ভারতে স্কুল কলেজ থেকে ইতিহাস পড়ানো তুলে দিলেই ভালো হয়, কিছু সত্যি ইতিহাস তো পড়ানো হয় না, যা কিছু পড়ানো হয় তার ৫০%ই মিথ্যা বানোয়াট.. মধ্যশিক্ষা পর্ষদ , উচ্চশিক্ষা পর্ষদের হাতে তৈরী মিথ্যা , বিকৃত ইতিহাস পড়ানো হয় স্কুল কলেজগুলিতে ।
মিথ্যা ইতিহাসের একটু উদারহন দিই..
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রকাশিত সপ্তম শ্রেনীর ইতিহাস বইয়ে মহম্মদ বিন কাশিমের ভারত আক্রমন সম্পর্কে মাত্র ২-৩ লাইন লেখা হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে '৭১২সালে মহম্মদ বিন কাশিম সিন্ধু প্রদেশ আক্রমন করেন ঠিক যেমন অন্যান্য রাজারা রাজ্য বিস্তারের জন্য আক্রমন করেন তেমনি'...
অথচ ইতিহাস ঘেঁটে আমরা অন্য রকমের ইতিহাস জানতে পারি, যা কোনো স্কুল কলেজের পাঠ্য বইয়ে প্রকাশ করা হয়নি ।।
৭১১ সালে মহম্মদ বিন কাশিম দেবল বন্দর আক্রমন করে, দেবল দখল করার পর ইসলামী বিধি অনুয়ায়ী ১৭ বছরের উর্ধ্বে সঅকল সবল পুরুষকে হত্যা করেন..। তিনদিন ধরে টানা বন্দর লুঠপাঠের পর , স্ত্রী পুরুষ নির্বিশেষে সকল হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করে মুসলমান বানালো হল ।
এরপর তিনি সিন্ধু প্রদেশের দিকে রওনা দিলেন, এবং অতর্কিতে সিন্ধু রাজা দাহিরের উপর আক্রমণ করেন । রাজা দাহিরের কাছে ৫০০ আবর মুসলমান কাজ করতেন, তাদের বিশ্বাসঘাতকায় রাজা দাহির পরাজিত ও নিহত হন । রাজা দাহিরের স্ত্রী রানীবাঈ নিজ পরিচারিকাগণের সাথে বিষপাণে মৃত্যু গ্রহন করবেন বলে ঠিক করেন । কিন্তু রাজা দাহিরের এক মন্ত্রী এসে বলেন যে মুসলমানরা মৃতদেহকেও ধর্ষন করে.. সেই শুনে রানী ও তার পরিচারিকাগণ আগুন জ্বালিয়ে তাতে আত্মহুতি দেন , যাতে মুসলমানেরা তাদের মৃতদেহকেও অপিবত্র না করতে পারে..
অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন ঠিক এই কারনেই ধীরে ধীরে সতীদাহ প্রথার উত্থান ঘটে । ইসলামী যুগে স্বামী মারা গেলে তার স্ত্রী যাতে মুসলমানদের হাতের যৌনদাসী না হয়ে যায়..
হিন্দুদের এই স্বাভিমান থেকেই পরবর্তীকালে বর্বর সতীদাহ প্রথার উদ্ভব ঘটে.. তাই বলার অপেক্ষা রাখে না, যৌনদাসী হওয়ার থেকে আত্মহুতি দেওয়া সমাজের পক্ষে মঙ্গলজনক ।
বিদ্রঃ বিশদ জানার জন্য 'নুস্রত জাহান আয়শা সিদ্দিকা'র লেখা 'ইসলামী শান্তি ও বিধর্মী সংহার' বইটি পড়তে পারেন
Link: http://www.mediafire.com/view/rkrw7y008m6k42s/islami-shanti-o-bidhormi- songhar.pdf
বা,
এম এ খানের লেখা 'জিহাদ' বইটিও পড়তে পারেন..
Link: http://www.mediafire.com/view/gd64et13288cbtk/jihad.pdf
No comments:
Post a Comment