মুসলমানরা সংখ্যালঘু নয়। মুসলমান একটা
আলাদা জাতি। জাতি গঠনের সমস্ত
প্রয়োজনীয় উপাদান তাদের আছে। তাই
তাদের অবশ্যই নিজের বাসভূমির অধিকার
আছে।" (ভিপি মেনন, ট্রান্সফার অব
পাওয়ার, পৃষ্ঠা-৮২)
ঠিক এর ১০ দিন পর, ১৯৪০ সালের ৬ এপ্রিল,
গান্ধী, মুসলিম লীগের দাবিকে সমর্থন
করে হরিজন পত্রিকায় লিখলো, "দেশের
অন্যান্য জনগোষ্ঠীর মতো মুসলমানদেরও
আত্মনিয়ন্ত্রণেরঅধিকার আছে। বর্তমানে
আমরা একটা যৌথ পরিবারের মতোই বসবাস
করছি। তাই এর কোনো এক শরিক ভিন্ন হতে
চাইতেই পারে।"
মূলত এই দুটি ঘটনাতে ১৯৪০ সালেই ভারত
ভাগ হয়ে গিয়েছিলো; ১৯৪৭ সালে তা শুধু
বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র।
মুসলমানরা যাতে পাকিস্তানের দাবীকে
ভুলে না যায়, সেজন্যই হয়তো ১৯৪২ সালের
১৮ এপ্রিল, গান্ধী, হরিজন পত্রিকায় আবার
লিখলো, "যদি ভারতের বেশির ভাগ
মুসলমান এই মত পোষণ করে যে, মুসলমানরা
একটা আলাদা জাতি, যাদের সঙ্গে হিন্দু ও
অন্যান্য গোষ্ঠীর মিল নেই, তবে পৃথিবীর
এমন কোনো শক্তি নেই যে সেই চিন্তা
ভাবনা থেকে তাদের বিরত করতে পারে
এবং সেই ভিত্তিতে তারা যদি বেশির
ভাগ চায়, তবে অবশ্যই দেশভাগ করতে হবে।
তবে ইচ্ছা করলে হিন্দুরা তার বিরোধিতা
করতে পারে।"
জিন্না দেখলো, তার দাবীর তেমন কোনো
বিরোধিতা হিন্দুদের মধ্যে নেই, বরং
হিন্দুদের প্রধান নেতা গান্ধীর, তার
দাবীর ব্যাপারে যথেষ্ট অনুমোদনও রয়েছে।
এরপর ১৯৪৪ সালে জিন্নার সাথে গান্ধীর
বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ হয়। গান্ধী,
জিন্নাহকে বলে, "আমি আপনার বা
ইসলামের শত্রু নই। আমি আপনাদের দীন
সেবক মাত্র। আমাকে দয়া করে ফিরিয়ে
দেবেন না।" গান্ধীর এই অসহায়
আত্মসমর্পনে উৎফুল্ল জিন্না পাকিস্তান
আদায়ের প্ল্যান তৈরি করে ফেলে। কারণ,
জিন্না বুঝেছিলো, শুধু মুখে বলে কিছু
আদায় হবে না, এর জন্য এ্যাকশনে যেতে
হবে। তাই ১৯৪৬ সালের ২৮ জুলাই বোম্বেতে
সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের জাতীয় সভায়,
১৬ আগস্টকে জিন্না, "ডাইরেক্ট এ্যাকশন
ডে" বা "প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস" হিসেবে
ঘোষণা করে। এই সভায় জিন্না বলে,
"পাকিস্তান বাদ দিয়ে অন্য কিছুর সাথেই
মুসলমান জাতি কোনো প্রকার আপোষ
করবে না। এখন সময় হয়েছে, সেই দাবী
আদায়ে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ
হওয়ার। আমরা আজ একটা ঐতিহাসিক
সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মুসলিম লীগের
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত সব সময়ই
আমরা নিয়মতান্ত্রিক পথেই দাবী
জানিয়ে এসেছি। কিন্তু আজ সময় এসেছে
সেই নিয়মতান্ত্রিক পথকে বিদায়
জানাবার।...আজ আমাদের কাছে একটি
পিস্তল আছে এবং আমরা তা ব্যবহার করতে
সমর্থ।" ( পীরজাদা, ফাউন্ডেশন অব
পাকিস্তান, পৃষ্ঠা-৫৬০)
শুরু হলো প্রস্তুতি:
১৯৪৬ সালে সমগ্র বাংলায় মুসলমান ছিলো
৫৫%, হিন্দু ৪৫%। তাই খুব সহজে কংগ্রেসকে
হারিয়ে প্রাদেশিক নির্বাচনে জিতে
বাংলার ক্ষমতা দখল করে মুসলিম লীগ।
সোহরাওয়ার্দী বা সুরাবর্দী হয় মুসলিম
সরকারের মূখ্যমন্ত্রী; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও
ছিলো তার হাতে। জিন্নার ডাইরেক্ট
এ্যকশন ডে বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিজের
কাঁধে তুলে নেয় এই জল্লাদ। ২৮ জুলাই থেকে
১৬ আগস্ট, সময় খুব কম। তাই খুব দ্রুত
পরিকল্পনামাফিক এগোতে থাকে সে। ১৯৪৬
সালের ৫ আগস্ট, স্টেটসম্যান পত্রিকার এক
নিবন্ধে সুরাবর্দী লিখে, "হিংসা এবং
রক্তপাত অন্যায় নয়, যদি তা মহৎ উদ্দেশ্যে
করা হয়। মুসলমানদের কাছে আজ
পাকিস্তান আদায় ছাড়া অন্য কোনো প্রিয়
কাজ নেই।"
এই দিনই খাজা নাজিমুদ্দিন, যে পরে পূর্ব
বাংলার মূখ্যমন্ত্রী হয়, সে মুসলিম
ইনস্টিউটে, মুসলিম ন্যাশনাল গার্ডের এক
সমাবেশে বলে, "মুসলিম লীগের এটা পরম
সৌভাগ্য যে, এই রমজান মাসেই সংগ্রাম
শুরু হবে। কারণ, এই রমজান মাসেই তো
জিহাদের নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ।"
এর সাথে কলকাতার মুসলমান মেয়র, ওসমান
খান, উর্দুতে একটি প্রচার পত্র বিলি করে।
যাতে লিখা ছিলো, "আশা ছেড়ো না,
তরোয়াল তুলে নাও, ওহে কাফের,
তোমাদের ধ্বংসের দিন বেশি দূরে নয়।" এই
লিফলেটে ছিলো তরোয়াল হাতে জিন্নার
ছবি। এছাড়াও মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে,
হিন্দুদের কিভাবে ধ্বংস করা যাবে, সেই
রকম ২৩ টি নির্দেশনা সংক্রান্ত একটি
লিফলেট বিলি করা হয়। নির্দেশনাগুলো
এরকম :
১. ভারতের সকল মুসলমান পাকিস্তানের
দাবীতে প্রাণ দেবে।
২. পাকিস্তান জয়ের পর সারা ভারত জয়
করতে হবে।
৩. ভারতের সব মানুষকেই ইসলামে
ধর্মান্তরিত করতে হবে।
৪. সমস্ত মুসলিম রাষ্ট্রকেই বৃটিশ-
আমেরিকার পৃথিবী শোষণের সাথে হাত
মেলাতে হবে।
৫. একজন মুসলমানকে ৫ জন হিন্দুর অধিকার
পেতে হবে, অর্থাৎ একজন মুসলমান সমান ৫
জন হিন্দু।
৬. যতদিন পর্যন্ত পাকিস্তান ও ভারত
স্থাপিত না হয়, ততদিন পর্যন্ত নিম্নলিখিত
কাজগুলি করে যেতে হবে:
ক) হিন্দুদের যত কারখানা ও দোকান আছে,
তা ধ্বংস করতে হবে এবং লুঠ করতে হবে
এবং লুঠের মাল মুসলিম লীগ অফিসে জমা
দিতে হবে।
খ) মুসলিম লীগের সব সদস্যকে অস্ত্র বহন
করতে হবে।
গ) সকল জাতীয়বাদী মুসলমান, যারা
লীগের সাথে যুক্ত হবে না (অর্থাৎ
কংগ্রেসী), তাদেরকে গুপ্তভাবে হত্যা
করতে হবে।
ঘ) হিন্দুদেরকে ক্রমাগত খুন করে যেতে হবে
এবং তাদের সংখ্যা কমাতে হবে।
ঙ) সমস্ত মন্দির ধ্বংস করতে হবে।
চ) কংগ্রেস নেতাদেরকে প্রতিমাসে ১ জন
করে খুন করতে হবে।
ছ) কংগ্রেসের অফিসগুলি মুসলমানদের
দিয়ে ধ্বংস করাতে হবে।
জ) করাচী, বোম্বাই, কলিকাতা, মাদ্রাজ,
গোয়া বিশাখাপত্তনম ১৯৪৬ সালের
ডিসেম্বরের মধ্যেই অচল করে দিতে হবে।
ঝ) কোনো মুসলমানকেই হিন্দুদের অধীনে
সামরিক বাহিনী, নৌবাহিনী, সরকারী,
বেসরকারী কোথাও কাজ করতে দেওয়া হবে
না।
ঞ) মুসলমানদেরকে সমস্ত ভারত ও
কংগ্রেসকে অন্তর্ঘাত করে যেতে হবে,
মুসলমানদের দ্বারা শেষ ভারত আক্রমন
পর্যন্ত।
ট) এসব ব্যাপারে অর্থ দেবে মুসলিম লীগ।
ঠ) সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র বোম্বাই, দিল্লী,
কলিকাতা, মাদ্রাজ, ব্যাঙ্গালোর, লাহোর,
এবং করাচির মুসলমানদের হাতে ভাগ করে
দেওয়া হবে।
ড) মুসলিম লীগের সব সদস্য অস্ত্র ব্যবহার
করবে, এমনকি দরকার হলে পকেটে রাখার
মতো ছোড়া ব্যবহার করবে, যাতে ভারতবর্ষ
থেকে সমস্ত হিন্দুদেরকে তাড়িয়ে দেওয়া
যায়।
ঢ) সমস্ত বাহন হিন্দুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে
ব্যবহার করা হবে।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 16 January 2016
WE WELCOME
কেরলের সবরিমালা মন্দিরে যখন নারীদের প্রবেশাধিকার নিয়ে বিতর্কিত আইনি লড়াই চলছে তখনই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল উত্তরাখণ্ডের গেরওয়ালের জৌনসর বাওয়ার এলাকার পরশুরাম মন্দির।
৪০০ বছরের রীতি ভেঙে মন্দিরে নারী ও দলিতদের প্রবেশাধিকার দিল এই মন্দির। আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বার থেকে সকলের জন্য খুলে দেওয়া হল মন্দিরের দ্বার।
পরশুরাম মন্দির কর্তৃপক্ষের পশুবলি বন্ধ করার সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানিয়েছে জনগন।
সানি লিওয়ন and মিয়াঁ খালিফা
অনেকে হয়তো অনেক কিছু বলবেন যে এই রকম খবর প্রকাশ কেন করলাম। আসলে আজকাল সর্বত্রয় দেখছি, সানি লিওয়নের মন্দির যাওয়া নিয়ে হিন্দু, দেব দেবিদের বিগ্রহের আকার নিয়ে এক বিশেষ ধর্মের গোঁড়া লোক কিছু বেশিই কথা বলছে। এদের দিন রাত ন্যাকামী করে ধর্ম নিয়ে ট্যরিয়ে প্যাচিয়ে অনেক উলটো পালটা বলার চেষ্টা করছে। এমনিতে বেশির ভাগ স্বল্প শিক্ষিত মানুষজনও এদের কাইদা বুঝতে পারে, কিন্তু বাস্তবে নিজেরা কি, এটা একটু মনে করিয়ে দিতে ভালবাসি। খবরটি দেখুন বিখ্যাত হাফিংটান পোস্টের সংবাদের পাতায় - লেবাননের মুসলিম মেয়ে মিয়াঁ খালিফা। হিজাব যৌনতায় এক নতুন মাত্রা এনেছেন ইনি। মিয়াঁর এই 'কৃত্বিতে' কি রায় সকলের http://www.huffingtonpost.co.uk/2015/01/05/mia-khalifa-pornhubs-biggest-star-lebanese-compatriots_n_6415924.html
দুটো রুটির জন্য সেই ভারতেই আসতে হবে কুকুর গুলোকে!
এই ল্যাংটাদেশের ভিখিরির বাচ্চা গুলো যে কেন বার বার লাথ মারলেও আসে, এদের খ্যামটা মুখে এতো ফোফো দালালি, আর এদিকে কুত্তার মত বর্ডারে বসে থাকে কখন ফাক পাবে, ঢুকবে। শালারা মা বোন বেচে সোনাগাছিতে ভরিয়ে দিয়েছে, এত লাথ খায়, এতো মারি লাশ ফেলি, তবুও দুটো রুটির জন্য সেই ভারতেই আসতে হবে কুকুর গুলোকে! http://abpananda.abplive.in/state/53-bangladeshi-arrested-in-haldia-169249
শ্রী গুরু গোবিন্দ সিং জয়ন্তীতে আমাদের BLOGর সবাইকে জানাই অনেক শুভেচ্ছা..
শ্রী গুরু গোবিন্দ সিং জয়ন্তীতে আমাদের BLOGর সবাইকে জানাই অনেক শুভেচ্ছা..
ত্রিস্তম্ভ-শিখ ধর্ম তিনটি বিশেষ স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত। সেগুলো হলো,
(১) নাম জপো: প্রতিদিন সকালে স্নানের পর ছন্দে ছন্দে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে ঈশ্বরকে স্মরণ করা।(নাম কীর্তন)।
(২) কিরাত করো: সৎভাবে জীবিকা অর্জন করো। সক্ষমতা অনুযায়ী পরিশ্রম করো যাতে পরিবার ও সমাজ উপকৃত হয়।
(৩) ভান্দ চাখো (ভাগে চাখো): নিজের যা সম্পদ তা সবার সাথে সহভোগ করো। দান করো। সাহায্যপ্রার্থীকে সহযোগিতা করো। লঙ্গরে দান করো।
যদিও শিখ ধর্মে কোন ধর্মানুষ্ঠানের স্থান নেই বা গুরু নানক ধর্মানুষ্ঠানকে বর্জন করতে বলেছেন তবুও পরবর্তীকালে শিখ ধর্মালম্বীরা কিছু পরব বা উৎসব পালন করা শুরু করেন।
(১) গুরুপরব: সকল শিখ গুরুর জন্মদিনে গুরদুয়ারায় গুরুর নামে এই উৎসব পালিত হয়, তবে গুরু নানক ও গুরু গোবিন্দ সিং এর গুরুপরব উৎসব সব গুরদুয়ারায় বিশেষভাবে পালিত হয়।
(২) বৈশাখী: দশম গুরু গোবিন্দ সিং এর 'খালসা' প্রবর্তনের দিন হিসাবে বৈশাখী উৎসব পালিত হয়।
(৩) হলা মহলা: হিন্দুদের হোলি উৎসবের একদিন পর পাঞ্জাবের আনন্দপুরে খালসারা একত্রিত হয়ে তাঁদের নানাবিধ কলাকৌশল প্রদর্শন করেন।
[মৌ চক্রবর্তী]
..
#HappyGurpurab
এই হল নংপুসক পশ্চিম বঙ্গের বীর ও বাংলাদেশের কার্তিক কৃষ্ণ রায় দাদার আলপচারিতা অংশ বিশেষ।
এই হল নংপুসক পশ্চিম বঙ্গের বীর ও
বাংলাদেশের কার্তিক কৃষ্ণ রায়
দাদার আলপচারিতা অংশ বিশেষ ।
কাকে কি বলবেন?কে আসলে বীর?
Galaxian Astrovian
আখেরে উগ্রতায় লাভ কিছু হয় না।
Kartik Krishna Roy
তো মালদার কালিয়াচকের ঘটনা
আবার ঘটবে। পাকিস্তান হামলা করবে
আর তুমি বসে মালা টিপো
Galaxian Astrovian
তাই যদি হতো তাহলে সম্রাট অশোক
চন্ডাশোক থেকে ধর্মাশোক হতেন না।
Kartik Krishna Roy
অশোক এর জন্য আমরা সংখ্যাগত ভাবে
কম আজ।
Galaxian Astrovian
এগুলি আমাদের সমাজ জীবনের এক
একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
Galaxian Astrovian
অনেক বেশীতো বাংলাদেশে
প্রতিদিন ঘটছে।
Kartik Krishna Roy
এটা আমাদের টিকে থাকার
নাটকমাত্র
Galaxian Astrovian
চিন্তা ভাবনা বদলাও।
কয়েক ঘন্টা আগে পরে স্বাধীনতা
পেল দুটো দেশ। তার একটা পৃথিবীর
সীমা ছাড়িয়ে মঙ্গলে চলে গেল,আর
একটা এখনো বর্ডার পার করার চেষ্টাই
চালিয়ে যাচ্ছে !!! কি হাস্যকর !!!
Kartik Krishna Roy
ভারতের এ উদারতার কারনে বড় ক্ষতি
হবে একদিন হয়ত।
Galaxian Astrovian
তাতে কি ???
এই তো ভারত ???
মনে নেই শ্রী ভগবান ও তো তার পরম
শত্রুকে ১০০ বার ক্ষমা করেছিলেন !!!
তাহলে ???
Kartik Krishna Roy
নিজেকে কৃষ্ণ মনে করলে, পুতনা বকাসুর
কিংবা কংসের কি করেছিলে মনে
নেই?মেরে ফেলেছিলো।
পাকিস্তান কেও শিক্ষা দিতে হবে।
চরম শিক্ষা। যা সর্বশেষে শিশুপাল কে
কৃষ্ণ দিয়েছিল।
গতকাল রাত্রি থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আসানসোল জেলার প্রমুখ ওম নারায়ণ প্রসাদ সহ আরও তিন জন কার্যকর্তাকে আসানসোল থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে৷
গতকাল রাত্রি থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আসানসোল জেলার প্রমুখ ওম নারায়ণ প্রসাদ সহ আরও তিন জন কার্যকর্তাকে আসানসোল থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে৷ ওদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কালিয়াচকের ঘটনার প্রতিবাদে তারা আসানসোলে বিক্ষোভ মিছিল করার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছিল৷ প্রশাসন এক্ষেত্রে অনুমতি না দিয়েই ক্ষান্ত হয় নি, বরং বিনা অনুমতিতে এরা মিছিল করতে পারে - এই সন্দেহে তাদেরকে রাতভর ডিটেনশনে রাখা হয়েছে৷
কালিয়াচকে মোল্লারা বিনা অনুমতিতে বাকায়দা লিফলেট ছড়িয়ে দু'লাখ লোকের মিছিল এবং মাইক লাগিয়ে মিটিং করতে পারে৷ আমাদের নপুংশক প্রশাসন এক্ষেত্রে আয়োজকদের একটা চুলও ছিড়তে পারে না৷ উল্টে ওই বেআইনী মিছিলে অংশগ্রহণকারী মোল্লারাই পুলিশকে মেরে পাট করে দেয়৷ আর হিন্দুরা অনুমতি নিতে গেলে তাদেরকে আটক করে রাখা হয়৷ এই আইন ব্যবস্থাকে সম্মান করার, মেনে চলার কোন অর্থ আছে?
বাংলার হিজরা পুলিশকে ধিক্কার জানাই৷
WHEN INJUSTICE BECOMES LAW
RESISTANCE BECOMES DUTY.
Subscribe to:
Posts (Atom)

