Monday, 8 February 2016

ভামেদের ছানা


ভামেদের ছানারা জানে না - ভারতের সংবিধানের প্রথম সংস্করণের পাতায় পাতায় হিন্দু সংস্কৃতির ছবি। সংবিধান প্রণেতারা জানতেন ও মানতেন - ভারতীয় সংস্কৃতি মানেই হিন্দু সংস্কৃতি। আর এখনকার ভামেদের বাচ্চারা আমাদের সংবিধানের অজুহাত দিয়ে সরস্বতী পূজা বন্ধ করতে চাইছে। এই জন্যই বিখ্যাত দার্শনিক জর্জ বার্নার্ড শ' বলেছিলেন - কোন লোকের বয়স ৩০ বছর হওয়ার পরও যদি কেউ কম্যুনিস্ট থাকে তাহলে বুঝতে হবে তার মস্তিষ্ক বলে কোন পদার্থ নেই। copyed frm sri Tapan Ghosh

জাকির নায়েকের পিস টিভি

ডঃ জাকির নায়েকের পিস টিভির উর্দু এবং ইংরেজীতে ব্রডকাস্ট সারা ভারতে সরকার নিষিদ্ধ করেছে। অভিযোগ সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো এবং ইসলাম ধর্মের নবী এবং আহলে বায়েত সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য করা। এমন কি অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান লোকজন তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। তার প্রকাশনা সমুহও ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আদালতে এ নিয়ে মামলা আছে। বলা হচ্ছে তিনি কুরআন ও হাদীসের মনগড়া ব্যাখ্যা দেন। তিনি নবীজীর দুই দৌহিত্র যারা জান্নাতের সরদার তাদের ইমাম মানেন না। তাছাড়া পাকিস্তানে পিস টিভির বিরুদ্ধে এক মামলায় রায় অপেক্ষমান।

বিনামূল্যে ডাউনলোড করুন ‘নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর’ বইটি।

বিনামূল্যে ডাউনলোড করুন ‘নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর’ বইটি। বইটিতে কিছু পরিবর্তন ও সংশোধন করা হয়েছে। যারা স্ক্যান করা, পড়ার অযোগ্য কপি আপ্লোড করেছেন বিভিন্ন সাইটে তাদেরকে সেগুলো সরিয়ে দিয়ে এটি রেখে দিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। লিংক http://www.mediafire.com/download/9amoff65ky1igkn/XYZ-23+YEARS-ALI-DASHTI-UPDATED-2016.pdf ডাউনলোড করুন মুক্তমনার ই-বইগুলো লিংক https://blog.mukto-mona.com/2009/10/27/2884/ ২০১৬ সালের একুশে বইমেলায় মুক্তমনা লেখকদের বই এবং ই-বই https://blog.mukto-mona.com/2016/02/03/48378/ ‪#যুক্তি‬

প্রশ্নঃ সতীদাহ কি হিন্দু ধর্মের প্রথা?

প্রশ্নঃ সতীদাহ কি হিন্দু ধর্মের প্রথা ? (মুসলিমদের কুটক্তির জবাব ) উওরঃ ধর্মীয় বিষয় নিয়ে চুলকানো মুসলমানদের স্বভাব| এই চুলকাতে গিয়ে মুসলমানরা নানা প্রশ্ন করে আপনাকে ক্ষতবিক্ষত করবে, আপনি যদি ঠিকঠাক জবাব দিতে না পারেন, মুসলমানদের কাছে আপনি হেয় হবেন এবং এই সুযোগে বস্তাপচা ইসলামকে তারা শ্রেষ্ঠধর্ম হিসেবে তুলে ধরবে। কুশিক্ষিত মুসলমানদের অনেকগুলো প্রশ্নের মধ্যে একটি প্রশ্ন হলো সতীদাহ প্রথা সংক্রান্ত। তাই মুসলমানদের প্রশ্নবান থেকে আপনাদের রক্ষা করার জন্য, এই পোস্টে দিলাম, সতীদাহ প্রথার আদ্যোপ্রান্ত; কোথা থেকে, কিভাবে অনুপ্রবেশ করলো, সে সম্পর্কে। # পুরো_পোস্টটি_মন োযোগ_সহকারে_পড়ার_অনুরোধ_রইল সতীদাহ কি হিন্দু ধর্মের প্রথা ? নেহেরু মার্কা ইতিহাস, যে ইতিহাসের মূলকথা হলো, মুসলমানদের সম্পর্কে কিছু খারাপ লেখা যাবে না, সেই ইতিহাসের অকল্যানে আমরা প্রায় সবাই এটাই জানি যে, হ্যাঁ, সতীদাহ হিন্দু সমাজের প্রথা; এতে জীবন্তু হিন্দু বিধবাদের পুড়িয়ে মারা হতো। কেমন সমাজ, হিন্দু সমাজ ? যে সমাজে জীবন্ত মানুষদের পুড়িয়ে মারা হতো ? মুসলমানদের এই প্রশ্নের মুখে পড়েন নি, এমন শিক্ষিত হিন্দু, হিন্দুসমাজে খু্ব কমই আছে। সত্যিই তো, সতীদাহ একটি নৃশংস প্রথা। তাই মুসলমানদের এই প্রশ্নের জবাবে হিন্দুদের মাথা নত করে থাকা ছাড়া, অন্য কোনো উপায় থাকে না। কিন্তু, সত্যিই কি সতীদাহ হিন্দু সমাজের প্রথা ? রামায়ণ, মহাভারতে কি সতীদাহের কোনো উল্লেখ আছে বা এই ধরণের কোনো ঘটনা আছে ? জঙ্গলে বাস করলে যেমন, কিছুটা জংলীত্ব আপনাকে বরণ করতেই হবে, সভ্য হয়ে আপনি জঙ্গলে বাস করতে পারবেন না; তেমনি মুসলিম শাসনে ব মুসলমানদের সাথে বসবাস করতে গেলেও আপনার জীবনাচরণে কিছু না কিছু মৌলিক পরিবর্তন বাধ্য হয়ে আপনাকে আনতেই হবে। সতীদাহ, বাল্য বিবাহ এবং রাত্রীকালীন বিবাহ এই ধরণের ঘটনা এবং তা ভারতে মুসলিম দুঃশাসনের কুফল। ৭১১ খিষ্টাব্দে, মুহম্মদ বিন কাশিমের কাছে সিন্ধুর হিন্দু রাজা দাহির পরাজিত হলে, রাজপরিবারের মেয়েরা সম্মান বাঁচাতে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন সময় তাদের এক মন্ত্রী, রাণীকে জানায়, মুসলিম সৈন্যরা খুবই নৃশংস এবং অমানবিক হয়, এমনকি তারা মৃত মেয়েদেরকেও ধর্ষণ করতে ছাড়ে না। এই কথা শুনে মৃত্যুর পর দেহের পবিত্রতা রক্ষার্থে রাণী আগুনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয় এবং অন্তঃপুরের সব মেয়েরা ঐভাবেই আত্মাহুতি দেয়। এই হলো ভারতবর্ষে সতী হয়ে মরার জন্য সতীদাহ প্রথার শুরু। এরপর যখনই কোনো হিন্দু রাজা মুসলমানদের কাছে পরাজিত হয়ে রাজ্য হারিয়েছে, তখনই সেখানকার নারীরা সিন্ধুর রাজপরিবারের নারীদের দৃষ্টান্তকে অনুসরণ করে আগুনে ঝাঁপ দিয়ে নিজেদের শেষ করে দিয়েছে। যেহেতু হিন্দুসমাজে বিধবা বিবাহের প্রচলন ছিলো না, সেহেতু প্রথমত যোদ্ধা পুরুষদের বিধবা স্ত্রীরা এবং পরে সকল ধরণের বিধবারাই এভাবে মৃত্যুকে শ্রেয় মনে করে আগুনে আত্মাহুতি দিতে শুরু করে এবং এটা ছিলো সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায়| হিন্দু সমাজকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নারীদের এই আত্মবিসর্জন, কালক্রমে হিন্দু সমাজে খুব শ্রদ্ধার বিষয় হয়ে উঠে এবং যেহেতু সতী হিসেবেই এবং সতীত্ব রক্ষার জন্য তারা নিজেদেরকে দাহ করছে, তাই এর নাম হয়ে উঠে সতীদাহ এবং শত শত বছর ধরে চলার ফলে এটা এক সময় হিন্দু ধর্মের অঙ্গ হয়ে উঠে। আমার এই তথ্যগুলো অনেকের কাছেই বানানো গল্প মনে হতে পারে; তাদের জন্য মহাভারত থেকে কিছু দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। এগুলো পড়ার সাথে সাথে এটা মাথায় রাখবেন যে, রামায়ন-মহাভারতেযেগুলি নেই, সেগুলো হিন্দু ধর্ম ও সমাজের কোনো প্রথা নয়। মহাভারতের গল্প যার থেকে শুরু, সেই রাজা শান্তনু, শেষ বয়সের দিকে মৎস্য রাজার কন্যা সত্যবতীকে বিয়ে করে। অতঃপর সত্যবতীর দুই পুত্র জন্মানোর পর রাজা শান্তনু মারা যায়। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক, রাজা শান্তুনুর জ্যেষ্ঠপুত্র ভীষ্ম, রাজা না হওয়ায়, রাজাবিহীন হস্তিনাপুর রাজ্যকে ভীষ্ম ও সত্যবতী মিলে ততদিন পর্যন্ত শাসন করে, যতদিন না সত্যবতীর পৌত্র পাণ্ডুর রাজ্যভিষেক হয়। পরে পাণ্ডু, রাজ্য ছেড়ে বনে চলে গেলে, অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রকে কার্যনিবাহী রাজা নিযুক্ত করা হয় এবং ধৃতরাষ্ট্র কর্তৃক অপমান সইতে না পেরে সত্যবতী বনের এক আশ্রমে চলে যায় এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়- কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের কিছু বছর আগে। এখানে খেয়াল করুন, জীবিত সত্যবতীকে কিন্তু রাজা শান্তনুর মৃতদেহের সাথে দাহ করা হয় নি। পরে, মহাভারতের আরেক ঘটনায়, বনে, পাণ্ডুর মৃতদেহের সাথে, পাণ্ডুর দ্বিতীয় স্ত্রী মাদ্রির মৃতদেহকে এক সাথে দাহ করা হয়। এই ঘটনাকে কেউ সহমরণের দৃষ্টান্ত হিসেবে ভুল করতে পারেন, তাই এই ঘটনাটা বিস্তারিত তুলে ধরছি: পাণ্ডু যেদিন কুন্তীকে বিয়ে করে, সেইদিন রাতেই পাণ্ডুকে যুদ্ধের জন্য যাত্রা করতে হয়। কিন্তু যুদ্ধ জয় করে ফেরার পথে, মন্দ্র রাজ, তার পালিত মেয়ে মাদ্রির সাথে পাণ্ডুর বিয়ে দিয়ে দেয়

হিন্দু ছেলেরা হিন্দু মেয়েদের বনধু হতে চাইলে ওদের ভাব বেড়ে যায়

হিন্দু ছেলেরা হিন্দু মেয়েদের বনধু হতে চাইলে ওদের ভাব বেড়ে যায়"> বনধু হতে চায় না।তারা ভাবে হিন্দু ছেলের সাথে বনধুত্ব করলে, যদি প্রেমে পড়ে যায়।আর ভাবে প্রেমে পড়লে যদি ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যায় !!! তাই তারা হিন্দু ছেলেদের এড়িয়ে চলে। এজন্য হিন্দু মেয়েরা বনধু হিসেবে মুসলিম ছেলেদের বেছে নেয়ে। এদের সাথে খুব ভালো বনধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলে।এভাবে একসাথে চলতে চলতে একদিন বনধুত্ব প্রেমের রূপ নেয়।> প্রেম থেকে বিয়ে এবং ধর্মত্যাগ।তখন কোথায় থাকে ক্যারিয়ার ???।তাই হিন্দু মেয়েদের বলছি যে হিন্দু ছেলেদের সাথে বনধুত্ব করলে খতি কি ???। তবুও তো সধর্মের ছেলে। হোক না সে নিম্ন পরিবারের বা অন্য গোত্রের তবুও তো হিন্দু!!!। (যে স্বধর্ম ত্যাগ করিয়া পরধর্ম গ্রহণ করে তার কখনও মুক্তি মিলে না"। জনম জনম ধরে কঠিন নরক যন্ত্রনা ভোগ করতে হয়"।) [মনে রাখবে স্বধর্ম পরধর্ম অপেক্খা শ্রেয়]-ঔঁ ভুল করে বা, বিধর্মীদের মিথ্যা আশ্রয় নিয়ে নিজ ধর্ম ত্যাগ করবে না ??? হিন্দু ধর্মই শ্রেষ্ঠ, এটিই প্রাচীন সত্য ধর্ম। ¤¤ ¤ ¤¤ এই প্রয়োজনীয় পোষ্টের জন্য দুঃখিত (সকল হিন্দু মেয়েরা হিন্দু ছেলেদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন) সঞ্জয় দে রিপন সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ স্বয়ংসেবক সংঘ (B.S.S)

হিন্দুদের নিজেদেরকে বাঁচানোর কয়েকটি প্রাথমিক উপায়

হিন্দুদের নিজেদেরকে বাঁচানোর কয়েকটি প্রাথমিক উপায় --- (লিখেছেনঃ..... প্রিন্স ডাক্কার ....) ১ ) সবার আগে রাস্তাঘাটে মটন -বিরিয়ানির নামে গোমাংস পাইল করা কুখাদ্যটিকে মনে প্রাণে বর্জন করুন ... এতে করে ( ক ) আপনার ধর্ম বাঁচবে , ( খ ) কেমিকেল সেন্ট , খারাপ ফ্যাট ও রং শরীরে ঢুকবে না ফলে লিভার ও কিডনি ভালো থাকবে ... অকালে ডেমেজ হবে না .. হাসপাতাল , ডাক্তার ও অসুধের খরচ অনেকটাই বাঁচবে (গ ) আপনার কষ্টার্জিত পয়সার একটা মোটা অংশ জেহাদী রা আপনারই বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারবে না l (২ ) টাকার লোভে মুসলিম ভাড়াটে রাখা বন্ধ করুন , নইলে স্লিপার সেল এর বাড়বাড়ন্ত কোনদিনই ঠেকান যাবেনা আর ওরা আপনার ঘরে ধরা পড়লে পুলিস আপনাকেও ছেড়ে কথা বলবে না l (৩ ) ওরা যেমন টুপি ,দাড়ি , বোরখার মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব জহির করে আপনাকে মনস্তাত্ত্বিক ভাবে চাপে রাখে ঠিক তেমনি করে আপনারাও পাল্টা চাপ দেবার জন্য মাথায় লাল , গেরুয়া , সাদা তিলক ব্যবহার করুন ... কয়েকটা সেকু -মাকু -ফেকু কি ভাববে বা বলবে তা ভেবে মনে মনে বিব্রত হবেন না l (৪) সেকু -মাক্কু -ফেকুদের সংস্পর্শে আসলে বেশি করে ভারতীয় সনাতন ধর্ম ( বেদ ,পুরান ,রামায়ন , মহাভারত ,..) উত্সব , সংস্কৃতি আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরুন... এর ফলে দুটি লাভ নিশ্চিত --( ক ) সেকু -মাকু -ফেকু রা ক্রমাগত এইসব শুনতে শুনতে আপনাদের গর্জে ওঠার আভাস পেয়ে হিন্দু -স্বার্থ বিরোধী কর্মসূচিতে মন না চাইলেও লাগামটা দিতে বাধ্য হবেই। ( খ ) নির্লজ্জ ভাবে কাটা-ও বাংলাদেশী জেহাদী তোষণ , গরু -জবাই ..ইতাদি বন্ধ না হলেও হ্রাস পাবে। ...আগে শপথ নিন যে এগুলো আগামী দিনে করবেন তারপর আরও নতুন ফর্মুলা দেব l আমার হিন্দু ভাই ও মা-বোনেরা নিজদের বাঁচাতে বন্ধুদের সাথে এই লেখাটি লাগাতার শেয়ার করুন l

আমি বহুদিন যৌন মিলন করতে পারি নি

"আমি বহুদিন যৌন মিলন করতে পারি নি, আর আস্তাগফিরুল্লাহ হস্তমৈথুন হারাম। তাই ছেলেটিকে দেখে আর কাবু রাখতে পারিলাম না। ইনশাল্লাহ, শরীয়তে আল্লাহ তালা নিজের এই অবস্থায় হালকা করার বিধান দেন, আমি কোন ভুল করিনি, এটা ইমারজেন্সি ছিল চাহিদার"- এই ভাবে নিজের কীর্তি কে সমর্থন করেছেন অস্ত্রিয়ার রাজধানীতে ট্যাক্সি চালক হয়ে আশা এক ইরাকি মুসলিম আভিবাসী যিনি কয়েক দিন আগে এক সুইমিং পুলের সামনে এক ১০ বছরের পুরুষ শিশুকে ধর্ষন করেন! ধর্ষক এর পর পুলার ধারে মহা আনন্দে স্নান করেন। ইরাকে তাঁর বিবাহিত স্ত্রী ও কন্যা আছে সে পুলিশকে জানায়।ছেলেটিকে রক্তাত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। বিশদ দেখুন ডেলি মেলের পাতায় http://www.dailymail.co.uk/news/article-3434708/Iraqi-migrant-raped-10-year-old-boy-swimming-pool-Vienna-told-police-sexual-emergency-hadn-t-sex-months.html