Tuesday, 30 June 2015

রমজান মাসে মুসলিমদের সামনে কিছু খাবে না

" রমজান মাসে মুসলিমদের সামনে কিছু খাবে না,পিপাসা পেলে বাথরুমে গিয়ে নিজের প্রসাব খাও" এভাবে অমুসলিম ছাত্রছাত্রীদের নির্দেশ দিলেন সোনগাই পেতানি প্রাইমারী স্কুলের এক শিক্ষিক! না,এটা আফগানিস্তান বা পাকিস্তানের কোন স্কুলের ঘটনা না! এটা শিক্ষিত,উন্নতদের দেশ মালয়শিয়ার ঘটনা। বর্তমানে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ মালয়েশিয়ান হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের মাঝে! মালয়শিয়ার কেদাহ প্রদেশের তানজং দাওয়াই এলাকার একজন প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক সিকলাহ কিবানসান ইব্রাহীম নামের ওই শিক্ষক তার ক্লাস চলাকালীন সময়ে স্কুলের মুসলিম বাচ্চাদের বলতে লাগলেন রোজা রাখতে হবে।আর অমুসলিম বাচ্চাদের নির্দেশ দিলেন পিপাসা লাগলে মুসলিম বাচ্চাদের সামনে কিছু না খেতে,পিপাসা লাগলে বাথরুমে গিয়ে নিজের প্রসাব খেয়ে নিতে!" ক্লাস শেষে বাচ্চারা তাদের অভিভাবককে বললে তারা এর প্রতিবাদ করেন!! কিন্তু এ ব্যাপারে ধামাচাপা দেয়ার জন্য কেদাহ প্রদেশের শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছে, এগুলো নাকি কৌতুক করে বলা হয়েছে!! এদিকে এব্যাপারে অনেকটা নীরব ভূমিকা পালন করছেন মালয়েশিয়ার শিক্ষামন্ত্রী মাহিউদ্দিন ওয়ারসি!! মালয়শিয়ান ডেপুটি মিনিস্টার শ্রী পঞ্চাননাথান কমলানাথান বলেছেন এব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে কেদাহ এর শিক্ষা অধিদপ্তরকে বলা হয়েছে!! শেষ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদেরও উগ্রতা শিখানো হচ্ছে!! মালয়েশিয়ান উগ্রবাদী মুসলিমরা অর্থে উন্নত হতে পারে কিন্তু মানবতার দিক থেকে না!! ধিক জানাই এমন শিশুদের সাথে এমন উগ্রবাদী সাম্প্রদায়িক মনোভাবকে! তথ্যসূত্রঃ ডেইলি মেইল, http:// www.dailymail.co .uk/news/ article-3139916/ School-firebombe d-Malaysian-tea cher-told-non-M uslim- students- wanted-drink-Ra madan-bathroom- consume- urine.h tml

রবীন্দ্রনাথ একটা জ্যান্ত যমদূতের নাম

জন্মটা হিন্দুর ঘরে হওয়ার কারণে বাঙালি মুসলমানের একটা উল্লেখযোগ্য অংশের কাছে রবীন্দ্রনাথ একটা জ্যান্ত যমদূতের নাম। বাঙলা সাহিত্য মানেই রবীন্দ্রনাথ আর রবীন্দ্রনাথ মানেই বাঙলা সাহিত্য এই সত্যটা তারা জানে। তারা জানে যতই রবীন্দ্রনাথকে সাম্প্রদায়িক তকমা দেওয়া হোক কিংবা বৃটিশদের দালাল এতে রবীন্দ্রনাথের কিছুই হয় না। বাংলা থাকলে, বাঙালি থাকলে, বাংলা সাহিত্য থাকলে রবীন্দ্রনাথও থাকবেন এই ধ্রুব সত্যটা জেনেই এই মূর্খরা রবীন্দ্রনাথ বিরোধীতায় নামে এবং এটা তারা ঈমানি দায়িত্ব হিসেবেই নেয়। বাঙালি মুসলমানের একটা বিরাট অংশ রবীন্দ্রনাথকে কবি বলেই স্বীকার করতে চান না। অথচ বিশ্বে বাঙালিদের গৌরব কিংবা বাঙালি বলতে ইউরোপিয়ান আমেরিকানরা যে মানুষটিকে চিনেন সেটা আমাদের রবীন্দ্রনাথ। দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের যে বাড়িটিতে মহান নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র জন্মেছিলেন সেই বাড়িটির বাগানে একজন মাত্র বিখ্যাত ব্যক্তির আবক্ষমূর্তি বসানো আছে। জানেন সেটা কার? -- আমাদের রবীন্দ্রনাথের। বাঙালির রবীন্দ্রনাথ। লেখক গোলাম মুরশিদ সেই বাড়িটি ভ্রমণে গেলে উনার সহযাত্রী যে বাঙালি মুসলমানটি ছিলেন তনি বলছিলেন;- "সামনের বার এখানে আসলে রবীন্দ্রনাথকে সরিয়ে এখানে একটি নজরুলের মূর্তি বসিয়ে যাব।" -- অথচ ঐ লোক ৩০ বছর ধরে বিলেতের বাসিন্দা। ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙে আর বাঙালি মুসলমান ইংল্যান্ডে গিয়েও ধর্মান্ধ থাকে! এই শিক্ষিত বাঙালি মুসলমানেরা রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতা করে কায়দা করে। যেমন- রবীন্দ্রনাথ গোঁড়া হিন্দু ছিলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধী ছিলেন, তিনি বৃটিশদের দালালি করতেন ইত্যাদি। এসব খোঁড়া অজুহাত। রবীন্দ্রনাথ গোঁড়া হিন্দু? উনার বেশভূষা ছিল মোল্লাদের মতো। বিরাট আলকেল্লা, মুখে দাড়ি। উনার বাড়ির পাঁচক ছিলেন মুসলিম। ব্রাহ্মণবাড়িয়ারগেদু মিয়া। একবার হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা শুরু হওয়ার উপক্রম হলে রবীন্দ্রনাথ গেদু মিয়াকে বলেছিলেন;- "শোন গেদু মিয়া, পরিস্থিতি ভালো না। ধর্মান্ধরা যেকোন সময় একটা রক্তারক্তি ঘটিয়ে ফেলতে পারে। কেউ যদি তোমাকে জিজ্ঞেস করে তোমার ধর্ম কি? -- তুমি সরাসরি উত্তর দেবে রবীন্দ্রনাথের ধর্মই আমার ধর্ম। আমি বাঙালি।" রবীন্দ্রনাথের নামে বিশ্ববিদ্যালয় করার উদ্যোগ নিলে এদেশের মুসলমানদের একটা অংশের অনুভূতিতে আঘাত লাগে। তারা মুসলমানদের দেশে হিন্দু(!) কবি রবীন্দ্রনাথের নামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করলে আল্লাহর গজব পড়বে বলে লিফলেট বিলি করে উস্কানি দেয়। এই গুজব ছড়ানোর দল মাদ্রাসা পড়ুয়া কিংবা কাঠমোল্লা। তারা এক পর্যায়ের রবীন্দ্রনাথ বিরোধী। এর বাইরে আছেন বাংলার রাজনীতিবিদেরাও।জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় বসে একটা পাকিস্তান বানানোর চেষ্টায় ছিলেন। রাজাকারকে রাষ্ট্রপতি বানানো, রাজাকারদের পুনর্বাসন, মুক্তিযোদ্ধাদেরফাঁসি দেওয় এসব কাজ তিনি বেশ সুচারুভাবে করেছিলেন। তিনি বলতেন সময় আসুক, হিন্দু কবির লেখা জাতীয় সংগীতটাও পাল্টানো হবে। এইতো গত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা রাজকার সাকা চৌধুরী বলেছিল,'দেশ স্বাধীন করলাম আমরা আর জাতীয় সংগীত লিখল কোথাকার কোন রবীন্দ্রনাথ!" এই রবীন্দ্রনাথ বিরোধীতায় রবীন্দ্রনাথের কিছু যায় আসে না। হাস মুরগী আকাশে উড়ন্ত ঈগল দেখে শুধু ঈর্ষা করতে পারে। এর বেশি কিছু না। যেসময় তারা রবীন্দ্রনাথ পড়ত সেসময় তারা নানা জিহাদি পাঠ্যপুস্তক পড়বে, জঙ্গি হবে। প্রথমে বিধর্মী মারবে। তারপর শিয়া সুন্নি মারবে। তারা রবীন্দ্রনাথ না পড়ে দেলোয়ার হোসেন সাঈদির 'নন্দিত জাতি নিন্দিত গন্তব্যে' পড়বে। কিভাবে মেয়েদের ছোট করা যায় সেটা শিখবে। তারা শিখবে কিভাবে ধর্ষণের জন্য পোশাককে দায়ী করা যায়। তাদের শিখবে নারী মানেই শস্যখেত! এই রবীন্দ্রনাথ বিরোধীতা শুধু করেই যাবে তারা। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ থাকবেন বাঙালির মননে। হুমায়ুন আজাদের উক্তিটিই ধ্রুবসত্য। "রবীন্দ্রনাথ আজ বাঙলার মাটি থেকে নির্বাসিত তবে আকাশটা তার। বাঙলার আকাশের নাম রবীন্দ্রাকাশ।"

কেজরিবাল

ভোটের আগে লোককে স্বপ্ন দেখানো কেও কেজরিবাল এর থেকে শিখুক। দিল্লী তে রাজ্য সরকার ভ্যাট বাড়িয়ে ডিজেল এর ৯ টাকা দাম বাড়াতে চলেছে। আজ এটা দিল্লী বাসির গালে সজোরে একটা চর মারা হল। আর এই কর্মকান্ডের সাথে জরিত আছে, তৃনমূল, সিপিএম এবং কংগ্রেস। কারন তারা ভোটের সময় ‪#‎ Aap‬কে সমর্থন করেছিল বিজেপি কে হারানর জন্য। 1
মিয়ানমারে মুসলমান ছাত্রীদের হিজাব নিষিদ্ধের প্রস্তাব ------------------ মিয়ানমারের স্কুলগুলোতে মুসলমান ছাত্রীদের হিজাব নিষিদ্ধের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে বৌদ্ধভিক্ষুদের একটি প্রভাবশালী সংগঠন। বর্ণ ও ধর্ম রক্ষা সংস্থা স্থানীয়ভাবে http://www.somoyerkonthosor.com/news/248374

শব্দের অর্থ

আয়ু’ শব্দের অর্থ ‘ জীবন’ এবং ‘বের্দ’ শব্দের অর্থ ‘ জ্ঞান ’ বা ‘বিদ্যা’। ‘আয়ুর্বেদ’ শব্দের অর্থ জীবনজ্ঞান বা জীববিদ্যা। অর্থাত্ যে জ্ঞানের মাধ্যমে জীবের কল্যাণ সাধন হয় তাকে আয়ুর্বেদ বা জীববিদ্যা বলা হয়। আয়ুর্বেদ চিকিত্সা বলতে ভেষজ বা উদ্ভিদের মাধ্যমে যে চিকিত্সা দেয়া হয় তাকে বুঝানো হয়। এই চিকিত্সা ৫০০০ বছরের পুরাতন। এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পূর্ন একটি ভারতীয় পদ্ধতি। প্রায় ৫০০০ বছর পূর্বে ভারতবর্ষেরই মাটিতে এই চিকিৎসা পদ্ধতির উত্পত্তি হয । বৈদিক যুগে গাছপালার মাধ্যমেই মানুষের রোগের চিকিসা করা হতো। এই চিকিত্সা বর্তমানে ‘হারবাল চিকিত্সা’ তথা ‘অলটারনেটিভ ট্রিটমেন্ট’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে।বিশ্বের বহু কঠিন রোগের নিরাময় করে এসেছে এই আয়ুর্বেদ।বিশ্বের প্রথম ডাক্তার (আয়ুর্বেদ পণ্ডিত ছিলেন ) যিনি বিদেশ ভ্রমন করেছিলেন,তিনি একজন ভারতীয়।একজন হিন্দু।বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মের বানী প্রচারের জন্য তিনি চীন গিয়েছিলেন। আমাদের বোধিধম্মা। চীনে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের জ্ঞান ছড়িয়ে পড়ে মূলত তার জন্যই। এছাড়া হিপনোটিজম বা সম্মোহনবিদ্যা আর কংফু বা মার্শাল আর্ট ও চাইনিজ দের শেখান বোধিধম্মা ।এই সব হল ভারতীয় কলা। সত্যমেব জয়তে।- INDIAN HISTORY

বর্তমান ছাত্র সমাজ

আমরা বর্তমানে ছাত্র সমাজ যারা আছি । সমাজকে সচেতন একমাত্র আমরাই করতে পারি ।আমাদের যখন পরীক্ষা শুরু হয় তখন আমরা বলি কি ? আজ আর ভগবানকে প্রনাম করার সময় নেই । কিন্তু হে মুর্খ তুমি যে ভগবানের আশির্বাদ ব্যাতীত পরীক্ষায় ভাল রেসাল্ট করতে পারবে না ।এটা তুমি জান না ? এই কথা যে কোন কাজে ব্যাবহার করার জন্য । তুমি লেখাপড়া , কৃষিকাজ, গৃহকর্ম, রাজনিতী,ধর্মনীতি যাই কর না কেন , শাস্ত্রীয় বিধি মোতাবেক করবে । এমনিতে যতটুকু ফল আশা কর আমার বিশ্বাস কৃষ্ণ কৃপায় অনেক বেশি ফল পাবে । সময়কে ধর্মীয় রিতীতে কাজে লাগাও । দেখবে সময় তোমাকে সফলতা এনে দিবে । আর । কৃষ্ণ ভুলি যেই জীব অনাদি বর্হিমুখ । অত এব মায়া তারে দেয় সংসার দুঃখ ।। তুমি নিজে তৈরী হও , তোমায় দেখে আমার হৃদয়ো পরিবর্তন হয়ে যাবে । হরে কৃষ্ণ

জাগ্রত হিন্দু জনতা

জাগ্রত হিন্দু জনতা বিশ্বে সকল ধর্মের অনুসারীগন যখন শান্তির বানী প্রচারে ব্যস্ত তখন ইসলাম শুধু মানুষ হত্যায় মত্ত। বিশ্ববাসী যখন শিক্ষিত হয়ে উন্নত সভ্যতার দিকে ধাবিত হচ্ছে তখন ইসলাম আইয়ামে জাহেলিয়াত যুুগে নিয়ে যাওয়ার জন্য পিছনে টানছে। পৃথিবীতে এমন কোন অপকর্ম নাই যা ইসলামের এজেন্টরা করে না। জ্ঞানী গন যখন গবেষনা করে উন্নত কিছু আবিষ্কার করছে ইসলামের ডিলারগন তখন কিভাবে নিত্য নতুন ফর্মুলায় মানুষ হত্য করা যায় তার গবেষনা করছে। এরপরও কিছু আহাম্মক -আধাকানা বলবে সব ধর্মই সমান। কেউ কি জানার চেস্টা করেছ? কোন ধর্মের বৈশিষ্ট্য কি?