সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে
এত বাঙালি হিন্দুবীর যোদ্ধা আছে
আছেন যে তারা এক নিমিষেই তৃতীয়
বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে গেঁড়ুয়া পতাকা
তুলতে পারবে। কিন্তু আমার মনে একটা
প্রশ্ন আছে কোন যুদ্ধে অংশ নিয়ে এসব
তথাকথিত যোদ্ধা হিন্দুবীর উপাধি
নিল? আর কে দিল তাদের এ উপাধি?
মনগড়া কিছু কথা আর কিছুসংখ্যক
অন্যায়ের প্রতিবাদ ফেসবুকে বড় বড়
বীর সাজা যায় কিন্তু বাস্তবে বীর
হওয়া যায় না। এর উদাহরন আমাদের
দেশ। হিন্দুবীর লিখে সার্চ দিয়ে
দেখেন হাজার হাজার হিন্দুযোদ্ধার
id চলে এসেছে। যাদের সবার বাড়ি
বাংলাদেশে। এখন প্রশ্ন হল এত
হিন্দুযোদ্ধা বাংলার বুকে থাকতে
কিভাবে মন্দিরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা
কিভাবে ভাঙে মন্দিরের প্রতিমা?
কোনদিন তো খবরে শুনলাম না মন্দিরে
হামলা ঠেকাতে গিয়ে এক গ্রামে
পাঁচজন নিহত হয়েছে। আরে নিহত তো
দূরের কথা আহত হয়েছে শুনলেও খুশি
হতাম যে যাক একটা হলেও যোদ্ধা
পেলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় এত
যোদ্ধা থাকতেও মন্দির ভাঙছে দখল
হচ্ছে হিন্দুদের জমি ও নারী।
হিন্দুযোদ্ধা নামের তালপাতার
সিপাইয়েরা ঘরের মধ্যে থেকে
স্টেস্টাস দিয়ে বীরত্ব প্রকাশ করে
দায় সারেন। যা কাপুরুষতাকেও হার
মানায়। আগে বুঝতাম না এত যোদ্ধা
থাকতে কেন বাংলার এ অবস্থা? কিন্তু
এখন বুঝেছি। আমাকে ইনবক্সে অনেক
হিন্দু ছেলেই বলে দাদা আপনার
ঠিকানাটা দিন আমি আপনাদের সাথে
কাজ করতে আগ্রহী। ফোন নম্বরটা দিন
ইত্যাদি। আমি বলি আপনাদের
ঠিকানাটা দিন আমি গেলে যোগাযোগ
করব। কিছু যোদ্ধার জেলায় আগামীকাল
যাব বলে ভেবে তাদের বললাম।
২০জন যোদ্ধার মধ্যে ১৮জনের সাহস
নাই আমার সাথে দেখা করার। তারা
বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পাশ কাটিয়ে
গেল। কেউ দেখা করবে না বিভিন্ন
সমস্যার কারনে এ না হল হিন্দুবীর।
এই না তাদের বীরত্ব? বাংলাদেশ থেকে লিখেছেন Kartik Krishna Roy
No comments:
Post a Comment