Wednesday, 10 February 2016

কাশ্মীরের সীমান্তে হনুমান থপ্পার মতো মহান সৈন্যরা শহীদ হচ্ছে

কাশ্মীরের সীমান্তে হনুমান থপ্পার মতো মহান সৈন্যরা শহীদ হচ্ছে।আমাদের রক্ষা করছেন সদা আমাদের মারার জন্য ওত পেতে থাকা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। আর উল্টো দিকে রয়েছে,,জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় সহ পশ্চিমবঙ্গের কোনায় কোনায় থাকা কমিউনিস্ট(সিপিএম)এর লোকেরা বলে,"পাকিস্তান জিন্দাবাদ","গো ইন্ডিয়া গো ব্যাক ফ্রম কাশ্মীর","কাশ্মীরকে হাজারো টুকরে কারকে রাহেঙ্গে,আপ কিসমে রেহনা পাসান্দ কারেঙ্গে","কাশ্মীর আজাদ হোকে রাহেগা",আফজল গুরু,যে আমাদের সংসদে হামলা করেছিল,তার সমর্থনে বলে,"ঘর ঘর মে হে আফজল,ঘর ঘর সে নিকলেগা আফজল"। এর পরও বলুন হিন্দুবিরোধী ও ভারতবিরোধী সিপিএমের লোকেরা কি সুস্হ *ভারতীয়* সমাজের জন্য বিষাক্ত না?হ্যা অবশ্যই পাকিস্তানের সমাজের জন্য অবশ্যই ঠিক থাকবে।

মিথ্যাবাদী ইসলামিক অপপ্রচারক ‪জাকির_নায়েক

মিথ্যাবাদী ইসলামিক অপপ্রচারক ‪জাকির_নায়েকের ‬পবিত্র বেদ নিয়ে জঘন্যতম মিথ্যাচার (শেয়ার করুন) জাকির নায়েক তার প্রতিষ্ঠান IRF এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে "হিন্দুধর্মে নারী" শীর্ষক প্রবন্ধে দাবী করেছেন যে পবিত্র বেদে নাকি ইনসেস্ট(Incest)অর্থাত্ একদম নিকট সম্পর্কীয় স্ত্রীপুরুষের অবৈধ সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে।এজন্য তিনি যে কয়েকটি মন্ত্রের উপর মিথ্যাচার করেছেন সেগুলোতে তার দাবীগুলো সহ দেয়াহল- ঋগ্বেদ ৬.৫৫.৪ তে নাকি পুশান তার বোনের প্রেমিক। ঋগ্বেদ ১০.৩.৩ তে নাকি অগ্নি তার নিজ বোনের প্রেমিক। ঋগ্বেদ ১.১১৬.১৯ তে অশ্বিন নাকি সবিতা এবং উষার পুত্র যারা নাকি ভাই-বোন! ঋগ্বেদ ১.৯১.৭ তে নাকি অগ্নি নাকি তার বাবা এবং বাবার বোনের সন্তান! এখন দেখে নেয়া যাক মন্ত্রগুলোতে কি বলা হয়েছে- পুষনাং ন্বজাশ্বমুপ স্তোষাম বাজিনম। স্বসুর্যো জার উচ্চতে।। -ঋগ্বেদ ৬.৫৫.৪ অনুবাদ-আমরা বন্দনা করি পুষা এর (সূর্য),যিনি এক পথিকের মত মহাশূন্যে অনন্ত রথে চলছেন এবং রাত্রির সমাপ্তি করেন যা তারা বলে থাকে এর নিজের ই সৃষ্টি! দেখুন কি অপূর্ব সাহিত্যিক ভঙ্গীতে বেদ মন্ত্রটি ব্যখ্যা করছে দিন ও রাত উভয়েই সূর্যের কারনেই সৃষ্টি হয়! অথচ ভন্ড জাকির এখানেও তার নোংরামী অব্যাহত রেখেছে। ভদ্রো ভদ্রয়া সচমান আগাত স্বসারং জারো অভ্যেতি পশ্চাত্। সুপ্রকেতৈর-দ্যুভির-অগ্নির-বিতিষ্ঠন রুশভির্বণৈরভি রামমস্থাত্।। (ঋগ্বেদ ১০.৩.৩) অনুবাদ-পবিত্র আলোক,অন্ধকারের দূরকারী,লাবন্যময়,সুন্দর রাত্রির শেষ হয়ে এসেছে।প্রকাশমানপরমাত্মা অগ্নি সূর্যরশ্মির সাহায্যে দিনের সূচনা করবেন! এই মন্ত্রে জাকির সহ ইসলামিক গবেষক(!)রা খারাপ কি দেখতে পেলেন কে জানে! পরাবতং নাসত্যানুদেথামুচ্চবুধ্নং চক্রথুর্জিহ্মবারম। ক্ষরন্নাপো ন পায়নায় রায়ে সহস্রায় তৃষ্যতে গোতমস্য।। (ঋগ্বেদ ১.১১৬.৯) এই মন্ত্রে প্রকৃতি ও এর সত্য এই দুই অশ্বিনের সমষ্টি করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উঁচু জায়গায় পানি সংরক্ষন করে তাকে নিচের দিকে জোরে প্রবাহিত করে জনসাধারনকে পানি সরবরাহের কথা বলা হয়েছে। সোম যাস্তে ময়োভুব ঊতয়ঃ সন্তিদাশুষে। তাভির্নো বিতা ভব।। (ঋগ্বেদ ১.৯১.৯) অনুবাদ-হে প্রকৃতির নিয়ন্তা সোম,তুমি সবসময় ই উদার ও দানশীলদের রক্ষক ও আশীর্বাদদাতা,তুমি যেন আমাদেরও কৃপাদাতা হও! মূর্খ জাকিরের এত সুন্দর মন্ত্রগুলোকে নিয়ে মিথ্যাচার করতে এতটুকুও বুক কাঁপলোনা?এই নাকি বিখ্যাত ইসলামিক বক্তা! মিথ্যাবাদী অপপ্রচারকারীদেরথেকে সতর্ক থাকুন. ‪#‎ পোস্টটি_সবাই_শে য়ার_করুন

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে দেওয়া হোক ভারতরত্ন সম্মান

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে দেওয়া হোক ভারতরত্ন সম্মান। এই আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে মাদ্রাজ় হাইকোর্টে। আর আবেদন বিবেচনার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নির্দেশ দিল বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি এস বিমলার ডিভিশন বেঞ্চ। নেতাজিকে ভারতরত্ন সম্মান দেওয়ার আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা করেছেন তামিলনাড়ু সেন্টার ফর পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশনের ম্যানেজিং ট্রাস্টি কে কে রমেশ। নিজের আবেদনে তিনি জানান, “প্রত্যেক ভারতীয় সুভাষচন্দ্র বসুকে সম্মান জানাতে চান। দেশের জন্য এই মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীর ত্যাগ কারও ভোলা উচিত নয়।” এমনকী, নেতাজির জন্মদিন ২৩ জানুয়ারিকে জাতীয় ছুটি হিসেবে ঘোষণা করার আবেদনও জানান তিনি। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে গত ২৭ জানুয়ারি একটি আবেদনও জানিয়েছেন রমেশ। মাদ্রাজ় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে গতকাল সেই আবেদনের শুনানি হয়। বিচারপতিরা জানান, নেতাজিকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তারপরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে আবেদনটি বিবেচনার নির্দেশ দেয় মাদ্রাজ় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

২০ হাজার সংখ্যালঘুনির্যাতন ২০০১ সাল-পরবর্তী ১৩ বছরে দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ২০ সহস্রাধিক ঘটনা ঘটেছে।

২০ হাজার সংখ্যালঘু নির্যাতন ২০০১ সাল-পরবর্তী ১৩ বছরে দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ২০ সহস্রাধিক ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়াও বাহাত্তর-পরবর্তী বিভিন্ন হামলা-নির্যাতনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬ শতাধিক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে প্রায় ১২ হাজার পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। সংঘবদ্ধভাবে হামলা, নির্যাতন, লুটতরাজের ঘটনায় লক্ষাধিক সংখ্যালঘু সদস্য নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে। ২০০১-০৬ মেয়াদ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে সংঘটিত সর্বাধিক বর্বরোচিত নৃশংসতা তদন্তের জন্য গঠিত কমিশনের একাধিক রিপোর্টেও সংখ্যালঘু নিপীড়ন-নির্যাতনের নানা চিত্র ফুটে ওঠে। সংখ্যালঘু পল্লীগুলোয় ৫ সহস্রাধিক হামলার ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করা হলেও কাউকেও শাস্তির আওতায় নেওয়া যায়নি। ফলে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজের ঘটনা বেড়েই চলেছে। হামলা, লুটপাট, ধর্ষণের পাশাপাশি বেপরোয়াভাবে হত্যাকাণ্ডও সংঘটিত হয়েছে। সেসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়ও দোষীদের কারও শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। নিছক জমিজমা দখল ও লুটতরাজের উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ চক্র নৃশংসতা ঘটিয়েও তাতে রাজনৈতিক প্রলেপ লাগিয়ে ধামাচাপা দিতে সক্ষম হয়েছে। কখনো ব্যক্তিবিরোধকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় রূপ দেওয়ার মতো ভয়াবহতাও ঘটেছে বিভিন্ন স্থানে। এতে হামলা, ভাঙচুর, লুটতরাজের শিকার হিন্দু পরিবারগুলো আরও বেশি নৃশংসতার মুখে পড়ে নিঃস্ব অবস্থায় এলাকা ছাড়তেও বাধ্য হয়। ২০০১ সালে বিএনপি- জামায়াত জোট সরকার গঠনের পর সারা দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর যে ভয়াবহ নির্যাতন নেমে আসে তা কল্পনাতীত। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে গঠিত তদন্ত কমিশন ৫ হাজার ৫৭১টি অভিযোগ পায়। ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাওয়া অভিযোগের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৬২৫টি। এর মধ্যে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ৩৫৫টি এবং লুটপাট, অগি্নসংযোগ, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, গুরুতর আঘাত, চিরতরে পঙ্গু করা, সম্পত্তি দখল ও অন্যান্য গুরুতর অভিযোগ ৩ হাজার ২৭০টি। ধর্তব্য নয় উল্লেখ করে ১ হাজার ৯৪৬টি অভিযোগ বাতিল করারও ঘটনা ঘটে। তদন্ত করা ৩ হাজার ৬২৫টি ঘটনায় ১৮ হাজারেরও বেশি লোক জড়িত বলে চিহ্নিত হয়। ২০০১ সালে নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় যেসব ব্যক্তির ওপর হামলা, লুটপাট, গণধর্ষণ করা হয়েছিল, তারা থানায় বা আদালতে অভিযোগ দায়ের পর্যন্ত করতে পারেননি। কেউ অভিযোগ করতে পারলেও রাজনৈতিক কারণে তদন্ত হয়নি। রাষ্ট্রীয় আশ্রয়ে-প্রশ্রয়েসংখ্যালঘুদের ওপর বর্বরোচিত নির্যাতন-সন্ত্রাস চালিয়েই ক্ষান্ত ছিলেন না সংশ্লিষ্টরা। জোট সরকারের আমলে হামলা- সন্ত্রাস লুটতরাজসহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাবলিকে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়ে ৫ হাজার ৮৯০টি মামলা প্রত্যাহারও করা হয়। ফলে এসব মামলার ১২ হাজার অপরাধী শাস্তি ছাড়াই বীরদর্পে ঘুরে বেড়াতে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে সেসব অপরাধী আবারও সংখ্যালঘু নির্যাতনের হোলিখেলায় মেতে উঠেছে। বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের শেষ চার মাসে আরও প্রায় দেড় হাজার হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়েছে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা। বিভিন্ন সময়ে হামলা- অত্যাচারের নির্মমতায় ভুক্তভোগীরা জানান, রাজনৈতিক পালাবদল, প্রতিহিংসা, সহায়- সম্পদ জবরদখলের লোভ আর নানা কূটকৌশলের ঘুঁটি হিসেবে বারবার সংখ্যালঘুরা নৃশংসতার শিকার হন। ২০০১ সাল থেকে শুরু করে যুদ্ধাপরাধ বিচারবিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত হামলার শিকার হয়েছেন সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়সহ পাহাড়ি নৃতাত্তি্বক জনগোষ্ঠীর মানুষ। এ সময়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগের ২০ সহস্রাধিক ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় সংখ্যালঘুদের জানমালের বেশুমার ক্ষতিসাধন হয়েছে। তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, দুই শতাধিক এলাকায় মুসলমানদের পাশাপাশি খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ অন্য ধর্মাবলম্বীদের অবস্থান থাকলেও সারা দেশেই কম-বেশি বসবাস রয়েছে হিন্দুদের। এর মধ্যে ৭৮টি পয়েন্ট স্পর্শকাতর স্থান হিসেবে চিহ্নিত। এসব স্থানে পান থেকে চুন খসলেই হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের রাউজান, গহিরা, সাতকানিয়া, হাটহাজারীসহ ২৩ গ্রামে সংখ্যালঘুদের ভাগ্য নির্ধারণ হয় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার সহযোগীদের মর্জিতে। আওয়ামী লীগ জয়লাভ করলেও তাদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চলে, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করলেও নেমে আসে নির্যাতনের বিভীষিকা। যুদ্ধাপরাধ বিচার চলাবস্থায়ও এসব গ্রামে জামায়াত-শিবির নৃশংসতা চালায়, আবার কাদের মোল্লার ফাঁসি হওয়ার পরও আক্রমণ চলে সেখানে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বিএনপি ছেড়ে নতুন দল গঠনের প্রাক্কালেও রাউজানের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত গ্রামগুলোয় হামলা, ভাঙচুর, লুটতরাজসহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা জানান, কতিপয় রাজনৈতিক দল এমনকি ব্যক্তিকেন্দ্রিক দাবি-দাওয়া নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতেও সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর ওপর জ্বালাও-পোড়াওয়ের নৃশংসতা চাপিয়ে দেওয়া যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। একাত্তর-পরবর্তীঅন্তত ১০ দফা হামলার শিকার গহিরার নির্মল চন্দ্র দাস বলেন, সংখ্যালঘু পরিবারে জন্ম নেওয়াটাই আজন্মের পাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শাঁখের করাতের মতো বারবার আমাদের কেটে রক্তাক্ত করা হচ্ছে। জোট সরকারের মদদে সন্ত্রাসীরা হত্যা, গুম, মারাত্দক আহত করা, চাঁদাবাজি, লুটপাট, ডাকাতি, নারীর শ্লীলতাহানি, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ধর্মান্তরকরণ- এ পদ্ধতিগুলোকে সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতাবলম্বীদের নিপীড়ন করার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। ২০০১ সাল-পরবর্তী সংখ্যালঘুরা আইন ও প্রশাসনের আশ্রয় নিতে চাইলেও কোনো ফল পায়নি বরং নিপীড়নের মাত্রা বেড়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০০১ সাল ও এর কাছাকাছি সময়ে দেশের ২৮টি জেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন হামলা ও নির্যাতনের শিকার হতেন। কিন্তু ২০১২-১৩ সালে নির্যাতনের পরিধি বেড়েছে। দেশের ৪৩ জেলায় ব্যাপক হারে নির্যাতন ঘটে চলেছে। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩৬ সংখ্যালঘু সদস্য। সাম্প্রতিক সহিংসতায় ৪৩ জেলায় সংখ্যালঘুরা আক্রমণের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম, কঙ্বাজার, নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুর, গাইবান্ধা, সিলেট, মৌলভীবাজার, ঠাকুরগাঁও, চাঁপাইনবাবগঞ্জ,সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, জয়পুরহাট, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,নেত্রকোনা, গাজীপুর, বরিশাল, দিনাজপুর, চাঁদপুর, খুলনা, মুন্সীগঞ্জ, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, শেরপুর, জামালপুর, সুনামগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, ফেনী, নাটোর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, ঝিনাইদহ ও রাজশাহী। তবে কয়েকটি জেলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর মানুষও নিহত এবং তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি দফতর, যানবাহন অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের শিকার হয়েছে। এসব ঘটনায় সংখ্যালঘু চারজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বৃদ্ধ দয়াল হরিশীল, সিলেটের জগৎ জ্যোতি তালুকদার, মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দাসের বাজার ইউনিয়নের সুশীল বিশ্বাস এবং নোয়াখালীর প্রকৌশলী সুমন ভৌমিক। অন্যান্য সময় সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বাধা হয়ে দাঁড়াতেন। কিন্তু গত চার মাসে আওয়ামী লীগ নেতা- কর্মীদের অনেক ক্ষেত্রেই নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় থাকতে দেখা গেছে। সিরাজগঞ্জ, খুলনা, যশোর, নরসিংদী, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ কয়েকটি স্থানে আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতা- কর্মীরাই সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মহাজোট সরকারের গত মেয়াদে ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের রামুতে ১২টি বৌদ্ধ বিহারে এবং ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে বৌদ্ধ ও হিন্দু জনগোষ্ঠী ও তাদের উপাসনালয়ের ওপর তাণ্ডব চালানো হয়। রামুতে বৌদ্ধ মন্দির, মঠ পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। বান্দরবানে বৌদ্ধ মন্দির ও সংলগ্ন বৌদ্ধপল্লী হামলার শিকার হয়। এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ, বাগেরহাট, যশোর, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও গফরগাঁওয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় প্রায় ৪০০ নারী-পুরুষ আহত হয়। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর এলাকা খ্যাত পিরোজপুরের বিভিন্ন স্থান সংখ্যালঘুদের জন্য রীতিমতো মৃত্যুপুরী হয়ে উঠেছে। সাতক্ষীরার বেশির ভাগ গ্রামাঞ্চল সংখ্যালঘুদের জন্য বিপজ্জনক হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতনপ্রসঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, রাজনীতির ধরন না বদলালে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করা যাবে না। সংখ্যালঘুদের ওপর
নির্যাতন বন্ধ করতে হলে সর্বস্তরে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে

ভারতের সেকু আর তাদের সহ্যকারীরা সব থেকে জঘণ্য ব্যাক্তি।

ভারতের সেকু আর তাদের সহ্যকারীরা সব থেকে জঘণ্য ব্যাক্তি। প্রমাণ নিচে--- রামায়ণে বর্ণিত হিন্দু দেবতা রাম ও তার ভাই লক্ষণের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভারতের বিহারের ঠাকুর চন্দন সিংহ নামে এক আইনজীবী। এ মামলায় দেবতার মানহানি হয়েছে এমন পাল্টা অভিযোগে তার বিরুদ্ধেই এবার মামলা ঠুকে দিয়েছেন আরেক আইনজীবী। বিহার রাজ্যের সীতামারি জেলার আদালতে দায়ের করা মামলার বাদি আইনজীবী ঠাকুর চন্দন সিংহ অভিযোগ করেছিলেন, লঙ্কা জয়ের পর প্রকৃত সত্য যাচাই না করেই রামচন্দ্র সীতাকে পরিত্যাগ করেছিল। এতে তাকে অপমান করা হয়েছে। মি. সিং বলছেন, রাবণের কাছ থেকে উদ্ধারের পর রাম সীতাকে তার পবিত্রতার পরীক্ষা দিতে বলেছিলেন। তার মানে সীতাকে রাম বিশ্বাস করেননি।এ আচরণের মাধ্যমেই দেখা যাচ্ছে, নারীর প্রতি কি দৃষ্টিভঙ্গি সেই প্রাচীন সময়েও পোষণ করা হতো। তবে, বাস্তবসম্মত ফরিয়াদ নয় বলে গত সপ্তাহে সে আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ফলে দেবতার বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি হাস্যকর শোনালেও মি. সিং আবারো এ বিষয়ে মামলা রুজু করার উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে, মি. সিং এ কাজ গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই করছেন বলে ধারণা তার সহকর্মীদের অনেকের। আর এই ঘটনার ফলশ্রুতিতে হিন্দু দেবতার মানহানি হয়েছে এমন পাল্টা অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছেন আরেক আইনজীবী রঞ্জন কুমার সিনহা। তিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন, আমরা তার সার্টিফিকেট বাতিলের জন্য বার কাউন্সিলের কাছে অনুরোধ করেছি। সব আইনজীবীই তার বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছেন। তার একটি উচিত শিক্ষা হওয়া প্রয়োজন। রামের বিরুদ্ধে করা ওই মামলায় তার ভাই লক্ষণকে আসামি করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি এ কাজে ভাইকে সহযোগিতা করেছিলেন। ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রামের কোটি কোটি ভক্ত পূজারি রয়েছেন।

পিস টিভি

ইসলামী বোদ্ধা জাকির নায়েকের পিস টিভি ভারতে বন্ধ ঘোষিত হয়েছে। এতে পশ্চিমবঙ্গর মোডারেট মুসলিমরা বিচলিত, ক্ষেত্র বিশেষে এরা চুরি করেও পিস টিভির দর্শক হতে রাজি!অথচ নায়েক ২৪ টা মুসলিম দেশে আগে থেকেই নিষিদ্ধ। আমার কথা হলো জাকির নায়েকের চেয়ে হাজার গুণ বেশি ইসলামী লেখাপড়া করে বেকো হারাম, তালেবানদের তাত্ত্বিক নেতারা....এদের কেমন করে বুদ্ধের আর রবীন্দ্রনাথের বাণী শুনিয়ে তিনি শান্ত করবেন? হাজার কথামালার পর চিরাচরিত এই একটিতে এসে সব মুসলিম, মডারেট খেই হারিয়ে ফেলেন। খেই হারিয়ে ফেলেন কারণ দুনিয়াতে এত মুসলমান তারা সবাই তালেবান, বেকো হারাম নয়। কিন্তু যারা তালেবান, বেকো হারাম তারা ইসলাম মেনেই (ধরে নিলাম তাদের ইসলাম ভুল) করছে। কিন্তু তাদেরও তো মূল ভিত্তি কুরআন-হাদিস! আর যেহেতু একমাত্র ইসলাম ধর্মই এখন বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদে জড়িয়ে গেছে কাজেই বাধ্য হয়েই এই ধর্মকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে হবে। দুনিয়াতে যত জঙ্গিবাদী জিহাদী তাদের তাত্ত্বিক নেতারা সব ইসলামী স্কলার। তারা ইসলাম বুঝে না বলা আর স্টেফেন হকিং বিজ্ঞানের কিছু বুঝে না বলা একই কথা। তাই সবারই ইসলাম ত্যাগ করা উচিত... আমি সকল মুসলিম কে হিন্দু ধর্মের ছায়াতলে আসার নিমন্ত্রণ দিচ্ছ।

নবী মুহাম্মদ ছিলেন একজন সমকামী।

নবী মুহাম্মদ ছিলেন একজন সমকামী। তিনি যখনিই যা করতেন, তখনি তাঁর সাহাবী কিংবা আত্মীয় স্বজনদের একা পেয়ে বিভিন্ন যৌনাচারে লিপ্ত থাকতো। তেমনি,,, নবী যখন গোসল করিতে যেতেন তখনও কেও না কেও নবীর বাথরুমে থাকতেন।কি বিশ্বাস হচ্ছে না??? ঠিক আছে নিচে দেখুন।