Friday, 8 January 2016

Is Malda a mini-Pakistan - Bengali Media Roundup

http://www.niticentral.com/2016/01/05/malda-communal-violence-339378.html

Saradha: Madan speaks at last, discloses names of 10 'influentials', claims CBI - Bengali News

http://abpananda.abplive.in/kolkata-news/saradha-madan-speaks-at-last-discloses-names-of-10-influentials-claims-cbi-166715

6000 year old Lord Rama and Hanuman carvings in Iraq, Silemania,

http://ultadin.com/2015/10/16/6000-year-old-lord-rama-and-hanuman-carvings-in-iraq-silemania/

সর্বধর্ম সমন্বয়কারী হইতে সাবধাণ

•• সর্বধর্ম সমন্বয়কারী হইতে সাবধাণ •• ……শিবপ্রসাদ রায় আমাদের দেশের মানসিকতায় অনেক বিচিত্র ব্যাধি সযত্নে লালিত হয়.। আধুনিক একটি ব্যাধির নাম ‪#‎ সর্বধর্ম_সমন্বয ়‬। এই ব্যাধিটির প্রচারক এবং প্রবক্তা এখন এদেশে অনেক। তবে মূল প্রবক্তারূপে চিন্হিত করা হয়ে থাকে ‪#‎ রামকৃষ্ণকে‬। রামকৃষ্ণ কিন্তু কখনই সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলেননি। তিনি ‪#‎ যত_মত_তত_পথ‬' বলেছেন। এটা তাঁর মৌলিক বক্তব্য নয়, উদার হিন্দু ধর্মের পরম্পরাগত প্রকাশ মাত্র। ‪#‎ একং_সদ্বিপ্রা_ব হুদা‬­_বদন্তি" -এ হিন্দু মহাজন বাণী। বরং রামকৃষ্ণ বলেছেন 'কত ধর্ম আসবে যাবে সনাতন ধর্ম চিরকাল থাকবে।' জীবনকে শুদ্ধ পবিত্র ভগবদ্ মুখী করার জন্য রামকৃষ্ণ অনেক প্রয়োজনীয় কথা বলেছেন -"মন মুখ এক করো", "কামিনী কাঞ্চন ত্যাগ করো"। ভোগস্পৃহ সমাজের দুর্নীতিপরায়ণ মানুষের কাছে এগুলোই তো বেশী জরুরী। রামকৃষ্ণের সব বাদ দিয়ে সবাই মিলে তাঁর নামে সর্বধর্ম সমন্বয়ের জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন কেন ? হিন্দুধর্ম একটা অসম্পূর্ণ ধর্ম বলে এঁদের কাছে কি প্রমাণিত হয়ে গেছে ? এঁরা কি কোনদিন কোরাণ কিম্বা বাইবেল একটিবার পড়ে দেখেছেন.? কোরাণ এবং বাইবেলের প্রবক্তারা সারা পৃথিবী জুড়ে এবং বিশেষভভাবে ভারতবর্ষে কি করেছে ও করে চলছে তা কি এই হতভাগ্যদের জানা আছে ? অবশ্যই জানা আছে। তাই এদের কাজ উদ্দেশ্যহীন নয়। কো-অপারেটিভ কারা করেন? যাদের নিজস্ব পুঁজি নেই কিম্বা অন্যের টাকা মেরে দেবার মতলব আছে। হিন্দু ধর্মের কি খুবই দিনহীন অবস্থা! কো-অপারেটিভ করে এর অস্তিত্ব রক্ষা করতে হবে ? যুক্তিবাদী প্রতিটি মানুষ জানেন, হিন্দুধর্মই পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যে উচ্চ জ্ঞান, ঔদার্য্য ও পরমতসহিষ্ণুতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। মানবধর্ম, বিশ্বধর্ম বলতে হিন্দুধর্মকেই বোঝায়, এ কথা পৃথিবীর বহু মনীষী বহুবার বলেছেন। বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম খ্যাতনামা প্রয়াত অধ্যাপক এ.এল.ব্যাসাম। বিশ্বে একমাত্র সম্পূর্ণ ধর্মের মধ্যে থেকেও যারা সর্বধর্ম সমন্বয়ের চেষ্টা করেন তাঁদের উদ্দেশ্য অত্যন্ত সন্দেহজনক। এদের সম্পর্কে সুস্থ ব্যক্তিদের সতর্ক থাকা উচিত, সচেতন থাকা উচিত। সুগন্ধি চালের সঙ্গে ননান স্বাদিষ্ট উপকরণে একহাঁড়ি পরমান্ন প্রস্তুত হচ্ছে সেটাকে আরও ভালো করার উদ্দেশ্য নিয়ে যারা তার মধ্যে একমুঠো রসুন ফেলে দেয় তারা সুস্থ নয়, তাঁদের উদ্দেশ্যও ভাল নয়। সর্বধর্ম সমন্বয়ের নামে সারাদেশের সর্বনাশ করে হিন্দুত্বকে অসন্মানিত এবং #রামকৃষ্ণকে বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে। এই অপহ্নবকে প্রতিরোধ করতে হলে ভাবের ঘরে চুরি করে নয়, যুক্তিবুদ্ধির আলোয় সব ঘটনার বিশ্লেষন করতে হবে। রামকৃষ্ণ যদি সব ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধাই রাখতেন, তাহলে তিনদিন নামাজ পড়ে জীবনের সবটাই কালীসাধনায় ব্যস্ত ছিলেন কেন.? মন্দির মস্জিদ কি গীর্জার জন্য সমান সময় ভাগ করে নেওয়া উচিত ছিল। যেহেতু করেননি অতএব তিনি হিন্দুধর্মের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট অথবা অধিক শ্রদ্ধাশীল ছিলেন এ কথা নির্দ্বিধায় বলা চলে। সর্বধর্ম যদি তাঁর জীবনের লক্ষ হ'ত তাহলে সর্বদিক প্রিয়শিষ্য বিবেকানন্দকে সেইভাবে প্রস্তুত করতেন। লোকান্তরিত হবার পরেও তাঁকে চিকাগোয় পাঠিয়ে হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত দিতেন না ! সর্বধর্ম সমন্বয়ের প্রবক্তা বেচারারা জানেই না যে ইসলাম আর খৃস্টান আদপে ধর্মই নয় (সম্প্রদায় বিশেষ)। অসহিষ্ণু অসম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতবাদমাত্র। এদের প্রতিষ্ঠাতাদের জন্ম না হলে এইসব মতবাদগুলোর অস্তিত্ব থাকতো না। এই মতবাদগুলোর মধ্যে ধর্ম থাকলে এদের অনুগামীদের মধ্যে প্রবৃত্তি শাসান, নৈতিকতা, পরধর্মসহিষ্ণুতাদেখতে পাওয়া যেত। ধর্মের কাজ ব্যক্তির অন্তর্লোকে ভালোবাসা, ত্যাগ, ঔদার্যের প্রদীপ জ্বেলে দেওয়া। যিনি যত ধার্মিক, তিনি হবেন তত স্নিগ্ধ, ক্ষমাসুন্দর। এগুলো যেখানে নেই, তা ধর্ম নয়। ধর্মের আবরণ আগ্রাসী রাজনৈতিক মতববাদমাত্র। হত্যা, খুন, বলপূর্বক কিম্বা প্রলোভনে ধর্মান্তরিত করে নিজ সম্প্রদায়ের সংখ্যাবৃদ্ধিই এদের কাজ। মনুষ্যত্বের যাবতীয় আলো নিভিয়ে দিয়ে,শুধু নিজেদের মকবাদ প্রতিষ্ঠাই এদের একমাত্র ধর্ম। সুদুর ইতিহাস থেকে চলমান বর্তমান পর্য্যন্ত এই ধারার এতটুকু পরিবর্তন হয়নি। ইতিহাসের প্রতিটি পাতা, বর্তমানের প্রতিটি ঘটনা এর সাক্ষী। গণহত্যা, নারীধর্ষণ, বুদ্ধিজীবীহত্যা, বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস, গ্রন্থাগার দাহ আজ পর্য্যন্ত অব্যাহত -মিশরে আলেকজান্ড্রিয়াগ্রন্থাগার, নালন্দার গ্রন্থাগার, গুজরাটের বিশালদেবের সংস্কৃত কলেজ ধ্বংসের ইতিহাস। ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ মেয়েদের ছাত্রাবাস রোকেয়া হলে ব্যাপক ধর্ষণ, '৭১ সালের অপরূপ কথা। সর্বধর্ম সমন্বয়কারীদের ইসলাম সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা থাকলে বুঝতে পারতো এই কাজগুলো সব ইসলামের ধর্মসম্মত। ধর্মের অনুশাসনই মুসলমানদের এইসব কাজে উৎসাহিত করে। ইরানে হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীদের হত্যা সেও ধর্মীয় কর্তব্য। বসুমতী পত্রিকায় গৌতম রায় লিখেছে ঃ খোমেনির নির্দেশ বিরোধী মুসলিমদের কুমারী কন্যাভগ্নীদের ধরে এনে হত্যার আগে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছিল মিলিটারী ব্যারাকে তাদের কল্যাণের জন্যই.! কারণ কোন কুমারী মেয়ে আল্লাহর কাছে পৌছাতে পারে না।

নিউজ শুনেছেন ?

..নিউজ শুনেছেন ? ISIS থেকে ধমকি দিয়েছে Owaisi কে :D ..আমার তো হাসিই থামছেনা শুনে... কি কি কথা হয়েছে তাদের মধ্যে ? Comment এর দেয়া LINK এ যান ..পড়ুন এই Owaisi বলেছিল না ? পাক আমাদের ভারত আক্রমন করলে সব ভারতের মুসলিম পাকি দের পক্ষ নেবে ? :D http://m.firstpost.com/india/shut-your-mouth-islamic-state-tells-asaduddin-owaisi-after-he-slams-terror-group-supporters-on-twitter-2574218.html

মৃত জিহাদিদের শরীর গুলো শুয়োরের চামড়া জড়িয়ে মুখে শুয়োরের বিষ্ঠা ঢুকিয়ে জ্বালিয়ে দাও

মৃত জিহাদিদের শরীর গুলো শুয়োরের চামড়া জড়িয়ে মুখে শুয়োরের বিষ্ঠা ঢুকিয়ে জ্বালিয়ে দাও ---ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায় এ কথা বলেছেন। তাতে কিছু আঁতেল আর মাকু বুদ্ধিজীবির মনে বড়ই কষ্ট হয়েছে। তাঁরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, পৃথিবীর সমস্ত দেশেই মৃত সৈনিক বা যুদ্ধাপরাধীর দেহাবশেষকে সম্মান জানানোই রীতি।এমন কি আততায়ীকেও।তাই ১৬৫২ তে আফজল খাঁ কে হত্যা করার পর শিবাজী সামরিক সম্মানের সংগে তাঁকে সমাহিত করেন এবং ওই সমাধি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়মিত অর্থসাহায্য দিতে থাকেন। ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার বক্তব্য - ত্রিপুরার রাজ্যপাল মাননীয় অধ্যাপক তথাগত রায় যা বলেছেন তা কোন সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃনা বা দ্বেষ থেকে বলেন নি। দেশের নিরাপত্তার জন্য বলেছেন। এতে যাঁদের আপত্তি তাঁদের কাছে দেশের নিরাপত্তার থেকেও জিহাদী খুনী ও ধর্ষক- দের মৃতদেহের সম্মানের জন্য চিন্তা বেশি। ধন্য আমাদের দেশের শিক্ষিতদের চিন্তার বিকৃতি। মাকুরা ক্ষমতা থেকে গিয়েছে। কিন্তু শিক্ষিতদের মস্তিস্কে এখনো রাজত্ব করছে। চিন্তার এই দাসত্ব অবসান না হলে বাংলাকে আর বাঁচানো যাবে না।

যারা বিজেপিকে শত্রু মনে করে

যারা বিজেপিকে শত্রু মনে করে, যারা শিব সেনাকে শত্রু মনে করে, যারা বজরং দলকে শত্রু মনে করে, যারা হিন্দু সংহতিকে শত্রু মনে করে, যারা মোদীজিকে শত্রু মনে করে, তারা সব পাকিস্তানের সাথে একই সুতায় গাঁথা। তারা সবাই পাকীস্তানী বীর্যের সন্তান। কারণ পাকিস্তান বিজেপিকে শত্রু ভাবে, শিব সেনাকে শত্রু ভাবে, হিন্দু সংহতিকে শত্রু ভাবে, সাধু সাবধান,, কংগ্রেস, বামপন্থী, তৃনমূল এরা সবাই পাকী দালাল, তাই মল মুত্র ভেবে এদেরকে বর্জন করুন। জয় শ্রী রাম। জয় শ্রী কৃষ্ণ। হর হর মহাদেব।-