Wednesday, 8 June 2016

গোটা বিশ্ব জানে ২৬/১১ হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবা ও পাকিস্তানের হাত আছে।

গোটা বিশ্ব জানে ২৬/১১ হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবা ও পাকিস্তানের হাত আছে। কিন্তু কবীর সুমন, সানাউল্লা খানের মত কিছু সেক্যুলার ভেকধারী মুসলমান মৌলবাদীরা এর পিছনে RSS ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনকে দায়ী করে। হয়তো এরা জনগনকে পাগল ভাবে নয়তো এরা নিজেরা পাগল। নাহ! ভুল হলো, এরা পাগল নয়। এরা সুচতুর(কু-বুদ্ধিজীবি) মুসলমান মৌলবাদী। মুসলমানদের জঙ্গি কার্য্যকলাপের পিছনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নাম জড়িয়ে দিয়ে মানুশকে বিভ্রান্ত করে মুসলমান জঙ্গি বা ইসলামের সৈনিকদের রক্ষা করা।। যে হেমন্ত কারাকারে জঙ্গিদের ( ইসলামের সৈনিক) গুলিতে নিহত হল, তার পিছনেও এরা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের হাত দেখে এবং পরোক্ষভাবে দাবী করে ২৬/১১ মুম্বাই হামলা RSS কর্তৃক ঘটানো হয়েছিল।। Biltu Mondal

"কংগ্রেস মুক্ত ভারত হয়েছে,এবার মুসলিম মুক্ত ভারত গড়তে হবে".....

"কংগ্রেস মুক্ত ভারত হয়েছে,এবার মুসলিম মুক্ত ভারত গড়তে হবে"..... সাধ্বী প্রাচী সাধ্বী প্রাচীর এই বক্তব্য বিতর্কিত মনে হলেও আসলে কথাটা সত্যি কথা । ১৯৪৭ সালে ভারত যখন ভাগ হয় তখন এই দেশের ৯৫শতাংশ মুসলিম পাকিস্তান গঠনের পক্ষে ছিল । ধর্মের ভিত্তিতে যখন রাষ্ট্রভাগ হয়েছিল তখন কি করে মুসলিমরা ভারতে থেকে গেল? কারন নেহেরু-গান্ধীর ষড়যন্ত্রে আজও মুসলিমরা ভারতে থেকে সবচেয়ে বেশী সুযোগ সুবিধা ভোগ করে । পাকিস্তানের হিন্দুদের কি এতো সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়? ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান কয়েকবছরের জন্য লাগু ছিল সারাজীবনের জন্য নয়, তাহলে ধর্মনিরপেক্ষতারদোহাই দিয়ে আজও মুসলিমরা বহাল তবিয়তে ভারতে বাস করছেন অথচ পাকিস্তানের হিন্দুদের খুন,ধর্ষন,ধর্মান্তকরন করে শেষ করে দেওয়া হল এর জবাব কি কারও কাছে আছে?� সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য

Tuesday, 7 June 2016

পরিসংখ্যান

এক মুমিন সুন্দর করে একটা পরিসংখ্যান দিল দুনিয়ার বিভিন্ন নাস্তিক, স্বৈরশাসক ইত্যাদির হাতে কত মানুষ নিহত হয়েছে। এটা তুলে ধরে মুমিন প্রমান করতে চাইল, সেই তুলনায় মুসলমানরা ইসলামের নামে প্রায় কাউকেই হত্যা করে নি, আর তাই ইসলাম হলো একমাত্র সহিহ শান্তির ধর্ম , আর মুসলমানরা হলো দুনিয়ার সব চাইতে শান্তিপ্রিয় মানুষ। তো প্রথমেই মুমিনের দেয়া পরিসংখ্যানটা দেখা যাক : মাওসেতুং (নাস্তিক)- ৭ কোটি ৮০ লাখ হিটলার (খ্রিষ্টান)- ১ কোটি ৭০ লাখ জোসেফ স্তালিন (নাস্তিক)- ২ কোটি ৩০ লাখ লিওপন্ড-২ (খ্রিষ্টান)- ১ কোটি ৫০ লাখ হাইভেকি তোশো (বৌদ্ধ)- ৫০ লাখ পল পট (নাস্তিক)- ৩০ লাখ কিম ইন-সাং (নাস্তিক)- ১৬ লাখ মেনপিশটু হেইলি মারিয়াম (নাস্তিক)- ১৫ লাখ জর্জ ডব্লিও বুশ (খ্রিষ্টান)- ১০ লাখ - মোট: ১৪ কোটির কিছু বেশী সূত্র: http://istishon.com/?q=node/20902#sthash.VmYlH3QA.dpuf মুমিনের যুক্তি : মাও সেতুং , হিটলার ,স্টালিনরা যদি তাদের রাজনীতির নামে কোটি কোটি মানুষ হত্যা করতে পারে , তাহলে মুসলমানরা যদি কিছু মানুষ হত্যা করে থাকে , তাহলে দোষের কি আছে ? অর্থাৎ সেই মুমিন কিন্তু নিজের অতি চালাকিতে তার প্রিয় নবী মুহাম্মদকে হিটলারের মত একজন পৈশাচিক ও বর্বর মানুষের সাথে তুলনা করে ফেলেছে , এবং সে প্রমান করেছে , মুহাম্মদ , হিটলারের মতই একজন বর্বর খুনি ছিল- কিন্তু সে বুঝতে পারে নি। আচ্ছা , বলুন তো উক্ত মাওসেতুং বা হিটলার বা স্টালিন কোন ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করেছিল ? তারা যেটা করেছিল সেটা হলো সম্পূর্ন তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে। এবার বলুন তো দুনিয়ার কোন বিবেকবান লোক তাদের এই গনহত্যাকে সমর্থন করে ? কোন লোক তাদের এই গনহত্যাকে সঠিক কাজ বলে গণ্য করে ? কেউই তাদের গনহ্ত্যাকে সমর্থন করে না , দুনিয়ার সকল বিবেকবান লোক তাদের এই গনহত্যাকে ঘৃণা করে , আর কঠিন সমালোচনা করে। তাদের এসব কর্মকান্ডকে ধিক্কার জানিয়ে, সারা দুনিয়ায় লক্ষ লক্ষ বই লেখা হয়েছে , লেখা হয়েছে নিবন্ধ , খবর আর হয়েছে কঠিন সমালোচনা। আর এর জন্যে কিন্তু কোন লোকই সমালোচনাকারীদেরকে চাপাতি দিয়ে কল্লা কাটতে যায় নি। দুনিয়ার কোন বিবেকবান লোকই মাওসেতুং বা হিটলার বা স্টালিনকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ তো দুরের কথা , একজন স্বাভাবিক বিবেক সম্পন্ন মানুষ বলেও স্বীকার করতে রাজি না। বরং সবাই বলে, তারা ছিল সবাই বর্বর , অসভ্য ও খুনি। আর এর জন্যেও কেউ কোন সমালোচনাকারীর কল্লা কাটতে যায় না। পার্থক্য শুধু ইসলামের নামে হত্যাযজ্ঞ। খোদ মুহাম্মদ নিজেই হত্যা করেছেন হাজার হাজার অমুসলিম বিশেষ করে ইহুদিদেরকে। যেমন - বনু কুরাইজা হত্যা কান্ড--- ৭০০-৯০০ ইহুদিকে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় শিরোচ্ছেদ করা হয় ( ইবনে ইসহাক)। খায়বারে ইহুদি নিধন যজ্ঞ। এখানেই ইহুদি সর্দার কিনানকে নির্মমভাবে হত্যা করে মুহাম্মদ সেই হত্যার দিনেই কিনানের স্ত্রীকে নিয়ে রাত কাটান , পরদিন তাকে বিয়ে করেন। এছাড়া মুহাম্মদের নির্দেশে বহু মানুষকে হত্যা করা হয় বিচ্ছিন্ন ভাবে । এবার মুহাম্মদের উম্মত তথা মুসলমানদের হাতে নিহতের একটা পরিসংখ্যান দেয়া যাক - ১। ইসলাম চালুর পর , মুসলমানরা যখন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ দখল করে , তখন তাদের প্রধান কাজই ছিল কাল মানুষদেরকে ধরে ধরে দাস দাসী হিসাবে বিক্রয় করা। এভাবে গত ১৪০০ বছরে তারা মোট ২ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষকে দাসদাসী হিসাবে চালন করেছে । মুসলমানদের হাতে নিহত হয়েছে প্রায় ১২ কোটি কাল আফ্রিকান। ২। এশিয়া মাইনর অঞ্চলে মোট ৫ কোটি ৯০ লক্ষ খৃষ্টান হত্যা করেছে মুসলমানরা। ৩। বল্কান অঞ্চল, হাঙ্গেরি, ইউক্রেন , রাশিয়তে মোট ৮ কোটি খৃষ্টানকে হত্যা করেছে মুসলমানরা। ৪। ভারতে গত ১৪০০ বছরে মুসলমানরা প্রায় ৪০ কোটি হিন্দু হত্যা করেছে। ৫। আনুমানিক ১ কোটি বৌদ্ধ হত্যা করেছে মুসলমানরা এই সময়ে। সুতরাং মুসলমান কর্তৃক মোট নিহতের সংখ্যা - প্রায় ৬২ কোটি সবচাইতে সফল ছিল ইহুদি নিধনে , মুহাম্মদ ও তার দলবল আরব দেশ থেকে সকল ইহুদিকে তাদের ভিটা মাটি থেকে চিরতরে উচ্ছেদ করেছে। সূত্র : https://themuslimissue.wordpress.com/2013/06/19/muslims-have-killed-over... সুতরাং দেখা যাচ্ছে , যেখানে মাও সেতুং , হিটলার , ষ্টালিন ইত্যাদিরা তাদের বর্বর রাজনীতির নামে ১৪ কোটির মত মানুষ হত্যা করেছে , সেখানে মুসলমানরা ইসলামের নামে গত ১৪০০ বছরে হত্যা করেছে হিটলার বা স্টালিন ইত্যাদির চাইতে সাড়ে চারগুন বেশী মানুষ। আর এই অবিশ্বাস্য হত্যাকান্ড ঘটান হয়েছে শুধুই মাত্র ইসলাম নামক একটা ধর্মের জন্যে। তাহলে- মাও সেতুং , হিটলার ইত্যাদির সাথে ইসলামের তফাৎ কোথায় ? তফাৎ হলো , আমরা ধুমছে মাও সেতুং বা হিটলার ইত্যাদির সমালোচনা করতে পারি , আর তারা নিজেরাও কেউ নিজেদেরকে সর্বকালের আদর্শ মানুষ বলে দাবী করে নি। তাই তাদেরকে সমালোচনা করলে কেউ আমাদের কল্লা কাটতে আসে না।পক্ষান্তরে কেউ যদি ইসলামের এই বর্বর হত্যাকান্ডের বা মুহাম্মদের এই নিষ্ঠুরতা ও বর্বরতার সমালোচনা তো দুরের কথা , শুধুমাত্র এই তথ্যগুলো কেউ উচ্চারন করে , তাহলে সারা দুনিয়ার মুমিন বান্দারা চাপাতি নিয়ে, আত্মঘাতী বোমা নিয়ে আক্রমন করতে চলে আসে। কিন্তু ইসলাম নামক বর্বরতা আর কতদিন চলবে ? পরকালে বেহেস্তে কাল্পনিক ৭২ কুমারী নারীর লোভে আর কতদিন মুসলমানরা ইসলামের শিকার হবে ? পরিশেষে , মুসলমানদের এই বর্বরতার বিপরীতে দুনিয়ার সকল অমুসলিম এক হয়ে মুসলমানদের ওপর আক্রমন চালালে সেদিন মুসলমানদের কি অবস্থা হবে ? আর সেই অবস্থার জন্যে কে দায়ী হবে ?

"মাদ্রাসা"..... এই চার দেওয়ালের ভেতরে থেকেই তৈরী হয় সন্ত্রাসবাদ।

সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য "মাদ্রাসা"..... এই চার দেওয়ালের ভেতরে থেকেই তৈরী হয় সন্ত্রাসবাদ। মাদ্রাসার উদ্দেশ্য কি? মাদ্রাসাতে শেখানো হয় না ইংরেজী,বিজ্ঞান,ভূগোল তাহলে সেখানে কি শেখানো হয়? মাদ্রাসাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া নিষিদ্ধ । ভারতের ইতিহাসে এমন কেউ আছেন যিনি মাদ্রাসাতে পড়ে নোবেল কিংবা কোনো সন্মান বা পুরস্কার পেয়েছেন? মাদ্রাসাতে পড়ে কেউ বিজ্ঞানী হয়েছেন এমন লোক কি কেউ আছেন আমাদের দেশে? যখন মাদ্রাসার কৃতী ছাত্ররা সমাজের কোনো কাজে লাগেনা তখন মাদ্রাসা রেখে কি লাভ? মাদ্রাসা সমাজে হিংসা,বিদ্বেষ ছড়াতেই তৈরী করা হয়েছে । সরকারের সাহায্যে মাদ্রাসা আজকে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর তৈরী হয়েছে । ভারতবর্ষের তথাকথিত সেকুলার শুয়রোর বংশোদ্ভুতরা মাদ্রাসার বিরোধীতা করতে পারে না ভোট ব্যাঙ্কের লোভে কিন্তু অনায়াসে সঙ্ঘ চালিত বিদ্যালয়গুলির বিরোধীতা করতে ছাড়েন না উনারা । মাদ্রাসাকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করা উচিত, ইসলামী শিক্ষার নামে যেভাবে শিশুদের জিহাদী প্রশিক্ষন দিয়ে তৈরী করা হচ্ছে তার তীব্র বিরোধীতা করা উচিত । �

যৌন বিকারগ্রস্ত জাতি মুসলিম

যৌন বিকারগ্রস্ত জাতি মুসলিমরা কথায় কথায় পাশ্চাত্ত্যের দেশসমূহে অধিক ধর্ষণের একটি তালিকা দেখিয়ে বলবে ওই লিস্টে মুসলিমদেশগুলোর স্থানই নেই তারমানে মুসলিম দেশে ধর্ষণ কম। আসলে কোন দেশগুলোতে ধর্ষণ বেশি হয় সেটি বুঝতে হলে যতোটুক কমন সেন্স থাকতে হবে সেই পরিমাণ কমন সেন্স থাকাটাই সাধারণ মুসলিমদের ক্ষেত্রে বিরল ঘটনা। মুসলিম দেশে বা সমাজে ধর্ষিত হলে উলটো ধর্ষিতার "ইজ্জত চলে গেছে" বলে ধরা হয় আর মূলত এই কারণে ধর্ষিতারা নিজে ধর্ষণের ঘটনা আড়াল করতে চেষ্টা করে । এছাড়া বেশিরভাগ মুসলিম দেশে আইনের অনুশাসন না থাকায় ধর্ষক ক্ষমতাবান হলে আদৌ বিচার পাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকেনা। উদাহরণস্বরূপ তনুর ঘটনায় সারা দেশের বিবেকবান মানুষেরা এগিয়ে এলেও সেনাবাহিনীর ধর্ষকগুলোর কিছুই হয়নি। আমাদের গ্রামেগঞ্জে একটা জিনিস খুব প্রচলিত, সামর্থ্যবানের ছেলেপেলেরা গরীবের মেয়েদের ধর্ষণ করবে আর তারপর ক্ষমতাবানেরা ধর্ষিতার বাবা-মা-কে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে চুপ করিয়ে দিবে। খুব কম ক্ষেত্রেই ধর্ষণের ঘটনা পুলিশ পর্যন্ত গড়ায় কিংবা পুলিশ পর্যন্ত গেলেও বিচার পাওয়া যায়। মুসলিম সমাজে ধর্ষণের ঘটনাগুলোতে একটা চক্র চলতে থাকে। প্রথমে ধর্ষিতার পরিবার ধর্ষিত বা ধর্ষিতা নিজে ঘটনা লজ্জায় প্রকাশ করেনা, তারপর ধর্ষিতা পরিবারবে কাছে জানালেও পরিবার সেটি সামাজিক সম্মান আর লোক-লজ্জার ভয়ে প্রকাশ করেনা। তারপর যেসব ক্ষেত্রে ধর্ষণের ফলে ধর্ষিতা অসুস্থ হয়ে পরে এবং হাসপাতালে নিতে হয় সেইসব ক্ষেত্রেই ধর্ষিতার পরিবার ঘটনা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়। তারপর ধর্ষক আর ধর্ষিতার পরিবার এবং পঞ্চায়েত পর্যায়ে চেষ্টা করা হয় ঘটনাটি মিটমাট করে ফেলতে। সেটি সম্ভব না হলে বা ধর্ষিতার অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে গেল তখন গিয়ে পুলিশ কেস আর মামলা-মোকদ্দমায়যায়। ঘটনাটি যখন পুলিশ কেস হয় শুধুমাত্র তখন এটি পরিসংখ্যানের হিসেবের খাতায় আসে। এইভাবে করে হাজারটা রেপের ঘটনার মধ্যে একটা হিসেবের খাতায় উঠে কিনা সন্দেহ । আবার যেসব মুসলিম রাষ্ট্র শরীয়া আইনে পরিচালিত সেখানেতো ধর্ষিত হলে উলটো ধর্ষিতাকেই শাস্তি পেতে হবে। ধর্ষণ প্রমাণে ধর্ষিতা যদি চারজন পুরুষ অথবা আটজন মহিলা সাক্ষী যোগার করতে না পারে তবে ধর্ষিতাকেই ব্যভিচারিণী হিসেবে হয় বেত্রাঘাত সহ্য করতে হবে আর বিবাহিত হলে বুক/কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুতে প্রস্তর ছুড়ে হত্যা করতে হবে। সৌদি আরবে তাই ধর্ষিত হলে চুপ থাকা আর কোন পথই খোলা থাকেনা। সৌদিতে নারী-পুরুষদের বিয়ের আগে যৌনতা প্রকাশের কোন সহজ সুযোগ না থাকায় পরিবারের ভিতরে ভাইয়ের দ্বারা বোন আর বাপের দ্বারা মেয়ে পর্যন্ত অহরহ ধর্ষিত হয় কিন্তু তাতে ধর্ষিতার মৃত্যু না হলে ঘটনাগুলো প্রকাশ পায়না। কিছুদিন আগে সৌদির এক বিখ্যাত আলেম ইসলাম প্রচারক ফায়হান আল ঘামদি তার নিজের ৫ বছরের ছোট্ট মেয়ে শিশুকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলে। এই ঘটনায় সৌদি শরীয়া আদালতের রায়ে ফায়হান আল ঘামদিকে নিজেকে (স্ত্রীকে) নিজেই কিছু টাকা দিয়ে সে মুক্তি পেতে দেয়। এছাড়া সৌদি বা এরকম শরীয়া আইনে চলিত দেশে গণ ধর্ষিতাকে পর্যন্ত উল্টো ব্যভিচারিণী হিসেবে সাজা পেতে হয়। এইকারণে সৌদিতে বাপ-ভাই মিলে নিজের পরিবারের ভিতরেই মন ইচ্ছেমত ধর্ষণ করলেও সেগুলো প্রকাশ পায়না। গরিব দেশগুলো থেকে নারী শ্রমিক নিয়ে গিয়ে আরব্য শেখেরা বাপ-বেটা মিলে সেক্স করছে। প্রতিরাতে নারী গৃহিকর্মীদের কে কার বিছানায় নিতে পারে সেই নিয়ে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি চলে। এইগুলো মোটেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় কারণ মধ্যপ্রাচ্য যাওয়া সকল গৃহকর্মীরই একই অভিজ্ঞতা তবে সবাই মানইজ্জতের ভয়ে মুখ খুলে বলতে চাননা। এরাবিয়ানরা ভিসা দিয়ে স্পন্সরকৃত করে নিয়ে যাওয়ায় এসব নারী শ্রমিকদের কোরানে-হাদিসে অনুমোদিত কিনে নেওয়া যৌনদাসী মনে করে তাদের সাথে বাপ-বেটা মিলে সেক্স করা ওদের অধিকার বলেই মনে করে। সৌদি থেকে ফিরে আসা নারী শ্রমিকদের সাফ কথা " আমরা হই দাসী আর সৌদিরা ভাবে যৌনদাসী" কিংবা "কাজ করে খেতে গিয়েছিলাম বেশ্যাবৃত্তি করতে যাইনি"। সৌদি ফেরত নারী শ্রমিকদের কান্নাভেজা বর্ণনা দেখলে মন চায় সৌদিদের পেলে ওদের ইমানদণ্ডটাই সোজা কেটে হাতে ধরিয়ে দিই। মাত্র কিছুদিন আগে দেখলাম মানিকগঞ্জ থেকে সৌদিআরবের বনি ইয়াসায় কাজ করতে যাওয়া এক নারী শ্রমিক এইসব নোংরা নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে চারতলা থেকে লাফ দিয়ে আত্বহত্যা করতে গিয়ে শেষপর্যন্ত আধমরা পঙ্গু হয়েছেন। তবুও যখন মিসকিন বাঙ্গালী মুসলিমদের তাদের সৌদি আব্বাদের শরীয়া আইনের প্রশংসা করতে শুনি তখন মন চায় ওই নির্বোধদের জ্বিহবা টেনে ছিঁড়ে ফেলি। নিচে কিছু নিউজ লিংক দিলাম। ★ http:// m.youtube.com/ watch?v=J3h-NHxk Jj0 ★ http:// www.aaj24.com/ আমরা-হই-দাসী-সৌদ ি-ভাবে-যৌন/ BDNews ★ http:// www.bbc.com/ bengali/news/ 2016/02/ 160204_why_bangl adeshi_women_do nt_want_to_go_t o_saudi_arabia ★ http:// www.thetelegraph 24.com/ সৌদি-গৃহকর্তার-ধ র্ষণের-শ/ অথচ পশ্চিমা উন্নত দেশগুলোতে দেখি ঠিক বিপরীত দৃশ্য। ওইখানে হাজব্যান্ড যদি নিজের উয়াইফের সাথেই জোরপূর্বক সেক্স করে তাহলেই উয়াইফ তার নামে পুলিশ কেস টুকে দেয়। পশ্চিমা বিশ্বে ধর্ষিত হলে ধর্ষিতার সামাজিক মান বা ইজ্জত নিয়ে কোন প্রশ্ন উঠেনা এই কারণে ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেই তারা পুলিশ রিপোর্ট করে। এছাড়া সামাজিক নিরপেক্ষতা এবং আইনের অনুশাসন থাকায় ধর্ষিতারা পুলিশের কাছে যেতে সাহস পায়। এইসকল কারণে ওইসব দেশে একশোতে একশোটি ধর্ষণের ঘটনাই প্রকাশিত হয়ে পুলিশের খাতায় লিপিবদ্ধ হয় আর সেই হিসেবে ওরা ধর্ষণের দেশের তালিকায় উপরে উঠে আসে। শিকারি দেখলে উঠপাখি নিজের মাথা বালির নিচে ঢুকিয়ে চোখ বন্ধ করে ভাবে শিকারীও তাকে দেখছেনা। নির্বোধ যৌনবিকারগ্রস্ত মুসলমানেরাও ভাবে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছেনা মানেই বুঝি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছেনা। ‪#exMuslimbecause coped Ahmed Abdullah

আপনি যদি ২০১৬ সালের এই কয়টা মাত্র মাস লক্ষ্য করেন তাহলেই দেখতে পারবেন হিন্দুদের উপর নির্যাতনের ভয়াবহতা গত এক দশককেও পিছনে ফেলেছে।

আপনি যদি ২০১৬ সালের এই কয়টা মাত্র মাস লক্ষ্য করেন তাহলেই দেখতে পারবেন হিন্দুদের উপর নির্যাতনের ভয়াবহতা গত এক দশককেও পিছনে ফেলেছে। অথচ এতকিছুর পরেও দেখবেন কিছু কিছু হিন্দু দাদা/দিদিরা রোজা আসার সাথে সাথেই তার শুভেচ্ছা জানাতে ব্যাস্ত হয়ে পরেছে। . প্রতিদিন দেখবেন সন্ধ্যাবেলা কেউ কেউ ইফতার পর্যন্ত করছে, যেখানে সন্ধ্যা বেলা হিন্দুদের খাওয়াই নিষেধ। কি নির্লজ্জ এই প্রজাতিটা! এরা নিজেদের বিধিনিষেধ ভেঙে ইফতার করতে পারে, মুসলিম ভাইদের সাথে একাত্মতা প্রকাশের জন্য রোজার শুভেচ্ছা জানাতে পারে, . অথচ পারে না তার জাতভাইয়ের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে। একটা ব্যাক্তিগত অনুরোধ এই ধরনের হিজড়ে গুলোকে লাথি মেরে ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে বের করবেন। এগুলো মানুষই নয়, হিন্দু হওয়াটা তো পরের কথা।

বিপ্লবের জনক সিপিএম এখন চার প্রকার শ্রেনী দ্বারা গঠিত।

বিপ্লবের জনক সিপিএম এখন চার প্রকার শ্রেনী দ্বারা গঠিত। ১. সর্বহারা শ্রেনী: এই শ্রেনী তে আছে মুসলিম, আদিবাসি, বাংলাদেশী রিফিউজি, কল কারখানার শ্রমিক ও আর্থিক সামাজিক ভাবে অবহেলিত সম্প্রদায়। এদের অভাব, হাহাকার, যন্ত্রনা সিপিএম এর মুল পুঁজি। এদের ভাঙিয়েই সিপিএম এর দিন চলে। তবে সিপিএম এর জালিয়াতি ধরে ফেলার পর এই শ্রেনী এখন Onno পার্তি এর দিকে ঝুঁকেছে। ২. বোদা গাম্বাট শ্রেনী: এদের মস্তিস্কের গঠন অনুন্নত। এরা হুব্বা টাইপের হয়। সারাক্ষন বিপ্লব বিপ্লব বলে চেঁচায়। যুক্তি, তর্কে না পারলে খিস্তি খেউর করে। বাঁকা পথে চাকরি পাওয়ার আশায় এরা রোদ বৃষ্টিতে সিপিএম এর মিছিল মিটিং এ হাঁটে। গাজোয়াড়ি, হুব্বাবাজি করে police Ba নিজের দলের হাতে ক্যালানি খায়। এরা মনে করে মার্কস, লেলিন মারা যাওয়ার সময় বিপ্লবের দায়িত্ব এদের হাতে সঁপে দিয়ে গেছে। ৩. জেন-এক্স চ্যাংড়া শ্রেনী: এরা "চে গ্যুভরার" টিসার্ট পরে ডিস্কো যায়। i-phone, samsung galaxy দিয়ে ফেসবুক করে আর নামের মাঝে 'চে', 'চু', 'কমরেড' ইত্যাদি শব্দ যোগ করে। নিজেদের মানুষ দরদি তাজা বিপ্লবি প্রমান করে এরা মেয়ে বন্ধু মহলে পরিচিতি পেতে চায়। সুন্দরি মেয়ে দেখে রাস্তায় যে কোনও প্রতিবাদ মিছিলে নেমে পরে। তারপর ইউনিভার্সিটির বা রবিন্দ্রসদনের ঝোপে ঝারে বিপ্লব করে ঘরে ফেরত আসে। ৪. ক্ষীরখাওয়া সুবিধাবাদি শ্রেনী: ধুর্ত সরকারি কর্মচারি, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা, পার্টি নেতা, সিপিএম করে চাকরি পাওয়া ইত্যাদিরা এই শ্রেনীর মধ্যে পরে। এরাই সিপিএম এ সবথেকে প্রভাবশালী ও ক্ষীর খাওয়া শ্রেনী। এরা নিজেদের বাংলার 'বাবু' সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বলে মনে করে। মুখে কমিউনিসম এর বুলি কপচানো এই ভন্ড গুলোর মুল উদ্দেশ্য গরিবের নাম করে লুট ও নিজের আখের গোছানো। এদের অনৈতিক দাবি দাওয়ার শেষ নেই। কাজের নামে অষ্টরম্ভা, শুধু খাই আর খাই। লুটের সুযোগ না পেলে জনগনকে ভুল বুঝিয়ে সরকারের পিছনে লেলিয়ে দেওয়া এদের বহুদিনের অভ্যাস। আসলে কমিউনিজমের ভেকধারী সিপিএম পার্টি টা হল কিছু জালিয়াতের গরিবের নামে লুটতরাজ চালানোর প্রতিষ্টানিক সংগঠন। এই ভন্ড কমিউনিজমে গরিবের তো কোনও উপকার হয়ই না বরং তারা আরও অতলে তলিয়ে যায়। —