Thursday, 14 January 2016

Very important message for West Bengal - Friends

Very important message for West Bengal - Friends - West Bengal is Burning. All Hindu friends must come forward to save it. We all must support Hindu Samhati led by Tapan Ghosh our best hope to save Hindus. He and his team are the only fighter for the Dharma. It is a desperate hour for us and we have to go all out in supporting Tapan Ghosh Devdutta Maji and team on the ground. I am urging everyone a very humble monthly donation of Rs 1,000. If you can contribute more, great otherwise let us all do a humble start. Let us target 10,000 friends of ours participate in this cause. This will give 1 crore per month for us to fight the terrorism in Bengal. Please help the cause and send money directly to Hindu Samhati at below: Account Name - HINDU SAMHATI. State Bank of India (SBI) Current Account - 35195690885 IFSC - SBIN 0001767 Please share with your friends and have them sign up. Please call each of them personally if you care for Bengal. Let us make this a global campaign and sign up every Hindu friend of ours. We don't want to repent as we are for Kashmir. Let us Act now else will be very late

হিংস্র, বর্বর, মৌলবাদী, সন্ত্রাসীদের আস্তানা; জঙ্গি তৈরীর কারখানা মাদ্রাসাগুলো কবে বন্ধ করবে সরকার?

হিংস্র, বর্বর, মৌলবাদী, সন্ত্রাসীদের আস্তানা; জঙ্গি তৈরীর কারখানা মাদ্রাসাগুলো কবে বন্ধ করবে সরকার? এখানে মৌলবাদী ছাগল ছাড়া মানুষ তৈরী হয় কখনো? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মঙ্গলবারের সহিংসতায় বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিয়েছে মাদ্রাসা সন্ত্রাসীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে কুমারশীল রোডে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর পৈত্রিক বাড়ি। ১৯৭৩ সালে বাড়িটিতে একটি সঙ্গীত অ্যাকাডেমি এবং যাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। মঙ্গলবার এই যাদুঘরের ওপর হামলা চালিয়ে তা সম্পুর্ন ধ্বংস করা হয়। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ তার দীর্ঘ জীবনে বহু জায়গায় সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। সেসব স্মৃতির ছবিগুলো ধরে রাখা ছিল যাদুঘরের এই গ্যালারিতে। মঙ্গলবারের হামলায় আলাউদ্দিন খাঁর ব্যবহৃত বহু জিনিসপত্র ভাঙচুর হয়েছে, অগ্নিদগ্ধ হয়েছে এবং লুঠ হয়েছে। এখানে পড়ে আছে তার ব্যবহারের একজোড়া বায়া তবলা। যাদুঘরের ভেতরে যেমন ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে, তেমনি যাদুঘরের বাইরে রাখা সম্পত্তিরও ক্ষতি করা হয়েছে। শহরের হালদারপাড়া এলাকায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চক্বর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা অ্যাকাডেমি ভবনটি এখানেই। এই ভবনে ছিল বেশ ক`টি সাংস্কৃতিক সংগঠন। সবগুলোই মঙ্গলবারের হামলায় ভাঙচুরের শিকার হয়। লুঠ করা হয় কম্পিউটারসহ নানা জিনিসপত্র। এখানে অগ্নিসংযোগের প্রচেষ্টাও চালানো হয়। এ নিয়ে থানায় কোনও মামলাও হয়নি বলে জানাচ্ছেন সংবাদদাতারা। গতকালের এই সহিংসতায় বিকেল পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যত কোনও বাধা দেয়নি।

Wednesday, 13 January 2016

আসমানি কিতাব

আসমানি কিতাবের ঐশী নির্দেশে সসাগরা পৃথিবীকে ইসলামিক শাসনের ছত্রছায়ায় আনায়নের জন্য মুসলিম সাহাবীরা বেপরোয়াভাবে বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছে। ১৪০০ পুর্বের আল্লাহর পেয়ারের বান্দার মনসিজ "গাযওয়াতুল হিন্দ"কেও বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় উপমহাদেশীয় মুসলিম সম্প্রদায়,তাদের প্রত্যক্ষীভূত জাজ্বল্যমান দুরদৃষ্টিতে ভারতভূমিতে কল্পকথিত "গাযওতুল হিন্দ"এর উপযোগী সময় আসন্ন, ফলস্বরুপ মুসলিম সম্প্রদায়ের বহুকাংখিত এই সুপ্তবাসনাকে চুড়ান্ত রুপ দেওয়ার লক্ষ্যে একে অপরকে উদ্বুদ্ধ করে উপদেশীয় মুসলিমদের মধ্যে সঞ্চারিত করার মরীয়া প্রয়াস চলছে,এরা ভালোভবেই অবগত আছে যে অযাচিতভাবেই ভারতভেদী ঘরশত্রুরা তাদের সঙ্গ অবশ্যই দেবে। "মুসনাদে আহমদ" ২/২২৮,"মুস্তাদরকে হাকিম" ৩/৫১৪, "হিলইয়াতুল আওলিয়া" ৮/৩১৬ হাদীসগুলিতে "হিন্দুস্তান" তথা ভারতের জিহাদের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এই জিহাদের এতোই গুরুত্ব যে, স্বয়ং হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমদের থেকে এই জিহাদের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছেন। হিন্দুস্তান তথা ভারতের মুশরিকদের সাথে যেই জিহাদ হবে সেই জিহাদ-এ যাঁরা শহীদ হবেন তারা হবেন সর্বশ্রেষ্ঠ শহীদ। সুতরাং এই জিহাদ-এ অবশ্যই মুসলমানগম মহাবিজয় অর্জন করবেন। সুবহানাল্লাহ! আর যাঁরা বিজয়ী বেশে এই জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তন করবেন তাদেরকে আল্লাহ পাক জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করবেন। অর্থাৎ তারা সুনিশ্চিত জান্নাতী হবেন। আপরিনামদর্শী এই জীঘাংসার বিপরীত প্রতিক্রিয়া এবং তার প্রত্যাঘাত কতটা সুদুরপ্রসারী হতে পারে তা মুমিনদের কাছে বিচার্য নয়,তাদের একমাত্র লক্ষ্য ভারতে "গাজওয়াতুল হিন্দ"যেকোনভাবেকার্যকর করা,কেননা তারা ইতিমধ্যে ইরাক,সিরিয়া ও অন্যান্য কয়েকটি দেশে আসমানি কিতাবে উল্লেখিত আল্লাহর বান্দাদের জিহাদি ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করে অনুপ্রাণিত হয়েছে,এতএব লোহা গরম আছে হাতুরি চালানোর এইত উপযুক্ত সময়।। বেশকিছুদিন ধরে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদীরা হিংসাত্মক উগ্রবাদী কার্যকলাপে ভারতে প্রানহানি ও সম্পত্তিহানির একের পর এক ধ্বংসলীলায় ভারতকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছে, নপুংসক ভারত সরকারের অসহায়তা ও দুর্বলতা ভারতীয় জনমানষে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, ভারতীয়দের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে বর্তমান আবহে লোহা গরম হওয়ার পুর্বেই লোহাকে সম্পুর্ন বিনাশকরণ কার্য একান্তই আবশ্যক,পরিনামে অদুর ভবিষতেও গাযওয়াতুল হিন্দ কোনভাবেই আর মাথাচাড়া দিতে সক্ষম হবেনা। জানিনা ভারত সরকার ও বিভিন্ন রাজনৈতিকদলের নেতা-নেত্রীদের বোধদোয় কবে হবে?

তাহলে শেষমেশ আমাদের ২-৩ দিন আগে দেওয়া খবর জাতীয় মিডিয়াতে প্রকাশ পেল।

তাহলে শেষমেশ আমাদের ২-৩ দিন আগে দেওয়া খবর জাতীয় মিডিয়াতে প্রকাশ পেল। আমি লোকাল সোর্স থেকে ডিটেলসে কয়েকদিন আগে আপনাদের জানিয়েছিলাম কালিয়াচকের হামলা বাংলাদেশী মুসলিম ড্রাগ পাচারকারদের প্রমাণ নষ্ট করার জন্য সেই খবর আজ ১ ঘন্টা আগে জী নিউজের পাতায় http://zeenews.india.com/news/india/malda-violence-muslim-mob-targeted-kaliachak-police-station-to-burn-fake-currency-racket-records_1844701.html

সূর্যসেন, মাস্টারদা (১৮৯৪-১৯৩৪) বিপ্লবী, ‘যুগান্তর’ দলের চট্টগ্রাম শাখার প্রধান এবং ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক।

সূর্যসেন, মাস্টারদা (১৮৯৪-১৯৩৪) বিপ্লবী, ‘যুগান্তর’ দলের চট্টগ্রাম শাখার প্রধান এবং ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক। জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে। পুরো নাম সূর্যকুমার সেন। ডাক নাম কালু। বাবা রাজমনি সেন এবং মা শশীবালা দেবী। স্থানীয় দয়াময়ী বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার পর নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেন এবং ১৯১২ সালে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাই স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। সূর্যসেন যখন নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ের ছাত্র তখন বঙ্গভঙ্গকে (১৯০৫) কেন্দ্র করে বাংলায় স্বদেশী আন্দোলন শুরু হয়। ক্রমে এই আন্দোলন বিপ্লবী আন্দোলনে রূপ নেয়। ১৯১৬ সালে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কৃঞ্চনাথ কলেজে বি.এ পড়ার সময় তিনি তাঁর এক শিক্ষক শতীশচন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন। অধ্যাপক শতীশচন্দ্র চক্রবর্তী যুগান্তর নামক বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামে ফিরে গিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী একটা বিপ্লবী দল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন। সূর্যসেন ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে বিপ্লবী যুগান্তর দলকে পুনরুজ্জীবিত করেন। আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে তিনি ‘ন্যাশনাল স্কুল’-এ শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে ‘মাস্টারদা’ আখ্যা পান। চট্টগ্রামে তখন বিপ্লবী দলে কাজ করতেন আম্বিকা চক্রবর্তী, অনুরূপ সেন, নগেন সেন (জুলু সেন), চারুবিকাশ দত্ত সহ আরো অনেকে। কিন্তু তাঁদের তৎপরতা ছিল সীমিত পর্যায়ের। বাংলাদেশে বিপ্লবীরা তখন অনুশীলন ও যুগান্তর এই দুই দলে বিভক্ত ছিলেন। বহরমপুর থেকে ফিরে এসে সূর্যসেন যুগান্তর দলে যোগ দিয়ে সংগঠনটিকে সক্রিয় করে তোলেন এবং বিবাদমান দল দুইটিকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেন। মাস্টারদা সূর্যসেন ক্রমে তাঁর দলই চট্টগ্রামে সক্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯১৯ সালের পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের ছাত্ররা ক্লাসবর্জন সহ সভা-সমাবেশ করে। সভায় সূর্যসেন তাঁর বক্তৃতায় ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হন। অহিংস নীতিতে বিশ্বাসী মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী আফ্রিকা থেকে এসে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সাধারণ মানুষ উজ্জীবিত হয়েছিল। চট্টগ্রামের বিপ্লবীরাও ছাত্র ধর্মঘট, হরতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আদালত বর্জন, সভা-সমাবেশ বক্তৃতাসহ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালাতে থাকে। এ সময়ের দুটি ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ। (১) ব্রিটিশ মালিকানাধীন জাহাজের শ্রমিকদের সফল ধর্মঘট এবং (২) ব্রিটিশ মালিকানাধীন সিলেট ও কাছাড়ের চা বাগান শ্রমিকদের ধর্মঘট ও চাঁদপুরে ধর্মঘটি শ্রমিকদের উপর পুলিশ এবং গোর্খা সৈন্যদের গুলিবর্ষণে অনেকের হতাহত হওয়ার ঘটনা। এ ঘটনার প্রতিবাদে আসাম-বেঙ্গল রেল ধর্মঘট শুরু হয়। এর ফলে চট্টগ্রামের কংগ্রেস নেতা যতীন্দ্রমোহন সেনগুপত ও শেখ-ই-চাটগ্রাম কাজেম আলী মাস্টারের পাশাপাশি মাস্টারদা সূর্যসেন এর নামও ছড়িয়ে পড়ে। অসহযোগ আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ে তিনি স্কুলের শিক্ষকতা ত্যাগ করেন এবং দেওয়ানবাজার এলাকায় ‘সাম্যশ্রম’ নামের আশ্রম প্রতিষ্ঠা করে সেখান থেকেই তিনি কংগ্রেসের কাজ ও গোপনে বিপ্লবীদের কর্মকান্ড পরিচালনা করতে থাকেন। অসহযোগ আন্দোলনের ফলে গান্ধীজীর স্বরাজ অর্জিত না হলেও বাংলার বিপ্লবীরা পুনরায় সংঘবদ্ধ হয়ে ব্রিটিশ রাজত্বের অবসানে সংকল্পবদ্ধ হয়। চট্টগ্রামের বিপ্লবীরা মাস্টারদা এর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হন। বিপ্লব পরিচালনার জন্য নগদ অর্থের প্রয়োজন ছিল বলে তাঁরা প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ের চট্টগ্রাম কোষাগার লুণ্ঠন করেন। এই ঘটনার কিছুদিন পরই সূর্যসেন ও আম্বিকা চক্রবর্তীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। ১৯২৮ সালের শেষ দিকে মুক্তি পেয়ে পুনরায় বিপ্লবীদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন। সূর্যসেন চট্টগ্রামের বিপ্লবীদের জন্য ব্যায়ামাগার প্রতিষ্ঠা করে শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের জন্য কসরতের নির্দেশ দেয়ার পাশাপাশি নদীতে সাঁতার কাটা, নৌকা বা সাম্পান চালানো, গাছে আরোহণ করা, লাঠি খেলা, ছোরা নিক্ষেপ, মুষ্টিযুদ্ধের মত শারীরিক কঠোর পরিশ্রমের কাজ করতে নির্দেশ দেন। সেখানে তিনি বিপ্লবীদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরির প্রশিক্ষণ দেন। চট্টগ্রামে তিনি ‘ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি’ এর একটি শাখা গড়ে তোলেন। ১৯২৯ সালে চট্টগ্রামের জেলা কংগ্রেসের সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। এতে সূর্যসেন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। একই বছর ১৩ সেপ্টেম্বর লাহোর জেলে একটানা ৬৩ দিন অনশন করে বিপ্লবী যতীন্দ্রনাথ মারা যান। এর প্রতিক্রিয়ায় সারা বাংলায় প্রচন্ড বিক্ষোভ দেখা দেয়। বিক্ষোভ মিছিল ও সভায় নেতা সূর্যসেন বিপ্লবের পরবর্তী কার্যক্রমের পরিকল্পনা সদস্যদের সামনে তুলে ধরেন। উইকিপিডিয়া ( সংক্ষেপিত)

বায়ুসেনা জওয়ানকে পিষে মারলো তৃণমূল নেতা মহম্মদ সোহরাব আলির ছেলে

•►বায়ুসেনা জওয়ানকে পিষে মারলো তৃণমূল নেতা মহম্মদ সোহরাব আলির ছেলে,এই দেশ দ্রোহীর ফাঁসি চাই,এর অপরাধ তো পাকিস্তানি জঙ্গির থেকে কোনো অংশে কম নয়....!! •►আজ সকালে রেড রোডের কাছে গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলে এক বায়ু সেনা জওয়ানকে ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মহম্মদ সোহরাবের ছেলে আম্বিয়া। পুলিশ সূত্রে খবর.....!!

উত্তরপ্রদেশে উর্দু ভাষাভাষী লোকজনকে ভাষাশিক্ষা দিতে নিয়োগ দেওয়া হবে সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক।

উত্তরপ্রদেশে উর্দু ভাষাভাষী লোকজনকে ভাষাশিক্ষা দিতে নিয়োগ দেওয়া হবে সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক। এ নিয়ে সম্প্রতি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রাজ্য সরকার। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একাধিক স্ত্রী আছেন এমন মুসলিম লোকজন চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এমনকি একাধিক স্ত্রী আছে এমন পুরুষকে যেসব মুসলিম নারী বিয়ে করেছেন, তাঁরাও চাকরির জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার (টিওআই) খবরে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন সমাজবাদী পার্টির সরকারের এ বিজ্ঞপ্তিতে এরই মধ্যেই চটেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসলিমরা। ‘মুসলিম পারিবারিক আইন বোর্ড’ এ বিজ্ঞপ্তিকে মুসলমানদের অধিকারের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে। কর্মকর্তারা আরো বলেন, এ নির্দেশনা শুধু উর্দু শিক্ষকদের জন্য নয়। এটা রাজ্যের যেকোনো বিষয়ের শিক্ষকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।