Monday, 8 February 2016

প্রশ্নঃ সতীদাহ কি হিন্দু ধর্মের প্রথা?

প্রশ্নঃ সতীদাহ কি হিন্দু ধর্মের প্রথা ? (মুসলিমদের কুটক্তির জবাব ) উওরঃ ধর্মীয় বিষয় নিয়ে চুলকানো মুসলমানদের স্বভাব| এই চুলকাতে গিয়ে মুসলমানরা নানা প্রশ্ন করে আপনাকে ক্ষতবিক্ষত করবে, আপনি যদি ঠিকঠাক জবাব দিতে না পারেন, মুসলমানদের কাছে আপনি হেয় হবেন এবং এই সুযোগে বস্তাপচা ইসলামকে তারা শ্রেষ্ঠধর্ম হিসেবে তুলে ধরবে। কুশিক্ষিত মুসলমানদের অনেকগুলো প্রশ্নের মধ্যে একটি প্রশ্ন হলো সতীদাহ প্রথা সংক্রান্ত। তাই মুসলমানদের প্রশ্নবান থেকে আপনাদের রক্ষা করার জন্য, এই পোস্টে দিলাম, সতীদাহ প্রথার আদ্যোপ্রান্ত; কোথা থেকে, কিভাবে অনুপ্রবেশ করলো, সে সম্পর্কে। # পুরো_পোস্টটি_মন োযোগ_সহকারে_পড়ার_অনুরোধ_রইল সতীদাহ কি হিন্দু ধর্মের প্রথা ? নেহেরু মার্কা ইতিহাস, যে ইতিহাসের মূলকথা হলো, মুসলমানদের সম্পর্কে কিছু খারাপ লেখা যাবে না, সেই ইতিহাসের অকল্যানে আমরা প্রায় সবাই এটাই জানি যে, হ্যাঁ, সতীদাহ হিন্দু সমাজের প্রথা; এতে জীবন্তু হিন্দু বিধবাদের পুড়িয়ে মারা হতো। কেমন সমাজ, হিন্দু সমাজ ? যে সমাজে জীবন্ত মানুষদের পুড়িয়ে মারা হতো ? মুসলমানদের এই প্রশ্নের মুখে পড়েন নি, এমন শিক্ষিত হিন্দু, হিন্দুসমাজে খু্ব কমই আছে। সত্যিই তো, সতীদাহ একটি নৃশংস প্রথা। তাই মুসলমানদের এই প্রশ্নের জবাবে হিন্দুদের মাথা নত করে থাকা ছাড়া, অন্য কোনো উপায় থাকে না। কিন্তু, সত্যিই কি সতীদাহ হিন্দু সমাজের প্রথা ? রামায়ণ, মহাভারতে কি সতীদাহের কোনো উল্লেখ আছে বা এই ধরণের কোনো ঘটনা আছে ? জঙ্গলে বাস করলে যেমন, কিছুটা জংলীত্ব আপনাকে বরণ করতেই হবে, সভ্য হয়ে আপনি জঙ্গলে বাস করতে পারবেন না; তেমনি মুসলিম শাসনে ব মুসলমানদের সাথে বসবাস করতে গেলেও আপনার জীবনাচরণে কিছু না কিছু মৌলিক পরিবর্তন বাধ্য হয়ে আপনাকে আনতেই হবে। সতীদাহ, বাল্য বিবাহ এবং রাত্রীকালীন বিবাহ এই ধরণের ঘটনা এবং তা ভারতে মুসলিম দুঃশাসনের কুফল। ৭১১ খিষ্টাব্দে, মুহম্মদ বিন কাশিমের কাছে সিন্ধুর হিন্দু রাজা দাহির পরাজিত হলে, রাজপরিবারের মেয়েরা সম্মান বাঁচাতে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন সময় তাদের এক মন্ত্রী, রাণীকে জানায়, মুসলিম সৈন্যরা খুবই নৃশংস এবং অমানবিক হয়, এমনকি তারা মৃত মেয়েদেরকেও ধর্ষণ করতে ছাড়ে না। এই কথা শুনে মৃত্যুর পর দেহের পবিত্রতা রক্ষার্থে রাণী আগুনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয় এবং অন্তঃপুরের সব মেয়েরা ঐভাবেই আত্মাহুতি দেয়। এই হলো ভারতবর্ষে সতী হয়ে মরার জন্য সতীদাহ প্রথার শুরু। এরপর যখনই কোনো হিন্দু রাজা মুসলমানদের কাছে পরাজিত হয়ে রাজ্য হারিয়েছে, তখনই সেখানকার নারীরা সিন্ধুর রাজপরিবারের নারীদের দৃষ্টান্তকে অনুসরণ করে আগুনে ঝাঁপ দিয়ে নিজেদের শেষ করে দিয়েছে। যেহেতু হিন্দুসমাজে বিধবা বিবাহের প্রচলন ছিলো না, সেহেতু প্রথমত যোদ্ধা পুরুষদের বিধবা স্ত্রীরা এবং পরে সকল ধরণের বিধবারাই এভাবে মৃত্যুকে শ্রেয় মনে করে আগুনে আত্মাহুতি দিতে শুরু করে এবং এটা ছিলো সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায়| হিন্দু সমাজকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নারীদের এই আত্মবিসর্জন, কালক্রমে হিন্দু সমাজে খুব শ্রদ্ধার বিষয় হয়ে উঠে এবং যেহেতু সতী হিসেবেই এবং সতীত্ব রক্ষার জন্য তারা নিজেদেরকে দাহ করছে, তাই এর নাম হয়ে উঠে সতীদাহ এবং শত শত বছর ধরে চলার ফলে এটা এক সময় হিন্দু ধর্মের অঙ্গ হয়ে উঠে। আমার এই তথ্যগুলো অনেকের কাছেই বানানো গল্প মনে হতে পারে; তাদের জন্য মহাভারত থেকে কিছু দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। এগুলো পড়ার সাথে সাথে এটা মাথায় রাখবেন যে, রামায়ন-মহাভারতেযেগুলি নেই, সেগুলো হিন্দু ধর্ম ও সমাজের কোনো প্রথা নয়। মহাভারতের গল্প যার থেকে শুরু, সেই রাজা শান্তনু, শেষ বয়সের দিকে মৎস্য রাজার কন্যা সত্যবতীকে বিয়ে করে। অতঃপর সত্যবতীর দুই পুত্র জন্মানোর পর রাজা শান্তনু মারা যায়। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক, রাজা শান্তুনুর জ্যেষ্ঠপুত্র ভীষ্ম, রাজা না হওয়ায়, রাজাবিহীন হস্তিনাপুর রাজ্যকে ভীষ্ম ও সত্যবতী মিলে ততদিন পর্যন্ত শাসন করে, যতদিন না সত্যবতীর পৌত্র পাণ্ডুর রাজ্যভিষেক হয়। পরে পাণ্ডু, রাজ্য ছেড়ে বনে চলে গেলে, অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রকে কার্যনিবাহী রাজা নিযুক্ত করা হয় এবং ধৃতরাষ্ট্র কর্তৃক অপমান সইতে না পেরে সত্যবতী বনের এক আশ্রমে চলে যায় এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়- কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের কিছু বছর আগে। এখানে খেয়াল করুন, জীবিত সত্যবতীকে কিন্তু রাজা শান্তনুর মৃতদেহের সাথে দাহ করা হয় নি। পরে, মহাভারতের আরেক ঘটনায়, বনে, পাণ্ডুর মৃতদেহের সাথে, পাণ্ডুর দ্বিতীয় স্ত্রী মাদ্রির মৃতদেহকে এক সাথে দাহ করা হয়। এই ঘটনাকে কেউ সহমরণের দৃষ্টান্ত হিসেবে ভুল করতে পারেন, তাই এই ঘটনাটা বিস্তারিত তুলে ধরছি: পাণ্ডু যেদিন কুন্তীকে বিয়ে করে, সেইদিন রাতেই পাণ্ডুকে যুদ্ধের জন্য যাত্রা করতে হয়। কিন্তু যুদ্ধ জয় করে ফেরার পথে, মন্দ্র রাজ, তার পালিত মেয়ে মাদ্রির সাথে পাণ্ডুর বিয়ে দিয়ে দেয়

হিন্দু ছেলেরা হিন্দু মেয়েদের বনধু হতে চাইলে ওদের ভাব বেড়ে যায়

হিন্দু ছেলেরা হিন্দু মেয়েদের বনধু হতে চাইলে ওদের ভাব বেড়ে যায়"> বনধু হতে চায় না।তারা ভাবে হিন্দু ছেলের সাথে বনধুত্ব করলে, যদি প্রেমে পড়ে যায়।আর ভাবে প্রেমে পড়লে যদি ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যায় !!! তাই তারা হিন্দু ছেলেদের এড়িয়ে চলে। এজন্য হিন্দু মেয়েরা বনধু হিসেবে মুসলিম ছেলেদের বেছে নেয়ে। এদের সাথে খুব ভালো বনধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলে।এভাবে একসাথে চলতে চলতে একদিন বনধুত্ব প্রেমের রূপ নেয়।> প্রেম থেকে বিয়ে এবং ধর্মত্যাগ।তখন কোথায় থাকে ক্যারিয়ার ???।তাই হিন্দু মেয়েদের বলছি যে হিন্দু ছেলেদের সাথে বনধুত্ব করলে খতি কি ???। তবুও তো সধর্মের ছেলে। হোক না সে নিম্ন পরিবারের বা অন্য গোত্রের তবুও তো হিন্দু!!!। (যে স্বধর্ম ত্যাগ করিয়া পরধর্ম গ্রহণ করে তার কখনও মুক্তি মিলে না"। জনম জনম ধরে কঠিন নরক যন্ত্রনা ভোগ করতে হয়"।) [মনে রাখবে স্বধর্ম পরধর্ম অপেক্খা শ্রেয়]-ঔঁ ভুল করে বা, বিধর্মীদের মিথ্যা আশ্রয় নিয়ে নিজ ধর্ম ত্যাগ করবে না ??? হিন্দু ধর্মই শ্রেষ্ঠ, এটিই প্রাচীন সত্য ধর্ম। ¤¤ ¤ ¤¤ এই প্রয়োজনীয় পোষ্টের জন্য দুঃখিত (সকল হিন্দু মেয়েরা হিন্দু ছেলেদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন) সঞ্জয় দে রিপন সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ স্বয়ংসেবক সংঘ (B.S.S)

হিন্দুদের নিজেদেরকে বাঁচানোর কয়েকটি প্রাথমিক উপায়

হিন্দুদের নিজেদেরকে বাঁচানোর কয়েকটি প্রাথমিক উপায় --- (লিখেছেনঃ..... প্রিন্স ডাক্কার ....) ১ ) সবার আগে রাস্তাঘাটে মটন -বিরিয়ানির নামে গোমাংস পাইল করা কুখাদ্যটিকে মনে প্রাণে বর্জন করুন ... এতে করে ( ক ) আপনার ধর্ম বাঁচবে , ( খ ) কেমিকেল সেন্ট , খারাপ ফ্যাট ও রং শরীরে ঢুকবে না ফলে লিভার ও কিডনি ভালো থাকবে ... অকালে ডেমেজ হবে না .. হাসপাতাল , ডাক্তার ও অসুধের খরচ অনেকটাই বাঁচবে (গ ) আপনার কষ্টার্জিত পয়সার একটা মোটা অংশ জেহাদী রা আপনারই বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারবে না l (২ ) টাকার লোভে মুসলিম ভাড়াটে রাখা বন্ধ করুন , নইলে স্লিপার সেল এর বাড়বাড়ন্ত কোনদিনই ঠেকান যাবেনা আর ওরা আপনার ঘরে ধরা পড়লে পুলিস আপনাকেও ছেড়ে কথা বলবে না l (৩ ) ওরা যেমন টুপি ,দাড়ি , বোরখার মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব জহির করে আপনাকে মনস্তাত্ত্বিক ভাবে চাপে রাখে ঠিক তেমনি করে আপনারাও পাল্টা চাপ দেবার জন্য মাথায় লাল , গেরুয়া , সাদা তিলক ব্যবহার করুন ... কয়েকটা সেকু -মাকু -ফেকু কি ভাববে বা বলবে তা ভেবে মনে মনে বিব্রত হবেন না l (৪) সেকু -মাক্কু -ফেকুদের সংস্পর্শে আসলে বেশি করে ভারতীয় সনাতন ধর্ম ( বেদ ,পুরান ,রামায়ন , মহাভারত ,..) উত্সব , সংস্কৃতি আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরুন... এর ফলে দুটি লাভ নিশ্চিত --( ক ) সেকু -মাকু -ফেকু রা ক্রমাগত এইসব শুনতে শুনতে আপনাদের গর্জে ওঠার আভাস পেয়ে হিন্দু -স্বার্থ বিরোধী কর্মসূচিতে মন না চাইলেও লাগামটা দিতে বাধ্য হবেই। ( খ ) নির্লজ্জ ভাবে কাটা-ও বাংলাদেশী জেহাদী তোষণ , গরু -জবাই ..ইতাদি বন্ধ না হলেও হ্রাস পাবে। ...আগে শপথ নিন যে এগুলো আগামী দিনে করবেন তারপর আরও নতুন ফর্মুলা দেব l আমার হিন্দু ভাই ও মা-বোনেরা নিজদের বাঁচাতে বন্ধুদের সাথে এই লেখাটি লাগাতার শেয়ার করুন l

আমি বহুদিন যৌন মিলন করতে পারি নি

"আমি বহুদিন যৌন মিলন করতে পারি নি, আর আস্তাগফিরুল্লাহ হস্তমৈথুন হারাম। তাই ছেলেটিকে দেখে আর কাবু রাখতে পারিলাম না। ইনশাল্লাহ, শরীয়তে আল্লাহ তালা নিজের এই অবস্থায় হালকা করার বিধান দেন, আমি কোন ভুল করিনি, এটা ইমারজেন্সি ছিল চাহিদার"- এই ভাবে নিজের কীর্তি কে সমর্থন করেছেন অস্ত্রিয়ার রাজধানীতে ট্যাক্সি চালক হয়ে আশা এক ইরাকি মুসলিম আভিবাসী যিনি কয়েক দিন আগে এক সুইমিং পুলের সামনে এক ১০ বছরের পুরুষ শিশুকে ধর্ষন করেন! ধর্ষক এর পর পুলার ধারে মহা আনন্দে স্নান করেন। ইরাকে তাঁর বিবাহিত স্ত্রী ও কন্যা আছে সে পুলিশকে জানায়।ছেলেটিকে রক্তাত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। বিশদ দেখুন ডেলি মেলের পাতায় http://www.dailymail.co.uk/news/article-3434708/Iraqi-migrant-raped-10-year-old-boy-swimming-pool-Vienna-told-police-sexual-emergency-hadn-t-sex-months.html

বনু ছাহামে গোত্র ছিল নিতান্তই হাভাতে, ঠিক মত তাদের খাবার জোটে না।

বনু ছাহামে গোত্র ছিল নিতান্তই হাভাতে, ঠিক মত তাদের খাবার জোটে না। হযরত মুহাম্মদ তার অনুসারীদের দিকে চেয়ে দেখেন আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন। এই দীর্ঘশ্বাসটা গিয়ে পড়ে ইহুদীদের বাড়বাড়ন্ত গ্রামগুলির দিকে। তাদের গোলা ভরা শস্য দানা। খোয়ারে ভর্তি গবাদি পশু। তাদের ছেলেমেয়েরা কি রুষ্টপুষ্ট আর স্বাস্থ্যবান! ইসলাম ঘোষণা হয়েছে ১৩ বছর। এই ১৩ বছরে তো একদিনও না খেয়ে থাকা যায়নি। বাঁচতে হলে খেতে হবে সে তুমি ইহুদী হও আর মুসলমানই হও। শুধু তো খাওয়া নয়, বাঁচার মত বাঁচতে না পারলে মানুষ হিসেবে নিজের আত্ম সম্মানটা আর অবশিষ্ট থাকে না। কিন্তু উপায় কি? খাবার তো আকাশ থেকে আসে না। মুহাম্মদের সঙ্গে আছেন একজন আল্লাহ যিনি তাকে এক ফেরেস্তার মাধ্যমে কবিতার মত কিছু পঙক্তি পাঠান যা মুহাম্মদ তার অনুসারীদের আবৃত্তি করে শোনান। কিন্তু পেটের খিদে কি কাব্য শুনে মিটবে? যে ফেরেস্তা মুহাম্মদের কাছে কবিতা নিয়ে আসেন সে কি আল্লাহ’র কাছে গিয়ে তাদের অনাহারের কথা বলতে পারে না? মুহাম্মদ জানে তার আল্লার কোন জমি নেই। তিনি ফসল ফলান না। একটা শষ্য দানাও বাজার থেকে তার কিনে দেয়ার স্বাধ্য নেই। সলাম গোত্রের শাখা বনু ছাহামের লোকজন যখন নিজেদের অভাবের কথা মুহাম্মদের কাছে পেশ করল তখন মুহাম্মদ তাদের সামনে তার আল্লাহ’র কাছে দোয়া করতে লাগল, “হে আল্লাহ, তুমি ওদের অবস্থা জানো। তুমি জানো যে, ওদের মধ্যে শক্তি নেই, আর আমার কাছে এমন কিছু নেই যে ওদের দেবো। হে আল্লাহ, ইহুদীদের এমন দুর্গ জয় করিয়ে আমাদের সাহায্য করো যে দুর্গ জয় আমাদের জন্যে সর্বাধিক ফলপ্রসূ হয়, যে দুর্গে সবচেয়ে বেশী খাদ্য-সামগ্রী ও চর্বি পাওয়া যায়।“- [ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ২৩২] ইসলামের নবী তার অনুসারীদের তারপর খয়বরের ছা‘ব ইবনে মায়া‘য দুর্গ আক্রমনের হুকুম দেন। অস্তিত্বেব সংকট যেখানে সেখানে মড়িয়া লুটেরাদের সামনে দাঁড়ায় এমন কে আছে! ইহুদীরা মূলত কৃষিজীবী। এরা যুদ্ধে পটু নয়। ছা‘ব ইবনে মায়া‘য দুর্গ মুসলমানের দখলে চলে আসে। এ দুর্গের চেয়ে অধিক খাদ্যদ্রব্য এবং চর্বি খয়বরের অন্য কোন দুর্গে ছিলো না।- [ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ২৩২] ছা‘ব ইবনে মায়া‘য দুর্গ দখলের পর মুসলমানদের নজর পড়ে যোবায়ের দূর্গের দিকে। এটি ছিল খুবই সুরক্ষিত একটি দূর্গ। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই দূর্গে উঠার পথ ছিল খুবই কষ্টকর। হযরত মুহাম্মদ এই দূর্গকে তিন দিন পর্যন্ত অবরোধ করে রাখার ঘোষণা দেন। সব যুদ্ধ, দুর্যোগ আর খারাপ সময়েই নিজেদের মধ্যের লোকজনই বিশ্বাসঘাতকতা করে থাকে। তেমনই একজন ইহুদী দূর্গের সমস্ত ইহুদীদের সর্বনাশ করতে এগিয়ে আসে। ইবনে হিশাম এই ইহুদীকে “হৃদয়বান” হিসেবে বর্ণনা করলেও সে ছিল আসলে একটা “রাজাকার”! সে মুহাম্মদকে যেচে গোপনে এসে বলে, “হে আবুল কাশেম, আপনি যদি একমাস যাবত দুর্গ অবরোধ করে রাখেন তবুও ইহুদীরা পরোয়া করবে না। তবে তাদের পানিয় ঝর্ণা নীচে রয়েছে। রাতের বেলা তারা এসে পানি পান করে এবং সারাদিনের প্রয়োজনীয় পানি তুলে নিয়ে যায়। আপনি যদি ওদের পানি বন্ধ করে দিতে পারেন, তবে তারা নত হবে।“ [দৃষ্টাব্দ: ঐ] মুহাম্মদ সঙ্গে সঙ্গে ইহুদীদের পানির উৎস বন্ধ করে দেন। ইহুদীদের এরপর দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। যোবায়ের দূর্গও মুসলিমদের দখলে আসলো অতি সহজে। এরপর একে একে উবাই দূর্গও মুসলিমরা আক্রমন চালিয়েয়ে ইহুদীদের বন্দি করে তাদের সম্পত্তি গণিমতের মাল হিসেবে ডিক্রি জারি করেন। পতন হতে থাকে খয়বরের একের পর এক ইহুদীদের বসতি। কিন্তু নেজার দূর্গ নিয়ে ইহুদীদের বিশ্বাস ছিল এটা মুসলমানদের পক্ষে দথল করা নাও সম্ভব হতে পারে। এ কারণে তাদের সমস্ত নারী ও শিশুদের তারা নেজার দূর্গে সমবেত করে রেখেছিল। যথারীতি হযরত মুহাম্মদ এই দূর্গকেও অবরোধ করে রাখলেন। অবশেষে দূর্গের দেয়াল গোলা নিক্ষেপ (পাথরের চাড়) করে দেয়াল ভেঙ্গে দূর্গে মুসলিম হানাদার বাহিনী প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। এই দূর্গ জয় ছিল আসলে খয়বরের অর্ধেক জয়ের সামিল। এই মজবুত ও সুরক্ষ দূর্গের পতনের সংবাদে অন্যান্য দূর্গের ইহুদীদের মনোবল ধ্বংস হয়ে যায়। তারা রক্তপাত ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে স্বেচ্ছায় নিজেদের আত্মসমর্পনের ঘোষণা দেয়।- [ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৩১, ৩৩৬, ৩৩৭] কোতায়বায় এসে মুহাম্মদ ১৪ দিনের অবরোধ জারি রাখেন। শেষ পর্যন্ত ইহুদীরা আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। ইহুদীদের নেতা ইবনে আবুল হাকিক হযরত মুহাম্মদের কাছে সন্ধির প্রস্তাব পাঠান। সন্ধির আলোচনা ইবনে আবুল হাকিক মুহাম্মদের কাছে পয়গাম পাঠায় যে, “আমি কি আপনার কাছে এসে কথা বলতে পারি? মুহাম্মদ বললেন, হ্যাঁ। অনুমতি পাওয়ার পর আবুল হাকিক এই শর্তে সন্ধি প্রস্তাব পেশ করে যে, দুর্গে যেসকল সৈন্য রয়েছে তাদের প্রাণ ভিক্ষা দেয়া হবে এবং তাদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যাও তাদের কাছেই থাকবে। অর্থাৎ তারা মুসলমানদের দাস-দাসী হিসেবে বন্দী থাকবে না। তারা নিজেদের অর্থ-সম্পদ সোনা-রূপা, জায়গা-জমি, ঘোড়া, বর্ম ইত্যাদি সব কিছু আল্লাহর রসূলের কাছে অর্পণ করবে, শুধু পরিধানের পোশাক নিয়ে বেরিয়ে যাবে।– [আবু দাউদ, ২য় খণ্ড, খয়বর প্রসঙ্গ। পৃ. ৭৬] সব শুনে মুহাম্মদ জানালেন যদি তারা কিছু লুকায় (সোনাদানা) তবে সে জন্য তার আল্লাহ ও রসূল দায়ী হবেন না। অর্থ্যাৎ যদি তারা যাওয়ার সময় লুকিয়ে সঙ্গে কিছু নেয় তো তাদের কপালে খারাপি আছে! নিজের সয়সম্পত্তিকে কেউ চুরি করে না। আত্মসাৎও করে না। তবে কথিত “সন্ধির” শর্ত লঙ্ঘন হয়। আবুল হাকিকের উপর অভিযোগ উঠে সে তাদের সোনাদানা কোথাও মাটিতে পুঁতে গোপন করে রেখেছে। মুসলমানদের সর্দার মুহাম্মদের কাছে আবুল হাকিকে আনা হয়। জানতে চাওয়া হয় সোনাদানা সব কোথায়? অবিকল যেন ৭১ সালের পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর কোন মেজর একটা অসহায় বাঙালী পরিবারকে দোনাদানা কোথায় লুকিয়ে রেখেছে জানতে চাইছে। আবুল হাকিক খুবই বজ্জাত। আল্লার রসূলের মুখের সামনে মিথ্যা কথা বলে। আল্লার নবী তার সাহাবীদের হুকুম দিলেন, যতক্ষণ সে স্বীকার না করবে ততক্ষণ তার বুকে চকমকি পাথর ঘষতে থাকবে!- [দেখুন: ইবনে হিশাম] এখানেও এক “ইহুদী রাজাকার” ছিল। সে এসে জানালো আবুল হাকিক কোথায় মাটিতে সোনাদানা রেখেছে সে দেখেছে। সঙ্গে সঙ্গে মুহাম্মদ হুকুম দিলেন খনন করতে। পাওয়া গেলো গচ্ছিত সম্পদ। আবুল হাকিককে আরো বেশি নির্যাতন বাড়ানো হলো যাতে সে অবিশিষ্ট সম্পত্তির কথা জানায়। কিন্তু পাষন্ড ইহুদীটা দুনিয়াবী সম্পত্তির প্রতি এতটাই লোভী ছিল যে শেষ পর্যন্ত মুখ খুলল না। অগত্যা আল্লাহ’র নবীর আর কি করার থাকে? তাকে শেষ পর্যন্ত হত্যা করা হয়। আবুল হাকিক দুই পুত্রকেও সম্পত্তি গোপন করায় হত্যা করা হয়।
খয়বর বিখ্যাত আরো একটি কারণে। সে সাফিয়া। দূর্গ দখলের পর ইহুদী নারী ও শিশুদের নিয়তি ছিল গণিমতের মাল হয়ে উঠা। তাদেরকে ভাগটোগ করার পর শেষে দাস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে দেয়া হবে। কিন্তু সাফিয়া ছিলেন অনন্য সুন্দরী। মুহাম্মদ তাকে বিয়ে করেন সেদিনই। ইবনে হিশামে উল্লেখ আছে, তাদের বাসরঘরের বাইরে একজন সাহাবী সারারাত জেগে তাঁবু পাহাড়া দিচ্ছিলেন কারণ সাফিয়া যাতে তার বাবা-স্বামীর হত্যাকারী মুহাম্মদকে আক্রোশ বশত হত্যা না করে বসে।
[সাফিয়ার বিয়ে সম্পর্কে দেখুন: সহীহ বোখারী, ১ম খণ্ড, পৃ. ৫৪ যাদুল মায়াদ ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৭]
খয়বর থেকে মুহাম্মদ সমস্ত ইহুদীদের উচ্ছেদ করতেই চেয়েছিলেন। কিন্তু ইহুদের একটা প্রস্তাবে সে ইচ্ছা থেকে সাময়িক সরে আসেন। আরবরা কৃষিকাজ করেনি কোন কালেই। খয়বরে উর্বর জমি থেকে ইহুদীরা ফসল ফলায়। মুসলিমরা যদি বসে বসে তার অর্ধেক ভাগ পায় তো সোনায় সোহাগা! ইহুদীদের নিজ দেশ থেকে বের করে দেয়ার খবর শুনে ইহুদীরা মুহাম্মদের কাছে প্রস্তাব দেয়- “হে মোহাম্মদ আপনি আমাদের এই যমিনেই থাকতে দিন আমরা এর তত্ত্বাবধান করবো। এই ভূখণ্ড সম্পর্কে আমরা আপনাদের চেয়ে বেশী অবগত।“ মুহাম্মদ একদম লুফে নেন প্রস্তাব। ইহুদীদের জমি ইহুদীদের কাছেই বর্গা দেয়া হলো! ইহুদীরা ফসল ফলাবে যার অর্ধেক মুসলিমরা ভোগ করবে! তবে এটা যতদিন মুহাম্মদ চাইবেন ততদিনই চলবে। যদি মুহাম্মদ চান ইহুদীদের বহিস্কার করবেন তো যখন খুশি তখনই করতে পারবেন। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে রওয়াহাকে খয়বরের জমির তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করা হয়। খয়বরের মোট জমির ৩৬ ভাগে ভাগ করা হয়।-
[যাদুল মায়দ, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৭-১৩৮]
খয়বর দখল করার পূর্বে মুসলমানরা পেট ভরে খেতেও পারত না। আল্লাহ মেহেরবান! ইহুদীদের সম্পদ, তাদের বাগান, শষ্য, ঘরের বউ-ঝিদেরকে দিয়ে মুসলমানদের বুভুক্ষু উদর ভরিয়ে দিয়েছেন। হযরত আয়শা (রা) বলেন, খয়বর বিজয়ের পর আমরা বলাবলি করলাম যে, এখন থেকে আমরা পেটভরে খেজুর খেতে পারবো।[সহীহ বোখারী, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৬০৯]
কিন্তু খয়বর মুসলমানদের পেট ভরে খেতে দিলেও মুহাম্মদের জন্য দুর্ভাগ্য বয়ে এনেছি খয়বর বিজয় শেষে। সালাম ইবনে মুশকিম এর স্ত্রী যয়নব বিনতে হারেছ মুহাম্মদের কাছে একটি বকরির ভুনা মাংস উপঢৌকন হিসেবে পাঠান। যয়নব বিনতে হারেছ নামের এই ইহুদী বৃদ্ধা নারী আসলে তার পুত্র ও স্বামী হত্যাকারী হযরত মুহাম্মদকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। মনে মনে আরো ভেবেছিলেন যদি এই লোক রাজা হয়ে থাকে তো এর হাত থেকে আমরা মুক্তি পাবো। আর যদি সত্যিই সে নবী হয় তো খাওয়ার আগেই সে জেনে যাবে মাংসে বিষ মাখানো রয়েছে…। যয়নব বিনতে হারেছ মুহাম্মদের প্রিয় বকরির ভুনা মাংসে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিলেন। মুহাম্মদ মাংস নিয়ে মুখে দিলেন। খেতে খেতে বুঝতে পারলেন মাংসে বিষ মাখানো আছে! বিষ তখন খানিকটা পাকস্থালিতে পৌছে গেছে। তার সঙ্গে খেতে বসা সাহাবী হযরত বাশার ইবনে বারা ইবনে মারুর পেটে মাংস যেতেই সে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। মুহাম্মদ থু থু করে মুখ থেকে মাংস ফেলে দেন। যয়নব বিনতে হারেছকে ডেকে আনা হলে সে সব স্বীকার করে। মুহাম্মদ তার নির্জলা স্বীকারক্তি শুনে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু অন্য একটা বর্ণনায় পাওয়া যায় যয়নব বিনতে হারেছ পরে হত্যা করা হয়েছিল বাশার ইবনের মৃত্যুর কারণে।- [ যাদুল মায়াদ, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৯, ফতহুল বারী, সপ্তম খণ্ড, পৃ. ৪৯৭ ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৩৭]
খয়বরের এই বিষ মাখানো মাংস খেয়েই হযরত মুহাম্মদ বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চার বছর পর মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় মারা যান। (সহি বুখারী, খন্ড-৭, অধ্যায়-৭১, হাদিস- ৬৬৯)।

প্রশ্ন জাগছে কাকে আল্লা বেশী ভালবাসতেন ঈসা না মোহাম্মদ?

প্রশ্ন জাগছে কাকে আল্লা বেশী ভালবাসতেন ঈসা না মোহাম্মদ? মোহাম্মদ কে দাফন করা হয়েছে আর ঈসা কে আল্লা সরাসরি তুলে নিয়ে গেলেন অথচ তিনি নামাজ কি তা জানতেনই না।tnx to Mohammad Rusdi

Sunday, 7 February 2016

ভারতীয় সংবিধানের ধারা ৩৭০

দয়া করে ভারতীয় সংবিধানের ধারা ৩৭০ টি পড়ুন আর মোদী সরকারের প্রয়োজনীতা কেন তা বুঝুন। দেখুন আমাদের দেশের কি দুর্দশা । ১. জম্মু কাশ্মীরের নাগরিকদের ক্ষেত্রে দুদেশের নাগরিকত্ব নেওয়ার অধিকার আছে। ২. জম্মুকাশ্মীরের জাতীয়পতাকা আলাদা। ৩. জম্মুকাশ্মীরের বিধানসভার কার্যকাল ৬ বছরের যেখানে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভার কার্যকাল ৫ বছরের। ৪. জম্মুকাশ্মীরে ভারতীয় জাতীয় পতাকা অথবা জাতীয় প্রতীকের অপমান অপরাধ হয় না। ৫. ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের আদেশ জম্মুকাশ্মীরের ভিতর কার্যকর হয় না। ৬. ভারতীয় সংসদ জম্মুকাশ্মীরের ব্যাপারে খুবই সীমিত ক্ষেত্রে আইনকানুন তৈরি করতে পারে। ৭. জম্মুকাশ্মীরের কোনো মহিলা যদি কোনো ভারতীয় ব্যক্তির সাথে বিবাহ করে তাহলে ঐ মহিলার জম্মুকাশ্মীরের নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যায়।কিন্তু কোনো জম্মুকাশ্মীরের মহিলা যদি কোনো পাকিস্তানী ব্যক্তির সাথে বিবাহ করে তাহলে ঐ মহিলা জম্মুকাশ্মীরের নাগরিকত্ব বাতিল হয় না উপরন্তু ঐ পাকিস্তানী ব্যক্তি জম্মু কাশ্মীরের নাগরিকত্ব পেয়ে যায়। ৮. ধারা ৩৭০-এর জন্য কাশ্মীরে ড়টী অ্যাক্ট কার্যকরী হয় না,ছাগ কার্যকর হয় না এমনকি ভারতের কোনো অাইন কার্যকর হয় না। ৯. কাশ্মীরে মহিলাদের উপর শরিয়ত আইন জারি অাছে। ১০. কাশ্মীরে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা নেই। ১১. কাশ্মীরে পিয়নদের ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়। ১২. কাশ্মীরে সংখ্যালঘুদের(হিন্দু-শিখ) ১৬% আরক্ষণ দেওয়া হয় না। ১৩. ধারা ৩৭০-এর জন্য কাশ্মীরের বাইরের কোনো ব্যক্তি জমিজায়গা কিনতে পারবে না। ১৪. ধারা ৩৭০-এর জন্য পাকিস্তানিরাও ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়ে যায় এবং এর জন্য শুধুমাত্র কাশ্মীরের কোনো মহিলাকে বিয়ে করতে হয়।