Sunday, 24 January 2016

German Govt Posters to Muslim refugees: ‘Please don’t poop in the showers’ or rape our women | JEWSNEWS

জার্মানির মহিলাদের লাগাতার গনধর্ষন করতে শুরু করেছে সিরিয়ান রিফিউজি বা ইসলামী বান্দারা.. ফ্রান্সে সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ফ্রান্স বুজতে পেরেছে যে সিরিয়াব রিফিউজি মুসলমানগুলোকে আশ্রয় দেওয়া কত বড় ভুল ছিল.. এবার জার্মানি সেটা বুজতে পারছে। জার্মান সরকার মুসলমান রিফিউজিদের কাছে আবেদন করছে তারা যেন জার্মান মহিলাদের ধর্ষন না করেন.। এইভাবে পাগল কুকুরের সামনে জার্মানি হাত পেতে আবেদন করছে কেন বুজতে পারছি না, কুকুর পাগল হয়ে একটাই করনীয় কর্তব্য, তা হল, তরোয়াল দিয়ে পাগল কুকুরের মাথা কেটে ফেলে দেওয়া।। ইসরায়েল, রাশিয়া কে দেখে কবে শিখবে জার্মানি? কবে শিখবে ভারত? http://www.jewsnews.co.il/2016/01/21/german-govt-posters-to-muslim-refugees-please-dont-poop-in-the-showers-or-rape-our-women/

Saturday, 23 January 2016

আজ কাশ্মীরে " হিজবুল মুজাহিদীন " এর 5 জেহাদী ধরা পড়ল

আবার আজ কাশ্মীরে " হিজবুল মুজাহিদীন " এর 5 জেহাদী ধরা পড়ল I এরা 26 JAN হিন্দু মারার PLAN করছিল I এরা শুধু মুসলিম নয় I এরা হলো জেহাদী I এরা কোরান মেনেই জেহাদ করছে I এরা IS এর সাথে যুক্ত হয়ে ধীরে ধীরে দেশে দারুল ইসলাম স্থাপন করে " KURSHAN " বানাবে I যারা গাই কে মাতা বলে পূজা করে তাদের কাফের মেনে খুন করে ইসলাম শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে I "Hizb-ul-Mujahideen" (সংগৃহিত- Real Bengal)

মডরেট মুসলমান

মাদ্রাসার পাঠ্যপুস্তক থেকে যখন অমুসলিম লেখকদের লেখা বাদ দেওয়া হলো তখন মডরেট মুসলমানদের মন্তব্য;- "মাদ্রাসায় যারা পড়ে তারা এমনিতেই সাম্প্রদায়িক হয়। এটা নিয়ে উচ্চবাচ্য করার কিছু নেই। মাদ্রাসা দিয়ে ইসলামকে বিবেচনা করবেন না।" মাদ্রাসায় যখন বোমা তৈরীর সরঞ্জাম পাওয়া যায়, বোমা তৈরির সময় অসাবধানতা বশত বোমা বিস্ফোরণে মাদ্রাসা ভস্ম হয়ে যায় তখন মডরেট মুসলমানদের মন্তব্য;- "মাদ্রাসার সাথে জড়িত মানুষেরা এমনিতেই উগ্রবাদের সাথে জড়িত থাকে। মাদ্রাসা দিয়ে ইসলামকে মূল্যায়ন করা ঠিক নয়।" মাদ্রাসার ছাত্ররা যখন দলবেঁধে সাম্প্রদায়িক হামলা চালায়, ভাস্কর্য ভাঙে, মূর্তি ভাঙে, মাদ্রাসার বড় বড় আলেম আর হুজুরেরা যখন নারীদের নিয়ে একের পর এক অবমাননাকর বক্তব্য দিয়ে যায়, মাইকে নাস্তিক কতলের ঘোষণা দেয় তখন মডরেট মুসলমানদের মন্তব্য;- "কিছু মাদ্রাসার ছাত্র কিংবা মোল্লাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ইসলাম নিয়ে মন্তব্য করতে যাবেন না।" এখন আপনি মাদ্রাসা শিক্ষা সংস্কারের কথা বলুন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করা কথা বলুন, মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে ১৪০০ বছর আগের মরুভূমির ধুলাবালির শিক্ষা না দিয়ে, কুয়োর ব্যাঙ করে না রেখে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার কথা বলুন; তখন মডরেট মুসলমানদের মন্তব্য;- "ইয়ে মানে......মানে....উম......হুম.....মানে ইয়ে......হুম......উম মাদ্রাসা তো আছেই ধর্মীয় শিক্ষার জন্য। সেখানে যদি ধর্মই না পড়িয়ে বিজ্ঞান পড়ানো হয় তাহলে তার নাম আর মাদ্রাসা দেওয়ারই বা দরকার কি!" অন্য সবসময় মডরেট মুসলমানদের কাছে মাদ্রাসা খারাপ। শুধু বর্তমান যুগের সাথে তুলনায় অকেজো, অচল, বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের অনুকূল আবহাওয়া উপযোগী দেশের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক এই মাদ্রাসা শিক্ষা সংস্কারের কথা বলুন তাতেই মডরেটদের ব্যথায় কোঁকানি শুরু হয়ে যাবে। অথচ খোঁজ নিয়ে দেখুন এই মডরেট মুসলমানদের পরিবারের কেউই মাদ্রাসায় পড়ে না। নিজের সন্তানটি একদম স্মার্ট। আবার এটাও আশা করবে যে অন্যের সন্তান মাদ্রাসায় যাবে, কোরানে হাফেজ হবে, আলেম হবে আর ইসলাম রক্ষা করবে। এই মডরেট মুসলমানেরাই সবচেয়ে বেশি ভীতিকর। এরা লাইফ স্টাইল চাইবে ইউরোপ আমেরিকানদের মতো আবার রাষ্ট্রধর্ম চাইবে ইসলাম! স্বপ্ন দেখবে ইউরোপ-আমেরিকায় গিয়ে বসবাস করবে আবার ওদিকে এটাও আশা করবে যে একদিন ইউরোপ-আমেরিকা শাসন করবে ইসলাম! এই মহাজ্ঞানী মডরেটদের মাথায় এটা ঢুকে না যে ইসলাম যেখানে শাসন করে সেখানে ইউরোপ-আমেরিকা কিংবা সভ্যতা হয় না। ইসলামে যেখানে শাসন করে সেখানে হয় নারীদের বস্তাবন্দী করা, সেখানে দাবা খেলা হারাম, সেখানে ধর্ষণের জন্য নারীকে চারজন সাক্ষী যোগাড় করতে হয়, সেখানে ছবি দেখা-ছবি আঁকা সবই হারাম। এই মডরেটেরা হাতকাটা ব্লাউজ পরে ফেইসবুকে ছবি আপলোড দিয়ে তারপর আবার ইসলাম প্রচার করতে বসবে,'খুন হওয়া আস্তিক এবং নাস্তিক দুজনেই সমান অপরাধী।' কত্ত আধুনিকা! একদিকে গার্লফ্রেন্ড নিয়ে লিটনের ফ্ল্যাটে যাবে আবার অন্যদিকে নাস্তিকেরা ইসলাম অবমাননা করছে জিকির তুলবে। উপরে হিজাব নিজে টপস, তারপর স্টাইলিশ হিজাবী সেলফি দেবে। আবার বলবে,'মুসলমান হয়ে পূজা/ক্রিসমাস/প্রবারণা পূর্ণিমার শুভেচ্ছা দেওয়া হারাম।' ফেইসবুকে ইসলাম প্রচার করে টেলিভিশনের পর্দায় বউকে খেমটা নাচ নাচাবে। চৌদ্দগোষ্ঠীর কেউ মাদ্রাসাতে না গেলেও তাদের মাদ্রাসা নিয়ে কিছু বললেই অনুভূতিতে লেগে যায়। আগেও বলেছি, এখনও বলছি; এই মডরেট মুসলমানেরাই সবচেয়ে বড় অপরাধী। মাদ্রাসা, জঙ্গিবাদ, আল-কায়েদা, আইএস এরা তো স্রেফ সন্ত্রাসের মুখপাত্র মাত্র। এই মডরেট মুসলমানেরাই সন্ত্রাসের মূল যোগানদাতা যারা মুখে আইএস ঘৃণা করে আবার এটাও আশা করে যে কোনো একদিন পৃথিবীব্যাপী খিলাফত হবে, জিহাদ হবে, ইসলাম কায়েম হবে।

দাবা খেলা নিষিদ্ধ

চৌদি গ্রান্ড ছাগল মুফতি কর্তৃক দাবা খেলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সংবাদে মুছলিম মহলে বিস্ময়ের প্রাবল্য লক্ষ্য করলে সেই সত্যটি আবারও মূর্ত হয়ে ওঠে: মুছলিমরা নিজেদের ধর্ম সম্পর্কে কোনও জ্ঞান রাখে না। এরা শুধু হুইন্যা মুছলমান। এরা জানেও না, দাবা স্পষ্ট করে নিষিদ্ধ করা আছে হাদিসে। সেই হাদিসের মন্দিল-খুশ-করা ইলাস্ট্রেটেড কার্টুন + নবীর নির্দেশ ছাড়াও এই নিষেধাজ্ঞার পেছনের আরও একটি যৌক্তিক কারণ সম্বলিত দুর্দান্ত কার্টুন। www.dhormockery.com

To day Nataji's Birthday ন্যাশনাল আর্কাইভে নেতাজি সংক্রান্ত ফাইল প্রকাশ


✬•►কথা রাখলেন মোদী জি...| ✺•►ন্যাশনাল আর্কাইভে নেতাজি সংক্রান্ত ফাইল প্রকাশ, ফাইল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী..। ✬•►নেতাজি সংক্রান্ত ফাইল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ ন্যাশনাল আর্কাইভে এই গোপন নথি প্রকাশ করেন তিনি। প্রকাশিত হল ১০০টি গোপন ফাইল।উপস্থিত ছিলেন নেতাজির পরিবারের সদস্যরা।এর আগে গত বছর অক্টোবর মাসেই বসু পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কেন্দ্রের হাতে নেতাজি সংক্রান্ত ফাইল প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেইমতো আজ প্রকাশিত হল সেই গোপন ফাইল। http://www.netajifiles.gov.in এ পাওয়া যাবে ফাইলগুলি।

মুখ্যমন্ত্রীর বোধোদয়

আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর সম্প্রতি এই বোধোদয় হলো যে বহু বাচ্চা ছেলে মেয়েরা যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় তাদের পায়ে জুতো থাকে না। তাই ভোটের ঠিক আগে সেই মহাদর্শন তার হলো। ফলশ্রুতি-ছোট পড়ুয়াদের জুতো প্রাপ্তি (শীত বোধ হয় চলে যাবে পেতে পেতে)। বেশ কিছুদিন আগে তিনি বুঝেছিলেন শুধু মাত্র মুসলিম মেয়েরা সাইকেলের অভাবে স্কুলে যেতে পারেনা, কারন সব হিন্দু বাবা মায়েরা প্রচন্ড ধনী। সেই শুদ্ধ অনুভুতির ফলে প্রচুর মুসলিম মেয়েদের সাইকেল দিয়ে ছিলেন। একই যুক্তিতে তিনি বুঝেছিলেন হিন্দু পুরোহিত রা সবাই মাসে প্রচুর আয় করে কিন্তু মুসলিম ইমাম রা অতি দরিদ্র । তাই 'ইমাম ভাতা' র প্রচলন। এই সবই অতি মহত কাজ। হিন্দুদের ঈশ্বরের কাছে আমার সকাতর প্রার্থনা তিনি আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর মনের আশা ( বিরোধী শুন্য বিধান সভা লাভ) পুর্ন করুন। বিষয়টি আর হিন্দু, মুসলিম পর্যন্ত সীমা বদ্ধ নয় I ISIS তাদের খলিফার রাজত্ব কায়েম করতে "KHURSAN" মিশন 2020 শুরু করেছে I দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম দের সাহয্যে আবার ভারত কে পরাধীন করতে এসেছে IS OF KHURSAN " বিণ কাশেম থেকে মুঘল থেকে ইংগ্রেজ এভাবেই ঢুকেছিল I হিন্দু রাজা রা শক্তিশালী ছিল কিন্তু ঐক্য বদ্ধ ছিলনা I ঠিক যেমন মন্ত্রীরা ঐক্যবদ্ধ নয় I আগের পরাধীন ভারতের 80% মানুষ এর জীবন Directly প্রভাবিত হয়নি I তারা শুধু জানত তারা পরাধীন ভারতবাসী I কিন্তু ISIS আপনার মুন্ডু কেটে, আপনার বোনকে ধর্ষণ করে, আপনার সুন্দর দেশকে ধংস করতে চলে এসেছে I YES আসছে নয় চলে এসেছে I এটা INDIA এর জন্য বড় সাংঘাতিক সময় I আপনার পাশের বাড়ির মুসলিম ভাই যেকোনো সময় IS হয়ে যাচ্ছে I YES এই যুদ্ধ হবে আপনার সুখী গ্রীহকোনে I লড়াই করতে হবে আমাদের বাড়ির সবথেকে ছোট সদস্য কোন মিষ্টি বা কোন দুষ্টু কে I YES যাকে আপনি সবথেকে বেশি ভালবাসেন তার মুন্ডু কাটবে আপনার চোখের সামনে I ইসলামে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কোরান মতে ISIS অন্য ধর্মের মানুষদের মারছে I কোরান বলছে তাই করছে I হিন্দু দের এবার প্রতিরোধ গড়ে তোলার সময় এসেছে I এই যুদ্ধ হলো ধর্ম যুদ্ধ I কিছু মুসলিম যারা ভাল, তাদের উপর বিশ্বাস করে আপনি নিজের পরিবারের ধংসের কারণ হতে পারেন না I কোন মুসলিম যদি ভাল থেকে থাকে তবে সে শেষ পর্যন্ত ভালই থাকবে I তাই মুসলিমদের জন্য গলা না ফাটিয়ে হিন্দুর জন্য লড়াই করুন I একটা হিন্দু সময় আসলেসে আপনার পাশে থাকবে I দলবদ্ধ হয়ে মন্ত্রী দের বাধ্য করতে হবে হিন্দুর হয়ে যেন তারা কথা বলে I তাই মুসলিমদের বিরোধ না করে নিজেরা দলবদ্ধ হন I

বাংলাদেশি এক দাদার আকুতি

বাংলাদেশি এক দাদার আকুতি আমি একজন হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণকারী হিন্দু সন্তান। ২৪-২৫বয়সী আমি কোনদদিন হিন্দুধর্ম কি তার স্বরূপ কি? হিন্দুত্ব কি? এসব ভাবতামও না পালনও করতাম না। আমার ছোট থেকে আমার এ বয়স পর্যন্ত যতগুলো বন্ধু আছে তার অধিকাংশ অন্যধর্মী। তাদের সঙ্গে মিশতে চলতে তারা সবসময় আমাকে মালাঊন নেংটি (সাধারনত অন্য ধর্মের লোকেরা যেভাবে গালি দিয়ে থাকে) বললেও আমি সেগুলোকে ঠাট্টা হিসাবে নিতাম এবং একটা হাসি দিয়ে বৃক্ষের মত সয়ে যেতাম। কিন্তু কিছুদিন থেকে আমি একটু একটু করে ধর্মচর্চা ও কিছু বই পুস্তক পড়তে শুরু করলাম তখন জানতে পারলাম আমাদের প্বার্শবর্তী বৃহত্তর ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থে শুধুমাত্র ওই ধর্মের অনুসারী ছাড়া কাউকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করা যাবে না। কিন্তু তারপরও তারা বন্ধুত্বের ভান করে চললেও বন্ধু হিসাবে মেনে নেয় না এবং তারা চায় আমাদের ধ্বংস করতে। তারপরও আমরা তাদের সাথে চলি এটা আমাদের কাপুরুষতা নয় কি? এবং সেই দুর্বলতা ঢাকি বন্ধুত্বের চাদর দিয়ে এটা দুর্বলতা নয় কি? তাই আজ থেকে আমি ধর্মের নামে প্রতিজ্ঞা করছি কেউ আমাকে ও আমার ধর্মকে অবহেলা করলে আমি তার প্রত্যুত্তোরে এর সঠিক জবাব দিতে চাই। এটা কি আমার অন্যায় হবে? আর এজন্য আমি কি সব আমার মত সমাজে অবহেলিত অন্য ধর্মের চোখের বালি, হিন্দু সমাজকে ও হিন্দুধর্মের সব দাদাদের পাশে পেতে ও সাহায্য পেতে চাই *******আপনারা সহায়তা করবেন কি? অশোক কুমার সরকার +৮৮০১৯৪১৬৭২৮৮৪