Friday, 26 February 2016

''আজ যারা আফজল গুরুর জন্য গলা ফাটাচ্ছে, তাদেরকে পেলে ছেড়ে কথা বলত না এই সন্ত্রাসবাদী।''এমনটাই বললেন আফজলকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারপতি

http://www.kolkata24x7.com/content/politician-singing-pro-afzal-tune-could-have-been-killed

জেএনইউ'র দেশ বিরোধী, পাকিস্তান জিন্দাবাদ,আফজালগুরু জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমর্থন করায়, লোকসভায় রাহুল গান্ধী'র কাছে অনুরাগ ঠাকুর এর প্রশ্ন ছিল.... ??

●►জেএনইউ'র দেশ বিরোধী, পাকিস্তান জিন্দাবাদ,আফজালগুরু জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমর্থন করায়, লোকসভায় রাহুল গান্ধী'র কাছে অনুরাগ ঠাকুর এর প্রশ্ন ছিল.... ?? ●► আফজাল গুরু কি সন্ত্রাসবাদী ছিলেন....?? ●►যদি তিনি সন্ত্রাস বাদী নাই হন,তাহলে তাঁকে কেন আপনাদের কংগ্রেস সরকার ফাঁসি দিয়েছিলো....?? ●►আপনি কংগ্রেস এর সেকন্ড ইন কমান্ড হয়েই বা কেন তিন বছর আগে আপনার সরকার যাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে ছিল,তাঁর ফাঁসির বিরোধিতা করতে এখন পথে নেমেছেন....? ●►অনুরাগ ঠাকুরের প্রশ্নের উত্তর রাহুল গান্ধী দিতে না পেরে,কয়েক মিনিটের মধ্যেই লোকসভা কক্ষ ছেড়ে পালিয়ে যান....!! ●►তাও তিনি যুক্তিপূর্ণ আক্রমন থেকে বাঁচেননি,উত্তর প্রদেশে এক জনসভায় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ রাহুল এর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করে জানতে চান→রাহুল গান্ধী স্পষ্ট করুন আপনি কি দেশ দ্রোহী স্লোগান সমর্থন করেন.....???

Thursday, 25 February 2016

নারীর পোশাক নয়, আমাদের মানসিক দৃষ্টিভংগির পরিবর্তন দরকার।

নারীর পোশাক নয়, আমাদের মানসিক দৃষ্টিভংগির পরিবর্তন দরকার। ভারতে ধর্ষণ নিয়ে নিয়ে চমৎকার একটি নিবন্ধ লিখেছেন বেলজিয়ামের অধ্যাপক জ্যাকব ডি রুভার৷ সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘ভারতে প্রতি ঘণ্টায় তিন জন নারী ধর্ষিত হয় – এই তথ্য জেনে ইউরোপের সংবাদ মাধ্যম ভুলে যাচ্ছেন যে, ঘণ্টায় তিনজন ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন ১২৫ কোটি মানুষের দেশে৷ এক কোটি দশ লাখ মানুষের দেশ বেলজিয়ামেই কিন্তু প্রতি ঘণ্টায় অন্তত একজন ধর্ষণের শিকার হয়৷ ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের জনসংখ্যা ৫ কোটি ৬০ লাখেরও কম৷ সেখানে প্রতি বছর ধর্ষণের শিকার হয় প্রায় ৭৮ হাজার নারী৷ তার মানে সেখানে প্রতি ঘণ্টায় ৯ জনেরও বেশি নারীকে ধর্ষণ করা হয়৷ ভারতে প্রতি বছর ১ হাজারের মধ্যে ১ দশমিক ৮ জন নারী ধর্ষিত হয়, বেলজিয়ামে সংখ্যাটা প্রায় ৩০, যুক্তরাষ্ট্রে ২৭ দশমিক ৩ আর ব্রিটেনে ২৮৷'' বেলজিয়ামের অধ্যাপক এ সব তথ্য দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন, ধর্ষণ শুধু ভারতে নয়, সব দেশেই হয়, তথাকথিত উন্নত দেশগুলোও এক্ষেত্রে মোটেই পিছিয়ে নেই৷ সেদিন কাগজে পড়েছি-ফ্লোরিডারএক উন্মুক্ত সৈকতে দিনের বেলা শত শত মানুষের উপস্থিতিতে এক নারীকে কলেজের কয়েকজন বখাটে ছাত্র মিলে ধর্ষণ করলেও কেউ বাধা দিতে এগিয়ে আসেননি।এই ঘটনা ঘটার সময় কেউ পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগও করেননি। কী ঘটছে তারা দেখেছেন কিন্তু কেউ এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল না।আমেরিকার লোকজনের এই মানসিকতার কারনে ক'দিন আগেই ওবামা স্বীকার করেছেন , ‘‘যুক্তরাষ্ট্রেপ্রতি পাঁচজনে কমপক্ষে একজন নারী হয় ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন, নয়ত ধর্ষণের হাত থেকে কোনোভাবে বেঁচে দুঃস্বপ্নকে সঙ্গী করে জীবনযাপন করছেন৷ মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়েরসামাজিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি ৭টি মুসলিমপ্রধান দেশ- তিউনিসিয়া, মিশর, ইরাক, লেবানন, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্ক জরিপ পরিচালনা করে দেখেছেন-এই ৭দেশের মধ্যে তুরস্ক এবং লেবাননের মেয়েরা সবচেয়ে বেশি খোলামেলা পোশাক পরে, কিন্তু এই দেশ দুটিতে অন্য ৫টি দেশের তোলনায় নারীরা ধর্ষিত হয় একেবারেই কম, পক্ষান্তরে সৌদিআরব এর মত দেশে নারীরা শরীয়াহ মেনে পোষাক পরিধান করে। বালুকাময় মরু প্রান্তরে বালু ঝড় থেকে বাঁচতে কিংবা রৌদ্রের প্রখর তাপ থেকে রক্ষা পেতে ঐ অঞ্চলের মানুষ বরাবরই পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঢেকে রাখে।কিন্তু এসব বেদুইনদের নারী নির্যাতন সব বর্বরতাকে হার মানায়। সেখানে নতুন আইন করা হয়েছে, যে সমস্ত নারীর চোখ সুন্দর বা আবেদনময়ী, তাদের চোখে সানগ্লাস আটাতে হবে! চোখের ইশার দিয়েই যেন তারা দুর্বলচিত্ত পুরুষের চরিত্রে স্থলন ঘটাতে না পারে। কিন্তু তারপরও কি সৌদি নারীরা নিরাপদে থাকছেন? তাদের পোষাক কি পুরুষদের যৌন-লালসা রোধ করতে পারছে? বরং সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের সকল দেশের লোকেদের লাম্পট্য জগৎ জোড়া বিপুল কুখ্যাতি কুড়াচ্ছে। অথচ আমাদের পাহাড়ি নারীরা মাত্র একটি কাপড় ব্যবহার করে শরীরের উপরের ও নিচের অংশ ঢেকে থাকে। শহরের নারীরা ওই পাহাড়ের নারীদের চেয়ে শরীরের বেশি অংশ ঢেকে রাখে।তারপরও তারা কেন নিগ্রহের শিকার হয়? বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে প্রতিদিন যতগুলো শিশুধর্ষণ হয়, বালিকা ধর্ষণ হয় তার কারণ কী পোষাক? পোষাক ই যদি সবকিছুর জন্য দায়ী হবে,তাহলে ৭১ এ এত এত নারীরা ধর্ষিত হয়েছে, তাদের সবার পোষাক উগ্র ছিল কি? বিশ্বে ফিনল্যান্ডের নারীরা সবচেয়ে বেশি নারীস্বাধীনতা ভোগ করে (যত্রতত্র স্বল্পবসনা হয়ে ঘুরে বেড়ানো এবং মাতাল হওয়া থেকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পর্যন্ত সবকিছু), সে দেশে ধর্ষন নেই বললেই চলে।কারন সেখানে নারী সম্পর্কে পুরুষের দৃষ্টিভংগি অনেক উন্নত, তাছাড়া কঠোর শাস্তি নারী নির্যাতনের জন্য। আসলে পোশাক মেয়েদের শ্লীলতাহানীর হাত থেকে বাঁচায়-এ কথা ঠিক নয়। পুরুষের লম্পট প্রবৃত্তি মেয়েদের পোশাক দেখেই জাগ্রত হয় না।লম্পট পুরুষরা বন্ধুদের নিয়ে আগে থেকে প্ল্যান করে এগোয় প্রবৃত্তি চরিতার্থ করার জন্য। এখন এই অসুস্থ পুরুষদের কামনা থেকে বাঁচাতে আমরা দেশের সব মেয়েকে বোরখায় বন্ধী করে রাখি, তা হবে রবী ঠাকুরের জুতা আবিস্কারের মত, রাজার পায়ে যাতে ধুলা না লাগে, তা করতে গিয়ে কি আমরা জগত ধুলা-কাদাময় করে ফেলবো। নাকি সেই অল্পসংখ্যক ধর্ষকামী বখাটেদের আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে সুন্দর সমাধান করব? আমাদের দেশে দেখা যায়, শতকরা নব্বই ভাগ ঘটনায় নারীটি নির্যাতনকারীকে চেনে। গ্লোবাল স্টাডি বলছে প্রায় ৩০% ক্ষেত্রে অপরাধী নারীটির নিকট আত্মীয় আঙ্কেল, ভাই, বাবা কিংবা কাজিন। প্রায় ৬০% ক্ষেত্রে ভিকটিম নির্যাতনের শিকার হয় প্রতিবেশী, পরিবারের বন্ধু স্থানীয় কোন ব্যক্তি, শিক্ষক দ্বারা এবং কেবল মাত্র ১০ শতাংশ ক্ষেত্রেই শিশুটি নির্যাতিত হয় সম্পূর্ণ অচেনা কারো মাধ্যমে। আমার মা-বোন আলাদা মানুষ, আলাদা সত্ত্বা। তারা কী পোশাক পরবেন সেটা একান্তই তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।কোন মেয়ে কতটা খোলামেলা পোশাক পরলো এটা তার ব্যাজতিগত ব্যাপার।কিন্তু ব্যক্তির লাম্প্ট্য যৌন অপরাধ প্রবণতা নির্ভর করে তার শিক্ষা, সমাজ ও পরিবারে বিদ্যমান মানবিক মূল্যবোধ, সুস্থ বিনোদন প্রাপ্তি, আইনের শাসন ইত্যাদির উপর। যে কোন নারী একটা সমাজে কতটা নিরাপদ তার দ্বারা নির্ণয় করা যায় সে সমাজ কতটা সভ্য কিম্বা কতটা অসভ্য। আমাদের প্রাচীন ইতিহাসের দিকে তাকালেও দেখা যাবে, মুসলিম শাসনের পূর্বে এদেশের নারী-পুরুষ উভয়েই একই ধরনের পোশাক পরিধান করতেন। নীহাররঞ্জন রায় তার ‘বাঙ্গালির ইতিহাস’ গ্রন্থে লিখেছেন, ‘নারী এবং পুরুষ উভয়ই পরতেন একটি মাত্র বস্ত্র-শাড়ি অথবা ধুতি।…নারী ও পুরুষ উভয়ই শরীরের উপরের অংশ খোলা রাখতেন। কই, আমাদের পূর্বপুরুষদের নারীর শ্লীলতাহানীর তো কোন ইতিহাস নেই। নারীর বক্ষ উন্মুক্ত সেই অজুহাতে শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণ যদি হত, তাহলে আমাজন রেইন ফরেস্ট বা ক্যলর্ফোনিয়ার ন্যুড ভিলেজগুলিতে মেয়েরা নিরাপদে বসবাস করতে পারতো না।

রেল বাজেট ২০১৬ :

রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু দ্বিতীয় রেল বাজেট পেশ শুরু করলেন সংসদে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক প্রভুর রেল বাজেটঃ রেলের পুনর্গঠন, পুনর্নিমাণ প্রয়োজনঃ সুরেশ প্রভু অপারেটিং রেশিয়ো ৯২ শতাংশে নামিয়ে আনা লক্ষ্য রেলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য রেলকে গতিশীল করার চেষ্টা ২০২০-র মধ্যে যখন চাইবেন তখনই টিকিট খড়্গপুর-মুম্বইডিরেক্ট ফ্রেট করিডর খড়্গপুর-বিজেয়ওয়াড়া ডিরেক্ট ফ্রেট করিডর ভাড়া বা মাসুল বৃদ্ধি করে রেলের আয় বৃদ্ধি নয় ৯২ হাজার কোটি ব্যয় ৪৪টি নতুন প্রকল্প যাত্রীবাহী ট্রেনের গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার করার লক্ষ্য ব্যয় সঙ্কোচের ফলে গতবছর বেঁচেছে ৮, ৭২০ কোটি টাকা জেনারেল কামড়াতেও মোবাইল চার্জ দেওয়ার সুবিধা সময়ে ট্রেন চলানো, সবাইয়ের জন্যে সংরক্ষণ প্রাথমিক লক্ষ্য পিপিপি মডেলে স্টেশনের আধুনিকীকরণ .টাকা নিয়ে কেনা যাবে ই-বেডরোল . উত্তর-পূর্ব ভারতে ২৫০০ ন্যারো গেজ লাইনকে ব্রড গেজ করার পরিকল্পনা . মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে দুটি ইঞ্জিন কারখানা . যাত্রী সুরক্ষা-পরিচ্ছন্নতায় জোর . আগামী দুবছরে ৪০০ স্টেশনে ওয়াই-ফাই . প্রতি কামরায় বয়স্কদের জন্যে ৫০ শতাংশ আসন সংরক্ষণ . মহিলা সুরক্ষায় ৩১১টি স্টেশনে অতিরিক্ত সিসিটিভি . অনলাইনে বুক করা যাবে প্ল্যাটফর্মে হুইলচেয়ার . মহিলা-প্রবীণদেরজন্যে লোয়ার বার্থের ব্যবস্থা . মোবাইল অ্যাপসে টিকিট বুকিংয়ের সুবিধা . ২০০০ কিলোমিটার লাইনের বৈদ্যুতিকরণ করা হবে .‪ অনলাইনে‬রিটায়রিং রুম বুকিংয়ের ব্যবস্থা . প্রতিদিন ৭ কিলোমিটার করে লাইনে গেজ পরিবর্তন করা হবে . মহিলা যাত্রীদের হেল্পলাইন নম্বর ১৮২ . মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অভিযোগ ও পরামর্শ জানানোর ব্যবস্থা করা হবে . হামসফর, তেজস, উদয় নামের তিনটি নতুন ট্রেন . উদয়, ডবল ডেকর এসি শুধু রাতে চলবে . তেজসের গতিবেগ হবে ঘন্টায় ১৩০ কিলোমিটার . দূরপাল্লার ট্রেনে অতিরিক্ত দুটি করে অসংরক্ষিত কামরা . অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেস নামে আরও একটি নতুন ট্রেন . টিকিট বাতিল করা যাবে মোবাইল অ্যাপস থেকে . যাত্রীদের জন্যে বিমার সুযোগ . অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেসে শুধুমাত্র অসংরক্ষিত কামরা থাকবে . হামসফর এক্সপ্রেসের পুরোটাই থ্রি এসি . তত্কাল টিকিটে কারচুপি রুখতে স্টেশনে সিসিটিভি . যাত্রীদের জন্যে বিমার সুযোগ . ট্রেনে বিনোদনের জন্যে বাজবে এফএম – রেডিও . টিকিট বুক করার সময় শুধুমাত্র প্রথমবার নাম নথিভুক্ত করার সময় মিলবে ছাড় . মালগাড়ির ক্ষেত্রেও এবার নির্দিষ্ট টাইম টেবিল তৈরি করা হবে . মু্ম্বই-আমদাবাদরুটে বুলেট ট্রেনের কাজ শুরু . পণ্য মাসুল পর্যালোচনা করা হচ্ছে . মহিলাদের জন্যে ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের সুবিধা . ২০টি স্টেশনে বিজ্ঞাপন দিয়ে আয় . ২০১৮-র মধ্যে ১০০ কিলোমিটার ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর পথ . ব্যয় সঙ্কোচে ট্রেনে সোলার আলো . রেলের কেটারিংয়ে আন্তর্জাতিক মানের চাইল্ড মেনু তৈরির ব্যবস্থা রাখা হবে . ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর পথ বাড়বে ৫ কিমি, ২০১৮-র মধ্যে শেষ হবে প্রথম পর্যায়ের কাজ . কলকাতা মেট্রোর পথ বাড়ছে ১০০ কিমি.

ঠিক যতদিন...... বাঙ্গালী হিন্দুর পালাবার সুযোগ আছে,...

ঠিক যতদিন...... বাঙ্গালী হিন্দুর পালাবার সুযোগ আছে,... ...... অর্থাৎ...... বাংলাদেশের হিন্দুরা ভাববেন,.... "আর কি? পাশেই তো হিন্দুর দেশ ভারত। তেমন কিছু হলে না হয় ভারতেই গিয়ে আশ্রয় নেওয়া যাবে"। ....বা.... যে মুহুর্ত পর্যন্ত এমন ভাবে নেংটি'র মত পালিয়ে গিয়ে অন্যদেশে আশ্রয় নেবার এক চুলও আশা থাকবে,.... কিংবা.... পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের কাছে প্রথমে.... একেকটি মুসলমান লাগোয়া অঞ্চল থেকে পালিয়ে কোন হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় ঠাঁই পাওয়া..... ....এবং পরে..... "সারা দেশ... তো আছেই,... কোন না কোন জায়গা ঠিক কপালে জুটবেই".... গোছের আত্মতৃপ্তিতে ঢেঁকুর তোলার যায়গা থাকবে.... ...তত দিন বাঙ্গালী হিন্দুকে মার খেতে হবে। তার মেয়েদের নিয়ে ধর্ষন করার সুযোগ থাকবে। তাদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে তার সর্ব সম্পত্তি লুঠ করে মাল-ই-গনিমত আস্বাদনের সুযোগ থাকবে। - কোন রাস্তা নেই ! কিন্তু... তারপর?? বঙ্কিম... সুভাষ, বিনয়, বাদল, দিনেশ,... স্বামিজী, মাষ্টার'দা, প্রীতিলতা'র... উত্তর পুরুষ এই বাঙ্গালী হিন্দুই একদিন আরেকটা ইস্রায়েল তৈরি করবেনই করবেন । ..... আর... সেই দিনটা এই দুচোখে দেখে যেতে চাই। এমনকি তার জন্যে লক্ষ-কোটি বার হলেও.... এই বীরভুমেই আমি যেন জন্মাই। Raja Debnath

মানসিক চাপও কমাবে, জেনে নিন তুলসির আরও ৫ টি অজানা গুণ

হাজার হাজার বছর ধরে তুলসি ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তুলসি আমাদের মানসিক চাপ কমায়, হজম ভালো করে, মাথাব্যথা কমায়। এর মধ্যে রয়েছে আরও অনেক ওষুধিগুণ। এক ঝলকে জেনে নিন তুলসির পাঁচ ওষুধিগুণের কথা – ১) নিরাময় শক্তি - তুলসির মধ্যে রয়েছে অনেক ওষুধিগুণ। তুলসি পাকস্থলীর শক্তি বাড়ায় এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। ২) কিডনির পাথর - তুলসি কিডনির পাথর প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৬ মাস নিয়মিত তুলসির সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে কিডনির পাথর দূর হতে সাহায্য করে। ৩) মানসিক চাপ - তুলসির মধ্যে রয়েছে মানসিক চাপ কমানোর উপাদান। গবেষণায় বলা হয়, তুলসি মানসিক চাপ প্রতিরোধে সাহায্য করে। সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চারদিন ১২টি করে তুলসিপাতা খেলে মানসিক চাপ কমে। এ ছাড়া তুলসিপাতা মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ৪) হজমে সাহায্য করে - তুলসি হজম ভালো করতে সাহায্য করে এবং হজমের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম নিঃসরণে সাহায্য করে। ৫) ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে - তুলসির শেকড় গুঁড়ো করে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ইনসুলিনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। http://zeenews.india.com/bengali/health/how-good-for-health-is-tulsi_137112.html

Wednesday, 24 February 2016

রেন্ডিক্যাল বিপ্লবী

রাষ্ট্র শোষণের যন্ত্র৷ তাই কাশ্মীরের আজাদী চাই৷ আজাদী দেওয়া হইলো৷ এখন কি হইবে? কাশ্মীর নামক আর একটি নতুন রাষ্ট্রের গঠন হইবে? এই নতুন রাষ্ট্রও তো তত্ত্বানুসারে একটি নতুন শোষণের যন্ত্রই হইবে! তখন আপনাদের আন্দোলনের ইস্যু কি হইবে? রেন্ডিক্যাল বিপ্লবীরা একটু খোলসা করিয়া বলিবেন কি?