Friday, 3 June 2016

চন্দ্রকোনারোডে সত্যি ই কিছু হয়নি (তাই ২৫০০ পুলিশ না খেয়ে টাইম পাস করছেন ওখানে)..!!!

✺►চন্দ্রকোনারোডে সত্যি ই কিছু হয়নি (তাই ২৫০০ পুলিশ না খেয়ে টাইম পাস করছেন ওখানে)..!!! =================================================== ✺►প্রণব দা চন্দ্রকোনার বাসিন্দা ! তার লেখা পড়ুন চন্দ্রকোনা রোডের লেটেস্ট আপডেট হল, ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চন্দ্রকোনা রোডের সমস্ত দোকান পাট এখনও বন্ধ আছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিএসপি আজ ওখানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন বনধ তুলে নিতে, কিন্তু ব্যবসায়ীরা তাতে কর্নপাত করেননি। তাদের একটাই দাবী গ্রেফতার হওয়া হিন্দুদের মুক্তি দিতে হবে। আজ বিকেলেও মাইকে করে অনুরোধ করা হয়েছে দোকানপাট খোলার জন্য। ✺►বিভিন্ন হিন্দু পাড়ায় কমপক্ষে ১০-১৫ টি পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে , প্রত্যেকটিতে ২০০-২৫০ জন করে পুলিশ আছেন। বাজার এমনভাবে বন্ধ যে, এই পুলিশরাও কিছু কিনে খেতে পারছেন না, এমনকি রাস্তার ধারের চায়ের দোকান অবধি বন্ধ। জনসাধারন ই যে যেমনভাবে পারছেন পুলিশদের খেতে দিচ্ছেন। বিকেল অবধি ১৪৪ ধারা তুলে দেওয়ার কোনও প্রকাশ্য খবর নেই, তবে ভেতরে ভেতরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও হতে পারে। সাধারন বাজার তো বন্ধ ছিলই, তার সাথে, চন্দ্রকোনা রোডের অর্থনীতির মুল চালিকা শক্তি , অর্থাৎ আলুর কোল্ড স্টোরেজ গুলিও বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে অনির্দিস্টকালেরজন্য। ✺►বাঙালী হিন্দু দের যে স্বার্থপরতার উদাহরন আমরা দেখি, এক্ষেত্রে তার উজ্জ্বল ব্যাতিক্রম আমরা দেখছি, ব্যাক্তিগত স্বার্থ ভুলে ব্যবসায়ীরা নিজেদের ব্যবসা ও কোল্ড স্টোরেজ বন্ধ রাখছেন কোনও রকম রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা ছাড়াই, সেটাও একটা বড়ো পাওনা। ✺►হিন্দুরা শান্তি ও অহিংসায় বিশ্বাস করে, তাই প্রশাসনের ওপরে চাপ দেওয়ার এই রাস্তা কে স্বাগত না জানিয়ে পারছি না। পুনশ্চ : সত্যি ই ওখানে কিছু হয়নি, দুজন ড্রাইভারের মধ্যে সামান্য ঝামেলা, তাই ২৫০০ পুলিশ না খেয়ে টাইম পাস করছেন ওখানে....!!! → Sudip Bhattacharya ←

Thursday, 2 June 2016

Universal truth জেনে নিন

Universal truth জেনে নিন .. 1378 সালে ভারতের এক অংশ আলাদা হয়ে মুসলিম রাষ্ট্র হয় - নাম ইরান . 1761 সালে ভারতের এক অংশ আলাদা হয়ে মুসলিম রাষ্ট্র হয় - নাম আফগানিস্তান. 1947 সালে ভারতের এক অংশ আলাদা হয়ে মুসলিম রাষ্ট্র হয় - নাম পকিস্তান . 1971 সালে ভারতের এক অংশ আলাদা হয়ে মুসলিম রাষ্ট্র হয় - নাম বাংলাদেশ . 1952 থেকে 1990 এর মধ্যে ভারতের এক রাজ্য মুসলিম রাজ্য হয়েছে - নাম কাশ্মীর... এবার উত্তরপ্রদেশ, আসাম, কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গ মুসলিম রাজ্য তৈরির পথে ! আর আমরা যখন হিন্দু শক্তিকে জাগ্রত করার কথা বলি, সত্যিটা বলি তখনই কিছু লোক আমাদের RSS, VHP আর SHIV-SENA, BJP বলে ঝেড়ে ফেলতে চায় ! 1 মিনিট চ্যাটিং ছেড়ে এটা অবশ্যই পড়ুন . ভারতে মুসলমান কারা শেষটা পড়লে বুঝতে পারবেন.....নামে ভারত কে টুকরো করেছে যে - জিন্না মুসলমান ছিল |রক্ত ঝরিয়েছে যারা - সেই সব সুলতান মুসলিম ছিল ||জবরদস্তি মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করিয়েছে - সেই সব আরবরা মুসলিম ছিল | বানিয়েছে - সেই বাবর মুসলিম ছিল ||তেগ বাহাদুর এর মাথা কেটে ছিল - সেই ঔরঙজেব মুসলিম ছিল |পণ্ডিতদের নরসংহার করেছিল - সেই আতঙ্কবাদীরা মুসলিম ছিল ||ধমকা করেছিল - সেই দাউদ মুসলিম ছিল |5কোটি বাংলাদেশী কাঙালি অনুপ্রবেশকারী - সব মুসলিম |কালী মুর্তি যারা ভেঙ্গে ছিল - তারা সবাই মুসলিম |- আফজল মুসলিম ||পুড়িয়ে হত্যা করেছিল - তারা সব মুসলিম |আসাম, কাশ্মীর থেকে হিন্দুদেরকে তাড়াচ্ছে - তাড়া সবাই মুসলিম ||গুলিবিদ্ধ করে - সে মুসলিম, কাসব |যাত্রা রুখতে চেয়েছিল - সেই গিলানি মুসলিম ||চালু করে - সেই মন্ত্রী মুসলিম ( কংগ্রেস )| কথা বলে - ওবেসী মুসলিম || মুসলিম || মুর্দাবাদ বলে - মুসলিম | পতাকা জালায় - মুসলিম || ক্যানিং, দেগঙ্গা, বর্ধমান এ রেপ, খুন,ডাকাতি, বোম্ব ব্লাস্ট করে - সব মুসলিম | হাত মিলিয়ে দেশকে বরবাদ করার কথা ভাবে - সব মুসলিম !!!! শেয়ার করবে না তারা (গিয়াসউদ্দিন গাজী নাম পরিবর্তন করে গয়ারাম নেহেরু (খাল পাড়ে বাস করত, আরবি নেহের = বাংলা খাল, নেহের>নেহেরু ) পুত্র - মতিলাল নেহেরু, পুত্র - জহরলাল নেহেরু,- - - পরের প্রজন্ম সবাই জানে ) এই রকম বংশের। মু = মুলায়ম স = সোনিয়া ল = লালু মা = মমতা ন = নীতিশ

Monday, 30 May 2016

আইএস কি আমেরিকা ইসরায়েলের সৃষ্টি??

প্রশ্ন:আইএস কি আমেরিকা ইসরায়েলের সৃষ্টি?? উত্তর্ঃহ্যা ওদেরই সৃষ্টি অন্ততপক্ষে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানী হুজুরেরা তো তাই বলে। প্রশ্নঃহুজুরেরাকিভাবে জানল যে ওরা ইসরায়েল আমেরিকার সৃষ্টি? উঃআমাদের হুজুরদের সাথে ওবামার যোগ আছিল মনে হয়:-)

Saturday, 28 May 2016

মমতা ব্যানার্জী একই সাথে ঈশ্বর ও আল্লাহ -র নাম নিলেন

মমতা ব্যানার্জী একই সাথে ঈশ্বর ও আল্লাহ -র নাম নিলেন। উনি কি জানেন, সিদ্দিকুল্লার মত কাটমোল্লাদের সামনে ঈশ্বরকে আল্লাহ -র শরিক বানিয়ে উনি চরম গুনাহ করলেন এবং একজন 'মুশরিক'- এ পরিণত হলেন? সিদ্দিকুল্লারা কিন্তু একজন মহিলা মুশরিকের নেতৃত্বে পাঁচ বছর কাজ করার শপথ নিলেন! ইসলাম মোটেই একে অনুমোদন করে না। আমি জানি ওরা প্রতিদিন আল্লাহ - র কাছে এজন্য তওবা করবেন এবং বাংলাকে দারুল ইসলাম বানানোর জন্য জেহাদের প্রক্রিয়া জোর কদমে চালিয়ে যাবেন। এটাই তাদের প্রায়শ্চিত্ত। কিন্তু ভুল করেও তাদের মনের ভাব প্রকাশ্যে ব্যক্ত করবেন না। এবং মুসলিম সমাজ দাঁতে দাঁত চেপে তাদের এই স্ট্যান্ডকে সমর্থন দিয়ে যাবে তা ইসলাম অননুমোদিত হলেও। কারণ তারা জানে এইভাবেই এই বাংলায় শেষ পর্যন্ত ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে। মুসলমান, দরিদ্র কৃষক হোক অথবা বিত্তশালী, অশিক্ষিত হোক বা আইপিএস - প্রত্যেকের আচরণ এবং চিন্তাধারা তাদের জাতিগত লক্ষ্যের অনুসারী। আর হিন্দুর সামনে জাতিগত কোন লক্ষ্য নেই। হিন্দু সমাজ একটা দিশাহারা নৌকার মত। ডুবে যাওয়া খালি সময়ের অপেক্ষা।

Thursday, 26 May 2016

যোগগুরু রামদেব বাবা ও সংস্কৃত বিশেষঞ্জ ও নানান গুরুকুলের অনেক প্রচেষ্টায় তৈরি হচ্ছে বেদ পঠনপাঠনের জন্য আলাদা বোর্ড

যোগগুরু রামদেব বাবা ও সংস্কৃত বিশেষঞ্জ ও নানান গুরুকুলের অনেক প্রচেষ্টায় তৈরি হচ্ছে বেদ পঠনপাঠনের জন্য আলাদা বোর্ড। এই বোর্ড গঠনের জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে হয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজীকে আর বিশেষ ধন্যবাদ জানাই এইচ.আর.ডি মন্ত্রী স্মৃতি ইরাণীজী কে।

নবী মোহাম্মদের মৃত্যু

নবী মোহাম্মদের মৃত্যুর মাত্র তিন মাসের মধ্যে তার প্রিয় কন্যা হযরত ফাতেমা মারা গেলেন। আসলে তাকে হত্যা করা হলো। নবীজির মৃত্যু ছিল এক বিরাট শোক। চার বছর তীব্র রোগশোক ভোগ করে নিদারুণ কষ্ট ভোগ করে নবীকে দুনিয়া ত্যাগ করতে হযেছিল। চার বছর আগে খয়বর দখলের সময় এক ইহুদী বুড়ি তার সন্তান হত্যার প্রতিশোধ নিতে মাংসে বিষ মিশিয়ে নবীর সামনে পরিবেশ করেন। সেই বিষ মাখানো মাংস ভক্ষণ করে তিনি বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন(সহি বুখারী, খন্ড-৭, অধ্যায়-৭১, হাদিস- ৬৬৯, যাদুল মায়াদ, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৩৯, ফতহুল বারী, সপ্তম খণ্ড, পৃ. ৪৯৭ ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৩৭ )। নবীজির মৃত্যুর পর খিলাফতের অন্যতম উত্তরসূরী বলে বিবেচনা করা হচ্ছিল হযরত আলীকে। অন্তত নবী কন্যা ফাতিমা ও জামাতা আলীর এতে কোন সংশয় ছিল না। কিন্তু নবীর মৃত্যুর পর গণেশ উল্টে যায়। বয়োজ্যেষ্ঠ যুক্তি দেখিয়ে আবু বকরকে আলী বিরোধীরা খলিফা (শাসক) নিযুক্ত করেন। এটি ছিল ফাতেমা ও আলীর জন্য চরম হতাশার। এমনকি নবীজির ব্যক্তিগত সম্পত্তি ‘ফদক’ (ফলের বাগান) কেড়ে নেয়া হয় ফাতেমা কাছ থেকে। এই বাগানটি আসলে ছিল হিজাজের ইহুদীদের শমরুখ দূর্গ দ্বারা সংরক্ষিত যা ইহুদীদের থেকে নবীজি দখল করেন। পরে এটি গণিমতের মাল হিসেবে নবী নিজের ভাগে নেন। ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে পরে এটি কন্যা ফাতেমাকে দান করেন নবী- এমনটাই দাবী হযরত ফাতেমার। কিন্তু সদ্য খলিফা নিযুক্ত হওয়া আবু বকর বলেন, নবীদের কোন উত্তোরাধিকার থাকে না। এই যুক্তিতে বাগানটি রাষ্ট্রয়ত্ব করে নেন আবু বকর। খিলাফত নিয়ে আলী অনুসারী ও আবু বকর, ওমর অনুসারীদের মধ্যে চলছিল পরস্পর ঝগড়া-বিবাদ, ষড়যন্ত্র, শত্রুতা, কুরআন অবমাননার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। খলিফার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের গোপন বৈঠকের অভিযোগ তুলে এক রাতে হযরত ফাতেমার ঘরে ওমরের নেতৃত্বে আবু বককের অনুসারীরা হামলা চালালে হযরত ফাতেমা স্বামী আলীকে রক্ষা করতে দুই পক্ষের মাঝখানে এসে দাঁড়ান। হযরত ওমরের নির্দেশে তার ভৃত্য ‘কুনফুয’ তলোয়ারের বাট দিয়ে ফাতেমার তলপেটে আঘাত করলে তার গর্ভপাত হয়ে যায়। এই অসুস্থতাতেই দীর্ঘ শয্যাশায়ী থেকে মাত্র ২২ বছর বয়েসে ফাতেমা মারা যান (তালখিছুশ শাফি, ৩/১৫৬, শারহুত তাজরিদ/৩৭৬, দালায়েল উল ইমামাহ/৪৫)। সুন্নী আলেমরা হযরত ফাতেমার মৃত্যু বিষয়টি এড়িয়ে যান সব সময়। এ সম্পর্কে তাই আমাদের শিয়াদের লিখিত বইগুলো থেকে বিস্তারিত জানতে হয়। হযরত মুহাম্মদের প্রিয় স্ত্রী আয়েশা ও প্রিয়তম কন্যা ফাতেমার মধ্যে ছিল তুষের আগুনের মত চাপা কলহ। নবী কন্যা ফাতেমা ও তার স্বামী সন্তানদের বিশেষ মর্যাদা দেয়াই ছিল এই কলহের কারণ। কথিত আছে ফাতেমা মৃত্যুর পর নবীর স্ত্রীদের সকলে তাকে দেখতে গেলেও আয়েশা যাননি। নবী পরিবারের সদস্যদের প্রতি এই নিষ্ঠুরতার ব্যাখ্যা কোনদিনই ইসলামী স্কলাররা দেননি। কেন ইসলাম কায়েম হওয়ার পর মুসলিমরাই নিজেদের মধ্যে হানাহানিতে লিপ্ত হলো, তাও প্রধান সব সাহাবীরা- এর ব্যাখ্যা কি, এসব প্রশ্নের কোন সদুত্তর কখনই পাওয়া যায়নি। মক্কা-মদিনার অলি-গলিতে যত কাফের-মুশরিকদেরআর্তনাদ তথনো বাতাসে ভেসে বেরাতো, সেদিন বুঝি তারা সকলেই অট্টহাসি দিয়েছিল! ফদক নামের ইহুদীদের ফলের বাগানটিও বার বার নবী বংশধরদের হাতছাড়া হয়ে গেছে। জবরদখল করে নিয়েছে খোদ মুসলিমরাই! ইসলামের ইতিহাসে শান্তি শব্দটিই অনুপস্থিত। ইসলাম প্রথম থেকেই ধর্মরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে এসেছে। এটি সুস্পষ্ট রাজনীতি। আর এই রাজনীতিক ষড়যন্ত্রের নির্মম শিকার হয়েছিলেন হযরত ফাতেমা। ধর্ম ও রাজনীতিকে মেশাতে গিয়ে যে বিষবৃক্ষের সৃষ্টি হয়েছিল তার প্রথম খেসারত দিতে হয়েছিল খোদ নবী তনয়াকে। এটি ছিল মুসলিমদের ধর্ম সংস্কার করার জন্য একটি শিক্ষা। কিন্তু তারা গত ১৪০০ বছর ধরে এ থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করেনি। লিখেছেন- Susupto Pathok

কংগ্রেস আর বিজেপির মধ্যে যে আকাশ পাতাল ফারাক তার সুন্দর নিদর্শন তুলে ধরলাম।

কংগ্রেস আর বিজেপির মধ্যে যে আকাশ পাতাল ফারাক তার সুন্দর নিদর্শন তুলে ধরলাম। এদের কাজই হল মগজ ধোলাই করা। দেশ সব্বাইকে ভুলে খালি এদের মনে রাখবে। আর দেশ এদের ৬৭ বছর ধরে ভোট দিয়ে গেল। পুরপুরি হীরক রাজার দেশ।