Wednesday, 20 January 2016

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী দের দ্বীচারিতাঃ

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী দের দ্বীচারিতাঃ রোহির ভেমুলা আত্মহত্যা করেছে, কারন এখনও পর্যন্ত জানা যায় নি । কিন্তু দোষ আর এস এস এবং বিজেপির কারন ছেলেটি নিম্নবর্নের হিন্দু.. দলিত সম্প্রদায়ের। স্বাধীনতার পর এতো বছর তো হয়ে গেল, আমরা চাঁদে মঙ্গলে পৌছে গেলাম, বিশ্বকাপ জয় করে নিয়ে এলাম, কিন্তু দলিত সমস্যার সমাধান করতে পারলাম না কেন? .... উত্তর খুব সোজা , আমরা দলিতদের ভোট ব্যাঙ্ক হিসাবে দেখেছি তাদের সার্বিক উন্নতি চাই, কোনো দলিতের দুদিন পেটখারাপ হলে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করেছি,' অমুক ব্রাহ্মণের দোকানের খাবার খেয়ে দলিতের পেট খারাপ'.. কেন চিৎকার করেছি? কারন মশাই বোঝেন তো, ভোটাভুটির ব্যাপার আছে দলিতদের উপর অত্যাচার চলছে বলছে ভোট টা পকেটে আসবে, সমাজে একটা মেরুকরন তৈরী করা যাবে আর দোষ চাপানোর জন্য বলির পাঁঠা তৈরী করাই আছে , সেই বলির পাঁঠা হল আর এস এস ও বিজেপি ...চাপিয়ে দেব তাদের উপর দোষ আমাদের কেল্লা ফতে.. এখন গদি ৫ বছরের জন্য পাক্কা.. পারি নি, আমরা পারিনি, কারন দলিতদের ভোট ব্যঙ্ক হিসাবেই দেখেছি। এরপর দেখুন, আজ বাংলার গ্রামে গ্রামে দলিত হিন্দুদের উপর অত্যাচার চলছে। 'মিডিয়া'র সৌজন্যে সেই খবর বেশিরভাগ সময়ই আমরা পাই না কিন্তু 'হিন্দু সংহতি'' নামক এক সংগঠনের অসৌজন্যতার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত সেই অত্যাচারের বিবিরন পাই... কিন্তু সেই সেটা ইস্যু হয় না.. কেন হয় না ধর্মনিরপেক্ষাতার ধ্বজা ধারী রা উত্তর দেবেন? কেন, মুসলমানদের হাতে দলিত হিন্দুরা মার খেলে, তাদের মেয়েরা ধর্ষিতা হলে কেন ইস্যু হয় না? আপনারা উত্তর না দিলেও আমরা বুঝি, সেই ভোট ব্যাঙ্কের ব্যাপার.. তাই ধর্মনিরপেক্ষতারছেঁড়া ধ্বজা ধরার থেকে হিন্দু ধ্বজা ধরা অনেক যুক্তিপূর্ন ও বীরত্বের ব্যাপার.।

একদিন একটা গরিব ছেলে রাস্তায় একটা প্রদীপ পেল।

একদিন একটা গরিব ছেলে রাস্তায় একটা প্রদীপ পেল। সে খুব খুশি হয়ে প্রদীপ টা ঘষতে শুরু করলো। একটু ঘষতেই প্রদীপের থেকে ধোঁয়া বেরতে লাগলো। ছেলেটার তো খূব আনন্দ। আরো ঘষছে। হঠাত..... প্রদীপ টা ফেটে গেল.... ছেলেটাও কেলিয়ে পড়ল..... Moral of the story- দিনকাল খারাপ...... আগেকার দিন আর নেই..... এরকম পড়ে থাকা অনেক জিনিষ ই এখন আলাদীনের নয়, মুজাহিদীনের হয়....... 26 জনুয়ারী আসছে...... সাবধান!!!!!!! by our friend amit srivastav

আগামিদিনে কি বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারত!!

আগামিদিনে কি বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারত!! আগে থেকেই এবার ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব। সেই মেশিন বসতে চলছে এই দেশেই। : ভূমিকম্পে আর প্রানহানি নয়, বরং আগাম সতর্কবার্তা পেয়ে বাঁচবে প্রাণ। দেশের বাজারে এমনই অত্যাধুনিক এক যন্ত্র নিয়ে আসল জার্মানির এক কোম্পানি। প্রস্তুতকারী সংস্থার দাবি, এই যন্ত্র আগে থেকেই কম্পনের সঙ্কেত দিতে পারবে। আর এই কম্পনের আঁচ পাওয়া মাত্র আগেভাগেই নিরাপদ জায়গায় মানুষ সরে যেতে পারবে। তবে এই মেশিন বসাতে হবে বাড়িতে। ইলেকট্রনিক্স জিএমবিএইচ নামে কোম্পানির এমডি জুরগেন প্রিজবায়লাক জানিয়েছেন, আগাম ভূকম্পন সতর্কতা ও নিরাপত্তা সিস্টেম বসাতে হবে বাড়ির ভিতরে। সেটি কম্পনের প্রাথমিক তরঙ্গ চিহ্নিত করে সতর্ক করে দেবে। ভূমিকম্পের সময় পি অর্থাত প্রাথমিক তরঙ্গ প্রবাহিত হয় খুব মৃদু গতিতে। তারপরই আসে সেকেন্ডারি তরঙ্গ। তিনি এও বলেছেন, বর্তমানে যে প্রযুক্তি আছে, তা কোনও ভূমিকম্পের প্রাথমিক তরঙ্গকে চিহ্নিত করতে পারে। এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই প্রাণ ও সম্পত্তি রক্ষা করতে নেমে পড়া যাবে। প্রিজবায়লাকের দাবি, তাঁদের যন্ত্রটি দ্বিতীয় কম্পনতরঙ্গ বাড়িঘর কাঁপিয়ে দেওয়ার ৭০ সেকেন্ড আগেই সতর্কবার্তা দেবে। ফলে লোকজন বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসার জন্য বেশি সময় পাবেন। হরিয়ানা সরকারের কাছ থেকে সংস্থাটি যন্ত্র সরবরাহের বরাত পেয়েছে। http://www.bengali.kolkata24x7.com/german-firm-launches-its-quake-warning-system-in-india.html

আবার নরেন্দ্র মোদীকে হত্যার হুমকি দিল আই.এস।এবার শুধু মোদী নন, তার সাথে মনোহর পারিক্করকেও হত্যার হুমকি দিয়েছে।

আবার নরেন্দ্র মোদীকে হত্যার হুমকি দিল আই.এস।এবার শুধু মোদী নন, তার সাথে মনোহর পারিক্করকেও হত্যার হুমকি দিয়েছে। . গোয়া পুলিশের হাতে একটি চিঠি এসেছে-তাতে আই.এসের নামে নরেন্দ্র মোদী আর মনোহর পারিক্করকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।হত্যা করতে চাওয়ার কারন হিসেবে গো-হত্যা নিষিদ্ধ করার ঘটনাকে উল্লেখ করেছে।এমনকি তারা গো-হত্যার থেকে সমস্ত বিধি-নিষেধ তুলে নিতে বলেছে।তা না হলে পরিণাম ভয়ঙ্কর হবে!! তবে গোয়া পুলিশ এই চিঠির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করেছে। . নিজের দেশের(সিরিয়া) মানুষ না খেতে পেয়ে কুকুর, বেড়াল খাচ্ছে।তারা চরম অনাহারে দিন কাটাচ্ছে!! তাদের চিন্তা না করে ভারতের মুসলিমদের জন্য দরদ দেখাচ্ছে!! যত্ত সব আদিখ্যেতা!!!! http://m.ibnlive.com/news/india/isis-letter-threatens-to-kill-narendra-modi-manohar-parrikar-1192011.html

Tuesday, 19 January 2016

দলিত ছাত্র, সংখ্যালঘু ছাত্রী ইত্যাদি কথা গুলো ব্যবহারের তাৎপর্য বোঝাটা খুব একটা শক্ত নয়।

দলিত ছাত্র, সংখ্যালঘু ছাত্রী ইত্যাদি কথা গুলো ব্যবহারের তাৎপর্য বোঝাটা খুব একটা শক্ত নয়। যদিও সুজেট ধর্ষনকাণ্ডে 'সংখ্যালঘু' কথাটি ব্যবহৃত হয় নাই। কেন হয় নাই, তাও বোধগম্য। আমি জানতাম না, আমি দলিত। ফেবুতে যখন প্রথম আসি আর সেকুমাকুদের কুরাজনীতি, কুকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখাতে শুরু করি, ওরা বলল- 'তুই দলিত, তুই দলিত; আমরা তোদের পাশে আছি।' বুঝে গেলাম ভোটটা কাদের দিতে হবে। এই যে রোহিত আত্মহত্যা করল, হতে পারে ব্যক্তিগত কারণে আবার রাজনৈতিক কারণেও হতে পারে। কিন্তু দোষারোপ হচ্ছে, তথাকথিত উচ্চ জাতিদের। তাদের প্রতি বিদ্বেষ সৃষ্টি করা হচ্ছে পরিকল্পিত ভাবে। উদ্দেশ্য খুব পরিস্কার, ভোট দখল। কিন্তু এই বিদ্বেষ যেদিন আগুণ হয়ে বের হবে, বাঁচবেন তো! রোহিত কি শুধু একজন ছাত্র ছিলেন? সে একটি রাজনৈতিক দলের(ASU) কর্মী। ইয়াকুবের ফাঁসির বিরুদ্ধে আন্দোলন করাকে নিয়ে AVP-র সাথে সংঘর্ষ। আর তাতে ASU-র হাতে যারা মার খায়, ঘটণাচক্রে তারাও ছিল দলিত। তাহলে এর মধ্যে দলিত- অদলিতর দ্বন্ধটা কোথায়? তোমরা সেকুমাকুরা নাকি খুব উদার মানবতাবাদী, বিভেদহীন সমাজ চান। তা এভাবে হবে তো? স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই রাজ চলছে সেকুমাকুদের, তা বিভেদ কেন, আজও রয়ে গেল? কারণ- তোমাদের মেরুকরণের রাজনীতি। চাই সম্পূর্ণ মুসলিম ভোট, চাই সম্পূর্ণ দলিত ভোট, চাই শুধু ক্ষমতা; লুটেপুটে খাওয়ার। তোরা পোঁদ মারামারি কর।

মুসলমানের কথা উঠলেই বেশিরভাগ মানুষই একই প্রশ্ন করেন,... " সব মুসলমানই কি খারাপ?

মুসলমানের কথা উঠলেই বেশিরভাগ মানুষই একই প্রশ্ন করেন,... " সব মুসলমানই কি খারাপ? হাতের পাঁচ আঙ্গুল কি সমান হয় নাকি"?? - উত্তরে আমি বলি বেশ কথা....। কিন্তু বলুনতো.... ইসলামের কয়টা আঙ্গুল? কোরানই বা কয়খানা??.... নাস্তিক হলে আলাদা বিষয়, তা ছাড়া বরং সেই ইসলামকে'ই তো বেশির ভাগ মুসলমান অনুসরন করেন"। .... তবে?? ব্যাস.... খেলা শেষ !!!

"বাংলাদেশ" ভারতের একটি অঙ্গ...

"বাংলাদেশ" ভারতের একটি অঙ্গ... কয়েক বছর পূর্বে মানুষের ধর্মীয় সংখ্যা বিচার করে মুসলিমরা পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান নামে ২টা রাজ্য ভারতের থেকে ছিনিয়ে নেয়...যার মাঝে একটির নাম বাংলাদেশ..।। . বাংলাদেশ-পাকিস্তান মুলত ভারতের...আর সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়েই ছিলো হিন্দুদের রাজত্ব...আজ থেকে কয়েক হাজার বছর পূর্বে সমগ্র ভারতবর্ষে মুসলিমদের কোন অস্থিত্ব ছিলো না...মুসলিমদের সুত্রপাত তো মোহাম্মদের একচাটিয়া জেদ থেকে আরবে সৃষ্টি হয়েছে..। . সুতরাং বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানসহ সমগ্র ভারত মহাদেশের মুসলিমরা ভিন দেশী...কিন্তু তারা তাদের ধর্মের বানী ব্যবহার করে, হিংসাত্মক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে আজ হিন্দুদের রাজত্বে হিন্দুদের উপর নির্যাতন করছে...বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে কয়েক লক্ষ হিন্দু পরিবারকে বিতাড়িত করে ভারতে পাঠানো হয়েছে, খুন, ধর্ষন, জোর করে ধর্মান্তরিতকরন সহ নানা রকম জেহাদী কর্মকান্ডের মাধ্যমে হিন্দুদের নির্যাতন করে আসছে ঐ ভিন দেশী মুসলিমরা.। আর নিজেদের রাজত্বে হিন্দুরা মার খেয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে অবিরাম... . এভাবেই হয়তো একদিন শেষ হবে হিন্দুত্বের ভারতীয় রাজ্য...R সবাই জিম্মি থাকবে ইসলামের অন্যায়ের কাছে...