http://www.somoyerkonthosor.com/archives/335323
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 16 January 2016
লোকাল খবরঃ
লোকাল খবরঃ খুবই সঙ্কটজনক খবর স্থানীয় লোকেদের ও সমগ্র বাংলার জন্য। আতঙ্কে ২ লক্ষ্য পরিবার। পশ্চিমবাংলার বৃহত্তম স্টিল প্ল্যান্ট দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (স্থানীয় ভাবে ডি.এস.পি. নামে পরিচিত) শেষ ২ বছরে ৩০০ কোটি টাকার উপর লোকসান হয়েছে যা এখনো বিদ্যমান। কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা "S.A.I.L." এর আওতায় এই কারখানার উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে নির্ভরশীল বাংলার বর্ধমান বাঁকুড়া, পুরুলিয়া বীরভূম জেলার ও অনত্রর প্রায় ২-২.৫ লক্ষ্য পরিবার। যে কোন দিন কারখানা বন্ধের ডাক দিতে পারে কর্তপক্ষ, এমনি জানানো হচ্ছে আনঅফিসিয়ালি ভাবে প্ল্যান্টের সুত্রে। বন্ধ হচ্ছে একের পর এক বিভাগ, বোনাস আটকে অনেক কর্মীর। লোকসানের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, বিশ্ব বাজারে ইংল্যান্ড আমেরিকা, চেকোস্লোভিয়া ও দুবাইয়ের স্টিল প্ল্যান্টের মত চীনের সস্তায় স্টিল সরবাহের কারণ। কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য কারখানা ভিলাই স্টিল প্ল্যান্ট, রাউড়কেল্লার কারখানা এই সিচুয়েশন কৌশলে সামলে নিয়েছে। বাংলার ক্ষেত্রে আরেক কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে কারখানার ভেতর বেয়াইনি কার্জকলাপ বেড়ে যাওয়ার খবর। স্থানীয় সুত্রে খবর, ২০১১ নির্বাচনের পর, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী 'পার্টির সমর্থক' অথবা 'সংখ্যালঘু' কার্ডের সুবিধাভুক্ত বিজয়ী দলের সমর্থক দের সন্দেহজনক ভাবে ব্যাপক হারে নিয়োগ করা হয়েছে। লোকাল ও পার্টির 'ক্ষমতাভুক্ত' হওয়ায় বিভিন্ন স্তরে চুরি ও মাল পাচারে যুক্ত এনারা। লাভের টাকার অংশীদার অনেক রাজনৈতিক স্তরের ব্যাক্তিরা ছিলেন। একটু একটু করে এর পরিমান বাড়তে থাকায় ঘোর সঙ্কট কারখানায় আজ। বিশদ জানতে পারবেন আরো স্থানীয় সুত্রে। তবে, উন্নতির সম্ভাবনা আপাতত কোন বিশেষজ্ঞ মহলে কেউ দেখছেন না। আরেক নুতুন মাত্রায় বাড়তে পারে পশ্চিমবাংলায় বেকারত্ব।
মহামূর্খ গবেষক
কে জানে কোন মহামূর্খ গবেষক গবেষনা করে বলেছেন, ভারত আগামী 2070 সালের মধ্যে মুসলিম প্রধান দেশে পরিনত হবে!!! সবচেয়ে আশ্চর্যজনক এটাকে অনেকে বিশ্বাসও করে।যা এক প্রকার অসম্ভব।যে এটা বলেছেন হয়তো তার এর পেছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে।
.
ভারতবর্ষে মুসলিমদের প্রথম আগমন ঘটে 1000 খ্রিষ্টাব্দেরও কিছু আগে।তারপর 1191 ও 1192 খ্রি. তরাইনের যুদ্ধের মাধ্যমে মুসলিম রাজত্বের ভিত্তি স্হাপন শুরু হয়েছিল।এরপর সুলতানি আমল আর মোঘল আমলে আরও 500 বছর কেটে যায়।এই সময়ের মধ্যে কী ব্যাপক হারে ধর্মান্তরন করা হয়েছে, তা আমরা কমবেশি সবাই জানি।আর তারপর ইংরেজ আমলে 200 বছরের মুসলিম তোষন কাটিয়ে আজ একবিংশ শতাব্দীর 2016 চলছে।
.
1947 এ ভারত স্বাধীন হল।পশ্চিম আর পূর্বদিকের মুসলিম প্রধান এলাকাগুলি পাকিস্হান আর বাংলাদেশে চলে গেল। এই তিন দেশ মিলেও যদি ধরি-মোট মুসলিম 50 কোটি।আর হিন্দু 105 কোটি। যা হিন্দু জনসংখ্যার অর্ধেক।1000 বছর পেরিয়ে আসার পরও এরা হিন্দুর ধারেকাছে নেই।তাদের শাসন ও শোষন থাকা সত্ত্বেও।
.
আর যদি শুধু ভারতের কথা ধরি-ভারতে মোট মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় 17 কোটির মতো।আর হিন্দুর সংখ্যা প্রায় 102 কোটির মতে। তাহলে আগামী 55 বছরের মধ্যে কোন ঐশ্বরিক জাদুতে মুসলিমের সংখ্যা 17 কোটি থেকে 102 কোটি পেরিয়ে যাবে?? আরও একটা কথা 55 বছরে নিশ্চয়ই হিন্দুর সংখ্যা থেমে থাকবে না, আরো বৃদ্ধি পাবে?? তাহলে হিন্দুদের সংখ্যা 2070 কত হবে?এরা অনুমান করাটা বেশ কঠিন।
.
আর এটা সবাই জানে ভারতে মুসলিমদের সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে গেলে হিন্দু জনসংখ্যাকে পেরিয়ে যেতে হবে-যা একপ্রকার অসম্ভব ব্যাপার!!!!
তাই যারা ভারত 2070এ মুসলিম প্রধান দেশ হবার দিবাস্বপ্ন
দেখছেন, তারা একটু বাস্তবের মাটিতে নেমে আসুন।যা গত1000 বছরে হয়নি, তা আগামী 55 বছরে হয়ে যাবে-এটা এক হাস্যকর যুক্তি ছাড়া কিছুই নয়।
জার্মানির একটি শহর মুসলিম রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদেরকে সুইমিং পুলে নিষিদ্ধ করেছে।
জার্মানির একটি শহর মুসলিম রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদেরকে সুইমিং পুলে নিষিদ্ধ করেছে।
জার্মানির বোর্নহেইম শহরের সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, পাবলিক সুইমিং পুলে একদল মুসলিম পুরুষ মহিলাদের যৌন হয়রানি করছিল এবং গায়ে পড়ে কথা বলছিল এমন বহু অভিযোগ তারা পেয়েছেন। তারপরই তারা এই ব্যবস্থা নিয়েছেন।
মুসলিমরা দুনিয়ার যেখানেই যায় সেখানে অশান্তি সৃষ্টি করে, দোজখ বানিয়ে ফেলে!
মুসলমানরা সংখ্যালঘু নয়। মুসলমান একটা আলাদা জাতি।
মুসলমানরা সংখ্যালঘু নয়। মুসলমান একটা
আলাদা জাতি। জাতি গঠনের সমস্ত
প্রয়োজনীয় উপাদান তাদের আছে। তাই
তাদের অবশ্যই নিজের বাসভূমির অধিকার
আছে।" (ভিপি মেনন, ট্রান্সফার অব
পাওয়ার, পৃষ্ঠা-৮২)
ঠিক এর ১০ দিন পর, ১৯৪০ সালের ৬ এপ্রিল,
গান্ধী, মুসলিম লীগের দাবিকে সমর্থন
করে হরিজন পত্রিকায় লিখলো, "দেশের
অন্যান্য জনগোষ্ঠীর মতো মুসলমানদেরও
আত্মনিয়ন্ত্রণেরঅধিকার আছে। বর্তমানে
আমরা একটা যৌথ পরিবারের মতোই বসবাস
করছি। তাই এর কোনো এক শরিক ভিন্ন হতে
চাইতেই পারে।"
মূলত এই দুটি ঘটনাতে ১৯৪০ সালেই ভারত
ভাগ হয়ে গিয়েছিলো; ১৯৪৭ সালে তা শুধু
বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র।
মুসলমানরা যাতে পাকিস্তানের দাবীকে
ভুলে না যায়, সেজন্যই হয়তো ১৯৪২ সালের
১৮ এপ্রিল, গান্ধী, হরিজন পত্রিকায় আবার
লিখলো, "যদি ভারতের বেশির ভাগ
মুসলমান এই মত পোষণ করে যে, মুসলমানরা
একটা আলাদা জাতি, যাদের সঙ্গে হিন্দু ও
অন্যান্য গোষ্ঠীর মিল নেই, তবে পৃথিবীর
এমন কোনো শক্তি নেই যে সেই চিন্তা
ভাবনা থেকে তাদের বিরত করতে পারে
এবং সেই ভিত্তিতে তারা যদি বেশির
ভাগ চায়, তবে অবশ্যই দেশভাগ করতে হবে।
তবে ইচ্ছা করলে হিন্দুরা তার বিরোধিতা
করতে পারে।"
জিন্না দেখলো, তার দাবীর তেমন কোনো
বিরোধিতা হিন্দুদের মধ্যে নেই, বরং
হিন্দুদের প্রধান নেতা গান্ধীর, তার
দাবীর ব্যাপারে যথেষ্ট অনুমোদনও রয়েছে।
এরপর ১৯৪৪ সালে জিন্নার সাথে গান্ধীর
বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ হয়। গান্ধী,
জিন্নাহকে বলে, "আমি আপনার বা
ইসলামের শত্রু নই। আমি আপনাদের দীন
সেবক মাত্র। আমাকে দয়া করে ফিরিয়ে
দেবেন না।" গান্ধীর এই অসহায়
আত্মসমর্পনে উৎফুল্ল জিন্না পাকিস্তান
আদায়ের প্ল্যান তৈরি করে ফেলে। কারণ,
জিন্না বুঝেছিলো, শুধু মুখে বলে কিছু
আদায় হবে না, এর জন্য এ্যাকশনে যেতে
হবে। তাই ১৯৪৬ সালের ২৮ জুলাই বোম্বেতে
সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের জাতীয় সভায়,
১৬ আগস্টকে জিন্না, "ডাইরেক্ট এ্যাকশন
ডে" বা "প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস" হিসেবে
ঘোষণা করে। এই সভায় জিন্না বলে,
"পাকিস্তান বাদ দিয়ে অন্য কিছুর সাথেই
মুসলমান জাতি কোনো প্রকার আপোষ
করবে না। এখন সময় হয়েছে, সেই দাবী
আদায়ে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ
হওয়ার। আমরা আজ একটা ঐতিহাসিক
সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মুসলিম লীগের
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত সব সময়ই
আমরা নিয়মতান্ত্রিক পথেই দাবী
জানিয়ে এসেছি। কিন্তু আজ সময় এসেছে
সেই নিয়মতান্ত্রিক পথকে বিদায়
জানাবার।...আজ আমাদের কাছে একটি
পিস্তল আছে এবং আমরা তা ব্যবহার করতে
সমর্থ।" ( পীরজাদা, ফাউন্ডেশন অব
পাকিস্তান, পৃষ্ঠা-৫৬০)
শুরু হলো প্রস্তুতি:
১৯৪৬ সালে সমগ্র বাংলায় মুসলমান ছিলো
৫৫%, হিন্দু ৪৫%। তাই খুব সহজে কংগ্রেসকে
হারিয়ে প্রাদেশিক নির্বাচনে জিতে
বাংলার ক্ষমতা দখল করে মুসলিম লীগ।
সোহরাওয়ার্দী বা সুরাবর্দী হয় মুসলিম
সরকারের মূখ্যমন্ত্রী; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও
ছিলো তার হাতে। জিন্নার ডাইরেক্ট
এ্যকশন ডে বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিজের
কাঁধে তুলে নেয় এই জল্লাদ। ২৮ জুলাই থেকে
১৬ আগস্ট, সময় খুব কম। তাই খুব দ্রুত
পরিকল্পনামাফিক এগোতে থাকে সে। ১৯৪৬
সালের ৫ আগস্ট, স্টেটসম্যান পত্রিকার এক
নিবন্ধে সুরাবর্দী লিখে, "হিংসা এবং
রক্তপাত অন্যায় নয়, যদি তা মহৎ উদ্দেশ্যে
করা হয়। মুসলমানদের কাছে আজ
পাকিস্তান আদায় ছাড়া অন্য কোনো প্রিয়
কাজ নেই।"
এই দিনই খাজা নাজিমুদ্দিন, যে পরে পূর্ব
বাংলার মূখ্যমন্ত্রী হয়, সে মুসলিম
ইনস্টিউটে, মুসলিম ন্যাশনাল গার্ডের এক
সমাবেশে বলে, "মুসলিম লীগের এটা পরম
সৌভাগ্য যে, এই রমজান মাসেই সংগ্রাম
শুরু হবে। কারণ, এই রমজান মাসেই তো
জিহাদের নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ।"
এর সাথে কলকাতার মুসলমান মেয়র, ওসমান
খান, উর্দুতে একটি প্রচার পত্র বিলি করে।
যাতে লিখা ছিলো, "আশা ছেড়ো না,
তরোয়াল তুলে নাও, ওহে কাফের,
তোমাদের ধ্বংসের দিন বেশি দূরে নয়।" এই
লিফলেটে ছিলো তরোয়াল হাতে জিন্নার
ছবি। এছাড়াও মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে,
হিন্দুদের কিভাবে ধ্বংস করা যাবে, সেই
রকম ২৩ টি নির্দেশনা সংক্রান্ত একটি
লিফলেট বিলি করা হয়। নির্দেশনাগুলো
এরকম :
১. ভারতের সকল মুসলমান পাকিস্তানের
দাবীতে প্রাণ দেবে।
২. পাকিস্তান জয়ের পর সারা ভারত জয়
করতে হবে।
৩. ভারতের সব মানুষকেই ইসলামে
ধর্মান্তরিত করতে হবে।
৪. সমস্ত মুসলিম রাষ্ট্রকেই বৃটিশ-
আমেরিকার পৃথিবী শোষণের সাথে হাত
মেলাতে হবে।
৫. একজন মুসলমানকে ৫ জন হিন্দুর অধিকার
পেতে হবে, অর্থাৎ একজন মুসলমান সমান ৫
জন হিন্দু।
৬. যতদিন পর্যন্ত পাকিস্তান ও ভারত
স্থাপিত না হয়, ততদিন পর্যন্ত নিম্নলিখিত
কাজগুলি করে যেতে হবে:
ক) হিন্দুদের যত কারখানা ও দোকান আছে,
তা ধ্বংস করতে হবে এবং লুঠ করতে হবে
এবং লুঠের মাল মুসলিম লীগ অফিসে জমা
দিতে হবে।
খ) মুসলিম লীগের সব সদস্যকে অস্ত্র বহন
করতে হবে।
গ) সকল জাতীয়বাদী মুসলমান, যারা
লীগের সাথে যুক্ত হবে না (অর্থাৎ
কংগ্রেসী), তাদেরকে গুপ্তভাবে হত্যা
করতে হবে।
ঘ) হিন্দুদেরকে ক্রমাগত খুন করে যেতে হবে
এবং তাদের সংখ্যা কমাতে হবে।
ঙ) সমস্ত মন্দির ধ্বংস করতে হবে।
চ) কংগ্রেস নেতাদেরকে প্রতিমাসে ১ জন
করে খুন করতে হবে।
ছ) কংগ্রেসের অফিসগুলি মুসলমানদের
দিয়ে ধ্বংস করাতে হবে।
জ) করাচী, বোম্বাই, কলিকাতা, মাদ্রাজ,
গোয়া বিশাখাপত্তনম ১৯৪৬ সালের
ডিসেম্বরের মধ্যেই অচল করে দিতে হবে।
ঝ) কোনো মুসলমানকেই হিন্দুদের অধীনে
সামরিক বাহিনী, নৌবাহিনী, সরকারী,
বেসরকারী কোথাও কাজ করতে দেওয়া হবে
না।
ঞ) মুসলমানদেরকে সমস্ত ভারত ও
কংগ্রেসকে অন্তর্ঘাত করে যেতে হবে,
মুসলমানদের দ্বারা শেষ ভারত আক্রমন
পর্যন্ত।
ট) এসব ব্যাপারে অর্থ দেবে মুসলিম লীগ।
ঠ) সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র বোম্বাই, দিল্লী,
কলিকাতা, মাদ্রাজ, ব্যাঙ্গালোর, লাহোর,
এবং করাচির মুসলমানদের হাতে ভাগ করে
দেওয়া হবে।
ড) মুসলিম লীগের সব সদস্য অস্ত্র ব্যবহার
করবে, এমনকি দরকার হলে পকেটে রাখার
মতো ছোড়া ব্যবহার করবে, যাতে ভারতবর্ষ
থেকে সমস্ত হিন্দুদেরকে তাড়িয়ে দেওয়া
যায়।
ঢ) সমস্ত বাহন হিন্দুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে
ব্যবহার করা হবে।
WE WELCOME
কেরলের সবরিমালা মন্দিরে যখন নারীদের প্রবেশাধিকার নিয়ে বিতর্কিত আইনি লড়াই চলছে তখনই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল উত্তরাখণ্ডের গেরওয়ালের জৌনসর বাওয়ার এলাকার পরশুরাম মন্দির।
৪০০ বছরের রীতি ভেঙে মন্দিরে নারী ও দলিতদের প্রবেশাধিকার দিল এই মন্দির। আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বার থেকে সকলের জন্য খুলে দেওয়া হল মন্দিরের দ্বার।
পরশুরাম মন্দির কর্তৃপক্ষের পশুবলি বন্ধ করার সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানিয়েছে জনগন।
Subscribe to:
Posts (Atom)

