Sunday, 5 June 2016

ধরুনঃ ভারতের কোনো এক রাজ্যের মসজিদ প্রাঙ্গণে শুয়োর হত্যা করে রক্তে ভাসিয়ে দেওয়া হল। এর প্রতিক্রিয়া কি হবে?

ধরুনঃ ভারতের কোনো এক রাজ্যের মসজিদ প্রাঙ্গণে শুয়োর হত্যা করে রক্তে ভাসিয়ে দেওয়া হল। এর প্রতিক্রিয়া কি হবে? ১) দেশ বিদেশের সকল মিডিয়ার হেডলাইন করা হবে খবরটি। সারা বছর ধরে চলবে আলোচনা। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোথায়!! ২) বিরোধী দলগুলো ফায়দা তুলতে আমরণ অনশনের ডাক দেবে। ৩) টুইটার, ফেসবুকে বুদ্ধিজীবী আর সেলিব্রেটিদের কান্নার রোল পড়ে যাবে। ৪) আদালত স্বপ্রণোদিত মামলা করে দোষী কে সর্বোচ্চ শাস্তি দিবে। ৫) এই ঘটনার রেশ চলে যাবে বাংলাদেশ আর পাকিস্তানে। সেখানে হাজার হাজার মন্দির ধ্বংস করা হবে। যেমনটি হয়েছিল ৯২ সালে। কিন্তু বাংলাদেশী হিন্দুরা ততটা ভাগ্যবান নন। তাই রাধাগোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গনে ইচ্ছে করে গোহত্যা করলে কিংবা হিন্দু বাড়ির সামনে গরুর নাড়িভুঁড়ি ফেললেও সেখানে দেখবার কেউ থাকেনা, কেউ জানতেও পারে না কিছু। কেবল মনে মনে ঈশ্বর বিচার করবেন বলে বেঁচে থাকতে হয়। যদিও তাকে ঠিক বেঁচে থাকা বলে না। বলে কিWatch out for stuff no one in the Indian state of floating mosque compound in the blood of pigs were killed. What will be the reaction? 1) All national and international news media headlines would be. Discussion will continue throughout the year. Where is the protection of minorities !! Ii) take advantage of the opposition will call a hunger strike. 3) Twitter, Facebook, intellectuals and celebrities will cry. 4) Who is guilty, the maximum penalty will be filed court voluntarily. 5) The taste of this event will go to Bangladesh and Pakistan. Thousands of temples will be destroyed. As in the 9. But Bangladeshi Hindus are not so lucky. So Radhagovinda Hindu temple premises, or if you wish cow slaughter and beef tripe in front of the house, even if there is no one there to see, no one can know anything. I think that only God will judge survive. Although he did not say just survival. What say

চন্দ্রকোনা আপডেট

চন্দ্রকোনা আপডেট হিন্দুদের প্রতিরোধ এবং ঐক্যবদ্ধভাবে বন্ধ জারি রাখায় প্রশাসন খুব চাপে আছে | আজ ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবসায়ী কমিটিকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন | তিনি হিন্দুদের তিনটি শর্তই মেনে নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন | আমাদের তিনটি শর্ত হলো : - ১) অবিলম্বে যে সমস্ত হিন্দু ছেলেদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের ছেড়ে দিতে হবে | ২) বাজার এলাকা থেকে অবৈধ ব্যবসায়ীদের (মূলত মুসলমান) সরিয়ে দিতে হবে | ৩) চন্দ্রকোনা রোডের মত হিন্দু অধ্যুসিত এলাকায় শুধুমাত্র জমির মালিকানা আছে বলে মসজিদ নির্মান করা যাবে না | ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট-এর এই প্রতিশ্রুতিতে আমরা ভুলছি না | বন্ধ থাকছে যতক্ষণ না পর্যন্ত আমাদের ছেলেদের মুক্তি দেওয়া হয় আর মসজিদ নির্মান না হওয়ার ব্যাপারে লিখিত আদেশ না দেওয়া হয় |

Saturday, 4 June 2016

মুসলিমদের শিক্ষা প্রসারে এডুকেশন ট্রাস্ট খুলছে RSS-এর মুসলিম শাখা।

মুসলিমদের শিক্ষা প্রসারে এডুকেশন ট্রাস্ট খুলছে RSS-এর মুসলিম শাখা। --------------------------------------------------------------------------- MRM-এর এক অনুষ্ঠানে RSS নেতা ইন্দ্রেশ কুমার (ফাইল ফোটো)পুনে, ২০ ডিসেম্বর : মুসলিমদের শিক্ষা প্রসারে নয়া উদ্যোগ RSS অনুমোদিত মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ বা MRM-এর। এডুকেশন ট্রাস্ট খুলছে তারা। আগামীকাল পুনেতে এই ট্রাস্টের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন RSS নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা উর্দু কবি আশফাকে উল্লাহ খানের নামে ট্রাস্টটির নাম রাখা হয়েছে “শহিদ আশফাকে উল্লাহ খান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট”। মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে তারা। এ ছাড়া, মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপও দেওয়া হবে। ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট লতিফ মাগদুম জানান, সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের জন্য কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, স্কুল খোলা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকবে এড়ুকেশন ট্রাস্ট। ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট বলেন, “শুধুমাত্র MRM সদস্যরা ওই ট্রাস্টের সদস্য হতে পারবেন।” ছত্তিশগড়ের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মহম্মদ সেলিম আশরাফি ট্রাস্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে কেএস সুদর্শন RSS প্রধান থাকার সময় MRM গঠন করা হয়।

গোমাতা হচ্ছে ভারতবর্ষের প্রান এর হত্যা ভারতবর্ষে শয্য করা যাবে না

পন্ডিত মদনমোহন মালব্য কলকাতায় কংগ্রেসের আধিবেশনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন--- "গোমাতা হচ্ছে ভারতবর্ষের প্রান এর হত্যা ভারতবর্ষে শয্য করা যাবে না"। এবং পন্ডিতজী ত্রিবেণীর পবিত্র জল হাতে নিয়ে শপথ নিয়েছিলেন--- " আমি সারা জীবন গোরক্ষা ও গোসেবার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকবো"। দুঃখের বিষয় এখন আর ভারতবর্ষে পন্ডিত ব্যক্তি নেই, কালের প্রভাবে বুদ্ধিজীবী তে রুপান্তরিত হয়েছেন! ইনারা এখন গোহত্যা এবং গোমাংস ভক্ষণ করতে বেশি পছন্দ করেন!! জয় হিন্দ|

বেছে বেছে ঠিক মে মাসের শেষ বা জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে বা পুজোর ছুটির সময় মোল্লারা দাঙ্গা করতে ভালোবাসে, কারণ এই সময় কোর্ট বন্ধ থাকে।

বেছে বেছে ঠিক মে মাসের শেষ বা জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে বা পুজোর ছুটির সময় মোল্লারা দাঙ্গা করতে ভালোবাসে, কারণ এই সময় কোর্ট বন্ধ থাকে। সরকারের তরফ থেকে কেস খাওয়া হিন্দুরা দিশাহারা হয়ে সাহায্য খুঁজতে লেগে পরে। তারপর শাসকদলের দালালরা তাদের ডেকে পাঠায়। শাসকদলে যোগ দিতে পরামর্শ দেয়। শাসকদলের কাছ থেকেই ওদেরই দেওয়া কেসের জন্য টাকা পায়। সেই টাকার কিছু অংশ কেস লড়ার জন্য খরচা হয়। বাকিটা পকেটস্থ হয়। মাঝখান থেকে কিছু অসহায় শান্তিপ্রিয় মানুষের ঘর পোড়ে, প্রাণহানি হয়। লাভ হয় শুধু ওই দালালদের। তাদের পকেট ভারি হয়, আর শাসকদলের দলভারি হয় এই আশায় যে ওই দলে থাকলে নাকি মোল্লারা আর মারবে না। প্রশাসনও নাকি কেস দেবেনা। ফ্যাক্ট কিন্তু অন্য কথা বলে, সমুদ্রগড়ের জুলু ট্যারা আর অস্টমকেই দেখুন না। দুজনেই শাসকদলের পান্ডা ছিল। via Anindya Nandi

তোমরা যেটা-কে তাজমহল নামে চেনো, সেটা অতীতে ছিল হিন্দু-দের পবিত্র একটা মন্দির....!!

✺►তোমরা যেটা-কে তাজমহল নামে চেনো, সেটা অতীতে ছিল হিন্দু-দের পবিত্র একটা মন্দির....!! এভাবেই ভারত বর্ষের তত্কালীন কিছু মুসলিম সম্রাট হিন্দুদের বহু মন্দির ভেঙে মসজিদ সহ অনেক ইসলামিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করে গেছেন। ✺►এই তাজ মহল যে অতীতে একটা হিন্দু মন্দির ছিল এই নিয়ে আসল সত্য যাতে সামনে আসে,এই নিয়ে একটা মামলা সুপ্রিম কোর্ট-এ এখনো বিচারাধীন। VIA Dwaipayan Banerjee

অমরনাথ একটি হিন্দুদের প্রধান তীর্থক্ষেত্রর একটি যা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে অবস্থিত

অমরনাথ একটি হিন্দুদের প্রধান তীর্থক্ষেত্রর একটি যা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে অবস্থিত।এটি একটি শৈব তীর্থ। এই গুহাটি সমতল থেকে ৩,৮৮৮ মিটার (১২,৭৫৬ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত। জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর ১৪১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই তীর্থে যেতে পহেলগাও শহর অতিক্রম করতে হয়। এই তীর্থ ক্ষেত্রটি হিন্দুদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং অন্যতম পবিত্র স্থান বলে বিবেচিত হয়। গুহাটি পাহাড় ঘেরা আর এই পাহাড় গুলো সাদা তুষারে আবৃত থাকে বছরের অনেক মাস ধরে। এমনকি এই গুহার প্রবেশপথও বরফ ঢাকা থাকে।গ্রীষ্মকালে খুব স্বল্প সময়ের জন্য এই দ্বার প্রবেশের উপযোগী হয়। তখন লক্ষ লক্ষ তীর্থ যাত্রী অমরনাথের উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। অমরনাথের গুহাতে চুইয়ে পড়া জল জমে শিবলিঙ্গের আকার ধারণ করে। জুন-জুলাই মাসে শ্রাবণী পূর্ণিমা থেকে শুরু হয় অমরনাথ যাত্রা। শেষ হয় জুলাই-আগস্ট মাসে গুরু পূর্ণিমার সময় ছড়ি মিছিলে। জাতিধর্ম নির্বিশেষে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই অমরনাথ যাত্রায় যোগদান করেন। গুহার ভিতরে ৪০ মিটার (১৩০ ফুট) ভিতরে গুহার ছাদ থেকে জল ফোটায় ফোটায় চুইয়ে পড়ে।এই চুইয়ে পড়া জলের ধারা খাড়া ভাবে গুহার মেঝে পড়ার সময় জমে গিয়ে শিব লিঙ্গের আকার ধারণ করে। আর ৮ ফুট উঁচুও হয় এই শিব লিঙ্গ। জুন-জুলাই মাসে শ্রাবণী পূর্ণিমা থেকে শুরু হয় অমরনাথ যাত্রা। শেষ হয় জুলাই-আগস্ট মাসে গুরু পূর্ণিমার সময় ছড়ি মিছিলে। জাতিধর্ম নির্বিশেষে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই অমরনাথ যাত্রায় যোগদান করেন। তীর্থ যাত্রার প্রধান উদ্দেশ্যই এই শিব লিঙ্গে পূজা দেয়া। বৈষ্ণোদেবী- ======= সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের অধিষ্ঠাত্রী বৈষ্ণোদেবী। গুহামন্দিরে দেবীর তিন ভিন্ন রূপ দেখতে পাওয়া যায়। ডানদিকে মহাকালী, বামে মহাসরস্বতী ও মাঝে মহালক্ষ্মী। পৌরাণিক কাহিনী- =========== পৌরাণিক মতে, পার্বতীকে গোপনে সৃষ্টি রহস্য বোঝাতে নির্জনে পাহাড়ে গুহা নির্মাণ করেন মহাদেব। অমরনাথ যাত্রার ইতিহাস অমরনাথে কবে থেকে তীর্থ যাত্রা শুরু হয় তা জানা যায় না।একটি তথ্যসুত্র থেকে ধারনা করা হয় কিংবদন্তী রাজা আরজরাজা( খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ সাল) বরফ নির্মিত শিবলিঙ্গে পূজা দিতেন। ধারনা করা হয় রাণী সূর্যমতি ১১ শতকে অমরনাথের এই ত্রিশুল, বানলিঙ্গ ও অন্যান্য পবিত্র জিনিস উপহার দেন। এছাড়াও পুরাতন বিভিন্ন বই থেকে আরও বেশ কিছু ভিন্ন ভিন্ন এসম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যায়। অমরনাথের পবিত্র গুহার সন্ধানলাভ- ====================== ধারনা করা হয় মধ্যযুগে অমরনাথের কথা মানুষে ভুলে গিয়েছিল কিন্তু ১৫ শতকে তা আবার আবিষ্কৃত হয়। প্রচলিত আছে কাশ্মীর একসময় জলে প্লাবিত হয়ে যায় এবং কাশ্যপ মুনি সে জল নদীর মাধ্যমে বের করে দেন। এরপর ভৃগু মুনি অমরনাথ বা শিবের দেখা পান। এভাবে আবার অমরনাথের প্রচার শুরু হয়। বর্তমানে প্রতি বছর কয়েক লাখ মানুষ অমরনাথ যাত্রা করে। তীর্থ যাত্রা- ======= ২০১১ সালে ৬৩৪,০০০ ; ২০১২ তে ৬২২,০০০ এবং ২০১৩ তে ৩৫০,০০ তীর্থ যাত্রী অমরনাথ যাত্রা করেন। যাত্রাপথ এবং তীর্থ যাত্রার নিয়ম- ==================== জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর ১৪১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই তীর্থে যেতে পহেলগাও শহর অতিক্রম করতে হয়।পহেলগাও থেকে অমরনাথ যেতে পাঁচ দিল সময় লাগে। অমরনাথে যাওয়ার জন্য আগে প্রত্যেক যাত্রীর রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। শ্রী অমরনাথ শ্রাইন বোর্ড (SASB) যাত্রা শুরুর মোটামুটি মাসখানেক আগে যাত্রা শুরুর ও শেষের তারিখ ঘোষণা করে। জম্মু-কাশ্মীর ব্যাঙ্ক থেকে ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। পূরণ করা ফর্মটি ২টি পাসপোর্ট ছবি ও শারীরিক সক্ষমতার ডাক্তারি প্রশংসাপত্র সহ নিকটবর্তী জম্মু-কাশ্মীর ট্যুরিজমের অফিসে জমা দিতে হবে। যাত্রাপথে সুযোগ-সুবিধা- =============== তীর্থ যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন মন্দির,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন যাত্রা পথে বিনা মুল্যে খাবার,চিকিৎসাসেবা ও বিশ্রামের জন্য তাবু সরবরাহ করে থাকে। মন্দিরের কাছে স্থানীয়রা শত শত তাবুর ব্যবস্থা করে তীর্থযাত্রীদের রাত্রি যাপনের জন্য।জম্মু থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরবর্তী কাটরা পর্যন্ত বাস ও ভাড়া গাড়ি চলে। শেষ ১৪ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পৌঁছতে হয় মন্দিরে। যাঁরা হাঁটতে পারবেন না তাঁদের জন্য রয়েছে ডান্ডি ও ঘোড়ার ব্যবস্থা। কাটরা শহরের ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টার থেকে যাত্রা-স্লিপ অর্থাৎ 'পরচি' সংগ্রহ করতে হয়। পুজোর উপকরণ আর নগদ টাকা পয়সা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে মন্দির চত্বরে প্রবেশ নিষেধ। নিকটতম রেলস্টেশন জম্মু। জম্মু থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরবর্তী কাটরায় নিয়মিত বাস যায়। জম্মু বা কাটরা থেকে হেলিকপ্টারেও বৈষ্ণোদেবী ঘুরে আসা যায়। জম্মু থেকে প্রতিদিন ২টি ও কাটরা থেকে ৫টি পবনহংস ফ্লাইট রয়েছে। জম্মু যাওয়ার আগে জেনে নিতে হবে উড়ান চালু আছে কিনা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা- ========== ইসলামি জঙ্গি সংগঠন গুলোর হুমকির কারণে বর্তমানে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় যাত্রীদের জন্য। তুষার বন্দ্যোপাধ্যায়