এ বিষয়টি লেখার কারণ,
এটি সেকু পোষ্টের কারণে। অনেক দিন আগে কেরেলা রাজ্যে স্তনকর নামে একটি প্রথা ছিলও। কিন্তু, বর্তমানে তা নেই। আমাদের সমাজ সংস্কারের চিন্তার কারণে এই কুপ্রথাটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
কিন্তু, বেশ কিছু দিন ধরে দেখতেছি চলে যাওয়া সেই প্রথাকে নিয়ে সেকুরা টানা হিছড়া করতেছে। যে প্রথা আজ নেই।
সব হতে কষ্টের বিষয় এই কুপ্রথা
# স্তনকরকে সনাতন ধর্মের সাথে যুক্ত করতেছি। যা সনাতন ধর্মে কখনও ছিলও না।
কিন্তু, সেকুরা এ বলেন না বর্তমান সময়ে যে খাৎনা প্রথা আছে সরাসরি ইসলামের নাম ধরে।। কত সুন্দর তোষন কারি তারা। আজ সেই খাৎনা প্রথানিয়ে কিছু লেখব।
.
"খাৎনা" এই বিষয় নিয়ে লেখার কোনও ইচ্ছাই ছিল না। কারণ, এটি একটি লজ্জা জনক প্রথা যা বর্তমান সময়েও মানুষের মাঝে চলতেছে। বিশেষ করে মুসলিম সমাজে।
.
"খাৎনা" কে মুসলমানী নামেও সবাই চিনেন।
এটি ছোট ছেলেদের সাথে সাথে ছোট মেয়েদেরও হয়। কখনও কখনও প্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝেও হযে থাকে। কিন্তু, ছেলেদের মুসলমানী বা খাৎনা হওয়ার চেয়ে আর বেশী ভয়ংকর হলও মেয়েদের খাৎনা হওয়া।
.
পৃথিবীর মধ্যে বেশ কযেকটি দেশে খাৎনা করা হয়।আজও এও আধুনিক বিশ্বে মানুষ এই কাজটি করে থাকে।
. পদ্ধতি ১:
মেয়েদের যৌনাঙ্গের রন্ধ্র ও জি-স্পটের পাশাপাশি সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থানটি হল ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর। এটিই একমাত্র অঙ্গ যা যৌন অনুভূতি ছাড়া আর কোন শারীরিক কাজ নেই। মেয়েদের পুলক বা অর্গাজমের জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ পদ্ধতিতে মেয়েদের এই ভগাঙ্কুরের সম্পূর্ণ অগ্রভাগ বা লম্বালম্বি কেটে অপসারণ করা হয়।
পদ্ধতি ২:
এ পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ ভগাঙ্কুর অপসারণ করা হয়। সেই সাথে লেবিয়া মাইনরার আংশিক বা সম্পূর্ণ অপসারণ করা হয়।
পদ্ধতি ৩:
এ পদ্ধতিটা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। এর বিবরণ প্রথম যখন পড়েছিলাম তখন আমার গাঁয়ের লোম খাড়া হয়ে গিয়েছিল। এতটাই অমানবিক এই পদ্ধতিটা। বহিরযৌনাঙ্গের বিশেষ অংশ অপসারণ বা পুরোটাই অপসারণ এবং যোনিদ্বারকে সেলাই করে চিকন করে ফেলা হয়। লেবিয়া মেজরার ভেতরের অংশসহ পুরো লেবিয়া মাইনরা কেটে ফেলা হয়। পরে লেবিয়া মেজরা সেলাই করে দেওয়া হয়। নড়াচড়া করতে না পারে মত মেয়েটির পা দুই থেকে ছয় সপ্তাহ বেঁধে রাখা হয়। পিউবিস থেকে মলদ্বার পর্যন্ত মাংস প্রাচীর ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। প্রস্রাব ও রজঃস্রাবের রক্ত বেরিয়ে যেতে পারে মত ভালভার নিচের দিকে একটি জায়গা খোলা রাখা হয়। বিস্তারিত জানতে নেটে infibulation লিখে সার্চ দিতে পারেন।
পদ্ধতি ৪:
এ পদ্ধতিতে উপরোক্ত পদ্ধতিগুলোর মত কোন টিস্যু অপসারণ করা হয় না। এ পদ্ধতিতে যা পরে তা হল; ভগাঙ্কুরে সুচ ফোটানো, যৌনাঙ্গ পুড়িয়ে ফেলা বা ক্ষত সৃষ্টি করা এবং যোনিতে তৃণলতা প্রবেশ করানো যাতে রক্তপাত হয় এবং যোনিদ্বার চিকন হয়।
এ অমানবিক প্রথা মূলত মুসলিম, খ্রিস্টান ও সর্বপ্রাণবাদীদের মধ্যে প্রচলিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক জরিপে দেখা যায় আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ২৯টি দেশে প্রতি বছর ১২ কোটি নারী খৎনার যেকোন একটি প্রক্রিয়ার শিকার হচ্ছে। এটি মূলত পুরুষদের যৌন সুখ বৃদ্ধি এবং নারীর কুমারীত্ব বজায় রাখাসহ বিভিন্ন সামাজিক ভ্রান্ত কারনে প্রচলিত। যার কোন উপকারীতা তো নেই বরং শারীরিক ভাবে মেয়েদের বিকৃত করে দেওয়া হচ্ছে। এ প্রথা দূরীকরনে সম্প্রতি এগিয়ে এসেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের সচিব বান কি মুন গত বৃহস্পতিবার কেনিয়ার রাজধানি নাইরোবিতে এ ক্যাম্পেইন বা প্রচারের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন,
“সতীত্বের প্রমাণ হিসেবে নারীর এই যৌনাঙ্গচ্ছেদ বন্ধে পুরুষদের মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে এবং যারা বন্ধ করবেন বা করতে সাহায্য করবেন তাদের প্রশংসা করতে হবে।“
তিনি আরো বলেন, “এই প্রজন্মেই এই ধারা বা রীতি বন্ধ করতে হবে এবং এই অভ্যাসের যেন এখানেই সমাপ্তি হয়। কেননা এর ফলে নারীদের জীবনে নরকের অশান্তি নেমে আসে।“
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 10 February 2016
হিন্দুদের খ্যাপানো!
লেখাটা সমীর কুমার মন্ডলের
ফেসবুক একটা জিনিস খুব দেখছি, সেটা হচ্ছে হিন্দুদের খ্যাপানো! মূলত নাস্তিক আর বিধর্মীরা এটা করে থাকে। পুরাণ থেকে কিছু উদ্ধৃতি ঝাড়ে তারপর বলে -
"এই দেবতা অমুকের সাথে ওই করছে"
"ইন্দ্র এর সাথে যৌন সম্পর্ক করেছে"
"ব্রহ্মা বিষ্ণু এইসব ওইসব করেছে"
→ আর এইগুলো শুনে হিন্দুরা রেগে উঠে, আর নাস্তিক বা বিধর্মীদের এইখানে খুঁচিয়ে দিয়ে মজা লুটে! আমি সেইসব হিন্দুদের বলবো আগে আপনি 'সনাতন ধর্মের ঈশ্বরতত্বের সাথে ভালো ভাবে পরিচিত হন' সনাতন ধর্ম দর্শন বাকি আব্রাহামিক ধর্মের ন্যায় অতো ঠুনকো নয়, সঠিক ভাবে কেউ যদি সনাতন ধর্মের ঈশ্বরতত্বের সাথে পরিচিত হয়, তবে নাস্তিক আর বিধর্মীদের এইসব মন্তব্য গুলো শুনে ওদের মাথামোটামোর উপর হাঁসবেন। তাই আগে নিজের ধর্মের সাথে পরিচিত হন, তারপর নাস্তিক আর বিধর্মীদের সাথে ডিবেটে বসবেন, নইলে ওরা খুঁচিয়ে দেবে আর আপনিও নাচানাচি করা শুরু করবেন, আর ওরা মজা লুটবে!
→ আর কে রাম, কৃষ্ণ, ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, কালির ছবি পোড়ালো বা এডিট করলো এতে অতো মাথা ঘামান কেনো, ওই গুলো রঙিল একটা কাগজের টুকরো ছাড়া আর কিছু নয়, ভগবানের আসল আসন মানুষের মনে, পড়ালে সেখানে ভগবানের প্রতিষ্ঠা করুন, যা থাকবে চিরস্থায়ী, তাহলে কেউ না পারবে পোড়াতে না এডিট করতে। যারা ভগবান কে নিজের মনে আশ্রয় দেয় না বা খোঁজার চেস্টা করেনা, তারাই রঙিল কাগজের টুকরোতে ভগবান কে খোঁজার চেস্টা করে।
জন্ম ও বৈবাহিক সূত্রে মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও মুমিনা বেগম (ইন্দিরা গান্ধী) বোরখা পরতেন না কেনো ???
...জন্ম ও বৈবাহিক সূত্রে মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও মুমিনা বেগম (ইন্দিরা গান্ধী) বোরখা পরতেন না কেনো ???
...দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে দেশ দ্বিখন্ডিত হয়েছিল।...পাকিস্থান আর ভারত নামে।...নবগঠিত ইসলামিক রাষ্ট্র পাকিস্থানের ক্ষমতায় আসলেন প্রত্যাশিতভাবেইইসলামি মহম্মদ আলি জিন্না আর খন্ডিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী হলেন আরেক ইসলামি জওহর লাল নেহেরু।
...পিছন দিক থেকে ক্ষমতা নিয়ন্ত্রক হিসাবে থাকলেন আরেক অহিন্দু মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী।...গান্ধীও হিন্দু ছিলেন না ছিলেন জৈন।...অনেকেই জানেন না জৈনরা ধর্মে হিন্দু নয়,ভারত সরকার দ্বারা ঘোষিত ইসলামিদের মত তারাও সংখ্যালঘু এবং সংখ্যালঘু হিসাবে ইসলাম, খ্রীষ্টানদের মত তারাও সরকারি বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ধর্মীয় সম্প্রদায়।
...ভারত কি তবে বিভাজিত হয়েছিল অহিন্দুদের গোপন শলাপরামর্শে ???
...সংবিধান রচনাকালে "ধর্ম নিরপেক্ষ" শব্দটা না থাকলেও পরবর্তিকালে ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতায় এসেই ( যিনি ধর্মে ইসলামি-জন্ম ও বৈবাহিক সুত্রে) কেন সংবিধান সংশোধন করলেন ???...তিনি কি নিজের ও তার স্বামীর পূর্ব পুরুষের প্রতি তার শ্রদ্ধার নৈবদ্য চড়ালেন সারা দেশের হিন্দুদের বলির পাঠা করে ???...ধিক্কার জানাই তাকে।
...আসুন আমরা জানি তার বংশের লুকিয়ে রাখা প্রকৃত ইতিহাস।...প্রকাশ্যে চালেঞ্জ করলাম কংগ্রেসি পন্ডিতদের - তথ্য ও যুক্তি দিয়ে আমার বক্তব্য ভুল প্রমান করুন পারলে।
...গিয়াসউদ্দীন গাজী মুঘল সম্রাটের অধীনে দিল্লির নগর কোতোয়াল (Police Cheif) ছিলেন।...১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পরিসমাপ্তির পরে ব্রিটিশরা দিল্লি দখল করার পর মুঘল রাজ বংশের লোকজনদের খুজে খুজে নির্মমভাবে হত্যা করছিল, যাতে ভবিষ্যৎ এ দিল্লির সিংহাসনের কোন মুঘল দাবিদার না থাকে।
...গিয়াসউদ্দিন গাজি (নামের অর্থ kafer- Killer বা বিধর্মি হত্যাকারি। তারাই গাজী উপাধি পায় যারা অহিন্দুদের হত্যা করে।) বিপদ বুঝে নাম পালটে হিন্দু নাম ধারন করলেন।...গিয়াসউদ্দীন হলেন গংগাধর।
...গিয়াসুদ্দিন গাজি বাস করতেন রেড ফোর্ট ( লাল কেল্লার) এর কাছে একটা ক্যানেল( Nehr/হিন্দিতে 'নেহের') এর পাড়ে তাই নেহের পারের গাজি পদবির জায়গা নিল নেহেরু।...এই ভাবেই গীয়াস উদ্দীন গাজি হলেন গংগাধর নেহেরু।
(তথ্য সুত্র:- The 13th volume of the“Encyclopedia of Indian War of Independence” (ISBN:81-261-3745-9) by M.K. Singh)
...এবার নিচে দেখে নিন রাহুল গান্ধীর বংশ তালিকা।...গিরগিটির বংশ তালিকা !!!...ভালো করে দেখলে বুঝবেন এই রাহুলের গায়ে সব রক্ত মানে ইসলাম,পার্সি, খ্রীষ্টান রক্ত থাকলেও হিন্দুর রক্ত নেই।...হিন্দুর রক্ত নেই তবে আছে কি ???...আছে গীয়াসুদ্দিন থেকে গংগাধর হবার ইতিহাস আর নামের পেছনে আছে অহিন্দু দুনিয়ার সবচেয়ে ঘৃণ্য উপাধি না পদবী "গাজী"।
Written by : G.C Mandal, advocate ph 9830856567
Tuesday, 9 February 2016
বিজেপি মোটেও দেশপ্রেমিক নয়, কিন্তু বামপন্থীরা তো দেশপ্রেমিক
বিজেপি মোটেও দেশপ্রেমিক নয়, কিন্তু বামপন্থীরা তো দেশপ্রেমিক । কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারি না যে চীনের লাগাতার ভারত বিরোধী নানা দুষ্কর্ম নিয়ে বামপন্থীদের একটিও কথা নেই কেন। বিচ্ছিন্নতাবাদীসন্ত্রাসীদের চীন নানা ভাবে মদত দিচ্ছে, সন্ত্রাসী রাষ্ট্র পাকিস্তানকে ভারতের বিরুদ্ধে উস্কে দিচ্ছে। ভারতীয় সীমান্তের ভিতরে লাল ফৌজ ঢুকে পড়ছে বারবার , বিকৃত মানচিত্র প্রকাশ করছে, ব্রহ্মপুত্রের উৎস মুখে বাঁধ দিয়ে উত্তর পূর্বাঞ্চলকে শুকিয়ে বা ডুবিয়ে মারতে চাইছে , অরুণাচল আর কাশ্মীরের জন্য চালু করেছে আলাদা স্টেপল ভিসা, কত আর বলব। অরুণাচল ভারতের একটি অঙ্গরাজ্য, নির্বাচিত সরকার রয়েছে সেখানে, প্রধানমন্ত্রীর অরুণাচল প্রদেশ সফর নিয়ে চীন সরকারি ভাবে প্রতিবাদ জানায় , কত বড় সাহস ! দেশপ্রেমী বামদের দেখি না প্রতিবাদ করতে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এত প্রতিবাদ, অথচ দেখি না তিব্বত বা তাইওয়ানে চৈনিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে। এদেশে মুসলিম ভোটের জন্য এরা মুসলিম দরদী সেজে কেঁদে বুক ভাসায় , আর ওদেশে চীনা হুনরা নিরাপত্তা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে মুসলিম উইঘুরদের কচুকাটা করছে। ওরা মানবাধিকার নিয়ে এত কথা বলে , অথচ শুধু গনতন্ত্রের দাবি করায় হাজার হাজার তরতাজা যুবককে ট্যাঙ্ক দিয়ে পিষে মেরে ফেলল । এরা এত গনতন্ত্র প্রেমী অথচ চীনে গনতন্ত্রের কথা বললেই জেলে পুরে দেয় , নয়ত মেরে ফেলে । এমন দেশের প্রতি এত অন্ধ প্রেম কেন? আমার তো মনে হয় কোন দিন যদি চীন ভারত আক্রমণ করে, তাহলে কমিউনিস্টরা চীনের লাল ফৌজকে অভ্যর্থনা জানিয়ে , রাস্তা ঘাট চিনিয়ে এদেশে নিয়ে আসবে । এদের কাছে দেশের চেয়েও মতবাদ আগে । এরাই সত্যিকারের দেশ প্রেমিক !
ইতিহাস কে অস্বীকার করে কিছু ক্ষমতা লোভী ভন্ড দেশ প্রেমিক
ইতিহাস কে অস্বীকার করে কিছু ক্ষমতা লোভী ভন্ড দেশ প্রেমিক বেইমান রাজনীতিকদের মতদর্শকে বুকে রেখে আমার পরিবার সমাজ সংস্কৃতি ভাবাদর্শকে বির্সজন দিয়ে সেকুলার হচ্ছি না হতে পারব না । ভারতের সংবিধান ক্ষমা করবেন । আমি আপনার রক্ষার্থে সীমান্তে জীবন দিতে রাজি কিন্তু আপনার সর্বনাশে নিজেকে সেকুলারিজম এর চাকায় বলি দিতে রাজি নয় ইতিহাস কে অস্বীকার করে কিছু ক্ষমতা লোভী ভন্ড দেশ প্রেমিক বেইমান রাজনীতিকদের মতদর্শকে বুকে রেখে আমার পরিবার সমাজ সংস্কৃতি ভাবাদর্শকে বির্সজন দিয়ে সেকুলার হচ্ছি না হতে পারব না । ভারতের সংবিধান ক্ষমা করবেন । আমি আপনার রক্ষার্থে সীমান্তে জীবন দিতে রাজি কিন্তু আপনার সর্বনাশে নিজেকে সেকুলারিজম এর চাকায় বলি দিতে রাজি নয় ।
নালন্দা
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে দাঁড়িয়ে বখতিয়ার খিলজি....
এত বই কি দরকার? এতে কি আছে? কোরাণে লেখা নাই এমন কিছু কি আছে এখানে?
জনৈক ব্যক্তি এগিয়ে এলেনঃ জনাব কোরাণে যা নাই, সেই সব অনেক জ্ঞানের কথা এখানে আছে৷
বখতিয়ারঃ বেয়াদপ! কোরাণে যা নাই তা কোন কাজের নয়৷ পুড়িয়ে ফেলো৷
অন্য একজন এগিয়ে এলেনঃ হুজুর কোরাণের বাইরে কি কিছু থাকতে পারে? যা কোরাণে আছে, তাই এই সব কেতাবে লেখা আছে৷ দয়া করে আগুন দেবেন না৷
বখতিয়ারঃ বেওকুফ! তাহলে কোরাণ থাকতে এত কেতাবের দরকার কি? পুড়িয়ে ফেলো৷
হুবাল – ইসলামপূর্ব আরবে কোরাইশ-পৌত্তলিকদের সবচেয়ে প্রভাবশালী ইলাহ
হুবাল প্রাক ইসলামিক যুগের একজন উপাস্য দেবতা। মক্কা নগরীর কাবাঘরে হুবালের মূর্তি স্থাপিত ছিলো। তার মূর্তিটি মনুষ্যাকৃতির ছিলো। হুবাল অনুসারীগণ তার সামনে রক্ষিত তীরের সাহায্যে দেবতার মতামত নিত। হুবাল ইসলামপূর্ব আরবে কোরাইশ-পৌত্তলিকদের সবচেয়ে প্রভাবশালী ইলাহ; যার অর্থ দেবতা, তবে একক নয়। যখন একক ভবে উপাস্য হতে শুরু করল, তখন থেকে ইলাহ-এর আগে আল উপসর্গ যোগ করা হয়, যার অর্থ একমাত্র। সেই থেকেই আল-লাহ বা আল্লাহ।
২) আবদুল্লাহ — নবীর পিতার নাম ছিল। আবদুল + আল্লাহ = দাস + আল্লাহ = আল্লাহর দাস।
৩) লাত, উজ্জা, মানাত — হুবাল অর্থাত আল্লাহর ৩ মেয়ে। ইশা নবীকেও এই হুবাল অর্থাত আল্লাহর সন্তান বলে ধরা হত। ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের পর কোরানে এসব কথাকে অস্বীকার করা হয়। ফলাফলে এখন ইশা নবীর জন্ম পরিচয় জানতে চাইলে মুসলমানরা পালানোর পথ খোঁজে।
৪) হুবালের আরেকটা পরিচয় ছিল — চন্দ্রদেবতা। তার যে মূর্তি পাওয়া যায়, তাতে দেখা যায় তার মূর্তিতে চন্দ্র খোদাই করা। সেই থেকেই ইসলামে চন্দ্র সিম্বলটা মসজিদ-মিনার-পতাকাসহ অনেক জায়গায় ব্যবহার করা হয়। সেই হুবাল/চন্দ্রদেবতাই ইসলাম পরবর্তী যুগের আল্লাহ।
৫) ৯৯ নাম — কোরান-হাদিসের বিভিন্ন জায়গায় আল্লাহকে বিভিন্ন গুণবাচক বিশেষণে বিশেষিত করা হয়েছে। সেসব আরবিক শব্দের আগে আল, আর, আস, আজ, আন প্রভৃতি উপসর্গ যোগ করে একক অর্থে বোঝানো হয়েছে। পরে মুসলমানদের মধ্যে ওসব গুণবাচক বিশেষণগুলোই নামবাচক বিশেষ্য হিসাবে নামকরণের চল হয়। তবে উপসর্গগুলো ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, কেননা সেগুলা শুধুমাত্র একক অর্থে আল্লাহর নামকরণ।
৬) ৯৯ টি বিশেষণের মধ্যে আমাদের দেশের মুসলমানরা যেসব শব্দকে নাম হিসেবে বেশি ব্যবহার করে — রহমান, রহিম, মালিক, কুদ্দুস, সালাম, মুমিন, মুহাইমিন, আজিজ, জব্বার, খালেক, বারী, গাফফার, ওয়াহাব, রাজ্জাব, ফাত্তাহ, আলিম, বাসিত, রফি, সামি, বছির, লতিফ, কবীর, হালিম, আজিম, গফুর, শাকুর, হাফিজ, মুকিত, হাসিব, জলিল, করিম, রাকিব, মুজিব, হাকিম, মজিদ, শহিদ, ওয়াকিল, মতিন, হামিদ, কাইয়ুম, ওয়াজিদ, সামাদ, আউয়াল, জহির, ওয়ালি, রউফ, ইকরাম, গণি, নাফি, নূর, হাদি, বাকি, রশিদ, সবুর ইত্যাদি।
৭) আবদুল গাফফার — গাফফার অর্থ ক্ষমাশীল। আল-গাফফার অর্থ পরম ক্ষমাশীল, অর্থাত আল্লাহ। আবদুল গাফফার হলো পরম ক্ষমাশীলের দাস…আল্লাহর দাস।
৮) আবদুল মান্নান — মান্নান মানে করুণাময়। আবদুল মান্নান মানে পরম করুণাময়ের দাস।
৯) হিন্দুধর্মে কৃষ্ণেরও খুব সম্ভবত ১০৮টি নাম আছে। একই ভাবে সেই নামের সাথে দাস লাগিয়ে কৃষ্ণদাস, ব্রজদাস, শ্যামদাস, কানাইদাস, দেবদাস, হরিদাস, বৃন্দাবনদাস ইত্যাদি নামগুলো হিন্দুদের মধ্যে প্রচলিত।
১০) এছাড়া হিন্দুদের মধ্যে পদবী হিসাবে বিভিন্ন প্রাণী-গাছপালা-বস্তুর নাম এখনো দেখা যায়। যেমন সিংহ পদবী এখনো অনেকে ব্যবহার করে। এই পদবী কিভাবে আসছে সেটা জানতে হলে আদিম কৌমসমাজের ইতিহাস জানতে হবে। সেখানে দেখা যাবে যে বিভিন্ন গোত্রের একেকটি উপাস্য দেবতা বা এরকম কোনো সিম্বল ছিল যার থেকে সেই গোত্রের লোকেরা নিজেদের পরিচয় দিত। এভাবেই বংশের সূত্রপাত। যেমন বলা হয় রাম ছিল সূর্যবংশের সন্তান।
১১) প্রাচীন মিশরীয় ধর্মের অন্যতম প্রাচীনতম ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ দেবতা হোরাস। তার মূর্তিতে দেখা যায় তার মাথাটা বাজপাখীর। ধারণা করা হয় এই সিম্বল তৎকালীন একটা গোত্র থেকে এসেছে যাদের উপাস্য দেবতা ছিল বাজপাখি। এই হোরাসকে শিয়ালের মাথাওয়ালা অন্য কারো সাথে যুদ্ধাবস্থায় দেখা যায়। অর্থাত অন্য পক্ষটা ছিল শিয়াল গোত্রের। তাদেরকে মেরেই হোরাস ক্ষমতায় আসে।
১২) পৃথিবীর সবখানেই প্রায় একই ভাবে সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছে। আগে পরে হলেও এই প্রক্রিয়াটা প্রায় একই। এই প্রক্রিয়ার কোন একটা পর্যায়ে সবখানেই এই গোত্র প্রথা ছিল। যেমন সবাই জানেন, তৎকালীন আরবেও অনেক গোত্র ছিল। তাদের মধ্যে হানাহানি থাকলেও ধর্মীয় ব্যাপারে সবাই এক হয়ে মিলেমিশে ধর্ম উদযাপন করত। প্রমাণ হিসাবে বলা যায়, কাবা ঘরে এদের সবার উপাস্য দেব-দেবীদের মূর্তি ছিল। এই কাবাকে ঘিরেই এদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি চলত। উৎসবের সময় এখানে সবাই সব ভেদাভেদ ভুল মিলিত হত।
১৩) আবু বকর মানে বকরির আব্বা, আবু হুরাইরা মানে বিড়ালের আব্বা। এরা নবীর কাছের লোক ছিল। খুব সম্ভবত বকরি এবং বেড়াল গোত্রের কেউ ছিল এরা।
১৪) বিশ্বাস, সিকদার, সরকার, ঠাকুর, চৌধুরী, হাওলাদার–ইত্যাদি “হিন্দু টাইটেলগুলা” এখনো এদেশের মুসলমানরা ব্যবহার করে।
১৫) মোহাম্মদ, আলি, খাদিজা, বকর, উমর, উসমান, আবদুল্লাহ, আল্লাহ–ইত্যাদি নামগুলাও “পৌত্তলিক নাম”। পৌত্তলিক ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেও এরা আগের নাম পরিবর্তন করে নাই। কারণ ভাষার কোনো ধর্ম ছিল না, নাই। https://mehedizz.wordpress.com/2015/07/05/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C6476554020
Subscribe to:
Posts (Atom)







