Tuesday, 30 June 2015

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন

‪বাংলাদেশের_প্রধানমন্ত্রী ‬কি এসব খবর পায় না নাকি নির্যাতন কাকে বলে বোঝে না ।বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বন্ধ করুন আর যারা সংখ্যালঘুদের নির্যাতন,ধর্ষন,লুটচাট,জমিদখল করে তাদের কঠিন শাস্তি দিন ।সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর আওয়ামী হামলা : লুটপাট সাভার ও আশুলিয়া (ঢাকা) দিনকাল : আশুলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা ও বাড়ি ঘর ভাঙচুর, লুটপাট করেছে স্থানীয় আ”লীগের কর্মীরা। এ ঘটনায় সংখ্যালঘু পরিবারের ১৮ দিনের বাচ্চার মাসহ আহত ৫ জন। আহতদের সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দ্বায়ের করেছে। : প্রত্যক্ষদর্শী ও সংখ্যালঘু পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চৈতন্য ম ল গত কয়েকদিন পূর্বে স্থানীয় আ’লীগ নেতা মাসুদ রানার মুদি দোকান থেকে শিশু খাদ্য প্যাকেটজাত দুধ ক্রয় করে ১৮ দিনের বাচ্চাকে খাওয়াইলে বাচ্চার ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হয়। এ অভিয়োগ নিয়ে গতকাল শুক্রবার সকালে আশুলিয়ার রণস্থল এলাকার স্থানীয় আ’লীগ কর্মী মাসুদ রানার মুদি দোকানে গিয়ে শিশুদের মেয়াদোত্তীর্ণ প্যাকেটজাত দুধ প্রকাশ করায় তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে । এ সময় চৈতন্য ম ল এর প্রতিবাদ করলে মাসুদ রানা, রসুল ওরফে গেদা, আজিজুল, আওলাদ, ফিরোজ, আলমগীর, সেলিম, রিয়াজসহ সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে গিয়ে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালায়। পরে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ঘরের দরজা ভেঙে চৈতন্য ম ল এর ছেলে উজ্জলকে মারধর করে। এ সময় তার বোন প্রিয়াংকা ১৮ দিনের বাচ্চার মা বাধা দিলে তাকেও বেধড়ক মারধর করে। পরে একে একে প্রিয়াংকা, বিজয়, চৈতন্য ম ল, উজ্জলসহ ৫/৬ জনকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। আহতদেরকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীরা ওই বাড়ি থেকে ১০ ভরি স্বর্ণ, ২০ ভরি রোপা লুটপাট করেছ্ ে। এ ঘটনায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মারধর, হামলা ও লুটপাট করে তড়িঘড়ি করে আশুলিয়া থানায় এসে সংখ্যালঘু পরিবারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছ্ ে। পরে সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবারের চৈতন্য ম ল থানায় এসে একটি অভিযোগ দায়ের করে। চৈতন্য ম লের অভিযোগ গ্রহণ করার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংখ্যালঘু পরিবারের ৩ জনকে থানা হাজতে আটক করার নির্দেশ দেয় । পরে তারা ভয়ে তাড়াতাড়ি থানা চত্বর ছেড়ে চলে আসে। এ ব্যাপারে উপ-পরিদর্শক আবু সাঈদ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর রণস্থল এলাকায় গেলে দেখা যায় এ ধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। : : -

নিজে শান্ত না হইলে কখনও শান্তি পাওয়া যায় না

"নিজে শান্ত না হইলে কখনও শান্তি পাওয়া যায় না। মানুষ শান্তিই খুঁজিয়া বেড়ায়, কিন্তু কি কৌশলে যে উহাকে লাভ করিতে হয় তাহা জানে না। ভাল মন্দ, জয় পরাজয় লইয়া থাকিলে কামনা বাসনা দূর হয় না এবং চিত্তের উদ্বেগ ও দৈন্য অপসারিত হয় না ইহার ফলে চিরদিন হাহাকার ও ছুটাছুটি করিয়াই অামাদিগকে বেড়াইতে হয়। কেমন করিয়া প্রকৃত শান্তি লাভ করা যায়, কেমন করিয়া জন্মজন্মান্তরেরজ্বলা জুড়াইতে পারা যায়-এই প্রশ্ন স্বতঃই অামাদের মনে উদিত হয়। কিন্তু কয়জন ইহার মীমাংসা করিতে পারিয়াছেন? তিনি বলেন-নিত্য বস্তু বা স্বভাবের সঙ্গ না করিলে দুঃখের হাত হইতে এড়াইবার অার অন্য উপায় নাই। নিজের কর্তৃত্ববুদ্ধি একেবারে বিসর্জন করিতে না পারিলে শান্তি লাভ করা অসম্ভব। বিত্য বস্তু কি? যাহাকে কোনও প্রকারে ত্যাগ করা না তাহাই নিত্য। যাহাকে ধরিয়া থাকিলে পাপ তাপ, দুঃখ যন্ত্রণা ভয়ে পালাইয়া যায় তাহাই নিত্য। এই নিত্যের সেবা করাই ধর্ম্ম। প্রাণ নিত্য, যে-হেতু তাহাকে ছাড়িয়া এক মুহূর্তও থাকা চলে না। যে প্রাণ জগতের অাশ্রয় এবং যাহার ক্রিয়া বা স্পন্দনের বিরাম নাই, সেই প্রত্যক্ষসিদ্ধ প্রাণদেবতার সঙ্গ করিতে হয়। একটা কিছু অাশ্রয় বা অবলম্বন না করিয়া সাধন-ভজনে অগ্রসর হওয়া যায় না। কাজেই যিনি সকলের অাশ্রয়, সর্বভুতের প্রাণ এবং সর্বব্যাপক তাঁহারই অাশ্রয় গ্রহণ করিতে হয়। এই জন্যই বৈষ্ণবেরা বলেন- 'অাশ্রয় লইয়া ভজে তারে কৃষ্ণ নাহি ত্যজে। সর্বাশ্রয় ভগবানের কথা তিনি অনেক সময় বলিয়া থাকেন। এই অাশ্রয়কেই উপনিষদে বলা হইয়াছে, সর্বলোক -প্রতিষ্ঠা'।" -অধ্যাপক প্রঁভাআ চন্দ্র চক্রবর্তী, (এম, এ; পি, অার, এস; পি, এইচ, ডি, লিখিত)।

সংখ্যালঘু Problem in Bangladesh

আমরা কেন সংখ্যালঘু আপনারা কি জানেন ? এর জন্য দায়ী আপনি । আপনি নিজে ধর্মের অনুশীলন তো করেনই না বরং যারা করে তাদেরকে সবসময় খোচা মারেন । যারা একটু এগিয়ে আসে বাবা মা হিসেবে আপনি বাধা দেন । যে , বাবা এই সময়টা লেখাপড়া করার ।ধর্ম করার অনেক সময় পাবি । তো মুর্খ আপনি । আপনি পড়ালেখা করে ব্যারিষ্টার হতে পারেন ।আপনি আপনার ছেলেকে ডিজিটাল পদ্ধতি শেখাচ্ছেন । তার হাতে গীতা শাস্ত্র না দিয়ে তাকে দিচ্ছেন এরিস্টটলের বিবর্তনবাদ । তাদের মাথার ব্রেন চাঙ্গা করছেন অথছ তাদের করছেন মুর্খ ।আর যার ফলশ্রুতিতে হিন্দু সমাজ ধ্বংস হয়ে সংখ্যালঘু হয়ে যাচ্ছে । কি বলব এই জ্ঞাণহীন পাষণ্ড ষমাজকে ।তারা ভোগের নেশায় ব্যাস্ত । সকালে কি খাব দুপুরে কি খাব এই খাওয়া নিয়েই তারা ব্যাস্ত । ধর্মতত্ব না জানলে , ভগবানে পুর্ন শরনাগতি না হলে আপনার জীবন বৃথা । আপনার কুলনাশ হবে ,বংশ মর্যাদা আপানার তৈরী ঐ অধার্মিক পুত্র কন্যার দ্বারা দুষিত হবে ।আপনার হাহাকার করা ছারা আর কোন উপায় থাকবে না । ছেলে বৃদ্ধ বয়সে পিতা মাতাকে দেখে না কেন ? দোষ পিতা মাতার । কারন আপনারা তাকে ধর্মীয় শিক্ষা দেন নাই । আপনাদের কিছে অনুরোধঃ আপনারা নিজেরা ধর্মপথে সঠিকভাবে চলুন আর অন্ততপক্ষে আপনার সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই সনাতন ধর্মের রীতি, নিতী, আদর্শ, আচার অনুষ্ঠান, পূজা পার্বন, আর সর্বোপরি গীতার জ্ঞাণ তাদেরকে ছোট থেকেই দান করুন ।আর আপনি গীতাকে করুন আপনার চলার পথের পথ প্রদর্শক ।যে গীতার বানী শুনে জীবন পরিচালনা করে সে কখনো সংখ্যালঘু নয় ।সংখ্যালঘু বলতে কোন ধর্ম নেই ।তাই আপনি সনাতন হউন আর অপরকে সনাতন সম্পর্কে জানান ।হরে কৃষ্ণ

Bangladeshi Hindu Pondit and Problems

ফেসবুকে যত পন্ডিতের আগমন হয়েছে তাতে আসল পন্ডিতের কদর কমেছে। কয়েকদিন ধরে দেখছি আমার কিছু যোগ মার্গের বন্ধু এবং জ্ঞান মার্গের বন্ধুদের বিশাল বাকযুদ্ধ। ঘটনা বাকযুদ্ধে থেমে থাকলে কিছু বলতাম না তারা ধর্মীয় আলোচনা করতে গিয়ে মুখ খারাপ করে একে অপরকে গালিগালাজ করতেও দ্বিধান্বিত হচ্ছে না। তারা তাদের পথকেই শ্রেষ্ঠ মনে করেছে। তারা তাদের ভজন মার্গকে তুলে ধরতে তারা ভুলে যাচ্ছে তারা একই সনাতনধর্মের মানুষ। ফলে আমাদের মধ্যে আমাদের দূরত্ব বাড়ছে। আমরা বাংলাদেশে আর কয়জন হিন্দু বসবাস করি তাদের মধ্যে এত মত পার্থক্য দেখলে আপনার গা শিউরে উঠবে। তারা ভুলে গেছে সনাতনধর্ম পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম এবং পুনাঙ্গ একটি ধর্ম এর জ্ঞান বিভিন্ন পর্যায়ে বিভক্ত করা হয়েছে। আমরা যখন প্রথম অথবা দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি তখন আমাদের পাঠ্য পুস্তক মেধা অনুযায়ী তিন চারটে থাকে তারপর মাধ্যমিক শ্রেণিতে এসে আমরা আবার মেধা অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগে যাই কেউ বিজ্ঞান কেউ মানবিক কেউ বা আবার বানিজ্য। সেই ছাত্র আমরাই সম্মান শ্রেণিতে উঠে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর অনার্স করি। আমরা কি তাহলে একে অপরকে বলব তোমার শিক্ষা ভুল? বলব না, আর কেউ যদি বলে তাহলে বুঝতে হবে তার জ্ঞানের পরিধি কতদূর। তাই আমার সকল সনাতনপন্থী মিত্রদের বলছি আসুন আমরা যে মার্গেই ভজনা করি না কেন সাধনা তো এক ঈশ্বরেরই করছি। অযথা আমরা আমরা ঝগড়া করে এত বিভক্তি না বের করি আমরা যে যে পথেই থাকি না কেন আমাদের ধর্ম যে সনাতন সেই সুতাতেই বাধা থাকি। লেখাঃ কার্তিক কৃৃষ্ণ রায়

শিক্ষনীয়‬গল্প:

‪ধর্মতত্ত্ব ও ধর্মদর্শন কোনো এক গ্রামে এক গরীব লোক বাস করতো যে এমন এক রাজার সন্ধান করতেছিল যে তাকে তার দূরবস্হা দূর হতে সাহায্য করবে । একদিন সে এক রাজপ্রাসাদে গেল ।প্রহরী তাকে বাইরে অপেক্ষা করতে বলল ।গরীব লোকটি তাই কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে থাকল ।কিন্তু রাজা আসছে না । ধর্মতত্ত্ব ও ধর্মদর্শন তাই সে পদব্রজে রাজার ঘরের দিকে গেল ।সে সেখানে গিয়ে দেখল যে রাজা ভগবানের কাছে হাত পেতে কিছু সাহায্য চাইছে ।এইদৃশ্য দেখার পর সে সিদ্ধান্ত নিল যে রাজার সাথে দেখা না করেই চলে যাবে ।তখন প্রহরী তাকে তার এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কারন কি জানতে চাইলে সে বলল যে আমি তুমি রাজা সবাইকেতো একনৌকাতেই ভবনদী পাড়ি দিতে হবে ।মূলত আমরা সবাইতো ভিক্ষুক.ভগবানেরকাছে ভিক্ষা চাই ।তখন সে বলল আজ আমি বুঝতে পেরেছি যে সবকিছু দেবার মালিক ভগবান কৃষ্ণ বাদে আর কেউ নয় ।এই গল্প পড়ে এটা শিক্ষা হয় যে.এই পৃথিবীতে সবকিছুই তো একদিন শেষ হয়ে যাবে ।তবে কেন আমরা এটা চাই ওটা চাই বলি ।আমাদের সুখ শান্তি একমাএ ভগবানই দিতে পারে ।তাই আমাদের সকলের উচিত পরমপুরুষ ভগবানের কাছে এমন কিছু চাওয়া যাতে ইহলোক ও পরলোকের উপকার সাধিত হয় । ‪#‎ ভাল‬লাগলে শেয়ার করবেন ধর্মতত্ত্ব ও ধর্মদর্শন ধর্মতত্ত্ব ও ধর্মদর্শন

সাতক্ষীরা বাংলাদেশ

সাতক্ষীরা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে সীমান্তবর্তী জেলা.......। জেলার অায়াতন ৩৫০০ বর্গকিলোমিটার । ব্রিটিশ চলে যাবার সময় এই জেলায় প্রায় 50% জনসংখ্যা হিন্দু ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী মুহুর্তে ছিল ৩৫% হিন্দু। বর্তমানে এই জেলাতে ৮% হিন্দু অাছে যা সরকারী হিসাবে দেখাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে হিন্দু অারও অনেক কম........। 2001 নির্বাচনের পর এই এলাকাতে হিন্দুদের উপর শুরু হয় নির্যাতন। এখানে হিন্দুদের উপর নির্যাতন করে শুধু জামাত নয়......। সব সময় সরকার দলীয় লোকজন এখানে হিন্দুদের উপর নির্যাতন করে......। এই জেলায় ভারত সীমান্তবর্তী এলাকাতে এখন আর খুজে পাওয়া যায় না হিন্দুদের.......। ২০১১ সালে একটি স্কুলে এক মুসলিম স্যারের লেখা নাকটে অভিনয় করছিলেন কয়েকজন হিন্দু ছেলে.......। তার ফলাফল হিসাবে ৩৫ টি বাড়ি পুড়ানো হয় ঐ এলাকাতে। এখানে সর্বদা পুলিশ নিরবতা প্রকাশ করে। ২০১৩ সালে এই জেলার হিন্দুদের উপরে যে নির্যাতন হয়েছে তা পড়ুন : ক্রিকেটার সৈম্য সরকারের গ্রাম গুলোর কথা। সন্ধায় শঙ্খ ও উল্লুধনি নিয়ে বাধল। তার পর প্রতিটি বাড়ি তচনচ করা হল। বাড়িতে বৃদ্ধ, বৃদ্ধা, তরুন, যুবতী যাকেই পাই তার উপর হামলা হয়। (এই হামলার সময় প্রচার করা হয় বিধর্মী দের নিধান করা সোয়াব।) এই সময় অধিকাংশ লোকজন বাগানে অাশ্রয় নেয়। তখন বাগানে ও এদের খোজা হয়। কচুবাগান, পাটক্ষেত, বাঁশবাগান সহ নানা গোপনীয় জায়গায় এরা লুকায়। মৃত্যুনজয় নামের এক ছেলে বলছে....... এমন অবস্থায় আমরা পুকুরে জলের মধ্যে অবস্থান করি শুধু নাক,মুখ মাথা টা ভাসিয়ে । এই বিভিষিকা ঘটনা প্রচুর পরিমান ঘটে। কিন্তু প্রতিকার হয় না। সীমান্তবর্তী এক রাধিকা নামের এক দিদি বলেন এ ঘটনার সময় কেও জামাত, আওয়মলীগ থাকে না। সকলে এক হয়ে অনাক্রমণ করে। ২০১৩-২০১৪ সালের মধ্যে প্রর্তক্ষ্য ও পরক্ষ ভাবে ৭০% হিন্দু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নানা ধররনের ভয় দেখানো হচ্ছে এই জেলার হিন্দুদের। ভয়ের মধ্যে রয়েছে মেয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া, ছেলেকে গুম করা সহ নানা হত্যা ইত্যাদি......। এখানে যদি কাউকে খুজে পাওয়া না যায় তবে অধিকাংশ বেক্তি দাবি করে সে ভারতে চলে গেছে.......। কিন্তু নদী ও সুন্দরবন এ এলাকার সেই ব্যক্তকে বাস্তবে পরিবার আর কখনো খুজে পাই না.....। এদিকে অধিকাংশ হিন্দু ব্যক্তি তাদের জমি বা সম্পত্তি এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি দের লিখে দিতে বাধ্য হচ্ছেন.....। অার সাধারণ লোক জানে সে ভারতে চলে যাবার জন্য জমি ব্রিক্রি করছেন। বাস্তবে এ ঘটনা গুলো বাতাসে ভেষে বেড়ায় কেউ প্রকশ্যে মুখ খোলেনা......। মেয়েদের ধরে নিয়ে যাবার ঘটনা অহরহ হয় । কিন্তু নিরুপায় সেই মেয়ে তারা বাবা মার নিরাপত্তার কথা ভেবে নিশাচুপ হয়ে যায়। এদিকে হিন্দু নেতারা খুববেশি বেড়ে উঠতে পারে না। তারা নিখোজ না হয় হত্যা হয়। এদিকে সাতক্ষীরা শহরে ধনাত্য হিন্দুদের রাতের অাধারে অস্ত্রের মুখমুখি হতে হয়। ২০১৪ সালের দিকে অধিকাংশ গ্রামে হিন্দু বিতাড়িত কমিটি গড়ে উঠে। তাও আবার খুব গোপনে। মুলতো এই জেলা অধিকাংশ হিন্দু বেক্তি ধনাত্য। তাদের তাড়াতে পারলে দখল হয় তাদের পুরো সম্পত্তি। এদিকে অধিকাংশ ব্যক্তি ভয় ও অাতংঙ্কে দেশ ছেড়ে চলে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন..... শ্যামনগর, দেভাটা, তালা উপজেলার অধিকাংশ ব্যক্তি এই সব বিষয়ে বিবেচনা করে দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করছে.....। কেননা তাদেন কে নানা ভাবে সুকৌশলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে......। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা কখনো তাদের ক্ষতিপূরণ পায়না.........। বা তা নিয়ে থানাতে ডাইরি করতে যেতে পারেনা। এ জেলাতে হিন্দুদের বর্তমানে নিরবে নির্যাতন করা হচ্ছে যা বাস্তবে সেই পরিকল্পনা গুলো না দেখলে অাপনাদের বিশ্বাস হবে না। শহরে একই বাড়িতে পাশাপাশি ফ্লাটে এক জন হিন্দু হলে সে পূজা করতে পারে না। শঙ্খ বাজাতে পারে না। শহরের ম্যাচ গুলো তে হিন্দু ছেলে মেয়েরা তাদের বিগ্রহ রাখতে পারে না.....। বা ঈশ্বরের ছবিও ঘরে রাখতে পারেনা....। এখানে অধিকাংশ হিন্দুকে ইসলাম গ্রহনের দাওয়াত দেওয়া হয়। সাধারণত এটা নিয়ে বেশি বিরোধ দেখা যায়। তবে যাই হোক সেটা হিন্দুদের ঘাড়ে গিয়ে পড়ে অার তার ফল হয় ভাংচুর। নানা ভাবে নির্যাতন হচ্ছে এই সাতক্ষীরার মানুষ....। বর্তমানে সরকার ৩ লক্ষ হিন্দু দেখালে ও তা খুজে পাওয়া যাবেনা..... নানা বিধ কারনে এই জেলার হিন্দুরা ভাল নেই। তাদের নিয়ে লেখার ও কেউ নেই......... ২০০১, ২০০৪, ২০০৫, ২০০৬, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে ভয়াবহ নির্যাতন হয় এই জেলার হিন্দুদের উপর। এত অত্যাচার ও নির্যাতন হয় এই জেলার ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদের উপর আজ পর্যন্ত এখনো কোন সরকার, Mp, মন্ত্রি, কোন দল এলাকার কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি তার প্রতিবাদ করেনী। কোন বিচার ও হয়নি.....। যার ফলে অপরাধীরা অপরাধ এই ধরনের করার সময় পিছনে ভেবে দেখেনা। হামলার পিছনে মদদদাতারা সর্বদা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে। বর্তমানে তাদের উপর যে অত্যাচার করা হচ্ছে তা তারা নিরাবে সহ্য করছে। সহ্য করতে করতে ৫০% হিন্দু থেকে আজ হিন্দু মাত্র ৮% এসে দাড়িয়েছে........

বাচ্চাটি আমার মেয়ে, আমার বাবারও মেয়ে

আফগানিস্তানের আদালতে এক ঐতিহাসিক রায় হয়ে গেলো। ডিএনএ টেস্টে এক পিতার অপরাধ প্রমাণিত হলো। মিডিয়ার কল্যাণে আরেক নরপশুকে দেখলো বিশ্ববাসী। ওই লোকটি তার মেয়েকে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ধর্ষণ করেছেন। কোলজুড়ে দুটো সন্তানও এসেছে তার। এতদিন পর ঘটনাটি প্রকাশ পেয়ে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো আফগানিস্তানেও নারীর প্রতি সহিংসতা এবং যৌন নিপীড়ন অপরাধ। তবে সেখানে এ ঘটনায় অপরাধীকে 'নৈতিকভাবে অপরাধী' হিসেবে জেল দেওয়া হয়। মেয়েটির বয়স এখনো বিশের কোঠা পেরোয়নি। গত বছর বাবার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ জানালে বিচারক ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দেন। মেয়েটির অভিযোগের শুনানিতে স্তব্ধ হয়ে পড়ে বিচারালয়। একে 'অনাকাঙ্ক্ষিত' ঘটনার বিচার বলে মন্তব্য করেছেন বিচারক। ধর্ষণের কারণে গর্ভবতী হয়েছেন তিনি। পিতা ও কন্যার নাম প্রকাশ করা হয়নি। চোখের পানি মুছতে মুছতে মেয়েটি বলেন, 'কোলের বাচ্চাটি আমার মেয়ে এবং আমার বাবারও মেয়ে। আমাকে আমার বাবা ধর্ষণ করেছেন। মেয়েটি তারই ফসল। আমি ওর মা এবং একই সাথে ওর বোন'। আফগান কোর্টে গত গ্রীষ্মে এই হতভাগা তরুণী তার বাবার যৌন নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। বাবা বিদেশে ছিলেন ৮ বছর। একদিন বাড়ি ফেরেন। তখন মেয়েটির বয়স ১২ বছর। আর তখন থেকেই পিতার লালসার শিকার হন। 'বাবা ফিরে আসাতে আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাই', বলতে থাকেন মেয়েটি। 'আমার চাচা বা মামা তার মেয়েকে যেমন আগলে রাখতেন, আদর করতেন, আমি ভেবেছিলাম বাবাও আমাকে বুকে আগলে রাখবেন। কিন্তু বাবা প্রথমে এমন কিছু করলেন যে আমি হতবিহ্বল হয়ে পড়ি'। 'পরে এ অস্বস্তির কথা আমি দাদিকে বললেও তিনি আমাকে বকাঝকা করেন', জানান তিনি। 'কিন্তু এক রাতে বাবা আমাকে ধর্ষণ করলেন। ওই দিন ভয়ে আমি সারা রাত রুমের এক কোণায় পড়ে রইলাম'। প্রথমবারের মতো গর্ভবতী হলে ওই নরপশু মেয়েকে অন্য প্রদেশে নিয়ে যান। সেখানেই জন্ম নেয় প্রথম সন্তান। শিশুটিকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায় লোকটি। 'ওই সন্তানের দেখা আজও পাইনি', বলেন হতভাগা মেয়েটি। এভাবে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেন পাষণ্ড বাবা। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং প্রতিবারই গর্ভপাত ঘটানো হয়। নিরাপত্তার জন্যে তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলও খাওয়াতেন বাবা। আদালতে অভিযোগ ওঠামাত্র সব অস্বীকার করে লোকটি। বরং মেয়ের নামে উল্টো অভিযোগ তোলেন। বলেন, মেয়েটি চরিত্রহীন এবং নানা মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু অবশেষে ডিএনএ টেস্টে সত্য প্রমাণিত হলো। পিতা, মেয়ে এবং শিশুর রক্ত ও স্যালিভা সংগ্রহ করে তা পাঠানো হয় আমেরিকায়। ফলাফলে যদি মেয়েটির অভিযোগ প্রমাণিত না হতো, তবে আইন অনুযায়ী মেয়েটির বিচার হতো। এসব জানালেন মেয়েটির আইনজীবী রুহুলা। সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে মেয়েটির চিন্তার শেষ নেই। তার মনে একটিই প্রশ্ন, 'বড় হলে ওরা যখন ওদের বাবার পরিচয় জানতে চাইবে, তখন আমি কি বলবো?' আফগানিস্তানে এর আগে কখনো কোনো বিচারকার্যে ডিএনএ টেস্ট করার প্রয়োজন পড়েনি। তাই এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে 'অনাকাঙ্ক্ষিত' কেস বলে মত দিয়েছেন অনেকে। পিতার বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। পাষণ্ড বাবার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। সূত্র : বিবিসি