Friday, 3 July 2015

ধিক্কার জানাই নাস্তিক সিপিএম এর দালাল মিডিয়া ২৪ ঘন্টা কে। কিভাবে মা দূর্গাকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক নিউজ বানিয়েছে দেখুন, http://zeenews.india.co m/bengali/kolkata/durga-puja-in-chicago_129164.html ফেসবুক পোষ্টঃ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1013584065341981&id=297340303633031&refid=17 এই হিন্দু বিরোধী নাস্তিকদের চেয়ে আমি তাদেরকে বেশি করে দায়ি করব, যারা নিজেদের হিন্দুত্ববাদী দাবি করেও এসব অনাচার নীরবে সহ্য করে। কোনো ধার্মিক নিজের ধর্মকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে না বা তা সহ্য করে না; শুধু হিন্দুরা করে! তাই সমরেশ মজুমদার "২৪ ঘন্টার ঈশ্বর" গল্পে মা দূর্গাকে নিয়ে যাচ্ছে তায় ভাবে বিদ্রুপ করলেও আমাদের গায়ে লাগে না। গায়ে না লাগার কারণেই "২৪ ঘন্টা" হিন্দু দেবদেবী নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ সহ্য করতে হয়। যেখানে আরব দেশে টাকার লোভে আর মাথা কাটা যাবার ভয়ে এরায় আবার সন্ত্রাসবাদীদেরহয়ে দালালি করে যায় রাতদিন ২৪ টা ঘন্টা। আমরা আর কি বলব? কারো যখন এসব দেখে কষ্ট লাগছে না তখন একা গলা ফাটিয়ে উগ্রবাদী, কট্টরবাদী, মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক ইত্যাদি তকমা জুটিয়ে লাভটা কি? গোল্লায় যাক হিন্দুসমাজ!

ভারতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আইএস-আল কায়দা

আল কায়দা ও আইএসআইএস যৌথ ভাবে ভারতের মাটিতে খুব শিগগিরই একটি বড় ধরনের জঙ্গি আক্রমণের জন্য তৈরি হচ্ছে। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এমন তথ্যই দিয়েছেন। বুধবার আনন্দবাজার পত্রিকায় এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে আনন্দবাজার পত্রিকাকে মন্ত্রী জানিয়েছেন, বিভিন্ন সূত্রে খবর এসেছে, সুকৌশলে পুরনো কর্মপদ্ধতি বদলে এই সংগঠন বিশেষ ভাবে সন্ত্রাসের জন্য ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করে ফেলেছে। এই জিহাদি গোষ্ঠীগুলো সিরিয়া ও ইরাকে বিশেষ ভাবে সক্রিয়। প্রায় ১৭ হাজার জিহাদি এই গোষ্ঠীগুলোতে যুক্ত হয়েছিল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা এবং গাল্ফ এলাকায় এরা সক্রিয়। আল কায়দার নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিক ভাবে আইএসআইএস-র সঙ্গে নিজেদের সংযুক্তি ঘোষণা করেছে। এরপর আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়াতে যেমন ওরা ছড়িয়ে পড়েছে, তেমনই ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানেও এরা ছড়িয়ে পড়েছে। রাজনাথ সিংহ বলেন, ‘এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোর কাছে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। কাশ্মীরে গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হওয়ার পর জঙ্গিদের মধ্যে হতাশা এসেছে। সেই হতাশা কাটানোর জন্য উপত্যকায় একটা বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা চলছে।’ অতীতে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ভারতে ছায়াযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল। জিয়ার তত্ত্ব ছিল ভারতকে হাজারটি টুকরো করা। কিন্তু শুধু কাশ্মীর নয়। মুম্বাই বিস্ফোরণের সময় স্থানীয় মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিমের মতো ব্যক্তিকেও কাজে লাগানো হয়। তখন একটা কৌশল বদলায়। ভারতীয় এজেন্ট প্রোভোকেটরদের কাজে লাগানো শুরু হয়। রাজনাথ সিংহ বলছেন, ‘এখন পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে আইএসআইএস তাদের কৌশল আবার বদলাচ্ছে।’ রাজনাথ বলেন, ‘টুইটার এবং ফেসবুককে ছদ্মনামে ব্যবহার করা হচ্ছে। পৃথিবীর নানা প্রান্তে প্রায় দু’হাজার আইএসআইএস সমর্থকের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বিশেষত আরব জগতে ২০১০ থেকে এই গোষ্ঠী সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জিহাদ নামক শব্দটিতে কোরাআনে অন্য ভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, এই পৃথিবীতে ঈশ্বরের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য একটি বিশেষ কাজ হল জিহাদ। কিন্তু এই জিহাদ নামক শব্দটি অপব্যবহার করে জঙ্গিরা এ দেশে সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করছে।’ সম্প্রতি ডিজি এবং আইজি-দের সম্মেলন হয়। সেখানেও এই সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। ২০০৩-এর ২০ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ ইরাকে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তারপর ২০০৩-এর ৯ এপ্রিল মার্কিন সেনাবাহিনী সাদ্দাম হুসেনের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপরেই জারকোয়াই-এর নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠী ইরাকে জিহাদি কার্যকলাপ শুরু করে। ২০০৩-এর অগস্ট মাসে ওই জারকোয়াই গোষ্ঠী বাগদাদে রাষ্ট্রসঙ্ঘের দপ্তরে বোমা ছোড়ে। ২০০৪-এ জারকোয়াই বিন লাদেনের আনুগত্য স্বীকার করে এবং ইরাকে আল কায়গা গোষ্ঠী তৈরি করে। বিন লাদেনের মৃত্যুর পর কিছু দিন চুপচাপ ছিল সে। ২০১৩-র ২৪ জুলাই ইজরায়েল সেনাগোয়েন্দা অধিকর্তা প্রথম খবর দেয় সিরিয়া কিন্তু বিশ্ব জিহাদের একটি কেন্দ্র হয়ে উঠছে। ২০১৪-য় আইএস-র সমস্ত ফেসবুক-ট্যুইটারঅ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। রাজনাথ বলেন, ‘এই আইএস-র কার্যকলাপ সম্পূর্ণ আধুনিক। এরা ২০১৪-র জুলাই মাসে ডাবিক নামে একটি ইংরেজি পত্রিকা বের করেছে। খবর এসেছে, কাশ্মীর ও কেরালার মতো রাজ্যে এই পত্রিকা বেআইনি ভাবে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এরা এখন সোশ্যাল মিডিয়া, পত্রিকার মাধ্যমে সন্ত্রাসের মনস্তত্ত্বকে মতাদর্শের মাধ্যমে বিক্রি করার চেষ্টা করছে।’ রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সিরিয়াতে কীভাবে শিশু-কিশোরদের মগজধোলাই হয়েছে। যাতে দীর্ঘ মেয়াদে আনুগত্য পাওয়া যায়। এ বার ওরা কাশ্মীরে কিছু অল্পবয়সী ছেলেদের এই একই ভাবে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে। ভারতে যে সব শহরগুলোতে সংখ্যালঘুদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য, সেখানে এরা বেশি সক্রিয়। http:// www.banglamail24 .com/news/2015/ 07/01/id /231880/

Selfie With Daughter

আজকাল অনেককেই দেখছি যে তারা ‪#SelfieWithDaughter ‬এর বিরোধিতা করে বলছেন যে মেয়ের সাথে ছবি তুলে কি তার ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব না। তাদের আমি একটা কথা জানিয়ে দিই, প্রধানমন্ত্রী কবে বলেছেন যে মেয়ের সাথে ছবি তুলুন, তাহলেই ওর ভবিষ্যৎ হয়ে যাবে? আর হ্যা দ্বিতীয় কথা। আপনারা এর আগে কি ছিঁড়ছিলেন? আপনারা নিজেরাই আগে কোনদিনও মেয়েদের সন্মান দেননি, যদি দিতেন তাহলে দেশে এত ধর্ষন হত না। এতদিন যখন মেয়েদের জন্য কিছু করা হয়নি তখন আপনারা ঘুমাচ্ছিলেন, আর এখন যখন মেয়ে দের জন্য কিছু করা হচ্ছে তখন আপনাদের বাশঁ যাচ্ছে কেনো? ‪#‎ SochBadloNiyatN ahi‬

উগ্র‬ধর্মান্ধতার দেশ বাংলাদেশ

‪‬আনসারউল্লাহ ১-৮ বাহিনীর দেশ বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলামের দেশ বাংলাদেশ, জামাতি ইসলামের দেশ বাংলাদেশ। এখানে বাক স্বধীনতা নেই। এখানে ইসলাম নিয়ে কোন কথা বলতে পারবে না। অন্য সব ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করতে পারবে, মন্দির ভাংতে পারবে। পেগোডা ভাংতে পারবে। মুর্তি ভাংতে পারবে। এতে করে তাদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত লাগতে পারে না এরা বিচার চাইতে পারে না। ফলে কাউকে সরকার বন্দী করে না। এই দেশ থেকে তো সংখ্যা লঘুরা প্রায় চলেই গেছে। যারা আছে তারাও অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে যাবার জন্য পথ খুঁজে বেড়াচ্ছে। ধর্মানুভুতি দেখি কেবল মুসলমানদের মধ্যেই। যা কিনা ৭০দশকেও ছিল না এই দেশে। এখন সরকার তার গদি ঠিক রাখার জন্য যদি উগ্র ধর্মান্ধতাদের সাথে হাত মিলায় তবে বুঝতে হবে একদিন এই সারকারের বুকেই ছুরি বসাবে। . ‪#‎ ধন্যবাদ‬রেজাউল কামাল।

আরও একটি দুর্ঘটনা, গেল আরও একটি নিষ্পাপ প্রাণ

সংবাদ মাধ্যম পুরো দমে লড়িয়ে দিচ্ছে জান দেখাতে আহত ড্রিম গার্লের রক্তাক্ত ক্ষতস্থান !!! প্রতিবাদের ভাষা কারো মুখে নাহি সরে যদি " ঢাই কিলোর মুকা " পিঠে এসে পড়ে !!!! বোকা বাক্স দেখাতে ব্যস্ত, কতই রক্ত বইছে নায়িকার গাল বেয়ে ছোট্ট মেয়েটা খেলার ছলে জানলোই না কখন মৃত্যু এল ধেয়ে !!! ' গরীব আদমি ' তো ' কুত্তা ' হয়েইছিল আগে দেখি অভিজিত বাবুর মনে আবার কি ভাবনা জাগে !!!! খবরের কাগজে নায়িকার ছাপা হয় ছবি , বরাদ্দ প্রথম পাতা ছোট্ট মেয়েটির বরাদ্দ একটি লাইন , আম আদমি বলে কথা !!!! ' সততে পে সততায় ' তিনি ছিলেন স্বপ্নের অভিনেত্রী সত্য যখন সামনে তখন তিনি শাসক দলের দলীয় নেত্রী !!! তাই সংবাদ পত্রের সবচেয়ে বড় কথা ' বাসন্তী , আজ রক্তে রাঙা ছোট মেয়েটির মায়ের আজ হোক না যতই হৃদয় ভাঙা !!!!

CPM সিপিএম

সিপিএম গুলো গণতন্ত্র নেই বলে চিৎকার করে।। তা গণতন্ত্র কাকে বলে সেটা বোধহয় সুশান্ত ঘোষ,,নিরুপম সেন,,অনিল বসু,,অমিয় পাত্র,,রঘুনাথ কুশারি,,লক্ষণ শেঠ,,ঋতব্রতদের থেকে শিখতে হবে।। সিপিএম যেনো ধোয়া তুলসী পাতা ছিলো।। সিপিএমের সন্ত্রাস যারা দেখেছে তারা তৃণমূলের সন্ত্রাসকে পকেটে ভরে নিয়ে বাড়ি চলে যাবে।। তৃণমূল যতোটা না সন্ত্রাস করছে তার চেয়ে বেশি মুখে উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে খারাপ হচ্ছে।। আর একটা কথা হোলো তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুখ খোলার অধিকার শুধুমাত্র বিজেপির আছে।। পশ্চিমবঙ্গকে সন্ত্রাস মুক্ত করতে পারে একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি।।

পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে পাচ মাইল কেন বহু জায়গায় দশ মাইল মুসলমান অধুষ্যিত এলাকা

পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে পাচ মাইল কেন বহু জায়গায় দশ মাইল মুসলমান অধুষ্যিত এলাকা। ত্রিপুরা, আসাম সীমান্তেও এরকম অবস্থা। ওপার থেকে লোক আসছে,থাকছে, ডাকাতি করছে, হিন্দু নারী ধর্ষন করছে করে আশ্রয় নিচ্ছে সীমান্ত এলাকার কিছু জাত ভাইয়ের বাড়িতে নতুবা, আশ্রয় নিচ্ছে আবার বাংলাদেশে। মালদহ, মুর্শিদাবাদ ত্রিপুরায় এসব ঘটনা প্রাত্যহিক ঘটে চলেছে। নদীয়া, ২৪ পরগনাতেও। হিন্দুরা নিরাপত্তার অভাব বোধে জমি, বাড়ি ফেলে সীমান্ত এলাকা থেকে পালিয়ে আসছে, অনুপ্রবেশকারীরাসেই জমি দখল করে পরমানন্দে বাস করছে। শিয়ালদহ বনগাঁ ট্রেনে থেকে বসে দেখা যায় বসতির পর বসতি শুধু বাংলাদেশি মুসলমানদের। আর এখানকার প্রশাসন এদের রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, লাইসেন্স করে দিচ্ছে, মুসলমান ভোটের কারনে, এরা গাড় মারছে আমাদের দেশের, হিন্দুদেরই ধরে ধরে ক্যালাচ্ছে, দেশে থেকে ভারতবিরোধি কাজ কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। ইহাই ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতা তথা হিন্দুর উদারতা।