘোষ ও রেনু ঘোষকে টেনে হিঁচড়ে গাড়ি থেকে বের করে এবং গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।গাড়ি চালক তাদের বাধা দিতে গেলে তাকে মেরে তার পুরুষাঙ্গে আঘাত করে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রাখে। তিন হিন্দু যুবতী মেয়েকে ১৫/ ২০ জনে মিলে পার্টি অফিসের পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একজন সিরিয়াসলি বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যা করে এবং অন্য দুজনকে ধর্ষণ করে ফেলে রাখে। রাত সাড়ে এগারোটার দিকে পুলিশ গিয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার ক'রে মেয়েদেরকে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে এবং ড্রাইভারকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করে। মেয়েদের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিলো যে, প্রথমে ডাক্তাররা তিন মেয়েকেই মৃত মনে করেছিলো। কিন্তু তাদের মধ্যে দুজন বেঁচে ছিলো। হাসপাতালে নেওয়ার পরও জীবিত একজনের যোনীর মধ্যে ১২ ইঞ্চি সাইজের একটি ধাতব টর্চলাইট দেখে একজন ডাক্তার অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। ড্রাইভারের দেহে ৪৩ টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিলো এবং তার পুরুষাঙ্গ পিষে যাওয়ায়, সেটার কার্যক্ষমতা সর্ম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। ঘটনার ৫ দিনের মাথায় ঐ ড্রাইভার মারা যায়। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রশান্ত সূর, ধর্ষকদের রক্ষা করার জন্য বলেছিলো, "তারা তাদের শিশুপাচারকারী মনে করে আক্রমন করেছিলো।"কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে, স্বাস্থ্য বিভাগের এই দল কিছু মুসলমান মেয়েকে জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপকারিতা সম্পর্কে বুঝিয়েছিলো। এটাই ছিলো তাদের অপরাধ। জন্ম নিয়ন্ত্রণ ইসলামে নিষেধ এবং তা মুসলমানদের -পয়দা করে ফায়দা লুটে- ভারত দখলের পথে প্রধান বাধা; তাই মুসলমানরা এমন নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুন করে শাস্তি দেয় ঐ তিন হিন্দু মেয়ে এবং তাদের গাড়ির ড্রাইভার হিন্দু যুবককে। ইসলামে জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিষেধ হলেও অমুসলিমদের মেয়েদের ধর্ষণ ও খুন করতে কোনো নিষেধ নেই, বরং তার অনুমতিই আছে। ঐ মুসলমানরা সেদিন ইসলামের এই আদেশই পালন করেছিলো।এবার দেখা যাক, পশ্চিমবঙ্গের জগদ্দল পাথর, মুসলমানদের তাড়া খেয়ে পূর্ব বঙ্গ থেকে পালিয়ে আসা পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানপ্রেমী মূর্খমন্ত্রী জ্যোতি বসু এই ঘটনা সম্পর্কে কী বলেছিলো ? তিনি বলেছিলেন, "ধর্ষণের ঘটনা স্বাভাবিক", উনার কথায় মনে হয়, ধর্ষণের ঘটনা এতটাই স্বাভাবিক যে, উনার বাড়ির মেয়েদের, মুসলমানরা রোজ দু'বেলা করে এসে ধর্ষণ করে যায়। তিনযুগ ধরে কাদের হাতে ছিলো পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের দেখভালের দায়িত্ব তা একবার চিন্তা করুন।