আইসিস নর-রাক্ষসের দল ২০২০ খ্রিঃ মধ্যে ভারতবর্ষে তাদের আধিপত্য কায়েম করার কথা ঘোষণা ইতিমধ্যেই করেছে। ....
এ নিয়ে যে যাই বলুক না কেন ... বাস্তব কথা হল তারা চাইলে অতি সহজেই এটা করতেও পারে। কারন আমরা সবসময় অবশ্যই ভুলে যাই ... তাদের কথা, যারা ইতিমধ্যেই এই ভারতবর্ষের বুকে আইসিসকে সর্বপ্রকারে .. এমনকি প্রাণ দিয়েও সাহায্য করতে প্রস্তুত।
তাদের সংখ্যা?
ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্যের কথা না হয় বাদই দিলেম ... কেবলমাত্র এই পশ্চিমবঙ্গেই এমুহূর্তে সেই সঙ্খ্যাটা অন্তত ৭০ লক্ষ থেকে ১ কোটির কাছাকাছি! .. বরং ব্রক্ষ্মমুহূর্তে এই সঙ্খ্যাটা আরও বাড়বে বই কমবে না।
.... আর ভারতের চশমখোর রাজনীতিবিদ, প্রশাসন ও সমাজের অন্যান্য গন্যমান্যদের কথা না হয় ছেড়েই দিলাম। - পাশপাশি বাংলাদেশ ও পাকিস্থান সহ অন্যান্য মুসলিম দেশগুলিও কিন্তু এই ধর্মযুদ্ধে সরাসরি আইসিস কে সাহায্য করতেই এগিয়ে আসবে।
আর অস্ত্র শস্ত্র ...? তাদের সংগ্রহে আজ যা মালমশলা রয়েছে, ... তা দিয়ে তারা ইতিমধ্যেই কয়েক কোম্পানি সেনার সঙ্গে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিতে পারে ... তো পুলিশ? প্রশাসন?? .... ফুঃ!
তাই... মেয়েরা ... কম-বেশি হিজাব পরার অভ্যাস রপ্ত করা শুরু করে দিন, নয়তো পরে সত্যিই খুব কষ্ট হবে। একসঙ্গে তিন সতীন বা তারচেয়েও বেশি মেয়েছেলের সঙ্গে ঘর করা বা বছর বছর বাচ্চা বিয়ানোর মজাটাও কিন্তু নেহাত কম নয়!
... .. তবে পুরুষদের চিন্তা কম। হয় মরবে ... নয়ত ইসলাম গ্রহণ করে বেঁচে যাবে। তবে ইয়েজিদিদের মত মেয়ে-বৌ রক্ষা করতে পারবে না। -- এই যা দুঃখ!
আর সেনা বাহিনী হবে অসহায়।।.. কাদের মারবে? দেশের ভিতরের মোমিন? .. না বাইরের মুসল্লি??
এ লড়াইয়ে জয় নাই ....
লড়ার চেষ্টা বৃথা তাই ...।।
দরকার নেই আর যুদ্ধের ...
সেনাদল তোমারে দিলাম ছুটি ..
যদিও বলব ধর্ম টর্ম কিছু নয়;
তবু বাঁচবারে চল ইসলাম পদে লুটি।।
আসুন তার চেয়ে বরং মহান এই ভারতবর্ষের সংবিধান প্রবর্তিত ধর্মনিরপেক্ষতা ও পরধর্ম সহিষ্ণুতার যুপকাষ্ঠে আজ নিজেদেরকে উৎসর্গ করি। ... বরনডালা সাজিয়ে ... উলু দিয়ে, শাঁখ বাজিয়ে.. বামপন্থীদের লাল কার্পেট বিছিয়ে... আমরা সেই সব দাড়ী-টুপি ওয়ালা জেহাদিদের চন্দনের ফোঁটা দিয়ে বরন করে নি। ...
উদাত্ত কন্ঠে সোচ্চারিত হই ... সেই বৈদিক বিশ্ব-ভাতৃত্ববোধের শ্রেষ্ঠ মন্ত্রে ....। সর্ব কন্ঠে মন্দ্রিত হোক.....
"অতিথি দেব ভবঃ"
... কেন? ভুলটা কোথায় বললাম....?
No comments:
Post a Comment