Thursday, 6 August 2015

বেশিরভাগ লোকের ধারনা এই যে, কোনো মেয়েকে হিন্দু শাস্ত্র পড়ালে বা ধর্মীয় জ্ঞান দিলেই লাভ জিহাদ বন্ধ হয়ে যাবে

Biltu Mondal বেশিরভাগ লোকের ধারনা এই যে, কোনো মেয়েকে হিন্দু শাস্ত্র পড়ালে বা ধর্মীয় জ্ঞান দিলেই লাভ জিহাদ বন্ধ হয়ে যাবে। আমি এই মতাদর্শে বিশ্বাসী নই। ধর্মীয় জ্ঞান থাকলেই সে অন্য ধর্মে বিয়ে করবে না, এটা ভুল ধারনা, কারন সে- 'যত মত তত পথ'এ বিশ্বাসী। সাধারন হিন্দু মেয়েরা নাস্তিকবাদী নয়, তারা ভগবানে বিশ্বাসী, তারা মায়ের সাথে দিব্যি কালী পূজায়, একাদশীতে উপবাস রাখে, শিবের মাথায় জল ঢালে, কিন্তু প্রেমের জালে ফাসে মুসলমান ছেলেদের সাথে। কোথাও তো একটা ফাক আছেই। বর্তমানে হিন্দু ধর্মে দূর্গাপূজা, কালীপূজা, ও অন্যান্য পূজা আর পূজা নেই, একটা আনন্দ উপভোগের দিনে পরিনত হয়েছে, মজার দিনে পরিনত হয়েছে, ঘোরার দিনে পরিনত হয়েছে। তাই হিন্দু সংস্কৃতি একটি ভিন্ন পথে চলছে। আর তার থেকেও বড় ব্যাপার বর্তমান যুগের হিন্দু মেয়েরা ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে অপারগ। কোনো মেয়েই ধর্মীয় জ্ঞান জানতে চায় না, আর ধর্মীয় নিয়ম কানুন পালন করতে চায় না, শিবের মাথায় জল ঢালা এবং উপবাস নিছকই মা করতে বলেছে তাই বাধ্য হয়ে করছে এরকম অবস্থা; এই পরিস্থিতিতে যদি কারোর উপর জোর করে ধর্মীয় জ্ঞান দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয় বা জোর করে তাকে ধর্মের জ্ঞান শোনানো হয়, তাহলে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে।। ধর্মীয় বেড়াজালে বাধা নিষেধে বর্তমান কেউ আটকে থাকতে চায় না। তাই, এই মেয়েগুলোর মাথার উপর জোর করে হিন্দু শাস্ত্র চাপিয়ে দিলে তা আরো ভয়ংকর হয়ে যাবে, তারা এই থেকে আরো পালাতে চাইবে এবং হিন্দু বিদ্দেষী হয়ে উঠবে।। তাই বিকল্প পথের সন্ধান দরকার...

No comments:

Post a Comment