Saturday, 16 January 2016

গতকাল রাত্রি থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আসানসোল জেলার প্রমুখ ওম নারায়ণ প্রসাদ সহ আরও তিন জন কার্যকর্তাকে আসানসোল থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে৷

গতকাল রাত্রি থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আসানসোল জেলার প্রমুখ ওম নারায়ণ প্রসাদ সহ আরও তিন জন কার্যকর্তাকে আসানসোল থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে৷ ওদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কালিয়াচকের ঘটনার প্রতিবাদে তারা আসানসোলে বিক্ষোভ মিছিল করার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছিল৷ প্রশাসন এক্ষেত্রে অনুমতি না দিয়েই ক্ষান্ত হয় নি, বরং বিনা অনুমতিতে এরা মিছিল করতে পারে - এই সন্দেহে তাদেরকে রাতভর ডিটেনশনে রাখা হয়েছে৷ কালিয়াচকে মোল্লারা বিনা অনুমতিতে বাকায়দা লিফলেট ছড়িয়ে দু'লাখ লোকের মিছিল এবং মাইক লাগিয়ে মিটিং করতে পারে৷ আমাদের নপুংশক প্রশাসন এক্ষেত্রে আয়োজকদের একটা চুলও ছিড়তে পারে না৷ উল্টে ওই বেআইনী মিছিলে অংশগ্রহণকারী মোল্লারাই পুলিশকে মেরে পাট করে দেয়৷ আর হিন্দুরা অনুমতি নিতে গেলে তাদেরকে আটক করে রাখা হয়৷ এই আইন ব্যবস্থাকে সম্মান করার, মেনে চলার কোন অর্থ আছে? বাংলার হিজরা পুলিশকে ধিক্কার জানাই৷ WHEN INJUSTICE BECOMES LAW RESISTANCE BECOMES DUTY.

ইউরোপে ছড়াচ্ছে আরবের ভয়ংকর ‘ধর্ষণ-খেলা’ তাহারুশ

এই হলও, আরবের নতুন রূপ.... যদি, বাংলাদেশে আসে আরব্য সংস্কৃতি তাহলে বর্বরতার শেষ কেউ আর পাবে না। "তাহারুশ" এর মত আরও নতুন নতুন বর্বর ধর্ষণ খেলার আছে কে যানে? যা বিশ্বেের সামনে এখনও আসে নি।। http://m.ntvbd.com/world/35163/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%9F%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B6

শুভ মকরসংক্রান্তির প্রীতি ও শুভেচ্ছা মকর সংক্রান্তি কি ?

শুভ মকরসংক্রান্তির প্রীতি ও শুভেচ্ছা মকর সংক্রান্তি কি ? পৌষ সংক্রান্তি বা মকরসংক্রান্তি একটা ফসলী উৎসব যা শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় পালিত হয়। ভারতে পৌষসংক্রান্তি নামেই, বাংলাদেশে এর নাম সাকরাইন, নেপালে এটা পরিচিত মাঘি নামে, থাইল্যান্ডে সংক্রান, লাওসে পি-মা-লাও, মিয়ানমারে থিং-ইয়ান এবং কম্বোডিয়ায় মহাসংক্রান নামে পরিচিত। মকরসংক্রান্তি হল সেই ক্ষণ যাকে ঘিরে এই উৎসব পালিত হয়। প্রাচীনকাল থেকেই এই উৎসব চলে আসছে। তবে সুস্পষ্টভাবে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। হতে পারে এটা হাজার বছরের উৎসব বা তারও আগের তবে পুরাণেও এর উল্লেখ আছে। যার মধ্যে আমরা উত্তর পেয়ে যাই। পুরাণ অনুযায়ী, মকর সংক্রান্তির এই মহাতিথিতেই মহাভারতের পিতামহ ভীস্ম শরশয্যায় ইচ্ছামৃত্যু গ্রহণ করেছিলেন। আবার অন্য মত অনুযায়ী, এই দিনই দেবতাদের সঙ্গে অসুরদের যুদ্ধ শেষ হয়েছিল। বিষ্ণুদেব অসুরদের বধ করে তাঁদের কাটা মুন্ডু মন্দিরা পর্বতে পুঁতে দিয়েছিলেন, তাই মকরসংক্রান্তির দিনই সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাস হয়ে শুভ শক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে আজও মানা হয়ে থাকে। আবার অন্য মতে, সূর্য এ দিন নিজের ছেলে মকর রাশির অধিপতি শনির বাড়ি এক মাসের জন্য ঘুরতে গিয়েছিলেন। তাই এই দিনটিকে বাবা ছেলের সম্পর্কের একটি বিশেষ দিন হিসাবেও ধরা হয়। জড় বিজ্ঞান অনুযায়ী, সূর্যের গতি দুই প্রকার, উত্তরায়ণ এবং দক্ষিণায়ণ। ২১ ডিসেম্বর সূর্য উত্তরায়ন থেকে দক্ষিণায়নে প্রবেশ করে। এ দিন রাত সবথেকে বড় হয় আর দিন সবথেকে ছোট হয়। এর পর থেকে দিন বড় আর রাত ছোট হতে শুরু করে। মাঘ থেকে আষাঢ় পর্যন্ত ছয় মাস উত্তরায়ণ। আবার শ্রাবণ থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত ছয় মাস দক্ষিণায়ণ। পৌষ মাসের সংক্রান্তিকেই বলা হয় উত্তর সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি। শাস্ত্র মতে উত্তরায়ণে মৃত্যু হলে মুক্তি প্রাপ্তি হয় এবং দক্ষিণায়ণে মৃত্যু হলে ঘটে পুনরাবৃত্তি অর্থাৎ তাঁকে আবার সংসারে ফিরে আসতে হয়। সূর্য এ দিনই ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করে। এর থেকেই মকর সংক্রান্তির উৎপত্তি। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাগরদ্বীপে প্রতি বছরই মকর সংক্রান্তিতে স্নানে হাজার হাজার পুণ্যার্থীর সমাবেশ হয়। অজয় নদীর তীরে হয় জয়দেবের মেলা।

একবার একদল কাংগাল গেছে রেস্ট্রুরেন্টে।

একবার একদল কাংগাল গেছে রেস্ট্রুরেন্টে।হঠাৎ কারেন্ট চলে গেল!এবার ছাগলদের কমেন্ট শুনুনজামাতপন্হী: এইডা হোইল গিয়া হিন্দুদের কাম। কারেন্ট চুইষা খাইয়া ফেলছে।হেফাজত: এইডা হোইল গিয়া ইহুদিদের কাম। এই কাপের গুলা লাইন কাইটা দিছেপাকিস্তানপন্হী:এইডা ভারতের চক্রান্ত। হেইওয়ারাই লাইন বন্ধ করছেওলমাপন্হী: এইডা খ্রীষ্টান নাছারদের কাম। মেশিন দিয়া তার কাটছেসৌদিপন্হী:এইডা শিয়া কাফেরদের কাম। হোটেল মালিক নিশ্চিত শিয়া।আনাসারুল্লা: এইডা আমেরিকা ইজারায়েলের চক্রান্ত।এমন সময় ভয়ঙ্কর বোমা বিস্ফোরন।পরের দিন খবরে IS জঙ্গিদের দায় স্বীকার।(এই কাংলাদেশীরা হিন্দুই শুধু নয় ধর্ম টেনে একে অপরকে গালি দিতে দিতে এমন জাগায় পৌছে গেছে, আপনি যদি ওদের দুয়ারে হেগেও আসেন দেখবেন গু টাও জিভে চেটে ধর্ম খুজবে যে গু টা কোন ধর্মের লোক হেগেছে)কাংলাদেশের মোল্লারা হল ঘাস খাওয়া মুর্খ ছাগল

আমার এক মুসলিম বন্ধুর সাথে কথোপকথন,,,

আমার এক মুসলিম বন্ধুর সাথে কথোপকথন,,, আমি: আচ্ছা দোস্ত,কোরান কিভাবে নাযিল হইল?? দোস্ত: ঘুমের ঘোরে স্বপ্নের মাধ্যমে। আমি: আচ্ছা,৬ বছরের আয়েশার সাথে নবীর কিভাবে বিবাহ হল??? দোস্ত: স্বপ্নের মাধ্যমে। আমি: আচ্ছা দোস্ত,জিব্রাইল কিভাবে নবীকে দেখা দিতেন?? দোস্ত: স্বপ্নের মাধ্যমে। আমি: আচ্ছা দোস্ত, নবী কখন মেরাজ গমন করলেন?? দোস্ত: স্বপ্নের মাধ্যমে। আমি: আচ্ছ দোস্ত,মুহাম্মদইযে শেষ নবী, তা কিভাবে প্রকাশিত হল?? দোস্ত: স্বপ্নের মাধ্যমে যখন নবী ৪০ বছর পর মুসলমান হয়েছিলেন আমি: আচ্ছা দোস্ত,মুসলিম হতে হলে তো খৎনা করার দরকার হয়,তা নবী কি করেছেন?? দোস্ত: নবীর খৎনা আল্লাহ করিয়েছেন। এই হচ্ছে যবনদের ইসলামের সৃষ্টির রহস্য।সবই মুহাম্মদের স্বপ্নে পাওয়া থেকে হয়েছে, অথচ এসবের দিকে কখনোই প্রশ্ন করা যাবে না। লুল।আসলেই ইসলাম চরম বিনোদনের কারখানা

সাধ্বী প্রজ্ঞা - নামটা চেনা চেনা লাগছে কি?

সাধ্বী প্রজ্ঞা - নামটা চেনা চেনা লাগছে কি? অবশ্য না চিনলেও আপনাকে দোষ দেয়া যায়না কারন যারা তার কথা মনে রাখলে তিনি মুক্তি পেতেন তারাই তাঁকে ভুলে গেছে। একইভাবে রাম কোঠারী আর শরদ কোঠারীর নামও সবাই ভুলে গেছিলো। এখন নেহাতই নির্বাচন শিয়রে তাই আবার তাদের নাম নিয়ে একটু হইচই শুরু হয়েছে। আসলে এটাই বোধহয় হিন্দুদের অভিশাপ। তারা কখনওই তাদের সমাজের যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়ায় না ফলে তাদের সমাজে যোদ্ধার থেকে বোদ্ধার সংখ্যা বেশী। কিন্তু মুসলিমদের দেখুন- কোন সেই গাজায় তাদের সহধর্মীরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই করছে আর তাদের সমর্থনে তারা কলকাতায় সভা করছে। রণাঙ্গনে লড়াই করার শক্তি, সাহস ও সময় সকলের থাকেনা কিন্তু যারা লড়াই করছে তাদের পিছনে দাঁড়িয়ে তাদের সাহস যোগানো, তাদের পরিবারের দায়িত্ব নেয়া, তাদের আইনি সাহায্য দেয়া - এইটুকু তো করা যায় যাতে তাঁরা কোন পিছুটান না রেখে সমাজকে রক্ষা করার লড়াই চালাতে পারে। ‪#‎ হিন্দুসংহতি‬ঠিক এই কাজটা তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে করে আসছে কারন আমরা বিশ্বাস করি যে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের জেহাদি সন্ত্রাসের কবল থেকে রক্ষা করতে হলে লড়াই ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।

Friday, 15 January 2016

আসুন একটু হাদিস শিখি :

আসুন একটু হাদিস শিখি :--- ১) জ্বরের তাপ আসে দোজখের তেজ থেকে – (Sahih Bukhari 54:483-86) ২) ছোয়াচে রোগ বলে কিছু নেই – (Sahih Bukhari 8:5302, 8:5353-55) ৩) উঠের মূত্র থেকে ওষুধ সৃষ্টি হয় – (Sahih Bukhari 7:71:590, 8:82:796 Sahih Muslim 16:4130) ৪) নজর লাগলে বা সাপে কামড়ালে ঝার-ফুক করা – (Sahih Bukhari 8:5321-5332) ৫) মোরগ এবং গাধা ডাকে ফেরেস্তা/ শয়তান দেখে – (Sahih Bukhari 4:54:522, Sahih Muslim 35:6581) ৬) শীত গ্রীষ্ম হচ্ছে দোজখের নিশ্বাসের ফল – (Sahih Bukhari 54:482) ৭) চোখের দৃষ্টি নষ্ট করে ও গর্ভপাত ঘটায় সাপ – (Sahih Bukhari 54:527-528) ৮) রাতের বেলা নাকে শয়তান ঘুমায় – (Sahih Muslim 2:462) ৯) অধিক ঘুমানোর কারন কানে শয়তানের মূত্র ত্যাগ –(Sahih Bukhari 2:21:245) ১০) যৌনকর্মের সময় ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ বললেই জন্ম নেবে পুত্র সন্তান – (Sahih Bukhari 4:52:74i) হাদিসের মধ্যে এত যে বিনোধোন লুকিয়ে আছে তা যদি আগে জানতাম,তাহলে কোরান নিয়ে কম লেখা-লেখি করতাম। (ei post tir jonno Dr. zakir naik o tar ummodrai dayi)