Wednesday, 27 January 2016

আপনার কাছে কি মনে হয় দেশ অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে?

দেশের একটু গণ্যমাণ্য ব্যাক্তি হলেই মিডিয়ার সম্মুখিন হতেই হয়। আর ঘুরে ফিরে একই প্রশ্ন শুনতে হয় তাদের, "আপনার কাছে কি মনে হয় দেশ অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে?" তারা কি বলবে, হয়তো ভেবে বলারও সময় পায় না। তবুও যা একটা না একটা বলবে। এইবার মিডিয়া দেখবে যে, খবরটাতে সহিষ্ণুতার বিপরীতে যায় কিনা। যদি একটুও অসহিষ্ণুর কথা ধরা পড়ে ( যদিও সাথে সাথে সহিষ্ণুতার কথা তিনি বললেও, সেটা মিডিয়া কেটে দেয়) তাহলেও মোদি আর হিন্দুদের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করে দেয়। আর সে যদি সহিষ্ণুতার কথা বলে, তাহলে মিডিয়া এমনকি সোস্যাল মিডিয়ায়ও খবরটা চেপেই থাকে। এই হচ্ছে ভারতীয় মিডিয়া। এগুলো কংগ্রেস সৃষ্টি করেছে, যারা সব সময় মোদির বিরোধিতা করবেই।

অসহিষ্ণুতা মন্তব্যে আমিরের 'ডিগবাজি'!

অসহিষ্ণুতা ইস্যু নিয়ে নিজের মন্তব্য থেকে কি পিছু হটলেন আমির খান?এক সাংবাদিক সম্মেলনে আমির যা বললেন, তাতে ব্যাপরটা কিন্তু তাই দাঁড়াচ্ছে। বলিউডের মিস্টার পারফেক্ট-এখন তাঁর অসহিষ্ণুতা মন্তব্যের যাবতীয় দায় মিডিয়ার ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন। আমির বললেন সেই কায়দায়, যে কায়দায় তারকার বিপদে পড়লে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। বললেন, 'আমার মন্তব্যের ভুল ব্যাখা করেছে মিডিয়া।' বলিউডের পিকে বললেন, ''আমি আমাদের দেশকে কখনই অসহিষ্ণু বলিনি। দেশ ছেড়ে অন্য কোথাও চলে চাই সেটাও বলিনি। আমি এখানে জন্মেছি, এখানেই মারা যেতে চাই।''সঙ্গে বললেন, 'আমার মন্তব্যের ভুল ব্যাখা করার পর অনেক মানুষের ব্যথিত হয়েছে। তাদের কথা ভেবে খারাপ লাগে।' অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে তাঁর মন্তব্য নিয়ে দেশে পুরো ঝড় উঠেছিল। আমির নিজেই বলেছিলেন, দেশ জুড়ে অসহিষ্ণুতার পরিবেশে তিনি আতঙ্কিত। দেশের অসহিষ্ণু পরিবেশে ভীত তাঁর স্ত্রী কিরণও। এমনকী দেশ ছাড়তে চান কিরণ। বলিউডের মিস্টার পারফেক্ট-এর এ হেন মন্তব্যের পর তাঁকে তীব্র সমালোচনার মুখে প়ডতে হয়েছিল। তবে অন্য একটা অংশ আমিরের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। শাহরুখের অসহিষ্ণুতা মন্তব্যের জন্য তাঁর ছবি দিলওয়াল-কে বয়কট করা হয়েছিল। এতে দিলওয়ালে-র ব্যবসায় ক্ষতি হয়েছিল। সামনেই 'দঙ্গল'- রিলিজ করতে চলেছে। আমির তার আগে সাবধান আগে হয়ে অসহিষ্ণুতা নিয়ে পিছু হটছে কি না সেটা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। http://zeenews.india.com/bengali/entertainment/aamir-khan-denies-calling-india-intolerant_135804.html

প্রসঙ্গঃ রাহুল গান্ধীর বংশ পরিচয়

প্রসঙ্গঃ রাহুল গান্ধীর বংশ পরিচয় ১৯৪২ সালে ফিরোজ খান-এর সঙ্গে লন্ডনের একটি মসজিদে নিকাহের পরে ইন্দিরা প্রিয়দর্শীনী নেহেরু মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে "মৈমুনা বেগম" নামে পরিচিত হন এবং তিনি মুসলিমদের মতই জীবনযাপন করতেন। তিনি কখনওই ইন্দিরা ফিরোজ গান্ধী ছিলেননা, তিনি ছিলেন ইন্দিরা ফিরোজ খান। ইন্দিরা ও ফিরোজ খানের বিবাহের ভিডিওটেপ লিঙ্ক https://m.youtube.com/watch?v=4UoGEIsS2Rk#watch_actions। ইন্দিরা -ফিরোজের নিকাহ পরবর্তীকালে তৎকালীন সৌদি আরবের সুলতানের আমন্ত্রনে তারা মক্কায় গিয়েছিলেন,প্রসঙ্গত উল্লেখ্য একমাত্র মুসলিম ছাড়া অন্য বিধর্মীদের মক্কায় প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ফিরোজ গান্ধীকে সাধারণত পার্শি বলে প্রচার করা হয়ে থাকে কারন তিনি তার মায়ের পদবীতেই পরিচিতি নিয়েছিলেন, তার মা পার্শি সম্প্রদায়ভুক্ত, কিন্তু ফিরোজ-এর মা মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে "নবাব খান"-কে নিকাহ করেছিলেন। জন্মসুত্রে মুসলিম হওয়ার জন্যইজহরলাল ও কমলা নেহেরু, ইন্দিরা -ফিরোজ-এর বিবাহকে অস্বীকার করেছিলেন। ভবিষ্যৎ নেহরু সাম্রাজ্য-এর উত্তরাধিকারিণী ইন্দিরা ফিরোজ খানকে দেশবাসী কোনভাবেই মেনে নেবেনা,এই আশঙ্কায় গ্রাসিত হয়ে জহরলাল তার সতীর্থ গান্ধীজীর শ্মরনাপন্ন হন। অতঃপর গান্ধীজী ও জহরলাল মিলিতভাবে দেশবাসীদের প্রতারিত করার চক্রান্তে এক ফন্দিফিকিরের আশ্রয় নেন। দেশজুড়ে প্রবল বিক্ষোভকে সামাল দেওয়ার জন্য মহাত্মা গান্ধী ফিরোজ খানকে দত্তক নিয়ে তার পদবিতে পরিচিতি হওয়ার জন্য লন্ডনস্থ হাইকোর্টে হলফনামা দিয়ে, জহরলাল নেহেরুকে অভিবাসী ইন্দিরা ও ফিরোজকে দেশে ফিরিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছিলেন। গান্ধীজী ও জহরলাল নেহেরু ভারতীয় জনগনকে বোকা বানানোর জন্য মুম্বাই হাইকোর্টে তৎকালীন নামকরা উকিল "সার সাপ্রু", যিনি মতিলাল নেহরুর আইন পরামর্শদাতা ছিলেন, বৈদিক রীতিনীতি অনুযায়ী ইন্দিরা-ফিরোজ-এর বিবাহের নকল ছবি পেশ করে হলফনামা দেয় এবং পরবর্তীকালে গান্ধী পদবী ধারন করেন। ইন্দিরা-ফিরোজ-এর হিন্দু মতে বিবাহের নকল ছবিটি "আনন্দ ভবন"-এ প্রদর্শিত হয়েছিলো। জন্মসূত্রে মুসলিম রাজীব গান্ধী ইটালিয়ান মহিলা এন্টোনিয়া মাইনো-কে বিবাহ করেন,তাদেরই ঔরসজাত সন্তান বর্ত্তমান তথাকথিত গান্ধী পরিবারের উত্তরসুরী রাহুল খান গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা খান গান্ধী। বাস্তবিকপক্ষে ফিরোজ-ইন্দির-রাজীব-রাহুল-প্রিয়ঙ্কা কেউই গান্ধী বা নেহেরু পরিবারের নয়। এই খান পরিবারই বকলমে গান্ধী পরিবারের নামে স্বাধীনতালগ্ন থেকেই দেশবাশীকে প্রতারিত করে চলেছে। এই গান্ধী পরিবারের মুখোস খুলে দেওয়ার জন্য লেখাটিকে শেয়ার করুন।।।

হিন্দু কিশোরীকে অপহরণ – ধর্ষণ করে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারল মুসলিম যুবক: প্রেশ্যা মিডিয়া নিরব!

হিন্দু কিশোরীকে অপহরণ – ধর্ষণ করে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারল মুসলিম যুবক: প্রেশ্যা মিডিয়া নিরব! এওয়ার্ড ওয়াপসীদের দেখা নেই! .... কেন? মেয়েটি হিন্দু বলে?? আসানসোলের জামুড়িয়ায় টুইঙ্কল কুমারী সাউ নামের ১৫ বছরের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হল৷ গত তিন দিন নিরুদ্দেশ থাকার পর ৬নং পিট সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত কয়লা খাদানে তার অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ পাওয়া যায়৷ মৃত ছাত্রীর এক বান্ধবী সাবা আনসারী, পিতা ইলিয়াস আনসারী, তিন দিন আগে টুইঙ্কলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়৷ পরে সাবার সম্পর্কিত জনৈক আফতাব আলম (রাজু) টুইঙ্কলকে ধর্ষণ করে খুন করে এবং তার মৃতদেহে আগুন দিয়ে খাদানে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ৷ আজ দুপুর ১২ টা নাগাদ মৃতদেহ পাওয়া গেলে এলাকার উত্তেজিত হিন্দুরা রাস্তা অবরোধ করে৷ সেই সময় বিজেপির স্থানীয় নেতা সন্তোষ সিং-এর উপরে হামলা চালায় কিছু মুসলিম যুবক৷ সূত্রের খবর অনুযায়ী আফতাব আলমকে গ্রেফতার করেছে জামুড়িয়া থানার পুলিশ৷ এদিকে অবরোধ স্থল থেকে জনৈক সুব্রত ঘোষকে পুলিশ হেপাজতে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে৷ ( http:// missionbengal.in /recent-news/ %E0%A6 %B9%E0%A6% BF%E0%A6 %A8%E0% A7%8D%E0 %A6%A6% E0%A7%81- %E0%A6 %95%E0%A6%BF%E0 %A6%B6%E0%A7%8B %E0%A6 %B0%E0%A7 %80%E0 %A6%95%E0 %A7%87- %E0%A6%8 5%E0%A6 %AA%E0%A 6%B9%E0 %A6%B0%E 0%A6%A3- %E0%A6% A7%E0%A6%B0/

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ফুল যেমন রূপান্তরিত কান্ড

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ফুল যেমন রূপান্তরিত কান্ড, ঠিক সেই রকমই কম্যুনিজম হল রূপান্তরিত ইসলাম (Modified Islam) .................................বাংলাদেশের লেখক আক্কেল আলি

RSS workers allegedly beating up ultra left students near Keshab Bhavan

বামেদের ক্ষমতা থাকলে কোনো ইসলামিক সংগঠনের অফিসের সামনে টুপি পুড়িয়ে দেখাক http://abpananda.abplive.in/video/rss-workers-allegedly-beating-up-ultra-left-students-near-keshab-bhavan-172799

এখনই ভোট হলে মোদী'র হবে আবার জয় পাবেন ৩০১টি আসন

✺•►হতাশ এবিপি আনন্দ,হতাশ কংগ্রেস,ছি:পি এম,হতাশ টি এম ছি: ..। ✺•►এখনই ভোট হলে মোদী'র হবে আবার জয় পাবেন ৩০১টি আসন, কংগ্রেস ১০৮টি, বামেরা ২০টি, ইঙ্গিত এবিপি আনন্দ-নিয়েলসেন যৌথ সমীক্ষায়।