মোল্লারা দাবি করে যে ইসলামী আইন চালু হলে নারী নির্যাতন বন্ধ হবে.....নারী ধর্ষণ বন্ধ হবে..... এক কথায় সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে .....দেশে কোন নারীঘটিত কোন অপরাধ থাকবে না...... কিন্তু সত্যিই কি ঠিক হবে? নাকি এখন যা হচ্ছে তার চাইতেও ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে?
** পাকিস্তান, নাইজিরিয়া, আফগানিস্থানে তো ইসলামী আইন (শারিয়া) চালু আছে, কিন্তু তার পরেও সে সব দেশে মেয়েদের অবস্থা এত করুণ কেন? আফগানিস্থানের রাস্তায় পুলিশ লাঠি দিয়ে মেয়েদের পেটাচ্ছে, নাইজিরিয়ায় ধর্ষিতা মেয়ে পুলিশের কাছে নালিশ জানাতে এসে শারিয়া কোর্টে মৃত্যুদন্ড পাচ্ছে , দুবাই কোর্ট স্বামীদেরকে বৌ-পেটানোর অধিকার দিচ্ছে , পত্রিকায় এই সব দেখে দেখে মাথায় যেন বজ্রাঘাত হওয়ার মত অবস্থা, আতংকে, ত্রাস, ঘৃণায় শির শির করে উঠে বুক।
এই সব পরিস্থিতির জন্য অবশ্য চোখ বন্ধ করে ইসলামকেই দায়ি করা যায়। কেননা ইসলামীক কেতাবে (বই) যা-ই লেখা থাকুক না কেন , শারিয়ার কেতাবে(বই) তো এগুলোই লিখা আছে।......ইতিহাসের পাতা থেকেই শিক্ষা নিয়েই বলছি যে- নারীরা যদি ইসলামীক আইনের হাত থেকে বাচতে চায়.... তাহলে ইসলাম ত্যাগ করে বোকরা নামের জেল থেকে বেরিয়ে এসে নিজস্ব স্বাধীনতাটা উপভোগ কর......এতে অন্তত নারীদের উপরে 'পুরুষ সমাজের' চাপিয়ে দেওয়া "নির্যাতন" নামের বোঝা থেকে রক্ষা পাবে! যুগ যুগ ধরে চলা মুসলমান পুরুষরা নারীদের উপরে নিজেদের অবৈধ অধিপত্য বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে........
আর তা না হলে মুসলমান সমাজের এই নির্যাতন নামের দানবের হাত থেকে নারীজাতি কখনই বের হয়ে আসতে পারবে না |
No comments:
Post a Comment